বিষয়বস্তুতে চলুন

আইএনএস অরিহন্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভারতপিডিয়া থেকে
রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "January" to "জানুয়ারি"
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "June" to "জুন"
 
(একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত একটি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৩৬ নং লাইন: ৩৬ নং লাইন:
|Header caption=
|Header caption=
|Ship class=[[অরিহন্ত-শ্রেণি ডুবোজাহাজ|''অরিহন্ত''-শ্রেণি]] [[দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ডুবোজাহাজ]]
|Ship class=[[অরিহন্ত-শ্রেণি ডুবোজাহাজ|''অরিহন্ত''-শ্রেণি]] [[দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ডুবোজাহাজ]]
|Ship displacement=ভেসে ত্তঠা অবস্থায়: ৬,০০০ টন (আনুমানিক) <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.defencenow.com/news/551/india-to-construct-two-more-arihant-nuclear-submarines-for-navy.html |শিরোনাম=India to Construct Two More Arihant Nuclear Submarines for Navy |প্রকাশক=DefenceNow |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150712032120/http://www.defencenow.com/news/551/india-to-construct-two-more-arihant-nuclear-submarines-for-navy.html# |আর্কাইভের-তারিখ=১২ জুলাই ২০১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
|Ship displacement=ভেসে ত্তঠা অবস্থায়: ৬,০০০ টন (আনুমানিক) <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.defencenow.com/news/551/india-to-construct-two-more-arihant-nuclear-submarines-for-navy.html |শিরোনাম=India to Construct Two More Arihant Nuclear Submarines for Navy |প্রকাশক=DefenceNow |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150712032120/http://www.defencenow.com/news/551/india-to-construct-two-more-arihant-nuclear-submarines-for-navy.html# |আর্কাইভের-তারিখ=১২ জুলাই ২০১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
|Ship length={{রূপান্তর|111|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm>{{cite magazine |url=http://www.hindu.com/fline/fl2617/stories/20090828261702500.htm |title=Nuclear Arm |first=T.S. |last=Subramanian |work=The Frontline |volume=26 |issue=17 |date=15 August 2009 |accessdate=2 June 2015}}</ref>
|Ship length={{রূপান্তর|111|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm>{{cite magazine |url=http://www.hindu.com/fline/fl2617/stories/20090828261702500.htm |title=Nuclear Arm |first=T.S. |last=Subramanian |work=The Frontline |volume=26 |issue=17 |date=15 August 2009 |accessdate=2 জুন 2015}}</ref>
|Ship beam={{রূপান্তর|15|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm />
|Ship beam={{রূপান্তর|15|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm />
|Ship draft={{রূপান্তর|11|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm />
|Ship draft={{রূপান্তর|11|m|ft|abbr=on}}<ref name=NuclearArm />
৭০ নং লাইন: ৭০ নং লাইন:
ভারত অন্য অনেক প্রকল্পের মতো এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের নির্মাণ কাজ খুব গোপনে শুরু করেছিল । ২০০৯ সালে আইএনএস অরিহন্ত তৈরির কথা প্রথামবার প্রকাশ্যে আনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী । সে বছরই পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য সমুদ্রে পাঠানো হয় অরিহন্তকে। কিন্তু তখনও এই ডুবোজাহাজে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বা পরমাণু চুল্লিটি লাগানোই হয়নি। ২০১০ সালে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর লাগানো হয় আইএনএস অরিহন্তে। তার পর সেটি পুরোদস্তুর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে সেই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়। ২০১৪ সালের মধ্যে আইএনএস অরিহন্ত যে কোনও ধরনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতিতে আইএনএস অরিহন্ত কতটা স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারে, সেই পরীক্ষা শেষ করতে সময় লেগে যায় অনেকটা। এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে মিসাইল মজুত করা এবং সমুদ্রগর্ভ থেকে মিসাইল ছুড়ে হামলা চালানোর মহড়া দেওয়ারও দরকার ছিল। সব রকম পরীক্ষা এবং মহড়া নৌসেনা তথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আইএনএস অরিহন্তের পারদর্শীতা নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। তাই এত দিনে ঘোষণা করা হল, যে কোনও রকম যুদ্ধ বা অভিযানের জন্য আইএনএস অরিহন্ত এখন সম্পূর্ণ তৈরি।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম = কীভাবে জন্মাল দেশের প্রথম নিউক্লিয়ার সাবমেরিন?| ইউআরএল=http://www.sangbadpratidin.in/here-is-the-story-behind-the-journey-of-the-submarine-ins-arihant-from-an-idea-an-1971-to-a-prowler-in-indias-seas-in-2016/ | সংগ্রহের-তারিখ = ১২-০১-২০১৭| সংবাদপত্র = সংবাদ প্রতিদিন}}</ref>
ভারত অন্য অনেক প্রকল্পের মতো এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের নির্মাণ কাজ খুব গোপনে শুরু করেছিল । ২০০৯ সালে আইএনএস অরিহন্ত তৈরির কথা প্রথামবার প্রকাশ্যে আনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী । সে বছরই পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য সমুদ্রে পাঠানো হয় অরিহন্তকে। কিন্তু তখনও এই ডুবোজাহাজে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বা পরমাণু চুল্লিটি লাগানোই হয়নি। ২০১০ সালে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর লাগানো হয় আইএনএস অরিহন্তে। তার পর সেটি পুরোদস্তুর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে সেই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়। ২০১৪ সালের মধ্যে আইএনএস অরিহন্ত যে কোনও ধরনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতিতে আইএনএস অরিহন্ত কতটা স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারে, সেই পরীক্ষা শেষ করতে সময় লেগে যায় অনেকটা। এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে মিসাইল মজুত করা এবং সমুদ্রগর্ভ থেকে মিসাইল ছুড়ে হামলা চালানোর মহড়া দেওয়ারও দরকার ছিল। সব রকম পরীক্ষা এবং মহড়া নৌসেনা তথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আইএনএস অরিহন্তের পারদর্শীতা নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। তাই এত দিনে ঘোষণা করা হল, যে কোনও রকম যুদ্ধ বা অভিযানের জন্য আইএনএস অরিহন্ত এখন সম্পূর্ণ তৈরি।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম = কীভাবে জন্মাল দেশের প্রথম নিউক্লিয়ার সাবমেরিন?| ইউআরএল=http://www.sangbadpratidin.in/here-is-the-story-behind-the-journey-of-the-submarine-ins-arihant-from-an-idea-an-1971-to-a-prowler-in-indias-seas-in-2016/ | সংগ্রহের-তারিখ = ১২-০১-২০১৭| সংবাদপত্র = সংবাদ প্রতিদিন}}</ref>
==নকশা==
==নকশা==
ভারতীয় নৌবাহিনীর গোপনীয় অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস ভেসেল (এটিভি) প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে ডিজাইন ও নির্মাণ করা ''অরিহন্ত  শ্রেণী''র পাঁচটি ডুবোজাহাজের মধ্যে প্রথমটি হল ''আইএএনএস অরিহান্ত''।  অরিহান্ত শ্রেণীর সাবমেরিনগুলি আকুলা-ডুবোজাহাজের উপর ভিত্তি করে নির্মান হয়েছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.naval-technology.com/projects/arihant-class/ |শিরোনাম=SSBN Arihant Class Submarine, India |প্রকাশক=naval-technology.com |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> এই ডুবোজাহাজের কর্মীরা আকুলা শ্রেণীর [[আইএনএস চক্র]] নামে একটি ডুবোজাহাজে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে, যা [[ভারতীয় নৌবাহিনী]]কে [[রাশিয়া]] থেকে ভাড়া দেওয়া হবে। <ref name=gs-atv>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.globalsecurity.org/military/world/india/atv.htm|শিরোনাম=Arihant – Advanced Technology Vessel (ATV)|প্রকাশক=Global Security|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref><ref name=it-setsail>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/story/leased-russian-n-submarine-to-set-sail-for-india-this-month-end/1/164449.html|শিরোনাম=Leased Russian n-submarine to set sail for India this month end |কর্ম=indiatoday |তারিখ=15 December 2011|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> অ্যাডমিরাল নির্মল ভার্মা অনুযায়ী একটি পুরোপুরি কর্মক্ষম ''এসএসবিএন'' ছাড়াও অরিহন্ত'কে আরো একটি "প্রযুক্তি প্রদর্শনী" সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। <ref name="Times of India 12-2009">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-12-03/india/28110779_1_ins-arihant-nuclear-powered-attack-submarines-technology-vessel|শিরোনাম=Home-made nuke sub INS ''Arihant'' to be inducted in 2 years|শেষাংশ=Pandit|প্রথমাংশ=Rajat|তারিখ=3 December 2009|কর্ম=The Times of India|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015|আর্কাইভের-তারিখ=১৩ জুন ২০১৬|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160613034034/http://www.newindianexpress.com/nation/EXPRESS-EXCLUSIVE-Maiden-Test-of-Undersea-K-4-Missile-From-Arihant-Submarine/2016/04/09/article3370608.ece|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}</ref>
ভারতীয় নৌবাহিনীর গোপনীয় অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস ভেসেল (এটিভি) প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে ডিজাইন ও নির্মাণ করা ''অরিহন্ত  শ্রেণী''র পাঁচটি ডুবোজাহাজের মধ্যে প্রথমটি হল ''আইএএনএস অরিহান্ত''।  অরিহান্ত শ্রেণীর সাবমেরিনগুলি আকুলা-ডুবোজাহাজের উপর ভিত্তি করে নির্মান হয়েছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.naval-technology.com/projects/arihant-class/ |শিরোনাম=SSBN Arihant Class Submarine, India |প্রকাশক=naval-technology.com |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> এই ডুবোজাহাজের কর্মীরা আকুলা শ্রেণীর [[আইএনএস চক্র]] নামে একটি ডুবোজাহাজে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে, যা [[ভারতীয় নৌবাহিনী]]কে [[রাশিয়া]] থেকে ভাড়া দেওয়া হবে। <ref name=gs-atv>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.globalsecurity.org/military/world/india/atv.htm|শিরোনাম=Arihant – Advanced Technology Vessel (ATV)|প্রকাশক=Global Security|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref><ref name=it-setsail>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/story/leased-russian-n-submarine-to-set-sail-for-india-this-month-end/1/164449.html|শিরোনাম=Leased Russian n-submarine to set sail for India this month end |কর্ম=indiatoday |তারিখ=15 December 2011|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> অ্যাডমিরাল নির্মল ভার্মা অনুযায়ী একটি পুরোপুরি কর্মক্ষম ''এসএসবিএন'' ছাড়াও অরিহন্ত'কে আরো একটি "প্রযুক্তি প্রদর্শনী" সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। <ref name="Times of India 12-2009">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-12-03/india/28110779_1_ins-arihant-nuclear-powered-attack-submarines-technology-vessel|শিরোনাম=Home-made nuke sub INS ''Arihant'' to be inducted in 2 years|শেষাংশ=Pandit|প্রথমাংশ=Rajat|তারিখ=3 December 2009|কর্ম=The Times of India|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015|আর্কাইভের-তারিখ=১৩ জুন ২০১৬|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160613034034/http://www.newindianexpress.com/nation/EXPRESS-EXCLUSIVE-Maiden-Test-of-Undersea-K-4-Missile-From-Arihant-Submarine/2016/04/09/article3370608.ece|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}</ref>


জাহাজটি একটি ৮৩ মেগাওয়াট (১,১১,৩০৫ এইচপি) চাপযুক্ত হাল্কা-জলের চুল্লী <ref name="Critical" >{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/india/Reactor-of-Indias-first-indigenous-nuclear-submarine-INS-Arihant-goes-critical/articleshow/21737816.cms |শিরোনাম=Reactor of India's first indigenous nuclear submarine INS Arihant goes 'critical' |কর্ম=The Times of India |শেষাংশ=Pandit |প্রথমাংশ=Rajat |তারিখ=10 August 2013 |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> দ্বারা সমৃদ্ধ [[ইউরেনিয়াম]] জ্বালানী দিয়ে চালিত হবে। <ref name=toi-20090717>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-07-17/india/28203215_1_nuclear-powered-submarine-atv-project-ins-arihant | কর্ম=The Times of India | প্রথমাংশ১=Rajat | শেষাংশ১=Pandit | শিরোনাম=India set to launch nuclear-powered submarine | তারিখ=17 July 2009 | সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015 | আর্কাইভের-তারিখ=২৪ অক্টোবর ২০১২ | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121024074752/http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-07-17/india/28203215_1_nuclear-powered-submarine-atv-project-ins-arihant | ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> কল্পক্কামে একটি ভূ-ভিত্তিক প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে এটি কার্যকরী হয়। তিন বছরের মেয়াদে সফল কার্যক্রমটি থেকেই অরিহন্তের জন্য তৈরি করা চুল্লীর সংস্করণটি সরবরাহ করা হয়। <ref name="pwr_1">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindu.com/2009/08/03/stories/2009080353810100.htm |শিরোনাম=PWR building shows indigenous capability, says Kakodkar |প্রথমাংশ=T.S. |শেষাংশ=Subramanian |তারিখ=2 August 2009 |কর্ম=The Hindu |সংগ্রহের-তারিখ=2 August 2009 |অবস্থান=Chennai, India |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090808043941/http://www.hindu.com/2009/08/03/stories/2009080353810100.htm |আর্কাইভের-তারিখ=8 August 2009 }}</ref><ref name="pwr_2">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindustantimes.com/StoryPage/StoryPage.aspx?sectionName=HomePage&id=5721403d-8f66-43e2-92c4-4f3148032565&Headline=Arihant+propulsion+reactor+unveiled|শিরোনাম=''Arihant'' propulsion reactor unveiled|প্রথমাংশ=MR|শেষাংশ=Venkatesh|তারিখ=2 August 2009|কর্ম=Hindustan Times|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=জানুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}{{dead link|date=November 2017 |bot=InternetArchiveBot |fix-attempted=yes }}</ref> এটি জানায় যে জানুয়ারী ২০০৮ সালে এটিভির একটি ৮০ মেগাওয়াট পারমাণবিক চুল্লীকে একত্রিত করা হয়েছিল। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/index.php?option=com_content&task=view&&issueid=37&id=3659&Itemid=1&page=in&latn=2 |শিরোনাম=The secret undersea weapon |কর্ম=indiatoday |তারিখ=17 জানুয়ারি 2008 |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref>
জাহাজটি একটি ৮৩ মেগাওয়াট (১,১১,৩০৫ এইচপি) চাপযুক্ত হাল্কা-জলের চুল্লী <ref name="Critical" >{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/india/Reactor-of-Indias-first-indigenous-nuclear-submarine-INS-Arihant-goes-critical/articleshow/21737816.cms |শিরোনাম=Reactor of India's first indigenous nuclear submarine INS Arihant goes 'critical' |কর্ম=The Times of India |শেষাংশ=Pandit |প্রথমাংশ=Rajat |তারিখ=10 August 2013 |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> দ্বারা সমৃদ্ধ [[ইউরেনিয়াম]] জ্বালানী দিয়ে চালিত হবে। <ref name=toi-20090717>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-07-17/india/28203215_1_nuclear-powered-submarine-atv-project-ins-arihant | কর্ম=The Times of India | প্রথমাংশ১=Rajat | শেষাংশ১=Pandit | শিরোনাম=India set to launch nuclear-powered submarine | তারিখ=17 July 2009 | সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015 | আর্কাইভের-তারিখ=২৪ অক্টোবর ২০১২ | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121024074752/http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-07-17/india/28203215_1_nuclear-powered-submarine-atv-project-ins-arihant | ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> কল্পক্কামে একটি ভূ-ভিত্তিক প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে এটি কার্যকরী হয়। তিন বছরের মেয়াদে সফল কার্যক্রমটি থেকেই অরিহন্তের জন্য তৈরি করা চুল্লীর সংস্করণটি সরবরাহ করা হয়। <ref name="pwr_1">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindu.com/2009/08/03/stories/2009080353810100.htm |শিরোনাম=PWR building shows indigenous capability, says Kakodkar |প্রথমাংশ=T.S. |শেষাংশ=Subramanian |তারিখ=2 August 2009 |কর্ম=The Hindu |সংগ্রহের-তারিখ=2 August 2009 |অবস্থান=Chennai, India |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090808043941/http://www.hindu.com/2009/08/03/stories/2009080353810100.htm |আর্কাইভের-তারিখ=8 August 2009 }}</ref><ref name="pwr_2">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindustantimes.com/StoryPage/StoryPage.aspx?sectionName=HomePage&id=5721403d-8f66-43e2-92c4-4f3148032565&Headline=Arihant+propulsion+reactor+unveiled|শিরোনাম=''Arihant'' propulsion reactor unveiled|প্রথমাংশ=MR|শেষাংশ=Venkatesh|তারিখ=2 August 2009|কর্ম=Hindustan Times|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=জানুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}{{dead link|date=November 2017 |bot=InternetArchiveBot |fix-attempted=yes }}</ref> এটি জানায় যে জানুয়ারী ২০০৮ সালে এটিভির একটি ৮০ মেগাওয়াট পারমাণবিক চুল্লীকে একত্রিত করা হয়েছিল। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/index.php?option=com_content&task=view&&issueid=37&id=3659&Itemid=1&page=in&latn=2 |শিরোনাম=The secret undersea weapon |কর্ম=indiatoday |তারিখ=17 জানুয়ারি 2008 |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref>


জাহাজের জন্য হুল এল-টি টি হজির জাহাজ বিল্ডিং সুবিধা দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। টাটা পাওয়ার এসইডি (স্ট্র্যাটেজিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন) ডুবোজাহাজের জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (কন্ট্রোল সিস্টেম) তৈরি করেছে। ওয়ালচন্দনগর শিল্প দ্বারা বায়ু টারবাইনের জন্য সংযোজিত ব্যবস্থাগুলি সরবরাহ করা হয়েছে। <ref name=dna-ppp>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/india/report_private-sector-played-a-major-role-in-arihant_1277435 |শিরোনাম=Private sector played a major role in Arihant – India – DNA |কর্ম=Daily News and Analysis |শেষাংশ=Joseph |প্রথমাংশ=Josy |তারিখ=27 July 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> এই প্রকল্পের জন্য পরামর্শ রাশিয়া দ্বারা প্রদান করা হয়। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.ndtv.com/article/india/russians-helped-with-ins-arihant-s-heart-kakodkar-6659|শিরোনাম=Russians helped with INS Arihant's heart: Kakodkar|কর্ম=[[NDTV]] |শেষাংশ=Bagla |প্রথমাংশ=Pallava |তারিখ=3 August 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> রাশিয়াও পারমাণবিক ডুবোজাহাজের জন্য ক্ষুদ্র মাপের পরমাণু চুল্লি তৈরি করার জন্য ''ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরসি)''-এর বিজ্ঞানীদের সহায়তা প্রদান করেছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.business-standard.com/article/specials/how-india-s-pride-ins-arihant-was-built-113081100745_1.html |শিরোনাম=How India's pride INS Arihant was built |কর্ম=Business Standard |শেষাংশ=Malhotra |প্রথমাংশ=Jyoti |তারিখ=12 August 2013 |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref>
জাহাজের জন্য হুল এল-টি টি হজির জাহাজ বিল্ডিং সুবিধা দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। টাটা পাওয়ার এসইডি (স্ট্র্যাটেজিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন) ডুবোজাহাজের জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (কন্ট্রোল সিস্টেম) তৈরি করেছে। ওয়ালচন্দনগর শিল্প দ্বারা বায়ু টারবাইনের জন্য সংযোজিত ব্যবস্থাগুলি সরবরাহ করা হয়েছে। <ref name=dna-ppp>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/india/report_private-sector-played-a-major-role-in-arihant_1277435 |শিরোনাম=Private sector played a major role in Arihant – India – DNA |কর্ম=Daily News and Analysis |শেষাংশ=Joseph |প্রথমাংশ=Josy |তারিখ=27 July 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> এই প্রকল্পের জন্য পরামর্শ রাশিয়া দ্বারা প্রদান করা হয়। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.ndtv.com/article/india/russians-helped-with-ins-arihant-s-heart-kakodkar-6659|শিরোনাম=Russians helped with INS Arihant's heart: Kakodkar|কর্ম=[[NDTV]] |শেষাংশ=Bagla |প্রথমাংশ=Pallava |তারিখ=3 August 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> রাশিয়াও পারমাণবিক ডুবোজাহাজের জন্য ক্ষুদ্র মাপের পরমাণু চুল্লি তৈরি করার জন্য ''ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরসি)''-এর বিজ্ঞানীদের সহায়তা প্রদান করেছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.business-standard.com/article/specials/how-india-s-pride-ins-arihant-was-built-113081100745_1.html |শিরোনাম=How India's pride INS Arihant was built |কর্ম=Business Standard |শেষাংশ=Malhotra |প্রথমাংশ=Jyoti |তারিখ=12 August 2013 |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref>
===রণসজ্জা===  
===রণসজ্জা===  
[[File:Arihant 1.svg|300px|thumbnail|আইএনএস অরিহন্ত-এর ধারণাগত অঙ্কন]]
[[File:Arihant 1.svg|300px|thumbnail|আইএনএস অরিহন্ত-এর ধারণাগত অঙ্কন]]


অরিহন্ত-এর চারটি উল্লম্ব লঞ্চ টিউব রয়েছে, যা ১২ (তিনটি প্রবর্তনযোগ্য নল) ছোট [[কে-১৫ মিসাইল]] বা চারটি বৃহৎ [[কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র]] বহন করতে পারে। কে-৪ মিসাইলগুলি ৩,৫০০ (২,২০০ মাইল)  কিলোমিটার দূরের লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে পাড়ে এবং এই মিসাইগুলির পরিক্ষামূলক কর্মকার্ন্ড শুরু হয়েছে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Success on debut for undersea launch of missile|ইউআরএল=http://www.thehindu.com/news/national/success-on-debut-for-undersea-launch-of-missile/article5986757.ece|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015|সংবাদপত্র=The Hindu |প্রথমাংশ=T.S. |শেষাংশ=Subramanian |তারিখ=8 May 2014}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=India tests new underwater nuclear missile|ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/india/India-tests-new-underwater-nuclear-missile/articleshow/32694060.cms|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015|সংবাদপত্র=The Times of India|তারিখ=26 March 2014}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=India tests 3,000 km range n-missile in secret|ইউআরএল=http://www.sunday-guardian.com/news/india-tests-3000-km-range-n-missile-in-secret |প্রথমাংশ=Vishal |শেষাংশ=Thapar |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015|সংবাদপত্র=The Sunday Guardian|তারিখ=10 May 2014}}</ref>
অরিহন্ত-এর চারটি উল্লম্ব লঞ্চ টিউব রয়েছে, যা ১২ (তিনটি প্রবর্তনযোগ্য নল) ছোট [[কে-১৫ মিসাইল]] বা চারটি বৃহৎ [[কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র]] বহন করতে পারে। কে-৪ মিসাইলগুলি ৩,৫০০ (২,২০০ মাইল)  কিলোমিটার দূরের লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে পাড়ে এবং এই মিসাইগুলির পরিক্ষামূলক কর্মকার্ন্ড শুরু হয়েছে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Success on debut for undersea launch of missile|ইউআরএল=http://www.thehindu.com/news/national/success-on-debut-for-undersea-launch-of-missile/article5986757.ece|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015|সংবাদপত্র=The Hindu |প্রথমাংশ=T.S. |শেষাংশ=Subramanian |তারিখ=8 May 2014}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=India tests new underwater nuclear missile|ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/india/India-tests-new-underwater-nuclear-missile/articleshow/32694060.cms|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015|সংবাদপত্র=The Times of India|তারিখ=26 মার্চ 2014}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=India tests 3,000 km range n-missile in secret|ইউআরএল=http://www.sunday-guardian.com/news/india-tests-3000-km-range-n-missile-in-secret |প্রথমাংশ=Vishal |শেষাংশ=Thapar |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015|সংবাদপত্র=The Sunday Guardian|তারিখ=10 May 2014}}</ref>


==জলে ভাসান অনুষ্ঠান==
==জলে ভাসান অনুষ্ঠান==
২০০৯ সালের ২৬ জুলাই একটি প্রতীকী লঞ্চ অনুষ্ঠানে প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী [[মনমোহন সিং]]য়ের স্ত্রী গুরুশারণ কণির দ্বারা আইএনএস অরিহন্ত'কে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করা হয়। <ref name="Xinhuanet 2009-07-26">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://news.xinhuanet.com/english/2009-07/26/content_11775324.htm|শিরোনাম=Wife of Indian PM launches home-made nuclear attack submarine |তারিখ=26 July 2009|কর্ম=Xinhuanet|সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কার্গিল যুদ্ধের ১০ তম বার্ষিকী উদযাপিত হয় <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Unnithan |প্রথমাংশ=Sandeep |তারিখ=16 July 2009 |ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/index.php?option=com_content&task=view&id=51956&sectionid=4&secid=&Itemid=1&issueid=114 |শিরোনাম=Exclusive: PM's wife to launch INS ''Arihant'', India's first nuclear submarine |সংবাদপত্র=indiatoday |সংগ্রহের-তারিখ=2 June 2015}}</ref> এবং শুকনো ডক  দ্বারা জাহাজকে জলে ভাসমান  হয়। প্রতিরক্ষা পেশাদারদের দৈনিক দাবি অরিহন্তকে তার পারমাণবিক চুল্লী, নজরদারী সরঞ্জাম, এবং অর্ডন্যান্স সহ মুখ্য সিস্টেমগুলি ছাড়া চালু করা হয়। নৌ ঐতিহ্য প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গুর্শরণ কৌর বিশাখাপত্তনম গোপন নৌ বেসে ডুবোজাহাজ উদ্বোধন উপলক্ষে জাহাজের কাঠাম উপর একটি নারকেল কর্কশ করেন। <ref name="The Hindu 2009-07-26">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindu.com/thehindu/holnus/000200907261621.htm |শিরোনাম=India inducts nuke submarine into navy |তারিখ=26 July 2009 |কর্ম=The Hindu |সংগ্রহের-তারিখ=10 September 2009 |অবস্থান=Chennai, India |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090729212011/http://www.hindu.com/thehindu/holnus/000200907261621.htm |আর্কাইভের-তারিখ=29 July 2009 }}</ref> অনুষ্ঠানে ছবি তোলা বা ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ ছিল এবং পুরো জাহাজের কোন ছবি পাওয়া যায় না। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23704 |শিরোনাম=PIB's Latest Photograph |প্রকাশক=Pib.nic.in |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090804105946/http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23704 |আর্কাইভের-তারিখ=4 August 2009 }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23703 |শিরোনাম=PIB's Latest Photograph |প্রকাশক=Pib.nic.in |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110717071224/http://www.pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23703 |আর্কাইভের-তারিখ=17 July 2011 }}</ref> জনসাধারণের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী [[মনমোহন সিং]] সাবমেরিনকে একটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ফলাফল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি ডুবোজাহাজ তৈরিতে [[রাশিয়া]]র অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান তার বক্তৃতায়, এবং বলেন- "আমি রাশিয়ার সাথে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য আমাদের রাশিয়ান বন্ধুদের প্রতি আমাদের উপলব্ধি প্রকাশ করতে চাই, যা আমরা রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করি"। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|প্রথমাংশ=Harmeet Shah |শেষাংশ=Singh |ইউআরএল=http://edition.cnn.com/2009/WORLD/asiapcf/07/26/india.nuclear.submarine/index.html |শিরোনাম=India launches nuclear submarine |কর্ম=[[CNN]] |তারিখ=26 July 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009}}</ref> অরিহন্ত প্রবর্তন একটি বিশ্বাসযোগ্য পারমাণবিক ত্রিভুজ তৈরির জন্য ভারতের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করে। এর ফলে  বায়ু, ভূমি ও সমুদ্র থেকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনার ক্ষমতা অর্জন করে ভারত।
২০০৯ সালের ২৬ জুলাই একটি প্রতীকী লঞ্চ অনুষ্ঠানে প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী [[মনমোহন সিং]]য়ের স্ত্রী গুরুশারণ কণির দ্বারা আইএনএস অরিহন্ত'কে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করা হয়। <ref name="Xinhuanet 2009-07-26">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://news.xinhuanet.com/english/2009-07/26/content_11775324.htm|শিরোনাম=Wife of Indian PM launches home-made nuclear attack submarine |তারিখ=26 July 2009|কর্ম=Xinhuanet|সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কার্গিল যুদ্ধের ১০ তম বার্ষিকী উদযাপিত হয় <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Unnithan |প্রথমাংশ=Sandeep |তারিখ=16 July 2009 |ইউআরএল=http://indiatoday.intoday.in/index.php?option=com_content&task=view&id=51956&sectionid=4&secid=&Itemid=1&issueid=114 |শিরোনাম=Exclusive: PM's wife to launch INS ''Arihant'', India's first nuclear submarine |সংবাদপত্র=indiatoday |সংগ্রহের-তারিখ=2 জুন 2015}}</ref> এবং শুকনো ডক  দ্বারা জাহাজকে জলে ভাসমান  হয়। প্রতিরক্ষা পেশাদারদের দৈনিক দাবি অরিহন্তকে তার পারমাণবিক চুল্লী, নজরদারী সরঞ্জাম, এবং অর্ডন্যান্স সহ মুখ্য সিস্টেমগুলি ছাড়া চালু করা হয়। নৌ ঐতিহ্য প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গুর্শরণ কৌর বিশাখাপত্তনম গোপন নৌ বেসে ডুবোজাহাজ উদ্বোধন উপলক্ষে জাহাজের কাঠাম উপর একটি নারকেল কর্কশ করেন। <ref name="The Hindu 2009-07-26">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.hindu.com/thehindu/holnus/000200907261621.htm |শিরোনাম=India inducts nuke submarine into navy |তারিখ=26 July 2009 |কর্ম=The Hindu |সংগ্রহের-তারিখ=10 September 2009 |অবস্থান=Chennai, India |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090729212011/http://www.hindu.com/thehindu/holnus/000200907261621.htm |আর্কাইভের-তারিখ=29 July 2009 }}</ref> অনুষ্ঠানে ছবি তোলা বা ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ ছিল এবং পুরো জাহাজের কোন ছবি পাওয়া যায় না। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23704 |শিরোনাম=PIB's Latest Photograph |প্রকাশক=Pib.nic.in |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090804105946/http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23704 |আর্কাইভের-তারিখ=4 August 2009 }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23703 |শিরোনাম=PIB's Latest Photograph |প্রকাশক=Pib.nic.in |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110717071224/http://www.pib.nic.in/release/phsmall.asp?phid=23703 |আর্কাইভের-তারিখ=17 July 2011 }}</ref> জনসাধারণের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী [[মনমোহন সিং]] সাবমেরিনকে একটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ফলাফল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি ডুবোজাহাজ তৈরিতে [[রাশিয়া]]র অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান তার বক্তৃতায়, এবং বলেন- "আমি রাশিয়ার সাথে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য আমাদের রাশিয়ান বন্ধুদের প্রতি আমাদের উপলব্ধি প্রকাশ করতে চাই, যা আমরা রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করি"। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|প্রথমাংশ=Harmeet Shah |শেষাংশ=Singh |ইউআরএল=http://edition.cnn.com/2009/WORLD/asiapcf/07/26/india.nuclear.submarine/index.html |শিরোনাম=India launches nuclear submarine |কর্ম=[[CNN]] |তারিখ=26 July 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=17 August 2009}}</ref> অরিহন্ত প্রবর্তন একটি বিশ্বাসযোগ্য পারমাণবিক ত্রিভুজ তৈরির জন্য ভারতের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করে। এর ফলে  বায়ু, ভূমি ও সমুদ্র থেকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনার ক্ষমতা অর্জন করে ভারত।


==উন্নয়ন পর্যায়গুলি==
==উন্নয়ন পর্যায়গুলি==

২০:৩২, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে
ইতিহাস
স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS_utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।ভারত
নাম: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
নির্মাতা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
অভিষেক: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
অর্জন: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
কমিশন লাভ: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
মাতৃ বন্দর: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
অবস্থা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
ওজন: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
দৈর্ঘ্য: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
প্রস্থ: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
ড্রাফট: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
ইনস্টল ক্ষমতা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
প্রচালনশক্তি: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
গতিবেগ: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
সীমা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
পরীক্ষিত গভীরতা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
লোকবল: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।
রণসজ্জা: স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "WPSHIPS utilities" নামক কোনো মডিউল নেই।

আইএনএস অরিহন্ত হল পরমাণু বা নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। এটি ভারতের দ্বিতীয় পরমাণু সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ এবং ভারতে তৈরি প্রথম পরমাণু শক্তি চালিত ডুবোজাহাজ। বন্দর নগরী বিশাখাপত্তনম শহরে জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রের এডভান্সড টেকনোলজিস ভেসেল (এটিভি) প্রকল্প-এর অধীনে ৬ হাজার টনের এই ডুবোজাহাজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এই ডুবোজাহাজটি বর্তমানে বিশাখাপত্তনম বন্দরের নৌ-ঘাটিতে মোতায়েন আছে। এই ডুবোজাহাজ ভারতের পূর্ব উপকূলভাগের নৌ-শক্তি বৃদ্ধি করেছে।

২০০৯ সালের ২৬ জুলাই অরিহন্তের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ বিজয় দিবস (কার্গিল যুদ্ধের বিজয় দিবস) এর বার্ষিকী উদ্‌যাপন করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সালে পরিচালনার জন্য প্রস্তুত হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছে,[][] এবং আগস্ট ২০১৬ সালে কমিশন করা হয়েছিল ডুবোজাহাজটিকে। []

ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ভারত অন্য অনেক প্রকল্পের মতো এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের নির্মাণ কাজ খুব গোপনে শুরু করেছিল । ২০০৯ সালে আইএনএস অরিহন্ত তৈরির কথা প্রথামবার প্রকাশ্যে আনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী । সে বছরই পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য সমুদ্রে পাঠানো হয় অরিহন্তকে। কিন্তু তখনও এই ডুবোজাহাজে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বা পরমাণু চুল্লিটি লাগানোই হয়নি। ২০১০ সালে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর লাগানো হয় আইএনএস অরিহন্তে। তার পর সেটি পুরোদস্তুর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে সেই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়। ২০১৪ সালের মধ্যে আইএনএস অরিহন্ত যে কোনও ধরনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতিতে আইএনএস অরিহন্ত কতটা স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারে, সেই পরীক্ষা শেষ করতে সময় লেগে যায় অনেকটা। এই নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে মিসাইল মজুত করা এবং সমুদ্রগর্ভ থেকে মিসাইল ছুড়ে হামলা চালানোর মহড়া দেওয়ারও দরকার ছিল। সব রকম পরীক্ষা এবং মহড়া নৌসেনা তথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আইএনএস অরিহন্তের পারদর্শীতা নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। তাই এত দিনে ঘোষণা করা হল, যে কোনও রকম যুদ্ধ বা অভিযানের জন্য আইএনএস অরিহন্ত এখন সম্পূর্ণ তৈরি।[]

নকশা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ভারতীয় নৌবাহিনীর গোপনীয় অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস ভেসেল (এটিভি) প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে ডিজাইন ও নির্মাণ করা অরিহন্ত শ্রেণীর পাঁচটি ডুবোজাহাজের মধ্যে প্রথমটি হল আইএএনএস অরিহান্ত। অরিহান্ত শ্রেণীর সাবমেরিনগুলি আকুলা-ডুবোজাহাজের উপর ভিত্তি করে নির্মান হয়েছে। [১০] এই ডুবোজাহাজের কর্মীরা আকুলা শ্রেণীর আইএনএস চক্র নামে একটি ডুবোজাহাজে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে, যা ভারতীয় নৌবাহিনীকে রাশিয়া থেকে ভাড়া দেওয়া হবে। [১১][১২] অ্যাডমিরাল নির্মল ভার্মা অনুযায়ী একটি পুরোপুরি কর্মক্ষম এসএসবিএন ছাড়াও অরিহন্ত'কে আরো একটি "প্রযুক্তি প্রদর্শনী" সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। [১৩]

জাহাজটি একটি ৮৩ মেগাওয়াট (১,১১,৩০৫ এইচপি) চাপযুক্ত হাল্কা-জলের চুল্লী [১৪] দ্বারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জ্বালানী দিয়ে চালিত হবে। [১৫] কল্পক্কামে একটি ভূ-ভিত্তিক প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে এটি কার্যকরী হয়। তিন বছরের মেয়াদে সফল কার্যক্রমটি থেকেই অরিহন্তের জন্য তৈরি করা চুল্লীর সংস্করণটি সরবরাহ করা হয়। [১৬][১৭] এটি জানায় যে জানুয়ারী ২০০৮ সালে এটিভির একটি ৮০ মেগাওয়াট পারমাণবিক চুল্লীকে একত্রিত করা হয়েছিল। [১৮]

জাহাজের জন্য হুল এল-টি টি হজির জাহাজ বিল্ডিং সুবিধা দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। টাটা পাওয়ার এসইডি (স্ট্র্যাটেজিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন) ডুবোজাহাজের জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (কন্ট্রোল সিস্টেম) তৈরি করেছে। ওয়ালচন্দনগর শিল্প দ্বারা বায়ু টারবাইনের জন্য সংযোজিত ব্যবস্থাগুলি সরবরাহ করা হয়েছে। [১৯] এই প্রকল্পের জন্য পরামর্শ রাশিয়া দ্বারা প্রদান করা হয়। [২০] রাশিয়াও পারমাণবিক ডুবোজাহাজের জন্য ক্ষুদ্র মাপের পরমাণু চুল্লি তৈরি করার জন্য ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরসি)-এর বিজ্ঞানীদের সহায়তা প্রদান করেছে। [২১]

রণসজ্জা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে
আইএনএস অরিহন্ত-এর ধারণাগত অঙ্কন

অরিহন্ত-এর চারটি উল্লম্ব লঞ্চ টিউব রয়েছে, যা ১২ (তিনটি প্রবর্তনযোগ্য নল) ছোট কে-১৫ মিসাইল বা চারটি বৃহৎ কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। কে-৪ মিসাইলগুলি ৩,৫০০ (২,২০০ মাইল) কিলোমিটার দূরের লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে পাড়ে এবং এই মিসাইগুলির পরিক্ষামূলক কর্মকার্ন্ড শুরু হয়েছে। [২২][২৩][২৪]

জলে ভাসান অনুষ্ঠান[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০০৯ সালের ২৬ জুলাই একটি প্রতীকী লঞ্চ অনুষ্ঠানে প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্ত্রী গুরুশারণ কণির দ্বারা আইএনএস অরিহন্ত'কে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করা হয়। [২৫] এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কার্গিল যুদ্ধের ১০ তম বার্ষিকী উদযাপিত হয় [২৬] এবং শুকনো ডক দ্বারা জাহাজকে জলে ভাসমান হয়। প্রতিরক্ষা পেশাদারদের দৈনিক দাবি অরিহন্তকে তার পারমাণবিক চুল্লী, নজরদারী সরঞ্জাম, এবং অর্ডন্যান্স সহ মুখ্য সিস্টেমগুলি ছাড়া চালু করা হয়। নৌ ঐতিহ্য প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গুর্শরণ কৌর বিশাখাপত্তনম গোপন নৌ বেসে ডুবোজাহাজ উদ্বোধন উপলক্ষে জাহাজের কাঠাম উপর একটি নারকেল কর্কশ করেন। [২৭] অনুষ্ঠানে ছবি তোলা বা ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ ছিল এবং পুরো জাহাজের কোন ছবি পাওয়া যায় না। [২৮][২৯] জনসাধারণের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সাবমেরিনকে একটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ফলাফল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি ডুবোজাহাজ তৈরিতে রাশিয়ার অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান তার বক্তৃতায়, এবং বলেন- "আমি রাশিয়ার সাথে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য আমাদের রাশিয়ান বন্ধুদের প্রতি আমাদের উপলব্ধি প্রকাশ করতে চাই, যা আমরা রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করি"। [৩০] অরিহন্ত প্রবর্তন একটি বিশ্বাসযোগ্য পারমাণবিক ত্রিভুজ তৈরির জন্য ভারতের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করে। এর ফলে বায়ু, ভূমি ও সমুদ্র থেকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনার ক্ষমতা অর্জন করে ভারত।

উন্নয়ন পর্যায়গুলি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সাগর ও অস্ত্র পরীক্ষা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

নোনা জলের ক্ষতি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

অরিহন্ত'য়ের বাইরের দেওয়াল নোনাজলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করার জন্য অরিহন্তকে ড্রাইডকে ফিরিয়ে আনা হয় এবং মেরামত কর জন্য অরিহন্তকে অচল করে দেওয়া হয় এবং ১০ মাস ধরে ডুবোজাহাজটিতে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পাইপ প্রতিস্থাপিত করা হয়। [৩১]

কমিশন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

আগস্ট ২০১৬ সালে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য আইএনএস অরিহন্তকে কমিশন করেন। [][৩২]

ব্যবহারকারী[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ "Now, India has a nuclear triad"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৬ 
  2. http://www.newsx.com/national/43962-newsx-exclusive-india-completes-nuclear-triad-with-ins-arihant
  3. "India to Construct Two More Arihant Nuclear Submarines for Navy"। DefenceNow। ১২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  4. ৪.০ ৪.১ ৪.২ ৪.৩ Subramanian, T.S. (১৫ আগস্ট ২০০৯)। "Nuclear Arm"The Frontline। খণ্ড 26 নং 17। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  5. ৫.০ ৫.১ Retrieved on 2016-10-21.
  6. [১]
  7. "INS Arihant not to feature at International Fleet Review: Indian Navy chief - The Economic Times"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-০৫ 
  8. "India's first nuclear submarine INS Arihant ready or operations, passes deep sea tests - The Economic Times"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-২৩ 
  9. "কীভাবে জন্মাল দেশের প্রথম নিউক্লিয়ার সাবমেরিন?"সংবাদ প্রতিদিন। সংগ্রহের তারিখ ১২-০১-২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  10. "SSBN Arihant Class Submarine, India"। naval-technology.com। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  11. "Arihant – Advanced Technology Vessel (ATV)"। Global Security। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  12. "Leased Russian n-submarine to set sail for India this month end"indiatoday। ১৫ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  13. Pandit, Rajat (৩ ডিসেম্বর ২০০৯)। "Home-made nuke sub INS Arihant to be inducted in 2 years"The Times of India। ১৩ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  14. Pandit, Rajat (১০ আগস্ট ২০১৩)। "Reactor of India's first indigenous nuclear submarine INS Arihant goes 'critical'"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  15. Pandit, Rajat (১৭ জুলাই ২০০৯)। "India set to launch nuclear-powered submarine"The Times of India। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  16. Subramanian, T.S. (২ আগস্ট ২০০৯)। "PWR building shows indigenous capability, says Kakodkar"The Hindu। Chennai, India। ৮ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০০৯ 
  17. Venkatesh, MR (২ আগস্ট ২০০৯)। "Arihant propulsion reactor unveiled"Hindustan Times। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  18. "The secret undersea weapon"indiatoday। ১৭ জানুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  19. Joseph, Josy (২৭ জুলাই ২০০৯)। "Private sector played a major role in Arihant – India – DNA"Daily News and Analysis। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  20. Bagla, Pallava (৩ আগস্ট ২০০৯)। "Russians helped with INS Arihant's heart: Kakodkar"NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  21. Malhotra, Jyoti (১২ আগস্ট ২০১৩)। "How India's pride INS Arihant was built"Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  22. Subramanian, T.S. (৮ মে ২০১৪)। "Success on debut for undersea launch of missile"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  23. "India tests new underwater nuclear missile"The Times of India। ২৬ মার্চ ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  24. Thapar, Vishal (১০ মে ২০১৪)। "India tests 3,000 km range n-missile in secret"The Sunday Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  25. "Wife of Indian PM launches home-made nuclear attack submarine"Xinhuanet। ২৬ জুলাই ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  26. Unnithan, Sandeep (১৬ জুলাই ২০০৯)। "Exclusive: PM's wife to launch INS Arihant, India's first nuclear submarine"indiatoday। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫ 
  27. "India inducts nuke submarine into navy"The Hindu। Chennai, India। ২৬ জুলাই ২০০৯। ২৯ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ 
  28. "PIB's Latest Photograph"। Pib.nic.in। ৪ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০০৯ 
  29. "PIB's Latest Photograph"। Pib.nic.in। ১৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০০৯ 
  30. Singh, Harmeet Shah (২৬ জুলাই ২০০৯)। "India launches nuclear submarine"CNN। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০০৯ 
  31. Mizokami, Kyle (জানুয়ারি ৮, ২০১৮)। "Someone Left a Hatch Open and Crippled India's $2.9 Billion Submarine"Popular Mechanics। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৯, ২০১৮ 
  32. Singh, Ashish (১৭ অক্টোবর ২০১৬)। "NewsX Exclusive: India completes 'nuclear triad' with INS Arihant"NewsX। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে উইকিমিডিয়া কমন্সে আইএনএস অরিহন্ত সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।