অবধূত গুপ্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "January" to "জানুয়ারি"
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "2019" to "২০১৯"
 
(একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
২০ নং লাইন: ২০ নং লাইন:


=== সঙ্গীত ===
=== সঙ্গীত ===
সংগীতশিল্পী ''পাউস'' হিসাবে গুপ্তের প্রথম সংগীত অ্যালবামটি মুম্বাই-ভিত্তিক সংস্থা সাগরিকা মিউজিক চালু করেছিল । <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://navbharattimes.indiatimes.com/articleshow/1307034.cms|শিরোনাম=आज भी मैं संगीत का स्टूडेंट हूं: अवधूत गुप्ते|শেষাংশ=Sharma, Chandra Mohan|তারিখ=28 November 2005|প্রকাশক=[[Navbharat Times]]|ভাষা=Hindi|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref> এই অ্যালবামের জন্য ২০০২ সালে আলফা গৌরব পুরস্করে তাকে সেরা সুরকার হিসাবে ভূষিত করা হয়েছিল। <ref name="Prof-Composer">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.avadhootgupte.com/profile.html|শিরোনাম=Profile – The Composer|শেষাংশ=Gupte, Avadhoot|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref> গায়ক বৈশালী সামন্তের সাথে তাঁর পরবর্তী [[ভারতীয় পপ|ইন্দি-পপ]] অ্যালবাম ''আইকা দজিবা'' (২০০৩)ও সাগরিকা প্রকাশ করেছিলেন। অ্যালবামটি গুপ্তে এবং সামান্ট উভয়কেই নতুন খ্যাতি এনেছিল। আইকা দজিবা শিরোনামের গানের ভিডিওটিতে মিলিন্দ গুণজি এবং শিতা অরুণ বৈশিষ্ট্যযুক্ত। বিভিন্ন রিমিক্স গান, ফিল্ম এবং লাইভ শোয়ের জন্য গান করার পরে, ''আইকা দজিবা'' ছিলেন ''সামান্তের'' প্রথম অ্যালবাম। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2003/20030322/windows/main5.htm|শিরোনাম=Making a mark – The queen of remixes|শেষাংশ=Pal, Dharam|তারিখ=22 March 2003|কর্ম=[[The Tribune (Chandigarh)|The Tribune]]|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref>
সংগীতশিল্পী ''পাউস'' হিসাবে গুপ্তের প্রথম সংগীত অ্যালবামটি মুম্বাই-ভিত্তিক সংস্থা সাগরিকা মিউজিক চালু করেছিল । <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://navbharattimes.indiatimes.com/articleshow/1307034.cms|শিরোনাম=आज भी मैं संगीत का स्टूडेंट हूं: अवधूत गुप्ते|শেষাংশ=Sharma, Chandra Mohan|তারিখ=28 November 2005|প্রকাশক=[[Navbharat Times]]|ভাষা=Hindi|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref> এই অ্যালবামের জন্য ২০০২ সালে আলফা গৌরব পুরস্করে তাকে সেরা সুরকার হিসাবে ভূষিত করা হয়েছিল। <ref name="Prof-Composer">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.avadhootgupte.com/profile.html|শিরোনাম=Profile – The Composer|শেষাংশ=Gupte, Avadhoot|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref> গায়ক বৈশালী সামন্তের সাথে তাঁর পরবর্তী [[ভারতীয় পপ|ইন্দি-পপ]] অ্যালবাম ''আইকা দজিবা'' (২০০৩)ও সাগরিকা প্রকাশ করেছিলেন। অ্যালবামটি গুপ্তে এবং সামান্ট উভয়কেই নতুন খ্যাতি এনেছিল। আইকা দজিবা শিরোনামের গানের ভিডিওটিতে মিলিন্দ গুণজি এবং শিতা অরুণ বৈশিষ্ট্যযুক্ত। বিভিন্ন রিমিক্স গান, ফিল্ম এবং লাইভ শোয়ের জন্য গান করার পরে, ''আইকা দজিবা'' ছিলেন ''সামান্তের'' প্রথম অ্যালবাম। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2003/20030322/windows/main5.htm|শিরোনাম=Making a mark – The queen of remixes|শেষাংশ=Pal, Dharam|তারিখ=22 মার্চ 2003|কর্ম=[[The Tribune (Chandigarh)|The Tribune]]|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012}}</ref>


টিভিএস সারেগামার জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা জিতলে অবধূতের গাওয়া কেরিয়ার শুরু হয়েছিল। সেই থেকে তিনি [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]] এবং [[মারাঠি ভাষা|মারাঠি]] গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অবধূত বেশ কয়েকটি রিমিক্স অ্যালবাম সাজিয়েছে।
টিভিএস সারেগামার জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা জিতলে অবধূতের গাওয়া কেরিয়ার শুরু হয়েছিল। সেই থেকে তিনি [[হিন্দি ভাষা|হিন্দি]] এবং [[মারাঠি ভাষা|মারাঠি]] গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অবধূত বেশ কয়েকটি রিমিক্স অ্যালবাম সাজিয়েছে।
৪২ নং লাইন: ৪২ নং লাইন:


=== ফিল্মস ===
=== ফিল্মস ===
গুপ্তের বৈশিষ্ট্য ছায়াছবির প্রযোজনা ও পরিচালনায় সরানো হয়েছে। তাঁর প্রথম উদ্যোগটি ছিল ২০১০ সালের [[মারাঠি ভাষা|মারাঠি]] ছবি ''জেন্ডা'' যা বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। ''জেন্ডা'' প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলিতে দুই চাচাত ভাইয়ের মধ্যে বিবাদের চিত্রিত করেছিলেন, মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) এর প্রধান রাজ ঠাকর এবং তাঁর চাচাত ভাই, [[শিব সেনা|শিবসেনার]] কার্যনির্বাহী সভাপতি উদ্ধব ঠাকরের মধ্যে বাস্তব জীবনের লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। গুপ্ত বিশ্বাস করেন যে এটি মারাঠি যুবক এবং রাজনৈতিক দলগুলিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পর্কে আরও বেশি, ফিল্মে ঠাকরয়ের প্রতিনিধিত্বকারী কয়েকটি চরিত্র <ref name="Contro">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/entertainment/report_controversies-may-follow-avadhoot-gupte-but-he-is-here-to-tell-stories_1579868|শিরোনাম=Controversies may follow Avadhoot Gupte but he is here to tell stories|শেষাংশ=Salgaokar, Shakti|তারিখ=26 August 2011|কর্ম=[[DNA (newspaper)|DNA]]|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012|অবস্থান=Mumbai}}</ref> এবং চলচ্চিত্রটি "রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নয়"। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mid-day.com/news/2010/jan/050110-Uddhav-Raj-Thakrey-Zenda-Avdhoot-Gupte-Pune.htm|শিরোনাম=Uddhav-Raj feud on silver scree|শেষাংশ=Sabnis, Vivek|তারিখ=5 জানুয়ারি 2010|কর্ম=[[Mid Day]]|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012|অবস্থান=Pune}}</ref> সর্বজনীনভাবে চূড়ান্ত মুক্তির আগে, এই ছবিটি ঠাকরেদের দেখানো হয়েছিল এবং তাদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছিল। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://khabar.ibnlive.in.com/news/26235/3|শিরোনাম=ठाकरे परिवार पर बनी फिल्म 'झेंडा' को लेकर विवाद|তারিখ=9 জানুয়ারি 2010|প্রকাশক=[[IBN Live]]|ভাষা=Hindi|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140821175736/http://khabar.ibnlive.in.com/news/26235/3|আর্কাইভের-তারিখ=২১ আগস্ট ২০১৪|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> ছবিটি ২০১০ সালের জানুয়ারিতে [[মহারাষ্ট্র]] রাজ্য জুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। নীতেশ রেনের নেতৃত্বাধীন "স্বাভিমান সংস্থা" চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য মুক্তি বিলম্বিত হয়েছিল। রেন ছবিতে এমন একটি চরিত্রের বিরোধিতা করেছিলেন যা তাঁর পিতা নারায়ণ রাণ, [[মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী|মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী]] এবং তৎকালীন রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। <ref>{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.screenindia.com/news/zenda-abohomann-to-release-on-january-22/569196/|তারিখ=22 জানুয়ারি 2010|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.is/20130202033011/http://www.screenindia.com/news/zenda-abohomann-to-release-on-january-22/569196/|আর্কাইভের-তারিখ=2 February 2013|ইউআরএল-অবস্থা=dead}}</ref>
গুপ্তের বৈশিষ্ট্য ছায়াছবির প্রযোজনা ও পরিচালনায় সরানো হয়েছে। তাঁর প্রথম উদ্যোগটি ছিল ২০১০ সালের [[মারাঠি ভাষা|মারাঠি]] ছবি ''জেন্ডা'' যা বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। ''জেন্ডা'' প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলিতে দুই চাচাত ভাইয়ের মধ্যে বিবাদের চিত্রিত করেছিলেন, মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) এর প্রধান রাজ ঠাকর এবং তাঁর চাচাত ভাই, [[শিব সেনা|শিবসেনার]] কার্যনির্বাহী সভাপতি উদ্ধব ঠাকরের মধ্যে বাস্তব জীবনের লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। গুপ্ত বিশ্বাস করেন যে এটি মারাঠি যুবক এবং রাজনৈতিক দলগুলিতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পর্কে আরও বেশি, ফিল্মে ঠাকরয়ের প্রতিনিধিত্বকারী কয়েকটি চরিত্র <ref name="Contro">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/entertainment/report_controversies-may-follow-avadhoot-gupte-but-he-is-here-to-tell-stories_1579868|শিরোনাম=Controversies may follow Avadhoot Gupte but he is here to tell stories|শেষাংশ=Salgaokar, Shakti|তারিখ=26 August 2011|কর্ম=[[DNA (newspaper)|DNA]]|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012|অবস্থান=Mumbai}}</ref> এবং চলচ্চিত্রটি "রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নয়"। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mid-day.com/news/2010/jan/050110-Uddhav-Raj-Thakrey-Zenda-Avdhoot-Gupte-Pune.htm|শিরোনাম=Uddhav-Raj feud on silver scree|শেষাংশ=Sabnis, Vivek|তারিখ=5 জানুয়ারি 2010|কর্ম=[[Mid Day]]|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012|অবস্থান=Pune}}</ref> সর্বজনীনভাবে চূড়ান্ত মুক্তির আগে, এই ছবিটি ঠাকরেদের দেখানো হয়েছিল এবং তাদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছিল। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://khabar.ibnlive.in.com/news/26235/3|শিরোনাম=ठाकरे परिवार पर बनी फिल्म 'झेंडा' को लेकर विवाद|তারিখ=9 জানুয়ারি 2010|প্রকাশক=[[IBN Live]]|ভাষা=Hindi|সংগ্রহের-তারিখ=17 December 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140821175736/http://khabar.ibnlive.in.com/news/26235/3|আর্কাইভের-তারিখ=২১ আগস্ট ২০১৪|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> ছবিটি ২০১০ সালের জানুয়ারিতে [[মহারাষ্ট্র]] রাজ্য জুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। নীতেশ রেনের নেতৃত্বাধীন "স্বাভিমান সংস্থা" চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য মুক্তি বিলম্বিত হয়েছিল। রেন ছবিতে এমন একটি চরিত্রের বিরোধিতা করেছিলেন যা তাঁর পিতা নারায়ণ রাণ, [[মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী|মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী]] এবং তৎকালীন রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। <ref>{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.screenindia.com/news/zenda-abohomann-to-release-on-january-22/569196/|তারিখ=22 জানুয়ারি 2010|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.is/20130202033011/http://www.screenindia.com/news/zenda-abohomann-to-release-on-january-22/569196/|আর্কাইভের-তারিখ=2 ফেব্রুয়ারি 2013|ইউআরএল-অবস্থা=dead}}</ref>


''মরিয়া'' তার দ্বিতীয় উদ্যোগে মুম্বইয়ের বিখ্যাত [[গণেশ চতুর্থী|গণেশ উত্সবের]] সামাজিক বিষয়টিকে ছুঁয়েছিলেন দু'পক্ষের দৌরাত্বে । অনুদানের সংগ্রহ, লাউড স্পিকারদের দ্বারা শব্দদূষণ, রাজনৈতিক দলের জড়িত হওয়া এবং [[ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং হিংসাত্মক ঘটনাবলি|হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষের]] বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই [[ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং হিংসাত্মক ঘটনাবলি|বিষয়টিতে কাজ করা হয়েছিল]] । <ref name="Contro"/> ছবিটি ১৯ আগস্ট ২০১১-এ প্রকাশিত হয়েছিল। উত্সাহের অন্ধকার দিকটিতে গুপ্তের গ্রহণের প্রশংসা করে এটি বেশিরভাগ সমালোচক এবং জনগণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/entertainment/report_review-moraya-is-commendable-but-not-entertaining_1577918|শিরোনাম=Review: Moraya is commendable, but not entertaining|শেষাংশ=Salgaokar, Shakti|তারিখ=20 August 2011|কর্ম=[[DNA (newspaper)|DNA]]|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012}}</ref>
''মরিয়া'' তার দ্বিতীয় উদ্যোগে মুম্বইয়ের বিখ্যাত [[গণেশ চতুর্থী|গণেশ উত্সবের]] সামাজিক বিষয়টিকে ছুঁয়েছিলেন দু'পক্ষের দৌরাত্বে । অনুদানের সংগ্রহ, লাউড স্পিকারদের দ্বারা শব্দদূষণ, রাজনৈতিক দলের জড়িত হওয়া এবং [[ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং হিংসাত্মক ঘটনাবলি|হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষের]] বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই [[ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং হিংসাত্মক ঘটনাবলি|বিষয়টিতে কাজ করা হয়েছিল]] । <ref name="Contro"/> ছবিটি ১৯ আগস্ট ২০১১-এ প্রকাশিত হয়েছিল। উত্সাহের অন্ধকার দিকটিতে গুপ্তের গ্রহণের প্রশংসা করে এটি বেশিরভাগ সমালোচক এবং জনগণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/entertainment/report_review-moraya-is-commendable-but-not-entertaining_1577918|শিরোনাম=Review: Moraya is commendable, but not entertaining|শেষাংশ=Salgaokar, Shakti|তারিখ=20 August 2011|কর্ম=[[DNA (newspaper)|DNA]]|সংগ্রহের-তারিখ=14 December 2012}}</ref>
৪৯ নং লাইন: ৪৯ নং লাইন:


== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা|2}} [https://web.archive.org/web/20190416182531/https://www.marathibio.com/actress/sayli-patil-biography/ সায়লি পাতিল জীবনী | বয়েজ ২  কাস্ট]
{{সূত্র তালিকা|2}} [https://web.archive.org/web/২০১৯0416182531/https://www.marathibio.com/actress/sayli-patil-biography/ সায়লি পাতিল জীবনী | বয়েজ ২  কাস্ট]


== বহিঃসংযোগ ==
== বহিঃসংযোগ ==