অরুন নন্দী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "2019" to "২০১৯"
 
৮৮ নং লাইন: ৮৮ নং লাইন:


==কর্মজীবন==
==কর্মজীবন==
অরুন নন্দী ১৯৭১ সালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে [[মুক্তিযোদ্ধা|মুক্তিযোদ্ধাদের]] জন্যে তহবিল সংগ্রহে [[কলকাতা|কলকাতার]] কলেজ স্কয়ারে ৯০ ঘণ্টা ৫ মিনিট [[সাঁতার (ক্রীড়া)|সাঁতার]] কেটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। এ প্রতিযোগিতা বিজয়ী হয়ে পাওয়া অর্থ তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয় করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/bangladesh/2007/02/04/four-swimmers-to-participate-in-world-championship|শিরোনাম=Four swimmers to participate in World Championship|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-07-16}}</ref> ওই সময় তার সাঁতার দেখতে [[সত্যজিৎ রায়]], [[উত্তম কুমার]], [[ব্রজেন দাস|ব্রজেন দাশসহ]] অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিরা ছুটে আসেন। এসব ব্যক্তিরা ছাড়াও সাঁতার দেখতে আসা  উপস্থিত দর্শকদের মাতিয়ে রাখতে পুরস্কার মঞ্চেই গান গান [[মান্না দে]]। যার মাধ্যমে ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার হয়।  ১৯৭৪ সালে [[পদ্মা নদী|পদ্মা]], [[মেঘনা নদী|মেঘনা]] ও [[বুড়িগঙ্গা নদী|বুড়িগঙ্গা নদীতে]] ১১০ কি. মি. সাঁতার কেটে চ্যাম্পিয়ন হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/sport/2008/11/18/former-swimmer-freedom-fighter-cremated|শিরোনাম=Former swimmer, freedom fighter cremated|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-07-16}}</ref> ১৯৬২ সালে চৌমুহনী কলেজের সাঁতার প্রতিযোগিতায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন ১৯৬৫ সালে [[ইংলিশ চ্যানেল]] ক্রসিং কমিটির আয়োজনে [[নারায়ণগঞ্জ]]-[[চাঁদপুর]] দীর্ঘ দূরত্বের সাঁতার প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ১৯৬৫-৬৬ সালে [[দাউদকান্দি উপজেলা|দাউদকান্দি]]-[[নারায়ণগঞ্জ]] পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সাঁতার প্রতিযোগিতা  তিনি দ্বিতীয় স্থান দখল করেন। চাঁদপুরের তরুণদের [[সাঁতার (ক্রীড়া)|সাঁতারু]] হিসেবে তৈরির জন্যে তিনি [[অরুণ নন্দী সুইমিং ক্লাব]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৩-২০০৬ পর্যন্ত [[বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন|বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের]] সহ-সভাপতি ছিলেন। ২০০৬-২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ফেডারেশন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। <ref name="DS-2"/>
অরুন নন্দী ১৯৭১ সালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে [[মুক্তিযোদ্ধা|মুক্তিযোদ্ধাদের]] জন্যে তহবিল সংগ্রহে [[কলকাতা|কলকাতার]] কলেজ স্কয়ারে ৯০ ঘণ্টা ৫ মিনিট [[সাঁতার (ক্রীড়া)|সাঁতার]] কেটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। এ প্রতিযোগিতা বিজয়ী হয়ে পাওয়া অর্থ তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয় করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/bangladesh/2007/02/04/four-swimmers-to-participate-in-world-championship|শিরোনাম=Four swimmers to participate in World Championship|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-07-16}}</ref> ওই সময় তার সাঁতার দেখতে [[সত্যজিৎ রায়]], [[উত্তম কুমার]], [[ব্রজেন দাস|ব্রজেন দাশসহ]] অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিরা ছুটে আসেন। এসব ব্যক্তিরা ছাড়াও সাঁতার দেখতে আসা  উপস্থিত দর্শকদের মাতিয়ে রাখতে পুরস্কার মঞ্চেই গান গান [[মান্না দে]]। যার মাধ্যমে ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার হয়।  ১৯৭৪ সালে [[পদ্মা নদী|পদ্মা]], [[মেঘনা নদী|মেঘনা]] ও [[বুড়িগঙ্গা নদী|বুড়িগঙ্গা নদীতে]] ১১০ কি. মি. সাঁতার কেটে চ্যাম্পিয়ন হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/sport/2008/11/18/former-swimmer-freedom-fighter-cremated|শিরোনাম=Former swimmer, freedom fighter cremated|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-07-16}}</ref> ১৯৬২ সালে চৌমুহনী কলেজের সাঁতার প্রতিযোগিতায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন ১৯৬৫ সালে [[ইংলিশ চ্যানেল]] ক্রসিং কমিটির আয়োজনে [[নারায়ণগঞ্জ]]-[[চাঁদপুর]] দীর্ঘ দূরত্বের সাঁতার প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ১৯৬৫-৬৬ সালে [[দাউদকান্দি উপজেলা|দাউদকান্দি]]-[[নারায়ণগঞ্জ]] পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সাঁতার প্রতিযোগিতা  তিনি দ্বিতীয় স্থান দখল করেন। চাঁদপুরের তরুণদের [[সাঁতার (ক্রীড়া)|সাঁতারু]] হিসেবে তৈরির জন্যে তিনি [[অরুণ নন্দী সুইমিং ক্লাব]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৩-২০০৬ পর্যন্ত [[বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন|বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের]] সহ-সভাপতি ছিলেন। ২০০৬-২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ফেডারেশন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। <ref name="DS-2"/>


==পুরস্কার==
==পুরস্কার==
৯৪ নং লাইন: ৯৪ নং লাইন:


==মৃত্যু==
==মৃত্যু==
অরুন শেষ জীবনে ঢাকার হকি স্টেডিয়ামের দোতালায় একটি খুপড়ি ঘরে দীর্ঘদিন নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেন এবং কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। পরে কলকাতার একটি হাসপাতালে ২৬ নভেম্বর ২০০৮ সালে চিকিৎসাধীন থাকবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। <ref name="DS-1"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/sport/2008/11/16/swimming-hero-nandi-dies|শিরোনাম=Swimming hero Nandi dies|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-07-16}}</ref>
অরুন শেষ জীবনে ঢাকার হকি স্টেডিয়ামের দোতালায় একটি খুপড়ি ঘরে দীর্ঘদিন নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেন এবং কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। পরে কলকাতার একটি হাসপাতালে ২৬ নভেম্বর ২০০৮ সালে চিকিৎসাধীন থাকবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। <ref name="DS-1"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bdnews24.com/sport/2008/11/16/swimming-hero-nandi-dies|শিরোনাম=Swimming hero Nandi dies|ওয়েবসাইট=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-07-16}}</ref>


==তথ্যসূত্র==
==তথ্যসূত্র==