খ্রিষ্টধর্ম: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
ImportMaster (আলোচনা | অবদান) robot: Import articles using বিশেষ:আমদানি |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| (২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৪১ নং লাইন: | ৪১ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
{{খ্রিস্টধর্ম}} | {{খ্রিস্টধর্ম}} | ||
''' | '''খ্রিষ্টধর্ম'''<ref group=টীকা>এই নিবন্ধে "খ্রিস্ট", "খ্রিস্টান", "খ্রিস্টধর্ম", "খ্রিস্টাব্দ", "যিশু" ইত্যাদি বানানগুলি প্রমিত বানান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলায় বিভিন্ন গ্রন্থে ও রচনায় খ্রীষ্ট, খ্রিষ্ট, খৃষ্ট, খ্রীষ্টান, খ্রিষ্টান, খ্রিষ্টাব্দ, যীশু ইত্যাদি বানানগুলিও বহুল প্রচলিত।</ref> ({{lang-el|Χριστιανισμός}}; {{lang-he|נצרות}}; {{lang-ar|المسيحية}}; {{lang-arc|ܡܫܝܚܝܘܬܐ}}) একটি [[ইব্রাহিমীয় ধর্ম|অব্রাহামীয়]] [[একেশ্বরবাদ]]ী ধর্ম যা [[নাসরৎ|নাসরতীয়]] [[যীশু]]র [[নতুন নিয়মে যীশুর জীবন|জীবন]] ও [[যীশুর পরিচর্যা|শিক্ষার]] ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয়। এটি [[প্রধান ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠীসমূহ|পৃথিবীর বৃহত্তম ধর্ম]], যার অনুসারী সংখ্যা ২.৫ বিলিয়ন।<ref>{{Cite web|title=World's largest religion by population is still Christianity|url=https://countrymeters.info/en/World#religion|access-date=1 January 2020|website=Countrymeters|language=en-US}}</ref> এর অনুসারীগণ—যারা [[খ্রিস্টান]] হিসেবে পরিচিত—[[দেশ অনুযায়ী খ্রিস্টধর্ম|১৫৭টি দেশ ও অঞ্চলের]] সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠী,<ref>[[Pew Forum|The Pew Forum on Religion and Public Life]]. December 2012. "[https://assets.pewresearch.org/wp-content/uploads/sites/11/2014/01/global-religion-full.pdf The Global Religious Landscape: A Report on the Size and Distribution of the World's Major Religious Groups as of 2010]." DC: Pew Research Center. [https://www.pewforum.org/2012/12/18/global-religious-landscape-exec/ Article].</ref> এবং তারা বিশ্বাস করে যে যীশু হলেন [[ঈশ্বরের পুত্র]], যাঁর [[মশীহ]] বা [[খ্রীষ্ট (উপাধি)|খ্রীষ্ট]] হিসেবে আগমনের ব্যাপারে [[হিব্রু বাইবেল]] বা [[পুরাতন নিয়ম]]ে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে এবং [[নতুন নিয়ম]]ে তা বিবৃত হয়েছে।<ref>{{harvnb|Woodhead|2004|p=n.p}}</ref> | ||
খ্রিস্টধর্ম সাংস্কৃতিকভাবে এর [[পশ্চিমা খ্রিস্টধর্ম|পশ্চিমা]] ও [[পূর্বদেশীয় খ্রিস্টধর্ম|পূর্বদেশীয় শাখাগুলোর]] মধ্যে এবং পরিত্রাণের প্রকৃতি ও প্রতিপাদন, যাজকাভিষেক, মণ্ডলীতত্ত্ব ও [[খ্রিস্টতত্ত্ব]] বিষয়ক মতাদর্শে বৈচিত্র্যময়। খ্রিস্টানদের সাধারণ ধর্মমত অনুসারে যীশু হলেন [[ঈশ্বরের পুত্র]] ও [[পুত্র ঈশ্বর|পুত্র ঈশ্বরের]] অবতার—[[অবতারবাদ|মাংসে মূর্তিমান বাক্য]]—যিনি [[যীশুর পরিচর্যা|পরিচর্যা]], [[যীশুর দুঃখভোগ|দুঃখভোগ]] ও [[যীশুর ক্রুশারোপণ|ক্রুশারোপিত]] হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে মানবজাতির পরিত্রাণের জন্য [[যীশুর পুনরুত্থান|মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত]] হয়েছিলেন, যা বাইবেলে [[সুসমাচার]] তথা “সুখবর” বলে অবিহিত হয়েছে। [[সাধু মথি লিখিত সুসমাচার|সাধু মথি]], [[সাধু মার্ক লিখিত সুসমাচার|মার্ক]], [[সাধু লূক লিখিত সুসমাচার|লূক]] ও [[সাধু যোহন লিখিত সুসমাচার|যোহন]] লিখিত চারটি [[যাজকীয় অনুশাসন|ধর্মসম্মত]] [[সুসমাচার|সুসমাচারের]] পাশাপাশি এর পটভূমি হিসেবে [[ইহুদি]] পুরাতন নিয়ম হল যীশুর জীবন ও শিক্ষার বিবরণী। | খ্রিস্টধর্ম সাংস্কৃতিকভাবে এর [[পশ্চিমা খ্রিস্টধর্ম|পশ্চিমা]] ও [[পূর্বদেশীয় খ্রিস্টধর্ম|পূর্বদেশীয় শাখাগুলোর]] মধ্যে এবং পরিত্রাণের প্রকৃতি ও প্রতিপাদন, যাজকাভিষেক, মণ্ডলীতত্ত্ব ও [[খ্রিস্টতত্ত্ব]] বিষয়ক মতাদর্শে বৈচিত্র্যময়। খ্রিস্টানদের সাধারণ ধর্মমত অনুসারে যীশু হলেন [[ঈশ্বরের পুত্র]] ও [[পুত্র ঈশ্বর|পুত্র ঈশ্বরের]] অবতার—[[অবতারবাদ|মাংসে মূর্তিমান বাক্য]]—যিনি [[যীশুর পরিচর্যা|পরিচর্যা]], [[যীশুর দুঃখভোগ|দুঃখভোগ]] ও [[যীশুর ক্রুশারোপণ|ক্রুশারোপিত]] হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে মানবজাতির পরিত্রাণের জন্য [[যীশুর পুনরুত্থান|মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত]] হয়েছিলেন, যা বাইবেলে [[সুসমাচার]] তথা “সুখবর” বলে অবিহিত হয়েছে। [[সাধু মথি লিখিত সুসমাচার|সাধু মথি]], [[সাধু মার্ক লিখিত সুসমাচার|মার্ক]], [[সাধু লূক লিখিত সুসমাচার|লূক]] ও [[সাধু যোহন লিখিত সুসমাচার|যোহন]] লিখিত চারটি [[যাজকীয় অনুশাসন|ধর্মসম্মত]] [[সুসমাচার|সুসমাচারের]] পাশাপাশি এর পটভূমি হিসেবে [[ইহুদি]] পুরাতন নিয়ম হল যীশুর জীবন ও শিক্ষার বিবরণী। | ||