অদিতি সেন দে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

>Yahya
চিত্র যোগ #WPWPBN #WPWP
 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "2019" to "২০১৯"
 
৫৮ নং লাইন: ৫৮ নং লাইন:
অদিতি সেন দে কলকাতায় স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সময় কোয়ান্টাম তথ্য তত্ত্বের ক্ষেত্রে গবেষণা শুরু করেছিলেন এবং ২০০৪ সালে দানস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট লাভ করেন। কোয়ান্টাম তথ্য এবং গণনার ক্ষেত্রটি তখন একটি নতুন বিষয় ছিল। পোল্যান্ডের দানস্ক ছিল বিশ্বের অন্যতম প্রধান গবেষণা কেন্দ্র, যেখানে [[কোয়ান্টাম জট|কোয়ান্টাম জট তত্ত্ব]] নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হচ্ছিল। তার তত্ত্বাবধায়ক মারেক যুকভস্কি এবং তার স্বামী উজ্জ্বল সেনের মতো অন্যান্য বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় তিনি [[কোয়ান্টাম জট]], [[কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যা]] এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগের কিছু মৌলিক সমস্যা নিয়ে কাজ করেছিলেন। দানস্ক তার গবেষণা শেষ হওয়ার পরে, তিনি [[জার্মানি|জার্মানির]] [[হানোফার|হ্যানোভারের]] ম্যাকিয়েজ লেভেনস্টেইন এবং পরে স্পেনের দ্য ইনস্টিটিউট অফ ফোটোনিক সায়েন্সেস-এ যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি তার প্রাথমিক গবেষণার বেশ কিছু সময় ব্যয় করেছিলেন। এই সময়কালে, তিনি কোয়ান্টাম তথ্য এবং তার গবেষণাকে একীভূত করেছিলেন। কোয়ান্টাম ফেজ ট্রানজিশনের উপর তিনি গবেষণা করেন। [[জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়|জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে]] কিছুদিন কাজ করার পরে তিনি এলাহাবাদের হরিশ-চন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটে চলে আসেন। ২০০৯ সালে তিনি সেখানের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিদ উজ্জ্বল সেন এবং অরুণ কুমার পতির সাথে কোয়ান্টাম ইনফরমেশন অ্যান্ড কম্পিউটেশন গ্রুপের সূচনা করেছিলেন।<ref name="qic">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hri.res.in/~qic/|শিরোনাম=QIC group|ওয়েবসাইট=www.hri.res.in}}</ref> গত কয়েক বছর ধরে, বেশ কিছু তরুণ গবেষকরা তাদের ডক্টরালের পাশাপাশি পোস্টডক্টোরাল গবেষণা এই দলে সম্পন্ন করেছে। এর ফলে পদার্থবিজ্ঞানের সুপরিচিত জার্নালগুলিতে ৫০টিরও বেশি প্রকাশনা তৈরি হয়েছে। দলটি সারা বিশ্বের অংশগ্রহণকারী এবং বক্তাদের নিয়ে একাধিক সম্মেলন এবং কর্মশালার আয়োজন করেছে।
অদিতি সেন দে কলকাতায় স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সময় কোয়ান্টাম তথ্য তত্ত্বের ক্ষেত্রে গবেষণা শুরু করেছিলেন এবং ২০০৪ সালে দানস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট লাভ করেন। কোয়ান্টাম তথ্য এবং গণনার ক্ষেত্রটি তখন একটি নতুন বিষয় ছিল। পোল্যান্ডের দানস্ক ছিল বিশ্বের অন্যতম প্রধান গবেষণা কেন্দ্র, যেখানে [[কোয়ান্টাম জট|কোয়ান্টাম জট তত্ত্ব]] নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হচ্ছিল। তার তত্ত্বাবধায়ক মারেক যুকভস্কি এবং তার স্বামী উজ্জ্বল সেনের মতো অন্যান্য বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় তিনি [[কোয়ান্টাম জট]], [[কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যা]] এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগের কিছু মৌলিক সমস্যা নিয়ে কাজ করেছিলেন। দানস্ক তার গবেষণা শেষ হওয়ার পরে, তিনি [[জার্মানি|জার্মানির]] [[হানোফার|হ্যানোভারের]] ম্যাকিয়েজ লেভেনস্টেইন এবং পরে স্পেনের দ্য ইনস্টিটিউট অফ ফোটোনিক সায়েন্সেস-এ যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি তার প্রাথমিক গবেষণার বেশ কিছু সময় ব্যয় করেছিলেন। এই সময়কালে, তিনি কোয়ান্টাম তথ্য এবং তার গবেষণাকে একীভূত করেছিলেন। কোয়ান্টাম ফেজ ট্রানজিশনের উপর তিনি গবেষণা করেন। [[জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়|জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে]] কিছুদিন কাজ করার পরে তিনি এলাহাবাদের হরিশ-চন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটে চলে আসেন। ২০০৯ সালে তিনি সেখানের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিদ উজ্জ্বল সেন এবং অরুণ কুমার পতির সাথে কোয়ান্টাম ইনফরমেশন অ্যান্ড কম্পিউটেশন গ্রুপের সূচনা করেছিলেন।<ref name="qic">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hri.res.in/~qic/|শিরোনাম=QIC group|ওয়েবসাইট=www.hri.res.in}}</ref> গত কয়েক বছর ধরে, বেশ কিছু তরুণ গবেষকরা তাদের ডক্টরালের পাশাপাশি পোস্টডক্টোরাল গবেষণা এই দলে সম্পন্ন করেছে। এর ফলে পদার্থবিজ্ঞানের সুপরিচিত জার্নালগুলিতে ৫০টিরও বেশি প্রকাশনা তৈরি হয়েছে। দলটি সারা বিশ্বের অংশগ্রহণকারী এবং বক্তাদের নিয়ে একাধিক সম্মেলন এবং কর্মশালার আয়োজন করেছে।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, অদিতি সেন দে কোয়ান্টাম তথ্য এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে, [[কোয়ান্টাম জট|কোয়ান্টাম জট তত্ত্বের]] ক্ষেত্রে তার অবদান অসামান্য।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://ssbprize.gov.in/Content/Detail.aspx?AID=545|শিরোনাম=Awardee Details: Shanti Swarup Bhatnagar Prize|ওয়েবসাইট=ssbprize.gov.in|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-31}}</ref> তার কাজের মধ্যে কোয়ান্টাম চ্যানেল তত্ত্ব, [[কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যা|কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যার]] সুরক্ষা এবং কোয়ান্টাম সম্পর্কের পরিমাপও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hri.res.in/~aditi/Research%20interest.html|শিরোনাম=Research Interests: Aditi Sen De}}</ref>
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, অদিতি সেন দে কোয়ান্টাম তথ্য এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে, [[কোয়ান্টাম জট|কোয়ান্টাম জট তত্ত্বের]] ক্ষেত্রে তার অবদান অসামান্য।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://ssbprize.gov.in/Content/Detail.aspx?AID=545|শিরোনাম=Awardee Details: Shanti Swarup Bhatnagar Prize|ওয়েবসাইট=ssbprize.gov.in|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-08-31}}</ref> তার কাজের মধ্যে কোয়ান্টাম চ্যানেল তত্ত্ব, [[কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যা|কোয়ান্টাম তথ্যগুপ্তিবিদ্যার]] সুরক্ষা এবং কোয়ান্টাম সম্পর্কের পরিমাপও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hri.res.in/~aditi/Research%20interest.html|শিরোনাম=Research Interests: Aditi Sen De}}</ref>


== পুরস্কার ও সম্মাননা ==
== পুরস্কার ও সম্মাননা ==
বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল তাকে [[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শান্তি স্বরূপ ভটনাগর পুরস্কার|শান্তি স্বরূপ ভটনাগর পুরস্কার]] প্রদান করেছে। এটি ২০১৮ সালের অন্যতম ভারতীয় বিজ্ঞান পুরস্কার।<ref name="Bhatnagar" /> তিনি ভৌত বিজ্ঞান বিভাগে এই পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.news18.com/news/buzz/52016-thats-the-ratio-of-male-female-scientists-who-win-prizes-why-are-the-numbers-so-far-apart-2059227.html|শিরোনাম='I Was the Only Woman in the Room': The Difficulty in Being a Female Scientist in India|ওয়েবসাইট=News18|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-31}}</ref> ২০১২ সালে, তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান ও [[জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান]] ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এমন তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য ইন্ডিয়ান ফিজিক্স অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিবার্ষিক বুটি ফাউন্ডেশন পুরস্কার জিতেছেন।<ref name="Buti Award">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.tifr.res.in/~ipa1970/butilist.php|শিরোনাম='Buti Foundation Award : Awardees'}}</ref> তিনি স্পেনের রেমন ই কাহাল মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ এবং জার্মানির আলেকজান্ডার ভন হাম্বলড ফাউন্ডেশন কর্তৃক হাম্বলড্ড রিসার্চ ফেলোশিপ অর্জন করেছেন।
বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল তাকে [[বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শান্তি স্বরূপ ভটনাগর পুরস্কার|শান্তি স্বরূপ ভটনাগর পুরস্কার]] প্রদান করেছে। এটি ২০১৮ সালের অন্যতম ভারতীয় বিজ্ঞান পুরস্কার।<ref name="Bhatnagar" /> তিনি ভৌত বিজ্ঞান বিভাগে এই পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.news18.com/news/buzz/52016-thats-the-ratio-of-male-female-scientists-who-win-prizes-why-are-the-numbers-so-far-apart-2059227.html|শিরোনাম='I Was the Only Woman in the Room': The Difficulty in Being a Female Scientist in India|ওয়েবসাইট=News18|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-08-31}}</ref> ২০১২ সালে, তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান ও [[জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান]] ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এমন তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য ইন্ডিয়ান ফিজিক্স অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিবার্ষিক বুটি ফাউন্ডেশন পুরস্কার জিতেছেন।<ref name="Buti Award">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.tifr.res.in/~ipa1970/butilist.php|শিরোনাম='Buti Foundation Award : Awardees'}}</ref> তিনি স্পেনের রেমন ই কাহাল মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ এবং জার্মানির আলেকজান্ডার ভন হাম্বলড ফাউন্ডেশন কর্তৃক হাম্বলড্ড রিসার্চ ফেলোশিপ অর্জন করেছেন।


== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==