আনিকা রহমান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

>Sojol Rana
হটক্যাটের মাধ্যমে − 4টি বিষয়শ্রেণী; +বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী অভিবাসী
 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "June" to "জুন"
 
৭ নং লাইন: ৭ নং লাইন:
    
    
==কাজ==
==কাজ==
তিনি ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত  [[এমএস ফাউন্ডেশন ফর উইমেন]] এর প্রধান এবং সিইও হসেবে দায়িত্ব পালন করেন।<ref name=":0">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://search.ebscohost.com/login.aspx?direct=true&db=bth&AN=65394739&site=ehost-live|শিরোনাম = Ms. Foundation CEO Warns of Looming 'Womancession'|শেষাংশ = Goudreau|প্রথমাংশ = Jenna|তারিখ = 30 June 2011|সাময়িকী = Forbes|ডিওআই = |
তিনি ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত  [[এমএস ফাউন্ডেশন ফর উইমেন]] এর প্রধান এবং সিইও হসেবে দায়িত্ব পালন করেন।<ref name=":0">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://search.ebscohost.com/login.aspx?direct=true&db=bth&AN=65394739&site=ehost-live|শিরোনাম = Ms. Foundation CEO Warns of Looming 'Womancession'|শেষাংশ = Goudreau|প্রথমাংশ = Jenna|তারিখ = 30 জুন 2011|সাময়িকী = Forbes|ডিওআই = |
|সংগ্রহের-তারিখ = 8 June 2015|পাতা = 37|সদস্যতা = yes|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> তার সময়কালে নারী অধিকার সংগঠনটি তিনটি প্রধান জাতীয় সমস্যা উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং এর উপর নতুনকরে পুনরায়-ব্র্যান্ডিং প্রচারাভিযান শুরু করে। <ref>http://www.crainsnewyork.com/article/20130407/NONPROFITS/304079967/reviving-a-trailblazer</ref> এর আগে ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি  [[জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল]] এর কাজে সমর্থনকারী এনজিও [[ফ্রেন্ডস ফর ইউএনএফপিএ]] এর সভাপতি ছিলেন।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://search.ebscohost.com/login.aspx?direct=true&db=f5h&AN=59525990&site=ehost-live|শিরোনাম = New Leadership Arrives at Ms. Foundation for Women|শেষাংশ = Khalamayzer|প্রথমাংশ = Anya|তারিখ = 7 March 2011|সাময়িকী = Crain's New York Business|ডিওআই = |pmid = |সংগ্রহের-তারিখ = 10 June 2015|খণ্ড = 27|সংখ্যা নং = 10|সদস্যতা = yes|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> এই সময়কালে তিনি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের জন্য মার্কিন সরকার এর তহবিল বৃদ্ধির জন্য প্রচার শুরু করেন। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামা জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের জন্য মার্কিন সরকার এর সমর্থন পুনরায় চালু করেন ।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://www.cnn.com/2009/POLITICS/01/23/obama.abortion/|শিরোনাম = Obama Reverses Abortion-Funding Policy|শেষাংশ = Malveaux|প্রথমাংশ = Suzanne|তারিখ = 24 January 2009|কর্ম = CNN U.S. Edition|সংগ্রহের-তারিখ = 8 June 2015|মাধ্যম = |ভাষা=ইংরেজি}}</ref> ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত আনিকা রহমান আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক কার্যক্রম “প্রজননগত অধিকার  কেন্দ্র” এর প্রতিষ্ঠাতা পরচালক হিসেবে কাজ করেন।  
|সংগ্রহের-তারিখ = 8 জুন 2015|পাতা = 37|সদস্যতা = yes|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> তার সময়কালে নারী অধিকার সংগঠনটি তিনটি প্রধান জাতীয় সমস্যা উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং এর উপর নতুনকরে পুনরায়-ব্র্যান্ডিং প্রচারাভিযান শুরু করে। <ref>http://www.crainsnewyork.com/article/20130407/NONPROFITS/304079967/reviving-a-trailblazer</ref> এর আগে ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি  [[জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল]] এর কাজে সমর্থনকারী এনজিও [[ফ্রেন্ডস ফর ইউএনএফপিএ]] এর সভাপতি ছিলেন।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://search.ebscohost.com/login.aspx?direct=true&db=f5h&AN=59525990&site=ehost-live|শিরোনাম = New Leadership Arrives at Ms. Foundation for Women|শেষাংশ = Khalamayzer|প্রথমাংশ = Anya|তারিখ = 7 March 2011|সাময়িকী = Crain's New York Business|ডিওআই = |pmid = |সংগ্রহের-তারিখ = 10 জুন 2015|খণ্ড = 27|সংখ্যা নং = 10|সদস্যতা = yes|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> এই সময়কালে তিনি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের জন্য মার্কিন সরকার এর তহবিল বৃদ্ধির জন্য প্রচার শুরু করেন। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামা জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের জন্য মার্কিন সরকার এর সমর্থন পুনরায় চালু করেন ।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://www.cnn.com/2009/POLITICS/01/23/obama.abortion/|শিরোনাম = Obama Reverses Abortion-Funding Policy|শেষাংশ = Malveaux|প্রথমাংশ = Suzanne|তারিখ = 24 January 2009|কর্ম = CNN U.S. Edition|সংগ্রহের-তারিখ = 8 জুন 2015|মাধ্যম = |ভাষা=ইংরেজি}}</ref> ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত আনিকা রহমান আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক কার্যক্রম “প্রজননগত অধিকার  কেন্দ্র” এর প্রতিষ্ঠাতা পরচালক হিসেবে কাজ করেন।  
২০০২ সালে তিনি একটি স্পর্ষকাতর  [[গ্লোবাল ঠাট্টা নিয়ম]] মামলার বাদী হন,যা মেক্সিকো সিটি নীতি নামে পরিচিত ছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://openjurist.org/304/f3d/183/center-for-reproductive-law-and-policy-v-w-bush|শিরোনাম = 304 F. 3d 183 - Center for Reproductive Law and Policy v. Bush|তারিখ = 13 September 2002|সংগ্রহের-তারিখ = 8 June 2015|ওয়েবসাইট = Open Jurist|প্রকাশক = |শেষাংশ = |প্রথমাংশ = |ভাষা=ইংরেজি}}</ref> তিনি  সহরচয়িতা  [[নাহিদ তৌবিয়া]]র সঙ্গে ''ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন  : বিশ্বব্যাপী আইন ও নীতি একটি প্রাকটিক্যাল গাইড''(২০০০)এর লেখক, যা  জেড বুকস দ্বারা প্রকাশিত হয়।<ref name="Huffbio">[http://www.huffingtonpost.com/anika-rahman/ "Anika Rahman"], ''The Huffington Post'', accessed 7 September 2013.
২০০২ সালে তিনি একটি স্পর্ষকাতর  [[গ্লোবাল ঠাট্টা নিয়ম]] মামলার বাদী হন,যা মেক্সিকো সিটি নীতি নামে পরিচিত ছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল = http://openjurist.org/304/f3d/183/center-for-reproductive-law-and-policy-v-w-bush|শিরোনাম = 304 F. 3d 183 - Center for Reproductive Law and Policy v. Bush|তারিখ = 13 September 2002|সংগ্রহের-তারিখ = 8 জুন 2015|ওয়েবসাইট = Open Jurist|প্রকাশক = |শেষাংশ = |প্রথমাংশ = |ভাষা=ইংরেজি}}</ref> তিনি  সহরচয়িতা  [[নাহিদ তৌবিয়া]]র সঙ্গে ''ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন  : বিশ্বব্যাপী আইন ও নীতি একটি প্রাকটিক্যাল গাইড''(২০০০)এর লেখক, যা  জেড বুকস দ্বারা প্রকাশিত হয়।<ref name="Huffbio">[http://www.huffingtonpost.com/anika-rahman/ "Anika Rahman"], ''The Huffington Post'', accessed 7 September 2013.
*[http://forwomen.org/content/36/en/ "Anika Rahman, President and CEO"] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://archive.is/20130908020310/http://forwomen.org/content/36/en/ |তারিখ=৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ }}, Ms. Foundation for Women, accessed 7 September 2013.</ref>
*[http://forwomen.org/content/36/en/ "Anika Rahman, President and CEO"] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://archive.is/20130908020310/http://forwomen.org/content/36/en/ |তারিখ=৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ }}, Ms. Foundation for Women, accessed 7 September 2013.</ref>
তিনি ২০০৯ সালে "২১ শতকের ২১ নেতৃবৃন্দ " পুরস্কার এবং২০০২ সালে কলাম্বিয়া ল স্কুল দ্বারা  সামাজিক দায়বদ্ধতা জন্য লরেন্স এ ভিয়েনা পুরস্কার পান ।তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিষদের একজন সদস্য
তিনি ২০০৯ সালে "২১ শতকের ২১ নেতৃবৃন্দ " পুরস্কার এবং২০০২ সালে কলাম্বিয়া ল স্কুল দ্বারা  সামাজিক দায়বদ্ধতা জন্য লরেন্স এ ভিয়েনা পুরস্কার পান ।তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিষদের একজন সদস্য