অমিতাভ বচ্চন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ImportMaster (আলোচনা | অবদান)
robot: Import articles using বিশেষ:আমদানি
 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}" to ""
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৫টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৩৩ নং লাইন: ৩৩ নং লাইন:
=== কর্মজীবনের শুরু ১৯৬৯ - ১৯৭২ ===
=== কর্মজীবনের শুরু ১৯৬৯ - ১৯৭২ ===


১৯৬৯-এ বচ্চন ছবির জগতে আত্মপ্রকাশ করেন ''সাত হিন্দুস্তানি'' নামক একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে যেখানে সাতটি প্রধান চরিত্রের একটিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন। খোয়াজা আহমেদ আব্বাস নির্দেশিত এই ছবিটিতে অন্যান্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন [[উৎপল দত্ত]], মধু এবং জালাল আগা। যদিও ছবিটি বাণিজ্যিক সাফল্য পায়নি, তবুও বচ্চন এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে শ্রেষ্ঠ নতুন অভিনেতা হিসেবে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।<ref name="First national award">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=India Times |শিরোনাম=Bachchan wins his first national award |ইউআরএল=http://movies.indiatimes.com/articleshow/1905623.cms |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20071013222608/http://movies.indiatimes.com/articleshow/1905623.cms# |আর্কাইভের-তারিখ=১৩ অক্টোবর ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১৯৬৯-এ বচ্চন ছবির জগতে আত্মপ্রকাশ করেন ''সাত হিন্দুস্তানি'' নামক একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে যেখানে সাতটি প্রধান চরিত্রের একটিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন। খোয়াজা আহমেদ আব্বাস নির্দেশিত এই ছবিটিতে অন্যান্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন [[উৎপল দত্ত]], মধু এবং জালাল আগা। যদিও ছবিটি বাণিজ্যিক সাফল্য পায়নি, তবুও বচ্চন এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে শ্রেষ্ঠ নতুন অভিনেতা হিসেবে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।<ref name="First national award">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=India Times |শিরোনাম=Bachchan wins his first national award |ইউআরএল=http://movies.indiatimes.com/articleshow/1905623.cms |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20071013222608/http://movies.indiatimes.com/articleshow/1905623.cms# |আর্কাইভের-তারিখ=১৩ অক্টোবর ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>


এরপরেই তাকে [[রাজেশ খান্না|রাজেশ খান্নার]] সঙ্গে দেখা যায় ''[[আনন্দ (চলচ্চিত্র)|আনন্দ]]'' (১৯৭১) ছবিতে যা বাণিজ্যিক সাফল্যর সঙ্গে সঙ্গে চলচ্চিত্র সমালোচকদের প্রশংসাও আদায় করেছিল। এই ছবিতে, জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ এক ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করে বচ্চন [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতার পুরস্কার]] পান। ''পরওয়ানা'' (১৯৭১) ছবিতে অমিতাভ একজন মোহগ্রস্থ প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিটিতে নবীন নিশ্চল, যোগিতা বালি এবং ওমপ্রকাশও অভিনয় করেছিলেন। এই ছবিটি উল্লেখযোগ্য কারণ এটি সেই হাতে গোনা ছবিগুলির মধ্যে একটি যেখানে বচ্চন খলনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এই ছবির পর তার অভিনীত বেশ কতগুলি ছবি বক্স অফিসে বাণিজ্যিক সাফল্যের মুখ দেখেনি। তার মধ্যে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য ''[[রেশমা অর শেরা]]'' (১৯৭১)। এই সময়েই তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে ''গুড্ডি'' ছবিতে কাজ করেন। এই ছবিতে [[ধর্মেন্দ্র|ধর্মেন্দ্রর]] বিপরীতে তার ভাবি স্ত্রী [[জয়া ভাদুড়ি]] অভিনয় করেছিলেন। তার কর্মজীবনের প্রথম থেকেই গম্ভীর ব্যারিটোন কন্ঠস্বরের জন্য প্রশংসিত বচ্চন, ''[[বাবুর্চি (১৯৭২-এর চলচ্চিত্র)|বাবুর্চি]]'' ছবির কিছু অংশে ভাষ্যকারের কাজ করেছিলেন। ১৯৭২-এ তিনি এস.রামানাথনের নির্দেশিত একটি রোড অ্যাকশন কমেডি ''[[বোম্বে টু গোয়া]]'' ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তাকে [[অরুণা ইরানি]], [[মেহমুদ]], আনোয়ার আলি এবং নাসির হুসেনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে দেখা গিয়েছিলো।
এরপরেই তাকে [[রাজেশ খান্না|রাজেশ খান্নার]] সঙ্গে দেখা যায় ''[[আনন্দ (চলচ্চিত্র)|আনন্দ]]'' (১৯৭১) ছবিতে যা বাণিজ্যিক সাফল্যর সঙ্গে সঙ্গে চলচ্চিত্র সমালোচকদের প্রশংসাও আদায় করেছিল। এই ছবিতে, জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ এক ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করে বচ্চন [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতার পুরস্কার]] পান। ''পরওয়ানা'' (১৯৭১) ছবিতে অমিতাভ একজন মোহগ্রস্থ প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিটিতে নবীন নিশ্চল, যোগিতা বালি এবং ওমপ্রকাশও অভিনয় করেছিলেন। এই ছবিটি উল্লেখযোগ্য কারণ এটি সেই হাতে গোনা ছবিগুলির মধ্যে একটি যেখানে বচ্চন খলনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এই ছবির পর তার অভিনীত বেশ কতগুলি ছবি বক্স অফিসে বাণিজ্যিক সাফল্যের মুখ দেখেনি। তার মধ্যে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য ''[[রেশমা অর শেরা]]'' (১৯৭১)। এই সময়েই তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে ''গুড্ডি'' ছবিতে কাজ করেন। এই ছবিতে [[ধর্মেন্দ্র|ধর্মেন্দ্রর]] বিপরীতে তার ভাবি স্ত্রী [[জয়া ভাদুড়ি]] অভিনয় করেছিলেন। তার কর্মজীবনের প্রথম থেকেই গম্ভীর ব্যারিটোন কন্ঠস্বরের জন্য প্রশংসিত বচ্চন, ''[[বাবুর্চি (১৯৭২-এর চলচ্চিত্র)|বাবুর্চি]]'' ছবির কিছু অংশে ভাষ্যকারের কাজ করেছিলেন। ১৯৭২-এ তিনি এস.রামানাথনের নির্দেশিত একটি রোড অ্যাকশন কমেডি ''[[বোম্বে টু গোয়া]]'' ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তাকে [[অরুণা ইরানি]], [[মেহমুদ]], আনোয়ার আলি এবং নাসির হুসেনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে দেখা গিয়েছিলো।
৩৯ নং লাইন: ৩৯ নং লাইন:
=== তারকা হয়ে ওঠা ১৯৭৩-১৯৮৩ ===
=== তারকা হয়ে ওঠা ১৯৭৩-১৯৮৩ ===


১৯৭৩-এ বচ্চনের চলচ্চিত্র জীবনে একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে যখন পরিচালক প্রকাশ মেহেরা তার ''জঞ্জীর'' (১৯৭৩) ছবির মুখ্য ভূমিকা, ইন্সপেক্টর বিজয় খান্নার চরিত্রে তাকে নির্বাচিত করেন। এই ছবিটি আগের সমস্ত রোম্যান্টিক ছবির থেকে পুরোপুরি অন্য ঘরানার হওয়ায় অমিতাভ "রাগী যুবক" হিসেবে এক নতুন রূপে নিজেকে [[বলিউড|বলিউডে]] প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন।<ref name=angryyoungman/> এর পরের ছবিগুলিতে তার অভিনীত চরিত্রের আঙ্গিক তার এই নতুন পরিচিতিকে আরো দৃঢ় করেছিল। মুখ্য চরিত্র হিসেবে এটাই তার প্রথম ছবি যা তাকে বক্স অফিসে সাফল্য এবং [[শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে]] মনোনয়ন এনে দিয়েছিলো। ১৯৭৩ সালে তিনি [[জয়া ভাদুড়ি]]কে বিয়ে করেন এবং এই সময়ে একসঙ্গে বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন। শুধু জঞ্জীরই নয় ''অভিমান'' নামক ছবিটি তাদের বিয়ের এক মাস পরেই মুক্তি পেয়েছিল। এরপর বচ্চন বীরেশ চ্যাটার্জির চিত্রনাট্যে হৃষিকেশ মুখার্জির পরিচালিত সামাজিক ছবি ''নমক হারাম''-এ বিক্রমের চরিত্রে অভিনয় করেন যার মূল বিষয় ছিলো বন্ধুত্ব। [[রাজেশ খান্না]] এবং [[রেখা (অভিনেত্রী)|রেখার]] সঙ্গে তার সহ-অভিনেতার ভূমিকায় অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং তিনি এই চরিত্রের জন্যে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতার পুরস্কারও পান। ১৯৭৪-এ বচ্চনকে বেশ কিছু ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গিয়েছিলো যেমন ''কুঁওয়ারা বাপ'' এবং ''দোস্ত''। বছরের সবচেয়ে সফল ছবি ''রোটি'', ''কাপড়া অর মকান''-এ তাকে সহ অভিনেতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলো। এই ছবিটির গল্প এবং নির্দেশনা ছিলো মনোজ কুমারের। অত্যাচার, দারিদ্র এবং মানসিক টানাপোড়েনের সঙ্গে সততার লড়াই ছিলো এই ছবির বিষয়বস্তু। [[মনোজ কুমার]], [[শশী কাপুর]] এবং [[জিনাত আমান]]ের বিপরীতে অমিতাভের অভিনয় ছবিকে বাণিজ্যিক সাফল্য এবং সমালোচকদের প্রশংসা এনে দেয়। [[৬ই ডিসেম্বর]] ১৯৭৪-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ''মজবুর'' ছবিতে অমিতাভ মুখ্য ভূমিকায় করেছিলেন। এটি [[হলিউড|হলিউডের]] জর্জ কেনেডি অভিনীত ''জিগজ্যাগ'' ছবির পুনর্নির্মিত সংস্করণ। ছবিটি বক্স অফিসে মাঝারিমাপের সাফল্য পায়।<ref>[http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=180&catName=MTk3NA== Box Office India] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://archive.is/20120708012644/boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=180&catName=MTk3NA== |তারিখ=৮ জুলাই ২০১২ }}.</ref> ১৯৭৫-এ বিভিন্ন ঘরানার যে ছবিগুলিতে তাকে দেখা গিয়েছিলো, তার মধ্যে অন্যতম ছিল মজার ছবি ''[[চুপকে চুপকে]]'', অপরাধমূলক নাটকীয় গল্পের ভিত্তিতে তৈরি ''ফারার'' এবং রোম্যান্টিক ছবি ''মিলি''। ১৯৭৫ সালেই তাকে দুটি ছবিতে দেখা গিয়েছিলো যা হিন্দি ছবির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। [[যশ চোপড়া]] পরিচালিত ছবি ''[[দিওয়ার (১৯৭৫-এর চলচ্চিত্র)|দিওয়ার]]''-এ তাকে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায়। তার সহ অভিনেতা হিসেবে ছিলেন [[শশী কপূর]], [[নিরুপা রায়]] এবং [[নিতু সিংহ]]। এই ছবির জন্যে তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান পান। ১৯৭৫-এ ছবিটি বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায় এবং চতুর্থ স্থান লাভ করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=181&catName=MTk3NQ==|শিরোনাম=Box Office 1975|কর্ম=BoxOffice India.com|সংগ্রহের-তারিখ=২ আগস্ট ২০১০|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131020122136/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=181&catName=MTk3NQ%3D%3D#|আর্কাইভের-তারিখ=২০ অক্টোবর ২০১৩|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> ''ইন্ডিয়া টাইমস মুভিস'' এর তালিকা অনুযায়ী ''দিওয়ার'' প্রথম ২৫টি অবিস্মরণীয় বলিউড ছবির মধ্যে একটি। উল্লেখ থাকে যে একই নামে তিনি অপর একটি ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন কয়েক দশক পরে, সেটি হল [[দিওয়ার(২০০৪)]]।<ref name="mustsee"/> ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ''[[শোলে]]'' (অর্থাৎ অগ্নিশিখা) [[ভারত|ভারতের]] সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র হিসেবে অভিহিত হয়েছিল। মুদ্রাস্ফীতি বিবেচনা করেও এই ছবির রোজগার হয় প্রায় ২,৩৬,৪৫,০০,০০০ রুপি যা ৬০ মিলিয়ন US$-এর সমতুল্য।<ref name=boxoffice>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Sholay |ইউআরএল=http://www.ibosnetwork.com/asp/filmbodetails.asp?id=Sholay |প্রকাশক=International Business Overview Standard |সংগ্রহের-তারিখ=2007-12-06 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১২-০৬-৩০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.today/20120630155123/http://www.ibosnetwork.com/asp/filmbodetails.asp?id=Sholay |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> এই ছবিতে বচ্চন জয়দেবের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ছবির জগতের অনেক নামজাদা তারকারা, যেমন [[ধর্মেন্দ্র]], [[হেমা মালিনী]], [[সঞ্জীব কুমার]], [[জয়া ভাদুড়ি]] এবং [[আমজাদ খান]]। ১৯৯৯-এ [[বিবিসি]] ইন্ডিয়া এই ছবিটিকে "সহস্রাব্দের সেরা ছবি" বলে ঘোষণা দিয়েছিল। ইন্ডিয়াটাইমস মুভিস ''[[দিওয়ার (১৯৭৫-এর চলচ্চিত্র)|দিওয়ার]]'' ছবির মতো এই ছবিটিকেও প্রথম ২৫টি অবিস্মরণীয় বলিউড ছবির তালিকায় রেখেছে।<ref name="mustsee">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |লেখক=Kanwar, Rachna |শিরোনাম=25 Must See Bollywood Movies |তারিখ=3 October 2005 |ইউআরএল=http://movies.indiatimes.com/Special_Features/25_Must_See_Bollywood_Movies/articleshow/msid-1250837,curpg-10.cms |প্রকাশক=Indiatimes movies |সংগ্রহের-তারিখ=2007-12-06 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20071015033756/http://movies.indiatimes.com/Special_Features/25_Must_See_Bollywood_Movies/articleshow/msid-1250837%2Ccurpg-10.cms# |আর্কাইভের-তারিখ=২০০৭-১০-১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> একই বছরে ৫০ তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের বিচারকরা এই ছবিটিকে "ফিল্মফেয়ার পঞ্চাশ বছরের শ্রেষ্ঠ ছবি" নামক এক বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।
১৯৭৩-এ বচ্চনের চলচ্চিত্র জীবনে একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে যখন পরিচালক প্রকাশ মেহেরা তার ''জঞ্জীর'' (১৯৭৩) ছবির মুখ্য ভূমিকা, ইন্সপেক্টর বিজয় খান্নার চরিত্রে তাকে নির্বাচিত করেন। এই ছবিটি আগের সমস্ত রোম্যান্টিক ছবির থেকে পুরোপুরি অন্য ঘরানার হওয়ায় অমিতাভ "রাগী যুবক" হিসেবে এক নতুন রূপে নিজেকে [[বলিউড|বলিউডে]] প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন।<ref name=angryyoungman/> এর পরের ছবিগুলিতে তার অভিনীত চরিত্রের আঙ্গিক তার এই নতুন পরিচিতিকে আরো দৃঢ় করেছিল। মুখ্য চরিত্র হিসেবে এটাই তার প্রথম ছবি যা তাকে বক্স অফিসে সাফল্য এবং [[শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে]] মনোনয়ন এনে দিয়েছিলো। ১৯৭৩ সালে তিনি [[জয়া ভাদুড়ি]]কে বিয়ে করেন এবং এই সময়ে একসঙ্গে বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন। শুধু জঞ্জীরই নয় ''অভিমান'' নামক ছবিটি তাদের বিয়ের এক মাস পরেই মুক্তি পেয়েছিল। এরপর বচ্চন বীরেশ চ্যাটার্জির চিত্রনাট্যে হৃষিকেশ মুখার্জির পরিচালিত সামাজিক ছবি ''নমক হারাম''-এ বিক্রমের চরিত্রে অভিনয় করেন যার মূল বিষয় ছিলো বন্ধুত্ব। [[রাজেশ খান্না]] এবং [[রেখা (অভিনেত্রী)|রেখার]] সঙ্গে তার সহ-অভিনেতার ভূমিকায় অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং তিনি এই চরিত্রের জন্যে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতার পুরস্কারও পান। ১৯৭৪-এ বচ্চনকে বেশ কিছু ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গিয়েছিলো যেমন ''কুঁওয়ারা বাপ'' এবং ''দোস্ত''। বছরের সবচেয়ে সফল ছবি ''রোটি'', ''কাপড়া অর মকান''-এ তাকে সহ অভিনেতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলো। এই ছবিটির গল্প এবং নির্দেশনা ছিলো মনোজ কুমারের। অত্যাচার, দারিদ্র এবং মানসিক টানাপোড়েনের সঙ্গে সততার লড়াই ছিলো এই ছবির বিষয়বস্তু। [[মনোজ কুমার]], [[শশী কাপুর]] এবং [[জিনাত আমান]]ের বিপরীতে অমিতাভের অভিনয় ছবিকে বাণিজ্যিক সাফল্য এবং সমালোচকদের প্রশংসা এনে দেয়। [[৬ই ডিসেম্বর]] ১৯৭৪-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ''মজবুর'' ছবিতে অমিতাভ মুখ্য ভূমিকায় করেছিলেন। এটি [[হলিউড|হলিউডের]] জর্জ কেনেডি অভিনীত ''জিগজ্যাগ'' ছবির পুনর্নির্মিত সংস্করণ। ছবিটি বক্স অফিসে মাঝারিমাপের সাফল্য পায়।<ref>[http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=180&catName=MTk3NA== Box Office India].</ref> ১৯৭৫-এ বিভিন্ন ঘরানার যে ছবিগুলিতে তাকে দেখা গিয়েছিলো, তার মধ্যে অন্যতম ছিল মজার ছবি ''[[চুপকে চুপকে]]'', অপরাধমূলক নাটকীয় গল্পের ভিত্তিতে তৈরি ''ফারার'' এবং রোম্যান্টিক ছবি ''মিলি''। ১৯৭৫ সালেই তাকে দুটি ছবিতে দেখা গিয়েছিলো যা হিন্দি ছবির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। [[যশ চোপড়া]] পরিচালিত ছবি ''[[দিওয়ার (১৯৭৫-এর চলচ্চিত্র)|দিওয়ার]]''-এ তাকে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায়। তার সহ অভিনেতা হিসেবে ছিলেন [[শশী কপূর]], [[নিরুপা রায়]] এবং [[নিতু সিংহ]]। এই ছবির জন্যে তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান পান। ১৯৭৫-এ ছবিটি বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায় এবং চতুর্থ স্থান লাভ করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=181&catName=MTk3NQ==|শিরোনাম=Box Office 1975|কর্ম=BoxOffice India.com|সংগ্রহের-তারিখ=২ আগস্ট ২০১০|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131020122136/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=181&catName=MTk3NQ%3D%3D#|আর্কাইভের-তারিখ=২০ অক্টোবর ২০১৩|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> ''ইন্ডিয়া টাইমস মুভিস'' এর তালিকা অনুযায়ী ''দিওয়ার'' প্রথম ২৫টি অবিস্মরণীয় বলিউড ছবির মধ্যে একটি। উল্লেখ থাকে যে একই নামে তিনি অপর একটি ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন কয়েক দশক পরে, সেটি হল [[দিওয়ার(২০০৪)]]।<ref name="mustsee"/> ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ''[[শোলে]]'' (অর্থাৎ অগ্নিশিখা) [[ভারত|ভারতের]] সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র হিসেবে অভিহিত হয়েছিল। মুদ্রাস্ফীতি বিবেচনা করেও এই ছবির রোজগার হয় প্রায় ২,৩৬,৪৫,০০,০০০ রুপি যা ৬০ মিলিয়ন US$-এর সমতুল্য।<ref name=boxoffice>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Sholay |ইউআরএল=http://www.ibosnetwork.com/asp/filmbodetails.asp?id=Sholay |প্রকাশক=International Business Overview Standard |সংগ্রহের-তারিখ=2007-12-06 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১২-০৬-৩০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.today/20120630155123/http://www.ibosnetwork.com/asp/filmbodetails.asp?id=Sholay |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> এই ছবিতে বচ্চন জয়দেবের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ছবির জগতের অনেক নামজাদা তারকারা, যেমন [[ধর্মেন্দ্র]], [[হেমা মালিনী]], [[সঞ্জীব কুমার]], [[জয়া ভাদুড়ি]] এবং [[আমজাদ খান]]। ১৯৯৯-এ [[বিবিসি]] ইন্ডিয়া এই ছবিটিকে "সহস্রাব্দের সেরা ছবি" বলে ঘোষণা দিয়েছিল। ইন্ডিয়াটাইমস মুভিস ''[[দিওয়ার (১৯৭৫-এর চলচ্চিত্র)|দিওয়ার]]'' ছবির মতো এই ছবিটিকেও প্রথম ২৫টি অবিস্মরণীয় বলিউড ছবির তালিকায় রেখেছে।<ref name="mustsee">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |লেখক=Kanwar, Rachna |শিরোনাম=25 Must See Bollywood Movies |তারিখ=3 October 2005 |ইউআরএল=http://movies.indiatimes.com/Special_Features/25_Must_See_Bollywood_Movies/articleshow/msid-1250837,curpg-10.cms |প্রকাশক=Indiatimes movies |সংগ্রহের-তারিখ=2007-12-06 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20071015033756/http://movies.indiatimes.com/Special_Features/25_Must_See_Bollywood_Movies/articleshow/msid-1250837%2Ccurpg-10.cms# |আর্কাইভের-তারিখ=২০০৭-১০-১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> একই বছরে ৫০ তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের বিচারকরা এই ছবিটিকে "ফিল্মফেয়ার পঞ্চাশ বছরের শ্রেষ্ঠ ছবি" নামক এক বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।


বক্স অফিসে শোলের অভাবনীয় সাফল্যর পর বচ্চন মুম্বাই ফিল্ম জগতে তার জায়গা পাকা করে নেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত তিনি অজস্র [[শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার]] এবং মনোয়ন পেয়েছিলেন।
বক্স অফিসে শোলের অভাবনীয় সাফল্যর পর বচ্চন মুম্বাই ফিল্ম জগতে তার জায়গা পাকা করে নেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত তিনি অজস্র [[শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার]] এবং মনোয়ন পেয়েছিলেন।


১৯৭৬-এ পরিচালক [[যশ চোপড়া]] তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ''[[কাভি কাভি (১৯৭৬-এর চলচ্চিত্র)|কাভি কাভি]]'' এর জন্যে আবার তাকে বেছে নেন। এটি একটি আদ্যন্ত প্রেমের গল্প যেখানে বচ্চনকে এক কবি অমিত মালহোত্র, যে একজন সুন্দরী তরুণীর প্রেমে পড়েছে, তার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় ছিলেন অভিনেত্রী রাখি গুলজার। আবেগপূর্ণ সংলাপ এবং বিষয়বস্তুর নমনীয়তা দিয়ে বিচার করতে গেলে দেখা যাবে যে অমিতাভের অভিনীত অন্যান্য অ্যাকশনধর্মী চরিত্রের থেকে এই চরিত্রটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এই ছবিতে অভিনয়ের দৌলতে তিনি আরও একবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন। বলাই বাহুল্য ছবিটি আর্থিক ভাবেও সাফল্য লাভ করেছিল। ১৯৭৭-এ ''[[অমর আকবর অ্যান্থনী]]'' ছবিতে তার অভিনয়ের জন্যে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। এই ছবিতে তিনি তৃতীয় নায়ক অ্যান্থনী গনসালেসের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রথম দুজন নায়ক ছিলেন যথাক্রমে [[বিনোদ খান্না]] ও [[ঋষি কাপুর]]। ১৯৭৮ বোধহয় তার অভিনয় জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় বছর কারণ বছরের চারটি বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবিতেই তিনি অভিনয় করেছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=ibosnetwork.com |শিরোনাম=Bachchan's historic 1978 year at the box office |ইউআরএল=http://www.ibosnetwork.com/asp/topgrossersbyyear.asp?year=1978 |সংগ্রহের-তারিখ=1 February 2008 }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=সেপ্টেম্বর ২০২১ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> এরপর তিনি আবার দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করা শুরু করেন। ''কসমে ওয়াদে'' ছবিতে তার চরিত্রদ্বয়ের নাম ছিলো অমিত এবং শঙ্কর। ''[[ডন (১৯৭৮-এর চলচ্চিত্র)|ডন]]'' ছবিতে তার ভূমিকা ছিলো অপরাধজগতের নেতা ডন এবং ঠিক তার মতো দেখতে অন্য এক ব্যক্তি বিজয়ের। তার অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। সমালোচকরাও তার অভিনয়ের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। ''[[ত্রিশূল (চলচ্চিত্র)|ত্রিশূল]]'' এবং ''মুকদ্দর কা সিকান্দর'' ছবি দুটির জন্যও তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার মনোনয়ন এবং প্রশংসা পেয়েছিলেন। কর্মজীবনের এই পর্যায়ে তার অনায়াস সাফল্য দেখে [[ফ্রান্স|ফরাসি]] পরিচালক ফ্রাসোয়া ত্রুফো তাকে "ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি" খেতাব দিয়েছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | কর্ম=China Daily | শিরোনাম=Truffaut labeled Bachchan a one-man industry | ইউআরএল=http://app1.chinadaily.com.cn/star/history/00-07-07/l03-film.html | সংগ্রহের-তারিখ=1 February 2008 | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080201030338/http://app1.chinadaily.com.cn/star/history/00-07-07/l03-film.html# | আর্কাইভের-তারিখ=১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ | অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১৯৭৬-এ পরিচালক [[যশ চোপড়া]] তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ''[[কাভি কাভি (১৯৭৬-এর চলচ্চিত্র)|কাভি কাভি]]'' এর জন্যে আবার তাকে বেছে নেন। এটি একটি আদ্যন্ত প্রেমের গল্প যেখানে বচ্চনকে এক কবি অমিত মালহোত্র, যে একজন সুন্দরী তরুণীর প্রেমে পড়েছে, তার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় ছিলেন অভিনেত্রী রাখি গুলজার। আবেগপূর্ণ সংলাপ এবং বিষয়বস্তুর নমনীয়তা দিয়ে বিচার করতে গেলে দেখা যাবে যে অমিতাভের অভিনীত অন্যান্য অ্যাকশনধর্মী চরিত্রের থেকে এই চরিত্রটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এই ছবিতে অভিনয়ের দৌলতে তিনি আরও একবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন। বলাই বাহুল্য ছবিটি আর্থিক ভাবেও সাফল্য লাভ করেছিল। ১৯৭৭-এ ''[[অমর আকবর অ্যান্থনী]]'' ছবিতে তার অভিনয়ের জন্যে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। এই ছবিতে তিনি তৃতীয় নায়ক অ্যান্থনী গনসালেসের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রথম দুজন নায়ক ছিলেন যথাক্রমে [[বিনোদ খান্না]] ও [[ঋষি কাপুর]]। ১৯৭৮ বোধহয় তার অভিনয় জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় বছর কারণ বছরের চারটি বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবিতেই তিনি অভিনয় করেছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=ibosnetwork.com |শিরোনাম=Bachchan's historic 1978 year at the box office |ইউআরএল=http://www.ibosnetwork.com/asp/topgrossersbyyear.asp?year=1978 |সংগ্রহের-তারিখ=1 ফেব্রুয়ারি 2008 }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=সেপ্টেম্বর ২০২১ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> এরপর তিনি আবার দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করা শুরু করেন। ''কসমে ওয়াদে'' ছবিতে তার চরিত্রদ্বয়ের নাম ছিলো অমিত এবং শঙ্কর। ''[[ডন (১৯৭৮-এর চলচ্চিত্র)|ডন]]'' ছবিতে তার ভূমিকা ছিলো অপরাধজগতের নেতা ডন এবং ঠিক তার মতো দেখতে অন্য এক ব্যক্তি বিজয়ের। তার অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। সমালোচকরাও তার অভিনয়ের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। ''[[ত্রিশূল (চলচ্চিত্র)|ত্রিশূল]]'' এবং ''মুকদ্দর কা সিকান্দর'' ছবি দুটির জন্যও তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার মনোনয়ন এবং প্রশংসা পেয়েছিলেন। কর্মজীবনের এই পর্যায়ে তার অনায়াস সাফল্য দেখে [[ফ্রান্স|ফরাসি]] পরিচালক ফ্রাসোয়া ত্রুফো তাকে "ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি" খেতাব দিয়েছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | কর্ম=China Daily | শিরোনাম=Truffaut labeled Bachchan a one-man industry | ইউআরএল=http://app1.chinadaily.com.cn/star/history/00-07-07/l03-film.html | সংগ্রহের-তারিখ=1 ফেব্রুয়ারি 2008 | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080201030338/http://app1.chinadaily.com.cn/star/history/00-07-07/l03-film.html# | আর্কাইভের-তারিখ=১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ | অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>


১৯৭৯ সালে মিস্টার ''নটবরলাল'' ছবিতে প্রথমবার অমিতাভ নিজের গলায় গান গেয়েছিলেন। এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন রেখা। এই ছবিতে তার অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পান এবং গানের জন্য [[শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়কের পুরস্কারের]] জন্যও মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। ১৯৭৯-এ তিনি আবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার বিভাগে মনোনয়ন পান ''কালা পাত্থার'' (১৯৭৯) ছবির জন্যে। রাজ খোসলা পরিচালিত ছবি ''দোস্তানা'' এর জন্যও ১৯৮০-তে মনোনয়ন পান। এই ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন [[শত্রুঘ্ন সিনহা]] এবং [[জিনাত আমান]]। বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক দিয়ে ১৯৮০-তে ''দোস্তানা'' শীর্ষ স্থান লাভ করেছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=186&catName=MTk4MA== |শিরোনাম=BoxOffice India.com |প্রকাশক=BoxOffice India.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2010-01-15 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100102005754/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=186&catName=MTk4MA%3D%3D# |আর্কাইভের-তারিখ=২০১০-০১-০২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ১৯৮১-তে তিনি যশ চোপড়ার আবেগধর্মী ছবি ''সিলসিলা'' তে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন তার স্ত্রী জয়া এবং রেখা যাঁকে তার প্রেমিকা হিসেবে সন্দেহ করা হত। এই সময়ের অন্যান্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ''রাম বলরাম'' (১৯৮০), ''[[শান (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|শান]]'' (১৯৮০), ''[[লাওয়ারিস]]'' (১৯৮১) এবং ''[[শক্তি (১৯৮২-এর চলচ্চিত্র)|শক্তি]]'' (১৯৮২)। শেষ ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা [[দিলীপ কুমার]] যাঁকে তার সময়ের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং মহাতারকা হিসেবে গণ্য করা হতো।<ref name="Box office success">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=boxofficeindia.com |শিরোনাম=Bachchan's box office success |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors&PHPSESSID=cfa06e3b5a051913d58987e99cd292ae |সংগ্রহের-তারিখ=10 April 2007 |আর্কাইভের-তারিখ=২৯ অক্টোবর ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131029191201/http://boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref>
১৯৭৯ সালে মিস্টার ''নটবরলাল'' ছবিতে প্রথমবার অমিতাভ নিজের গলায় গান গেয়েছিলেন। এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন রেখা। এই ছবিতে তার অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পান এবং গানের জন্য [[শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার|ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়কের পুরস্কারের]] জন্যও মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। ১৯৭৯-এ তিনি আবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার বিভাগে মনোনয়ন পান ''কালা পাত্থার'' (১৯৭৯) ছবির জন্যে। রাজ খোসলা পরিচালিত ছবি ''দোস্তানা'' এর জন্যও ১৯৮০-তে মনোনয়ন পান। এই ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন [[শত্রুঘ্ন সিনহা]] এবং [[জিনাত আমান]]। বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক দিয়ে ১৯৮০-তে ''দোস্তানা'' শীর্ষ স্থান লাভ করেছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=186&catName=MTk4MA== |শিরোনাম=BoxOffice India.com |প্রকাশক=BoxOffice India.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2010-01-15 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100102005754/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=186&catName=MTk4MA%3D%3D# |আর্কাইভের-তারিখ=২০১০-০১-০২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ১৯৮১-তে তিনি যশ চোপড়ার আবেগধর্মী ছবি ''সিলসিলা'' তে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন তার স্ত্রী জয়া এবং রেখা যাঁকে তার প্রেমিকা হিসেবে সন্দেহ করা হত। এই সময়ের অনান্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ''রাম বলরাম'' (১৯৮০), ''[[শান (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|শান]]'' (১৯৮০), ''[[লাওয়ারিস]]'' (১৯৮১) এবং ''[[শক্তি (১৯৮২-এর চলচ্চিত্র)|শক্তি]]'' (১৯৮২)। শেষ ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা [[দিলীপ কুমার]] যাঁকে তার সময়ের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং মহাতারকা হিসেবে গণ্য করা হতো।<ref name="Box office success">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=boxofficeindia.com |শিরোনাম= Bachchan's box office success |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors&PHPSESSID=cfa06e3b5a051913d58987e99cd292ae |সংগ্রহের-তারিখ=10 April 2007}}</ref>


=== ১৯৮২ এ কুলি ছবির অভিনয়কালে আঘাত ===
=== ১৯৮২ এ কুলি ছবির অভিনয়কালে আঘাত ===
১৯৮২ সালে ''কুলি'' ছবির চিত্রগ্রহণ চলাকালীন একটি মারামারির দৃশ্যে সহ-অভিনেতা পুনিত ইসারের সঙ্গে অভিনয়ের সময় বচ্চন তার অন্ত্রে মারাত্মক আঘাত পান।<ref name="Coolie fight scene">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=rediff.com |শিরোনাম=Bachchan injured whilst shooting scene |ইউআরএল=http://www.rediff.com/entertai/2001/oct/11amit.htm |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007}}</ref> বচ্চন ছবিটিতে কোনো স্টান্টম্যান ছাড়া নিজেই বিপদজ্জনক দৃশ্যগুলিতে অভিনয় করছিলেন। একটি দৃশ্যে তাকে টেবিলের ওপর পড়ে তারপর মাটিতে পড়ে যেতে হতো। কিন্তু যখন তিনি টেবিলের উপর ঝাঁপালেন তখন টেবিলের কোণ তার শরীরের নিম্নাংশে লেগে তার প্লীহা ফুটো করে দেয় এবং এর ফলে খুব রক্তপাত হয়। তার জরুরি প্লীহা কেটে বাদ দেওয়ার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। অনেক মাস ধরে তিনি [[হাসপাতাল|হাসপাতালে]] সাংঘাতিক শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভর্তি ছিলেন। কখনো কখনো মৃত্যুর আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। জনসাধারণের মধ্যে তার ভক্তকূলের অনেকেই তার প্রাণ বাঁচানোর জন্যে [[মন্দির|মন্দিরে]] প্রার্থনা করেন এমনকি নিজের শরীরের অঙ্গও বলি দিতে উদ্যত হয়েছিল। তিনি যখন সুস্থ হয়ে উঠছেন তখনও তাকে শুভেচ্ছা জানাবার জন্যে তার গুণমুগ্ধ ভক্তরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতো।<ref name="Footage of Coolie fight scene">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | কর্ম=IMDB |শিরোনাম=Footage of fight scene in Coolie released to the public |ইউআরএল=http://www.imdb.com/title/tt0085361/trivia| সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007}}</ref> তা সত্ত্বেও তার সেরে উঠতে বেশ কিছু মাস সময় লেগে যায়। তিনি সেই বছরের শেষের দিকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর আবার কাজ শুরু করেন। এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৩ সালে। খানিকটা বচ্চনের দুর্ঘটনাজনিত প্রচারের কারণেও ছবিটি বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য লাভ করেছিল।<ref name="Coolie">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=boxofficeindia.com |শিরোনাম=Coolie a success |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=125&catName=MTk4MC0xOTg5 |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007 |আর্কাইভের-তারিখ=১৪ অক্টোবর ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131014090332/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=125&catName=MTk4MC0xOTg5 |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref>
১৯৮২ সালে ''কুলি'' ছবির চিত্রগ্রহণ চলাকালীন একটি মারামারির দৃশ্যে সহ-অভিনেতা পুনিত ইসারের সঙ্গে অভিনয়ের সময় বচ্চন তার অন্ত্রে মারাত্মক আঘাত পান।<ref name="Coolie fight scene">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=rediff.com |শিরোনাম=Bachchan injured whilst shooting scene |ইউআরএল=http://www.rediff.com/entertai/2001/oct/11amit.htm |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007}}</ref> বচ্চন ছবিটিতে কোনো স্টান্টম্যান ছাড়া নিজেই বিপদজ্জনক দৃশ্যগুলিতে অভিনয় করছিলেন। একটি দৃশ্যে তাকে টেবিলের ওপর পড়ে তারপর মাটিতে পড়ে যেতে হতো। কিন্তু যখন তিনি টেবিলের উপর ঝাঁপালেন তখন টেবিলের কোণ তার শরীরের নিম্নাংশে লেগে তার প্লীহা ফুটো করে দেয় এবং এর ফলে খুব রক্তপাত হয়। তার জরুরি প্লীহা কেটে বাদ দেওয়ার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। অনেক মাস ধরে তিনি [[হাসপাতাল|হাসপাতালে]] সাংঘাতিক শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভর্তি ছিলেন। কখনো কখনো মৃত্যুর আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। জনসাধারণের মধ্যে তার ভক্তকূলের অনেকেই তার প্রাণ বাঁচানোর জন্যে [[মন্দির|মন্দিরে]] প্রার্থনা করেন এমনকি নিজের শরীরের অঙ্গও বলি দিতে উদ্যত হয়েছিল। তিনি যখন সুস্থ হয়ে উঠছেন তখনও তাকে শুভেচ্ছা জানাবার জন্যে তার গুণমুগ্ধ ভক্তরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতো।<ref name="Footage of Coolie fight scene">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | কর্ম=IMDB |শিরোনাম=Footage of fight scene in Coolie released to the public |ইউআরএল=http://www.imdb.com/title/tt0085361/trivia| সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007}}</ref> তা সত্ত্বেও তার সেরে উঠতে বেশ কিছু মাস সময় লেগে যায়। তিনি সেই বছরের শেষের দিকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর আবার কাজ শুরু করেন। এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৩ সালে। খানিকটা বচ্চনের দুর্ঘটনাজনিত প্রচারের কারণেও ছবিটি বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য লাভ করেছিল।<ref name="Coolie">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=boxofficeindia.com |শিরোনাম=Coolie a success |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=125&catName=MTk4MC0xOTg5 |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007}}</ref>


বচ্চনের দুর্ঘটনার কারণে পরিচালক মনমোহন দেশাই তার ছবি ''কুলি'' এর শেষাংশটি বদলে দিয়েছিলেন। আগে ঠিক ছিলো বচ্চনের চরিত্রটি ছবির শেষে মারা যাবে কিন্তু চিত্রনাট্য বদল করে তাকে শেষে বাঁচিয়ে দেওয়া হয়। দেশাই বলেন, যে মানুষটি সদা মৃত্যুর বিরুদ্ধে যুদ্ধজয় করেছে তাকে পর্দায় মেরে ফেলা উচিত হবে না। পরে যখন ছবিটি মুক্তি পায় সেই মারামারির দৃশ্যটির (যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে) সময় খানিকক্ষণের জন্যে ছবি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং পর্দায় এক বিজ্ঞপ্তি দেখা দেয় যে এই সময়ই অভিনেতা আহত হয়েছিলেন। এইভাবেই ছবিটি ভালো রকম প্রচার পেয়ে গিয়েছিল।<ref name="Footage of Coolie fight scene" />
বচ্চনের দুর্ঘটনার কারণে পরিচালক মনমোহন দেশাই তার ছবি ''কুলি'' এর শেষাংশটি বদলে দিয়েছিলেন। আগে ঠিক ছিলো বচ্চনের চরিত্রটি ছবির শেষে মারা যাবে কিন্তু চিত্রনাট্য বদল করে তাকে শেষে বাঁচিয়ে দেওয়া হয়। দেশাই বলেন, যে মানুষটি সদা মৃত্যুর বিরুদ্ধে যুদ্ধজয় করেছে তাকে পর্দায় মেরে ফেলা উচিত হবে না। পরে যখন ছবিটি মুক্তি পায় সেই মারামারির দৃশ্যটির (যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে) সময় খানিকক্ষণের জন্যে ছবি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং পর্দায় এক বিজ্ঞপ্তি দেখা দেয় যে এই সময়ই অভিনেতা আহত হয়েছিলেন। এইভাবেই ছবিটি ভালো রকম প্রচার পেয়ে গিয়েছিল।<ref name="Footage of Coolie fight scene" />


পরে জানা যায় তিনি ''পেশি ভঙ্গুরতাজনিত'' অসুখে ভুগছেন। এই অসুস্থতার দরুন তিনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন এবং ফিল্ম ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সময় তিনি খুব হতাশ হয়েছিলেন এবং তার ফিল্মের ভবিষ্যত নিয়েও চিন্তান্বিত হয়ে পড়েন। প্রত্যেক ছবি মুক্তি পাওয়ার আগে তিনি বলতেন,"ইয়ে ফিল্ম ফ্লপ হোগি!"("এই ছবিটা ব্যর্থ হবে")।<ref name="Myasthenia Gravis">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|কর্ম=mouthshut.com|শিরোনাম=Reviews on: To Be or Not To Be Amitabh Bachchan|লেখক=Mohamed, Khalid|ইউআরএল=http://www.mouthshut.com/review/To_Be_or_Not_To_Be_Amitabh_Bachchan_-_Khalid_Mohamed-72513-1.html|সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20050901155545/http://www.mouthshut.com/review/To_Be_or_Not_To_Be_Amitabh_Bachchan_-_Khalid_Mohamed-72513-1.html|আর্কাইভের-তারিখ=১ সেপ্টেম্বর ২০০৫|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
পরে জানা যায় তিনি ''পেশি ভঙ্গুরতাজনিত'' অসুখে ভুগছেন। এই অসুস্থতার দরুন তিনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন এবং ফিল্ম ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সময় তিনি খুব হতাশ হয়েছিলেন এবং তার ফিল্মের ভবিষ্যত নিয়েও চিন্তান্বিত হয়ে পড়েন। প্রত্যেক ছবি মুক্তি পাওয়ার আগে তিনি বলতেন,"ইয়ে ফিল্ম ফ্লপ হোগি!"("এই ছবিটা ব্যর্থ হবে")।<ref name="Myasthenia Gravis">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|কর্ম=mouthshut.com|শিরোনাম=Reviews on: To Be or Not To Be Amitabh Bachchan|লেখক=Mohamed, Khalid|ইউআরএল=http://www.mouthshut.com/review/To_Be_or_Not_To_Be_Amitabh_Bachchan_-_Khalid_Mohamed-72513-1.html|সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20050901155545/http://www.mouthshut.com/review/To_Be_or_Not_To_Be_Amitabh_Bachchan_-_Khalid_Mohamed-72513-1.html|আর্কাইভের-তারিখ=১ সেপ্টেম্বর ২০০৫|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>


=== রাজনীতি : ১৯৮৪-১৯৮৭ ===
=== রাজনীতি : ১৯৮৪-১৯৮৭ ===
১৯৮৪ সালে তাদের অনেকদিনের পারিবারিক বন্ধু [[রাজীব গান্ধী|রাজীব গান্ধীর]] সমর্থনে অমিতাভ অভিনয় থেকে সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি [[এলাহাবাদ]] লোকসভা আসনের জন্য উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ এন বহুগুনা-র বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ান এবং সাধারণ নির্বাচন-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি (মোট ভোটের ৬৮.২% পেয়ে) ভোটপার্থক্যে জয়লাভ করেন ।<ref name=election>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.hindustantimes.com/news/specials/amitabh/politics.htm |শিরোনাম=Amitabh Bachchan: Stint in Politics |প্রকাশক=HindustanTimes.com |সংগ্রহের-তারিখ=2005-12-05 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১৫-০১-১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150113103502/http://www.hindustantimes.com/news/specials/amitabh/politics.htm |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> তার রাজনৈতিক কর্মজীবন সংক্ষিপ্ত ছিলো। তিন বছর পরে তিনি পদত্যাগ করেন এবং রাজনীতিকে "নর্দমা" আখ্যা দেন। এই পদত্যাগের পিছনে ছিলো বচ্চন এবং তার ভাইয়ের "বোফর্স কেলেঙ্কারী"-তে জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত যা একটি খবরের কাগজ জনসমক্ষে তুলে আনে। বচ্চন এই কাগজের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন। কিন্তু শেষে জানা যায় যে বচ্চন নির্দোষ এবং এই কেলেঙ্কারিতে কোনভাবে জড়িত ছিলেন না।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.sathnam.com/Features/17/interview-with-amitabh-bachchan |শিরোনাম=Interview with Amitabh Bachchan |প্রকাশক=sathnam.com |সংগ্রহের-তারিখ=২ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://www.webcitation.org/5ppKBfYB7?url=http://www.sathnam.com/Features/17/interview-with-amitabh-bachchan# |আর্কাইভের-তারিখ=১৮ মে ২০১০ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১৯৮৪ সালে তাদের অনেকদিনের পারিবারিক বন্ধু [[রাজীব গান্ধী|রাজীব গান্ধীর]] সমর্থনে অমিতাভ অভিনয় থেকে সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি [[এলাহাবাদ]] লোকসভা আসনের জন্য উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ এন বহুগুনা-র বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ান এবং সাধারণ নির্বাচন-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি (মোট ভোটের ৬৮.২% পেয়ে) ভোটপার্থক্যে জয়লাভ করেন ।<ref name=election>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.hindustantimes.com/news/specials/amitabh/politics.htm |শিরোনাম=Amitabh Bachchan: Stint in Politics |প্রকাশক=HindustanTimes.com |সংগ্রহের-তারিখ=2005-12-05 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১৫-০১-১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150113103502/http://www.hindustantimes.com/news/specials/amitabh/politics.htm |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> তার রাজনৈতিক কর্মজীবন সংক্ষিপ্ত ছিলো। তিন বছর পরে তিনি পদত্যাগ করেন এবং রাজনীতিকে "নর্দমা" আখ্যা দেন। এই পদত্যাগের পিছনে ছিলো বচ্চন এবং তার ভাইয়ের "বোফর্স কেলেঙ্কারী"-তে জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত যা একটি খবরের কাগজ জনসমক্ষে তুলে আনে। বচ্চন এই কাগজের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন। কিন্তু শেষে জানা যায় যে বচ্চন নির্দোষ এবং এই কেলেঙ্কারিতে কোনভাবে জড়িত ছিলেন না।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.sathnam.com/Features/17/interview-with-amitabh-bachchan |শিরোনাম=Interview with Amitabh Bachchan |প্রকাশক=sathnam.com |সংগ্রহের-তারিখ=২ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://www.webcitation.org/5ppKBfYB7?url=http://www.sathnam.com/Features/17/interview-with-amitabh-bachchan# |আর্কাইভের-তারিখ=১৮ মে ২০১০ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>


যখন তার প্রতিষ্ঠান ABCL ব্যর্থতার সম্মুখীন হয় তখন তার পুরনো বন্ধু [[অমর সিংহ (রাজনীতিবিদ)|অমর সিংহ]] তাকে আর্থিক অনিশ্চয়তার সময়ে সাহায্য করেছিলেন। সেই জন্য অমিতাভ অমর সিংহের রাজনৈতিক দল [[সমাজবাদী পার্টি|সমাজবাদী পার্টিকে]] সমর্থন করতে শুরু করেন। জয়া বচ্চন সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়ে রাজ্য সভার সদস্য নির্বাচিত হন।<ref>[http://www.hindu.com/2007/02/18/stories/2007021804271000.htm "Bachchan has no plans for election."] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20070930235326/http://www.hindu.com/2007/02/18/stories/2007021804271000.htm |তারিখ=৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ }} hindu.com.</ref> বচ্চন সমাজবাদী পার্টির প্রতি নিজের সমর্থন বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞাপন এবং রাজনৈতিক প্রচারকার্যে অংশ নিতেন। তার এই কার্যকলাপের জেরে সম্প্রতি তিনি ভারতীয় আদালতের সঙ্গে এক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন কারণ কয়েকটি মিথ্যে দাবি অনুযায়ী তিনি আগে কিছু আইনি কাগজ জমা দিয়েছিলেন যেখানে নিজেকে কৃষক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.webcitation.org/5bPT62ngo |শিরোনাম=Bollywood's Bachchan in trouble over crime claim |প্রকাশক=AFP |তারিখ=4 October 2007 |সংগ্রহের-তারিখ=২৬ এপ্রিল ২০২২ |আর্কাইভের-তারিখ=৮ অক্টোবর ২০০৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://www.webcitation.org/5bPT62ngo?url=http://afp.google.com/article/ALeqM5iJuYOasTF-bsTo0AQjW96aD2Kr2w |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}</ref>
যখন তার প্রতিষ্ঠান ABCL ব্যর্থতার সম্মুখীন হয় তখন তার পুরনো বন্ধু [[অমর সিংহ (রাজনীতিবিদ)|অমর সিংহ]] তাকে আর্থিক অনিশ্চয়তার সময়ে সাহায্য করেছিলেন। সেই জন্য অমিতাভ অমর সিংহের রাজনৈতিক দল [[সমাজবাদী পার্টি|সমাজবাদী পার্টিকে]] সমর্থন করতে শুরু করেন। জয়া বচ্চন সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়ে রাজ্য সভার সদস্য নির্বাচিত হন।<ref>[http://www.hindu.com/2007/02/18/stories/2007021804271000.htm "Bachchan has no plans for election."] {{ওয়েব আর্কাইভ|url=https://web.archive.org/web/20070930235326/http://www.hindu.com/2007/02/18/stories/2007021804271000.htm |date=৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ }} hindu.com.</ref> বচ্চন সমাজবাদী পার্টির প্রতি নিজের সমর্থন বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞাপন এবং রাজনৈতিক প্রচারকার্যে অংশ নিতেন। তার এই কার্যকলাপের জেরে সম্প্রতি তিনি ভারতীয় আদালতের সঙ্গে এক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন কারণ কয়েকটি মিথ্যে দাবি অনুযায়ী তিনি আগে কিছু আইনি কাগজ জমা দিয়েছিলেন যেখানে নিজেকে কৃষক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.webcitation.org/5bPT62ngo |শিরোনাম=Bollywood's Bachchan in trouble over crime claim |প্রকাশক=AFP |তারিখ=4 October 2007}}</ref>


অভিনেতা জীবনের শীর্ষে থাকাকালীন ''স্টারডাস্ট'' এবং অন্যান্য কিছু ফিল্ম পত্রিকা তার বিরুদ্ধে ১৫ বছরের সাংবাদিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলো। নিজপক্ষ সমর্থনের তাগিদে শোনা যায় বচ্চনও ১৯৮৯-এর শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের নিজের ছবির সেটে ঢুকতে অনুমতি দিতেন না।<ref>[http://www.bollywoodhungama.com/features/2007/01/27/2173/index.html "The 15-year ban on Bachchan!"] IndiaFM News Bureau. 27 January 2007.</ref>
অভিনেতা জীবনের শীর্ষে থাকাকালীন ''স্টারডাস্ট'' এবং অনান্য কিছু ফিল্ম পত্রিকা তার বিরুদ্ধে ১৫ বছরের সাংবাদিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলো। নিজপক্ষ সমর্থনের তাগিদে শোনা যায় বচ্চনও ১৯৮৯-এর শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের নিজের ছবির সেটে ঢুকতে অনুমতি দিতেন না।<ref>[http://www.bollywoodhungama.com/features/2007/01/27/2173/index.html "The 15-year ban on Bachchan!"] IndiaFM News Bureau. 27 জানুয়ারি 2007.</ref>


১৯৮৪ সালের [[ইন্দিরা গান্ধী]]র মৃত্যুর পর 'রক্তের বদলা রক্ত' স্লোগান দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে। যদিও তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US federal court summons Amitabh Bachchan in an alleged human rights violation; connects it to the 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=http://www.news18.com/news/world/us-federal-court-summons-amitabh-bachchan-in-an-alleged-human-rights-violation-connects-it-to-the-1984-anti-sikh-riots-969691.html}}</ref> উল্লেখ্য যে,শিখ দেহরক্ষীদের হাতে [[ইন্দিরা গান্ধী]]র মৃত্যুর পর ভারতে [[১৯৮৪ শিখ-বিরোধী দাঙ্গা|শিখবিরোধী দাঙ্গা]] হয়েছিল। ২০১৪ সালের অক্টোবরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের একটি আদালত অমিতাভ বচ্চনের বিরুদ্ধে [[১৯৮৪ শিখ-বিরোধী দাঙ্গা|১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গায় উস্কানি দেবার]] অভিযোগে সমন জারি করেছিল।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=1984 riots: Amitabh Bachchan summoned by US court for 'instigating' violence against Sikhs|ইউআরএল=https://timesofindia.indiatimes.com/india/1984-riots-Amitabh-Bachchan-summoned-by-US-court-for-instigating-violence-against-Sikhs/articleshow/44957457.cms|প্রকাশক=[[Times of India]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amitabh Bachchan summoned by Los Angeles court|ইউআরএল=https://www.thenational.ae/arts-culture/amitabh-bachchan-summoned-by-los-angeles-court-1.584342|প্রকাশক=[[The National (Abu Dhabi)]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US court summons Amitabh Bachchan in connection with 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=https://www.deccanchronicle.com/150225/entertainment-bollywood/article/us-court-summons-amitabh-bachchan-served-his-hollywood-agent|প্রকাশক=[[Deccan Chronicle]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US court summons Amitabh Bachchan for ‘instigating’ 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=https://www.dawn.com/news/1140932}}</ref>
১৯৮৪ সালের [[ইন্দিরা গান্ধী]]র মৃত্যুর পর 'রক্তের বদলা রক্ত' স্লোগান দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে। যদিও তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US federal court summons Amitabh Bachchan in an alleged human rights violation; connects it to the 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=http://www.news18.com/news/world/us-federal-court-summons-amitabh-bachchan-in-an-alleged-human-rights-violation-connects-it-to-the-1984-anti-sikh-riots-969691.html}}</ref> উল্লেখ্য যে,শিখ দেহরক্ষীদের হাতে [[ইন্দিরা গান্ধী]]র মৃত্যুর পর ভারতে [[১৯৮৪ শিখ-বিরোধী দাঙ্গা|শিখবিরোধী দাঙ্গা]] হয়েছিল। ২০১৪ সালের অক্টোবরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের একটি আদালত অমিতাভ বচ্চনের বিরুদ্ধে [[১৯৮৪ শিখ-বিরোধী দাঙ্গা|১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গায় উস্কানি দেবার]] অভিযোগে সমন জারি করেছিল।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=1984 riots: Amitabh Bachchan summoned by US court for 'instigating' violence against Sikhs|ইউআরএল=https://timesofindia.indiatimes.com/india/1984-riots-Amitabh-Bachchan-summoned-by-US-court-for-instigating-violence-against-Sikhs/articleshow/44957457.cms|প্রকাশক=[[Times of India]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amitabh Bachchan summoned by Los Angeles court|ইউআরএল=https://www.thenational.ae/arts-culture/amitabh-bachchan-summoned-by-los-angeles-court-1.584342|প্রকাশক=[[The National (Abu Dhabi)]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US court summons Amitabh Bachchan in connection with 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=https://www.deccanchronicle.com/150225/entertainment-bollywood/article/us-court-summons-amitabh-bachchan-served-his-hollywood-agent|প্রকাশক=[[Deccan Chronicle]]}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=US court summons Amitabh Bachchan for ‘instigating’ 1984 anti-Sikh riots|ইউআরএল=https://www.dawn.com/news/1140932}}</ref>


=== জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং অবসর : ১৯৮৮-১৯৯২ ===
=== জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং অবসর : ১৯৮৮-১৯৯২ ===
১৯৮৮ সালে ''শাহেনশাহ'' ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে বচ্চন চলচ্চিত্র জগতে প্রত্যাবর্তন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors&PHPSESSID=cfa06e3b5a051913d58987e99cd292ae |কর্ম=www.boxofficeindia.com/topactors.htm |শিরোনাম=Top Actor |সংগ্রহের-তারিখ=২ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-তারিখ=২৯ অক্টোবর ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131029191201/http://boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> বহুচর্চিত এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে আলোচনার জন্যই বোধহয় ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্য লাভ করে। যদিও তার প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ছবিটি সাফল্য লাভ করে, কিন্তু তারকা হিসেবে তার খ্যাতি ক্রমে হ্রাস পেতে শুরু করে। তার ফলস্বরূপ এর পরের সব ছবিই বক্স অফিসে ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়। মনে করা হয়েছিল ১৯৯১ সালের সফল ছবি ''হাম'' এই ব্যর্থতার ধারাকে পাল্টে দেবে কিন্তু ক্রমে বোঝা গিয়েছিল যে এই সাফল্য খুবই ক্ষণস্থায়ী কারণ অন্যান্য ছবির ব্যর্থতা অব্যাহত ছিল। তবে এই সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে রয়েছে বচ্চনের দ্বিতীয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেওয়া। ১৯৯০-এ ''অগ্নিপথ'' ছবিতে এক মাফিয়া ডনের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি এই সম্মান পান। এই কয়েকটি বছরের পর তিনি বেশ কিছুদিনের জন্য পর্দা থেকে অদৃশ্য হয়ে যান। ১৯৯২ সালে ''খুদা গাওয়া'' মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছরের জন্য বচ্চন কাজকর্ম অনেক কমিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৯৪-এ তার পিছিয়ে যাওয়া ছবি ''ইনসানিয়াত'' মুক্তি পায় কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যর মুখ দেখেনি।<ref name="boxoffice1994">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=200&catName=MTk5NA== |কর্ম=Box Office India |শিরোনাম=Box Office 1994 |সংগ্রহের-তারিখ=৩ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130107074858/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=200# |আর্কাইভের-তারিখ=৭ জানুয়ারি ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১৯৮৮ সালে ''শাহেনশাহ'' ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে বচ্চন চলচ্চিত্র জগতে প্রত্যাবর্তন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/cpages.php?pageName=top_actors&PHPSESSID=cfa06e3b5a051913d58987e99cd292ae |কর্ম=www.boxofficeindia.com/topactors.htm |শিরোনাম=Top Actor}}</ref> বহুচর্চিত এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে আলোচনার জন্যই বোধহয় ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্য লাভ করে। যদিও তার প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ছবিটি সাফল্য লাভ করে, কিন্তু তারকা হিসেবে তার খ্যাতি ক্রমে হ্রাস পেতে শুরু করে। তার ফলস্বরূপ এর পরের সব ছবিই বক্স অফিসে ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়। মনে করা হয়েছিল ১৯৯১ সালের সফল ছবি ''হাম'' এই ব্যর্থতার ধারাকে পাল্টে দেবে কিন্তু ক্রমে বোঝা গিয়েছিল যে এই সাফল্য খুবই ক্ষণস্থায়ী কারণ অনান্য ছবির ব্যর্থতা অব্যাহত ছিল। তবে এই সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে রয়েছে বচ্চনের দ্বিতীয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেওয়া। ১৯৯০-এ ''অগ্নিপথ'' ছবিতে এক মাফিয়া ডনের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি এই সম্মান পান। এই কয়েকটি বছরের পর তিনি বেশ কিছুদিনের জন্য পর্দা থেকে অদৃশ্য হয়ে যান। ১৯৯২ সালে ''খুদা গাওয়া'' মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছরের জন্য বচ্চন কাজকর্ম অনেক কমিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৯৪-এ তার পিছিয়ে যাওয়া ছবি ''ইনসানিয়াত'' মুক্তি পায় কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যর মুখ দেখেনি।<ref name="boxoffice1994">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=200&catName=MTk5NA== |কর্ম=Box Office India |শিরোনাম=Box Office 1994 |সংগ্রহের-তারিখ=৩ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130107074858/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=200# |আর্কাইভের-তারিখ=৭ জানুয়ারি ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>


=== প্রযোজনা এবং অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন ১৯৯৬-১৯৯৯ ===
=== প্রযোজনা এবং অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন ১৯৯৬-১৯৯৯ ===
তার স্বল্পকালীন অবসর জীবনে বচ্চন প্রযোজনার কাজে হাত দেন। তিনি অমিতাভ বচ্চন কর্পোরেশন লিমিটেড (A.B.C.L.) স্থাপন করেন ১৯৯৬-এ এই আশা নিয়ে যে তার প্রতিষ্ঠান, ২০০০ সালের মধ্যে একটি ১০ বিলিয়ন টাকার (আনুমানিক ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রথম সারির বিনোদন কোম্পানি হয়ে উঠবে। ABCL-এর কর্মকৌশল ছিলো ভারতের বিনোদন জগতে নতুন সামগ্রী এবং পরিষেবা নিয়ে আসা। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির প্রযোজনা এবং পরিবেশনা, অডিও ক্যাসেট এবং ভিডিও ডিস্ক, টেলিভিশন সফটওয়্যারের প্রযোজনা এবং বিক্রয়কৌশল নির্ধারণ করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং অনুষ্ঠানের সুষ্ঠ পরিচালনা। ১৯৯৬ থেকে প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করার পরেই তাদের প্রথম ছবি প্রযোজনার কাজ শুরু করে। ''তেরে মেরে স্বাপ্নে'' বক্স অফিসে সাফল্য না পেলেও আরশাদ ওয়ার্সি এবং দক্ষিণ ভারতীয় তারকা সিমরানকে অভিনয় জগতে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করেছিলো। ABCL আরো কিছু ছবি প্রযোজনা করলেও কোনটিই সাফল্য পায়নি। ১৯৯৭-এ ABCL দ্বারা প্রযোজিত ''মৃত্যুদাতা'' ছবির মাধ্যমে বচ্চন, অভিনয়ে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করেন। মৃত্যুদাতা বচ্চনের পুরনো একশনধর্মী চরিত্রকে পুনর্নির্মাণ করতে চাইলেও বাণিজ্যিকভাবে তা সফল হয়নি। সমালোচকরাও এই ছবিটিকে পছন্দ করেননি। ABCL [[ব্যাঙ্গালোর|ব্যাঙ্গালোরে]] অনুষ্ঠিত দ্য ১৯৯৬ মিস ওয়ার্ল্ড বিউটি প্যাজেন্ট-এর প্রধান ব্যয়বহনকারী সংস্থা বা স্পন্সর ছিলো কিন্তু এতেও তাদের প্রচুর লোকসান হয়। এই অনুষ্ঠানের চরম ব্যর্থতা থেকে ABCL-কে ঘিরে জন্ম নেয় অনেক আইনি লড়াই। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরে জানা যায় যে ABCL তার উপরতলার কর্মীদের প্রয়োজনের থেকে অনেক বেশি পারিশ্রমিক দিচ্ছিল। শেষে ১৯৯৭ সালে দেখা যায় আর্থিক অনিয়ম এবং কার্যক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ভেঙ্গে পড়েছিল। পরে ইন্ডিয়ান ইন্ডাসট্রিজ বোর্ড এই প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যর্থ বলে ঘোষণা করেছিল। এপ্রিল ১৯৯৯-এ বম্বে উচ্চ আদালত বচ্চনকে, যতদিন না কানাড়া ব্যাঙ্কের আটকে থাকা ঋণ ফেরত দেওয়া সংক্রান্ত মামলার রফা হচ্ছে, ততদিন তার বোম্বেতে অবস্থিত বাংলো "প্রতীক্ষা" এবং আরোও দুটি ফ্ল্যাট বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছিল। বচ্চন নিজের স্বপক্ষে বলেন যে তার প্রতিষ্ঠানের জন্যে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি সাহারা ইন্ডিয়া ফিন্যান্সের কাছে তার বাংলো বন্ধক রেখেছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2001/20010304/spectrum/main1.htm |শিরোনাম=Muqaddar Ka Sikandar |লেখক=Patil, Vimla |তারিখ=4 March 2001}}</ref>
তার স্বল্পকালীন অবসর জীবনে বচ্চন প্রযোজনার কাজে হাত দেন। তিনি অমিতাভ বচ্চন কর্পোরেশন লিমিটেড (A.B.C.L.) স্থাপন করেন ১৯৯৬-এ এই আশা নিয়ে যে তার প্রতিষ্ঠান, ২০০০ সালের মধ্যে একটি ১০ বিলিয়ন টাকার (আনুমানিক ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রথম সারির বিনোদন কোম্পানি হয়ে উঠবে। ABCL-এর কর্মকৌশল ছিলো ভারতের বিনোদন জগতে নতুন সামগ্রী এবং পরিষেবা নিয়ে আসা। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির প্রযোজনা এবং পরিবেশনা, অডিও ক্যাসেট এবং ভিডিও ডিস্ক, টেলিভিশন সফটওয়্যারের প্রযোজনা এবং বিক্রয়কৌশল নির্ধারণ করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং অনুষ্ঠানের সুষ্ঠ পরিচালনা। ১৯৯৬ থেকে প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করার পরেই তাদের প্রথম ছবি প্রযোজনার কাজ শুরু করে। ''তেরে মেরে স্বাপ্নে'' বক্স অফিসে সাফল্য না পেলেও আরশাদ ওয়ার্সি এবং দক্ষিণ ভারতীয় তারকা সিমরানকে অভিনয় জগতে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করেছিলো। ABCL আরো কিছু ছবি প্রযোজনা করলেও কোনটিই সাফল্য পায়নি। ১৯৯৭-এ ABCL দ্বারা প্রযোজিত ''মৃত্যুদাতা'' ছবির মাধ্যমে বচ্চন, অভিনয়ে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করেন। মৃত্যুদাতা বচ্চনের পুরনো একশনধর্মী চরিত্রকে পুনর্নির্মাণ করতে চাইলেও বাণিজ্যিকভাবে তা সফল হয়নি। সমালোচকরাও এই ছবিটিকে পছন্দ করেননি। ABCL [[ব্যাঙ্গালোর|ব্যাঙ্গালোরে]] অনুষ্ঠিত দ্য ১৯৯৬ মিস ওয়ার্ল্ড বিউটি প্যাজেন্ট-এর প্রধান ব্যয়বহনকারী সংস্থা বা স্পন্সর ছিলো কিন্তু এতেও তাদের প্রচুর লোকসান হয়। এই অনুষ্ঠানের চরম ব্যর্থতা থেকে ABCL-কে ঘিরে জন্ম নেয় অনেক আইনি লড়াই। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরে জানা যায় যে ABCL তার উপরতলার কর্মীদের প্রয়োজনের থেকে অনেক বেশি পারিশ্রমিক দিচ্ছিল। শেষে ১৯৯৭ সালে দেখা যায় আর্থিক অনিয়ম এবং কার্যক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ভেঙ্গে পড়েছিল। পরে ইন্ডিয়ান ইন্ডাসট্রিজ বোর্ড এই প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যর্থ বলে ঘোষণা করেছিল। এপ্রিল ১৯৯৯-এ বম্বে উচ্চ আদালত বচ্চনকে, যতদিন না কানাড়া ব্যাঙ্কের আটকে থাকা ঋণ ফেরত দেওয়া সংক্রান্ত মামলার রফা হচ্ছে, ততদিন তার বোম্বেতে অবস্থিত বাংলো "প্রতীক্ষা" এবং আরোও দুটি ফ্ল্যাট বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছিল। বচ্চন নিজের স্বপক্ষে বলেন যে তার প্রতিষ্ঠানের জন্যে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি সাহারা ইন্ডিয়া ফিন্যান্সের কাছে তার বাংলো বন্ধক রেখেছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2001/20010304/spectrum/main1.htm |শিরোনাম=Muqaddar Ka Sikandar |লেখক=Patil, Vimla |তারিখ=4 মার্চ 2001}}</ref>


বচ্চন তার অভিনয় জীবনে পুরোপুরি ফিরে আসার জন্যে বড়ে মিয়া ছোটে মিয়ার (১৯৯৮)<ref name="boxoffice1994"/> মতো মাঝারি মাপের ছবির সাহায্য নেন। সূর্যবংশম (১৯৯৯)<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://in.rediff.com/movies/1999/may/22soo.htm |লেখক=Taliculam, Sharmila |শিরোনাম=He's back!}}</ref> ছবিতে তার অভিনয়ের জন্যে প্রশংসা পেলেও লাল বাদশাহ (১৯৯৯) এবং হিন্দুস্তান কি কসম (১৯৯৯) বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল।
বচ্চন তার অভিনয় জীবনে পুরোপুরি ফিরে আসার জন্যে বড়ে মিয়া ছোটে মিয়ার (১৯৯৮)<ref name="boxoffice1994"/> মতো মাঝারি মাপের ছবির সাহায্য নেন। সূর্যবংশম (১৯৯৯)<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://in.rediff.com/movies/1999/may/22soo.htm |লেখক=Taliculam, Sharmila |শিরোনাম=He's back!}}</ref> ছবিতে তার অভিনয়ের জন্যে প্রশংসা পেলেও লাল বাদশাহ (১৯৯৯) এবং হিন্দুস্তান কি কসম (১৯৯৯) বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল।
৭৫ নং লাইন: ৭৫ নং লাইন:


=== গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় প্রত্যাবর্তন: ২০০০ থেকে সাম্প্রতিক ===
=== গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় প্রত্যাবর্তন: ২০০০ থেকে সাম্প্রতিক ===
২০০০-এ অমিতাভ বচ্চন যশ চোপড়ার বক্স অফিসে সফল ছবি ''মোহাব্বতে''-তে অভিনয় করেন। ছবিটি পরিচালনা করেন আদিত্য চোপড়া। এই ছবিতে তার ভূমিকা ছিল এক কঠোর বয়োজ্যেষ্ঠ, যাঁর প্রতিদ্বন্দ্ব্বী চরিত্রে ছিলেন [[শাহরুখ খান]]। এরপরে একে একে আসে আরো সফল ছবি। এক ''রিস্তা:দা বন্ড অফ লাভ'' (২০০১), ''কভি খুশি কভি গম'' (২০০১) এবং ''বাগবান'' (২০০৩) ছবিতে তাকে দেখা যায় পরিবারের সর্বময় কর্তার ভূমিকায়। এই সময় তার অভিনীত চরিত্রগুলির মধ্যে বৈচিত্র লক্ষনীয়। ''অক্ষ'' (২০০১), ''আঁখে'' (২০০২), [[খাকি]] (২০০৪), ''দেব'' (২০০৪), ''দিওয়ার''(২০০৪) এবং ''ব্ল্যাক'' (২০০৫) সমালোচকদের দ্বারা উচ্চপ্রশংসা লাভ করে। জনপ্রিয়তার উচ্ছ্বাস লক্ষ করে বচ্চন বেশ কিছু সামগ্রী এবং পরিষেবার প্রচারে নিজেকে নিয়োজিত করেন। এইভাবেই টেলিভিশনের এবং বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। ২০০৫ এবং ২০০৬-এ তিনি তার ছেলে অভিষেকের সঙ্গে সফল ছবি ''বান্টি অর বাবলি'' (২০০৫), গডফাদারকে সম্মান জানিয়ে তৈরি হওয়া ভারতীয় ছবি ''সরকার'' (২০০৫) এবং ''কভি অলবিদা না কহেনা'' (২০০৬)-তে কাজ করেন। প্রত্যেকটি ছবিই বক্স অফিসে সাফল্য পায়। <ref name="Starring with son">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=Box Office India |শিরোনাম=Amitabh and Abhishek rule the box office |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=211&catName=MjAwNQ== |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://www.webcitation.org/5ySa3xZ3S?url=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=211&catName=MjAwNQ==# |আর্কাইভের-তারিখ=৫ মে ২০১১ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212&catName=MjAwNg== |শিরোনাম=Box Office 2006 |কর্ম=Box Office India |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120217062452/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212# |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ২০০৬ এবং ২০০৭-এর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির মধ্যে ছিলো ''বাবুল'' (২০০৬),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212&catName=MjAwNg== |শিরোনাম=Films fail at the BO |কর্ম=Box Office India |সংগ্রহের-তারিখ=৪ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120217062452/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212# |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ''একলব্য'' এবং ''নিঃশব্দ'' (২০০৭) যেগুলি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয় কিন্তু প্রত্যেকটি ছবিতে তার অভিনয় ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে।[<ref name="Bachchan's films fail at the box office">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=Bollywood Hungma |লেখক=Adarsh, Taran |ইউআরএল=http://www.bollywoodhungama.com/trade/top5/326.html |শিরোনাম=Top 5: 'Nishabd', 'N.P.D.' are disasters |সংগ্রহের-তারিখ=26 March 2007 |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20181224230318/http://www.bollywoodhungama.com/trade/top5/326.html |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> নাগাথিহালি চন্দ্রশেখর পরিচালিত কানাড়া ছবি ''আম্রুথাদারি'' -তে তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে স্বভূমিকায় অভিনয় করেন।
২০০০-এ অমিতাভ বচ্চন যশ চোপড়ার বক্স অফিসে সফল ছবি ''মোহাব্বতে''-তে অভিনয় করেন। ছবিটি পরিচালনা করেন আদিত্য চোপড়া। এই ছবিতে তার ভূমিকা ছিল এক কঠোর বয়োজ্যেষ্ঠ, যাঁর প্রতিদ্বন্দ্ব্বী চরিত্রে ছিলেন [[শাহরুখ খান]]। এরপরে একে একে আসে আরো সফল ছবি। এক ''রিস্তা:দা বন্ড অফ লাভ'' (২০০১), ''কভি খুশি কভি গম'' (২০০১) এবং ''বাগবান'' (২০০৩) ছবিতে তাকে দেখা যায় পরিবারের সর্বময় কর্তার ভূমিকায়। এই সময় তার অভিনীত চরিত্রগুলির মধ্যে বৈচিত্র লক্ষনীয়। ''অক্ষ'' (২০০১), ''আঁখে'' (২০০২), [[খাকি]] (২০০৪), ''দেব'' (২০০৪), ''দিওয়ার''(২০০৪) এবং ''ব্ল্যাক'' (২০০৫) সমালোচকদের দ্বারা উচ্চপ্রশংসা লাভ করে। জনপ্রিয়তার উচ্ছ্বাস লক্ষ করে বচ্চন বেশ কিছু সামগ্রী এবং পরিষেবার প্রচারে নিজেকে নিয়োজিত করেন। এইভাবেই টেলিভিশনের এবং বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। ২০০৫ এবং ২০০৬-এ তিনি তার ছেলে অভিষেকের সঙ্গে সফল ছবি ''বান্টি অর বাবলি'' (২০০৫), গডফাদারকে সম্মান জানিয়ে তৈরি হওয়া ভারতীয় ছবি ''সরকার'' (২০০৫) এবং ''কভি অলবিদা না কহেনা'' (২০০৬)-তে কাজ করেন। প্রত্যেকটি ছবিই বক্স অফিসে সাফল্য পায়। <ref name="Starring with son">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=Box Office India |শিরোনাম=Amitabh and Abhishek rule the box office |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=211&catName=MjAwNQ== |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://www.webcitation.org/5ySa3xZ3S?url=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=211&catName=MjAwNQ==# |আর্কাইভের-তারিখ=৫ মে ২০১১ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212&catName=MjAwNg== |শিরোনাম=Box Office 2006 |কর্ম=Box Office India |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120217062452/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212# |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ২০০৬ এবং ২০০৭-এর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির মধ্যে ছিলো ''বাবুল'' (২০০৬),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212&catName=MjAwNg== |শিরোনাম=Films fail at the BO |কর্ম=Box Office India |সংগ্রহের-তারিখ=৪ আগস্ট ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120217062452/http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=212# |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ''একলব্য'' এবং ''নিঃশব্দ'' (২০০৭) যেগুলি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয় কিন্তু প্রত্যেকটি ছবিতে তার অভিনয় ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে।[<ref name="Bachchan's films fail at the box office">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=Bollywood Hungma |লেখক=Adarsh, Taran |ইউআরএল=http://www.bollywoodhungama.com/trade/top5/326.html |শিরোনাম=Top 5: 'Nishabd', 'N.P.D.' are disasters |সংগ্রহের-তারিখ=26 মার্চ 2007 |আর্কাইভের-তারিখ=২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20181224230318/http://www.bollywoodhungama.com/trade/top5/326.html |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> নাগাথিহালি চন্দ্রশেখর পরিচালিত কানাড়া ছবি ''আম্রুথাদারি'' -তে তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে স্বভূমিকায় অভিনয় করেন।


মে ২০০৭-এ তার দুটি ছবি ''চিনি কম'' এবং অনেক তারকা সমৃদ্ধ ''শ্যুটআউট অ্যাট লোখন্ডওয়ালা'' মুক্তি পায়। ''শ্যুটআউট অ্যাট লোখন্ডওয়ালা'' বক্স অফিসে খুব ভালো ফল করে এবং ভারতে ছবিটি হিট বলে ঘোষণা করা হয়। ''চিনি কম'' প্রথমে খুব ভালো ফল দেখাতে না পারলেও পরে মাঝারি ধরনের হিট হিসেবে ঘোষিত হয়।<ref name = "udxlrh">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com|শিরোনাম=Box Office India}}</ref> আগস্ট ২০০৭-এ সবচেয়ে প্রশংসিত হিট ছবি শোলের পুনর্নির্মাণ হয় ''রাম গোপাল বর্মা কি আগ'' নাম নিয়ে। ছবিটি বক্স অফিসে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়।<ref name = "udxlrh"/> চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরাও ছবিটির কড়া সমালোচনা করেন। ৯ই সেপ্টেম্বর ২০০৭-এ তার প্রথম ইংরেজি ছবি [[ঋতুপর্ণ ঘোষ|ঋতুপর্ণ ঘোষের]] ''দ্য লাস্ট লিয়ার'' ২০০৭-এর টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার শো করে। সমালোচকরা তার কাজের প্রশংসা করেন এবং ''ব্ল্যাক'' এর পরে তার এই ছবির অভিনয়কেই সেরা বলে দাবি করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.bollywoodhungama.com/features/2007/09/11/3020|শিরোনাম=This is Amitabh's best performance after Black}}</ref> তার প্রথম আন্তর্জাতিক ছবি মীরা নায়ার পরিচালিত ''শান্তারাম'' এ তার একটি সহযোগী চরিত্রে অভিনয় করার কথা আছে। এই ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন হলিউড তারকা [[জনি ডেপ]]। ফেব্রুয়ারি ২০০৮-এ চিত্রগ্রহণ শুরু হবার কথা ছিলো কিন্তু লেখকদের ধর্মঘট ছবিটিকে সেপ্টেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়।<ref name="Hollywood">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=ourbollywood.com |শিরোনাম=Amitabh Bachchan to star with Johnny Depp |ইউআরএল=http://www.ourbollywood.com/2007/02/amitabh_bachchan_will_star_opp.html |সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.is/20070401195932/http://www.ourbollywood.com/2007/02/amitabh_bachchan_will_star_opp.html# |আর্কাইভের-তারিখ=১ এপ্রিল ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ছবিটির নির্মাণকাজ আপাতত অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত রয়েছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/features/the-diary-shantaram-film--lumiere-festival-tom-atkinson-hans-holbein-harold-evans-1819450.html | শিরোনাম=Underworld tale won't see light of day | তারিখ=November&nbsp;13, 2009 | সংগ্রহের-তারিখ=May&nbsp;23, 2010}}</ref> ''ভূতনাথ'' নামে যে ছবিতে তিনি নামভূমিকায় এক অশরীরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তা মুক্তি পায় ৯ই মে ২০০৮ এ। ''সরকার রাজ'' মুক্তি পায় জুন ২০০৮-এ। ২০০৫-এ তৈরি ছবি ''সরকার'' এর পরবর্তী গল্পই এই ছবির বিষয়বস্তু। বক্স অফিসে সরকার রাজ ইতিবাচক ফল করে। তার সাম্প্রতিক ছবি ''পা'' ২০০৯ এর শেষের দিকে মুক্তি পায়, যেখানে খুব অপ্রত্যাশিত ভাবেই অভিতাভ কে তার ছেলে [[অভিষেক বচ্চন|অভিষেকের]] প্রোগেরিয়া রোগে আক্রান্ত ১৩ বছর বয়সী ছেলের ভূমিকায় দেখা যায়। এ ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হয়।
মে ২০০৭-এ তার দুটি ছবি ''চিনি কম'' এবং অনেক তারকা সমৃদ্ধ ''শ্যুটআউট অ্যাট লোখন্ডওয়ালা'' মুক্তি পায়। ''শ্যুটআউট অ্যাট লোখন্ডওয়ালা'' বক্স অফিসে খুব ভালো ফল করে এবং ভারতে ছবিটি হিট বলে ঘোষণা করা হয়। ''চিনি কম'' প্রথমে খুব ভালো ফল দেখাতে না পারলেও পরে মাঝারি ধরনের হিট হিসেবে ঘোষিত হয়।<ref name = "udxlrh">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.boxofficeindia.com|শিরোনাম=Box Office India}}</ref> আগস্ট ২০০৭-এ সবচেয়ে প্রশংসিত হিট ছবি শোলের পুনর্নির্মাণ হয় ''রাম গোপাল বর্মা কি আগ'' নাম নিয়ে। ছবিটি বক্স অফিসে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়।<ref name = "udxlrh"/> চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরাও ছবিটির কড়া সমালোচনা করেন। ৯ই সেপ্টেম্বর ২০০৭-এ তার প্রথম ইংরেজি ছবি [[ঋতুপর্ণ ঘোষ|ঋতুপর্ণ ঘোষের]] ''দ্য লাস্ট লিয়ার'' ২০০৭-এর টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার শো করে। সমালোচকরা তার কাজের প্রশংসা করেন এবং ''ব্ল্যাক'' এর পরে তার এই ছবির অভিনয়কেই সেরা বলে দাবি করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.bollywoodhungama.com/features/2007/09/11/3020|শিরোনাম=This is Amitabh's best performance after Black}}</ref> তার প্রথম আন্তর্জাতিক ছবি মীরা নায়ার পরিচালিত ''শান্তারাম'' এ তার একটি সহযোগী চরিত্রে অভিনয় করার কথা আছে। এই ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন হলিউড তারকা [[জনি ডেপ]]। ফেব্রুয়ারি ২০০৮-এ চিত্রগ্রহণ শুরু হবার কথা ছিলো কিন্তু লেখকদের ধর্মঘট ছবিটিকে সেপ্টেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়।<ref name="Hollywood">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |কর্ম=ourbollywood.com |শিরোনাম=Amitabh Bachchan to star with Johnny Depp |ইউআরএল=http://www.ourbollywood.com/2007/02/amitabh_bachchan_will_star_opp.html |সংগ্রহের-তারিখ=11 মার্চ 2007 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.is/20070401195932/http://www.ourbollywood.com/2007/02/amitabh_bachchan_will_star_opp.html# |আর্কাইভের-তারিখ=১ এপ্রিল ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ছবিটির নির্মাণকাজ আপাতত অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত রয়েছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/features/the-diary-shantaram-film--lumiere-festival-tom-atkinson-hans-holbein-harold-evans-1819450.html | শিরোনাম=Underworld tale won't see light of day | তারিখ=November&nbsp;13, 2009 | সংগ্রহের-তারিখ=May&nbsp;23, 2010}}</ref> ''ভূতনাথ'' নামে যে ছবিতে তিনি নামভূমিকায় এক অশরীরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তা মুক্তি পায় ৯ই মে ২০০৮ এ। ''সরকার রাজ'' মুক্তি পায় জুন ২০০৮-এ। ২০০৫-এ তৈরি ছবি ''সরকার'' এর পরবর্তী গল্পই এই ছবির বিষয়বস্তু। বক্স অফিসে সরকার রাজ ইতিবাচক ফল করে। তার সাম্প্রতিক ছবি ''পা'' ২০০৯ এর শেষের দিকে মুক্তি পায়, যেখানে খুব অপ্রত্যাশিত ভাবেই অভিতাভ কে তার ছেলে [[অভিষেক বচ্চন|অভিষেকের]] প্রোগেরিয়া রোগে আক্রান্ত ১৩ বছর বয়সী ছেলের ভূমিকায় দেখা যায়। এ ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হয়।


== স্বাস্থ্য ==
== স্বাস্থ্য ==
১০৯ নং লাইন: ১০৯ নং লাইন:
  | ইউআরএল = http://timesofindia.indiatimes.com/Cities/Pune/Amitabhs_land_records_look_forged/articleshow/2093299.cms
  | ইউআরএল = http://timesofindia.indiatimes.com/Cities/Pune/Amitabhs_land_records_look_forged/articleshow/2093299.cms
  | তারিখ = 2 Jun, 2007
  | তারিখ = 2 Jun, 2007
}}</ref> ১৯শে জুলাই ২০০৭ তারিখে এই বিতর্ক সর্বসমক্ষে আত্মপ্রকাশ করে, তখন বচ্চন তার উত্তর প্রদেশের বরাবাঁকি এবং [[পুনে|পুনের]] জমি ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি [[মহারাষ্ট্র|মহারাষ্ট্রের]] মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখকে পত্র মারফত জানান যে পুনেতে বেআইনিভাবে পাওয়া জমি যেন দান করে দেওয়া হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.rediff.com/news/2007/jun/01farm.htm |শিরোনাম=Amitabh Bachchan is not a farmer: UP court |প্রকাশক=Rediff.com |সংগ্রহের-তারিখ=2008-04-27 |তারিখ=1 June 2007}}</ref> যাই হোক [[লক্ষ্মৌ]] আদালত জমি দান করা রদ করে দেন এবং আদেশ দেন যেন জমির মালিকানা বজায় থাকে।
}}</ref> ১৯শে জুলাই ২০০৭ তারিখে এই বিতর্ক সর্বসমক্ষে আত্মপ্রকাশ করে, তখন বচ্চন তার উত্তর প্রদেশের বরাবাঁকি এবং [[পুনে|পুনের]] জমি ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি [[মহারাষ্ট্র|মহারাষ্ট্রের]] মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখকে পত্র মারফত জানান যে পুনেতে বেআইনিভাবে পাওয়া জমি যেন দান করে দেওয়া হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.rediff.com/news/2007/jun/01farm.htm |শিরোনাম=Amitabh Bachchan is not a farmer: UP court |প্রকাশক=Rediff.com |সংগ্রহের-তারিখ=2008-04-27 |তারিখ=1 জুন 2007}}</ref> যাই হোক [[লক্ষ্মৌ]] আদালত জমি দান করা রদ করে দেন এবং আদেশ দেন যেন জমির মালিকানা বজায় থাকে।


১২ই অক্টোবর ২০০৭ তারিখে বচ্চন বরাবাঁকি জেলায় দৌলতপুর গ্রামে তিনি তার জমির উপর সব দাবি ছেড়ে দেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/Big_B_abandons_claim_on_farmland/articleshow/2453216.cms |কর্ম=Times of India |শিরোনাম=Big B abandons claim on farmland |12 October 2007}}</ref> ১১ই ডিসেম্বর ২০০৭-এ [[এলাহাবাদ]] উচ্চ আদালতের লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ রায় দেন যে বরাবাঁকি জেলায় তার নামে বরাদ্দ সরকারি জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি মামলায় বচ্চন নির্দোষ। একটি একক লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ জানায় যে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা থেকে বোঝা যায় যে অভিনেতা "নিজে কোনো ধরনের জালিয়াতি করেছেন বা হিসেবপত্রের খাতায় কোনো কারসাজি করেছেন"।<ref>[http://www.apunkachoice.com/happenings/20071212-0.html "HC gives clean chit to Amitabh Bachchan in land dispute case."] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090211022933/http://www.apunkachoice.com/happenings/20071212-0.html |তারিখ=১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ }} ''Happenings News : ApunKaChoice.Com''. 12 December 2007.</ref><ref>[http://www.allbollywood.com/v2/bd/stc/nws/2007/12/11/28051.shtml "Amitabh Bachchan gets clean chit in UP land scam."] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090307101939/http://www.allbollywood.com/v2/bd/stc/nws/2007/12/11/28051.shtml |তারিখ=৭ মার্চ ২০০৯ }} AllBollywood.com. 11 December 2007.</ref>
১২ই অক্টোবর ২০০৭ তারিখে বচ্চন বরাবাঁকি জেলায় দৌলতপুর গ্রামে তিনি তার জমির উপর সব দাবি ছেড়ে দেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/Big_B_abandons_claim_on_farmland/articleshow/2453216.cms |কর্ম=Times of India |শিরোনাম=Big B abandons claim on farmland |12 October 2007}}</ref> ১১ই ডিসেম্বর ২০০৭-এ [[এলাহাবাদ]] উচ্চ আদালতের লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ রায় দেন যে বরাবাঁকি জেলায় তার নামে বরাদ্দ সরকারি জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি মামলায় বচ্চন নির্দোষ। একটি একক লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ জানায় যে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা থেকে বোঝা যায় যে অভিনেতা "নিজে কোনো ধরনের জালিয়াতি করেছেন বা হিসেবপত্রের খাতায় কোনো কারসাজি করেছেন"।<ref>[http://www.apunkachoice.com/happenings/20071212-0.html "HC gives clean chit to Amitabh Bachchan in land dispute case."] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090211022933/http://www.apunkachoice.com/happenings/20071212-0.html |তারিখ=১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ }} ''Happenings News : ApunKaChoice.Com''. 12 December 2007.</ref><ref>[http://www.allbollywood.com/v2/bd/stc/nws/2007/12/11/28051.shtml "Amitabh Bachchan gets clean chit in UP land scam."] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090307101939/http://www.allbollywood.com/v2/bd/stc/nws/2007/12/11/28051.shtml |তারিখ=৭ মার্চ ২০০৯ }} AllBollywood.com. 11 December 2007.</ref>
১৫৭ নং লাইন: ১৫৭ নং লাইন:
!scope="row"| ''[[শোলে]]''
!scope="row"| ''[[শোলে]]''
| জয় (জয়দেব)
| জয় (জয়দেব)
| সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ [[হিন্দি চলচ্চিত্র]] হিসেবে অভিহিত<ref name=bfipoll>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Top 10 Indian Films |প্রকাশক=[[British Film Institute]] |বছর=2002 |ইউআরএল=http://www.bfi.org.uk/features/imagineasia/guide/poll/india |সংগ্রহের-তারিখ=14 June 2012 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110515101729/http://www.bfi.org.uk/features/imagineasia/guide/poll/india/ |আর্কাইভের-তারিখ=15 May 2011 }}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.highbeam.com/doc/1P1-94953889.html |শিরোনাম='Sholay' voted best Indian movie |কর্ম=[[New Straits Times]] |লেখক=Thambirajah, Mohan |তারিখ=27 May 2004 |সংগ্রহের-তারিখ=25 April 2013 |উক্তি=SHOLAY has been voted the greatest Indian movie in a research by Sky Digital of one million Indians in Britain. |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160225042453/https://www.highbeam.com/doc/1P1-94953889.html |আর্কাইভের-তারিখ=25 February 2016}} {{subscription required|via=Highbeam}}</ref>
| সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ [[হিন্দি চলচ্চিত্র]] হিসেবে অভিহিত<ref name=bfipoll>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Top 10 Indian Films |প্রকাশক=[[British Film Institute]] |বছর=2002 |ইউআরএল=http://www.bfi.org.uk/features/imagineasia/guide/poll/india |সংগ্রহের-তারিখ=14 জুন 2012 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110515101729/http://www.bfi.org.uk/features/imagineasia/guide/poll/india/ |আর্কাইভের-তারিখ=15 May 2011 }}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.highbeam.com/doc/1P1-94953889.html |শিরোনাম='Sholay' voted best Indian movie |কর্ম=[[New Straits Times]] |লেখক=Thambirajah, Mohan |তারিখ=27 May 2004 |সংগ্রহের-তারিখ=25 April 2013 |উক্তি=SHOLAY has been voted the greatest Indian movie in a research by Sky Digital of one million Indians in Britain. |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160225042453/https://www.highbeam.com/doc/1P1-94953889.html |আর্কাইভের-তারিখ=25 ফেব্রুয়ারি 2016}} {{subscription required|via=Highbeam}}</ref>
|-
|-
| ১৯৭৭
| ১৯৭৭
১৬৬ নং লাইন: ১৬৬ নং লাইন:
| rowspan="3" | ১৯৭৮
| rowspan="3" | ১৯৭৮
!scope="row"| ''[[ডন (১৯৭৮-এর চলচ্চিত্র)|ডন]]''
!scope="row"| ''[[ডন (১৯৭৮-এর চলচ্চিত্র)|ডন]]''
| [[ডন (চরিত্র)|ডন]]/[[ডন (ফ্র্যাঞ্চাইজ)#বিজয়|বিজয়]]
| [[ডন (চরিত্র)|ডন]] / [[ডন (ফ্র্যাঞ্চাইজ)#বিজয়|বিজয়]]
| ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
| ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
|-
|-
১৯০ নং লাইন: ১৯০ নং লাইন:
!scope="row"| ''[[কুলি (১৯৮৩-এর চলচ্চিত্র)|কুলি]]''
!scope="row"| ''[[কুলি (১৯৮৩-এর চলচ্চিত্র)|কুলি]]''
| ইকবাল এ. খান
| ইকবাল এ. খান
| ১৯৮৩ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=189&catName=MTk4Mw==|শিরোনাম=Box Office 1983|ওয়েবসাইট=[[Box Office India]]|তারিখ=15 January 2013|প্রকাশক=|অকার্যকর-ইউআরএল=yes|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130115225522/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=189&catName=MTk4Mw==|আর্কাইভের-তারিখ=15 January 2013|df=dmy-all}}</ref>
| ১৯৮৩ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=189&catName=MTk4Mw==|শিরোনাম=Box Office 1983|ওয়েবসাইট=[[Box Office India]]|তারিখ=15 জানুয়ারি 2013|প্রকাশক=|অকার্যকর-ইউআরএল=yes|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130115225522/http://boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=189&catName=MTk4Mw==|আর্কাইভের-তারিখ=15 জানুয়ারি 2013|df=dmy-all}}</ref>
|-
|-
| ১৯৯০
| ১৯৯০
১৯৯ নং লাইন: ১৯৯ নং লাইন:
| ১৯৯১
| ১৯৯১
!scope="row"| ''[[হাম (চলচ্চিত্র)|হাম]]''
!scope="row"| ''[[হাম (চলচ্চিত্র)|হাম]]''
| টাইগার/শেখর
| টাইগার / শেখর
| ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
| ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
|-
|-
২১৫ নং লাইন: ২১৫ নং লাইন:
!scope="row"| ''[[ব্ল্যাক (২০০৫-এর চলচ্চিত্র)|ব্ল্যাক]]''
!scope="row"| ''[[ব্ল্যাক (২০০৫-এর চলচ্চিত্র)|ব্ল্যাক]]''
| দেবরাজ সাহানী
| দেবরাজ সাহানী
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br/>ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার<br/> ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সমালোচক পুরস্কার
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br />ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার<br /> ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সমালোচক পুরস্কার
|-
|-
| ২০০৯
| ২০০৯
!scope="row"| ''[[পা (চলচ্চিত্র)|পা]]''
!scope="row"| ''[[পা (চলচ্চিত্র)|পা]]''
| অরু
| অরু
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br/>ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br />ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
|-
|-
| ২০১৫
| ২০১৫
!scope="row"| ''[[পিকু]]''
!scope="row"| ''[[পিকু]]''
| ভাস্কর ব্যানার্জী
| ভাস্কর ব্যানার্জী
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br/>ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সমালোচক পুরস্কার
| শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার<br />ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সমালোচক পুরস্কার
|}
|}


৩৬১ নং লাইন: ৩৬১ নং লাইন:
}}
}}
{{বিগ বস (হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিক)}}
{{বিগ বস (হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিক)}}
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
 


{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:অমিতাভ, বচ্চন}}
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:অমিতাভ, বচ্চন}}