অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>SHEIKH অ ব |
অ Text replacement - "February" to "ফেব্রুয়ারি" |
||
| ৪১ নং লাইন: | ৪১ নং লাইন: | ||
== ইতিহাস == | == ইতিহাস == | ||
১১৮.৯ কিলোমিটার (৬৮ মাইল)-দীর্ঘ ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ইঞ্চি) চওড়া ব্রড-গেজ অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথটি ১৮৮৪ সালে খোলা হয়।<ref name=punjabrailway>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল= http://punjabrevenue.nic.in/gaz_gdr16.htm | শিরোনাম= Chapter VII | সংগ্রহের-তারিখ= 10 | ১১৮.৯ কিলোমিটার (৬৮ মাইল)-দীর্ঘ ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ইঞ্চি) চওড়া ব্রড-গেজ অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথটি ১৮৮৪ সালে খোলা হয়।<ref name=punjabrailway>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল= http://punjabrevenue.nic.in/gaz_gdr16.htm | শিরোনাম= Chapter VII | সংগ্রহের-তারিখ= 10 ফেব্রুয়ারি 2014 | আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20090410022057/http://punjabrevenue.nic.in/gaz_gdr16.htm | আর্কাইভের-তারিখ= 10 April 2009 | ইউআরএল-অবস্থা= dead | df= dmy-all }}</ref> এটি মূলত স্থানীয় সরকারের অন্তর্গত ছিল এবং ১৮৯২ সালে [[নর্থ ওয়েস্টার্ন স্টেট রেলওয়ে|উত্তর পশ্চিম রেলওয়েতে]] স্থানান্তরিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি| ইউআরএল= https://dsal.uchicago.edu/reference/gazetteer/text.html?objectid=DS405.1.I34_V20_331.gif | শিরোনাম= Digital South Asia Library|প্রকাশক= Imperial Gazetteer of India, v. 20, p. 325. | সংগ্রহের-তারিখ = 10 ফেব্রুয়ারি 2014 }}</ref> অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক শাখা রেলপথটি বাতলা তহসিলের পশ্চিমাঞ্চলে রেল পরিষেবা পরিবেশন করে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের আগে এই রেলপথটি ২২৫.৯ কিলোমিটার (১৪০ মাইল) দীর্ঘ ছিল এবং শিয়ালকোটের (বর্তমানে [[পাকিস্তান|পাকিস্তানে]] অন্তর্ভুক্ত) সাথে যুক্ত ছিল, তবে দেশভাগের পরে [[ডেরা বাবা নানক]] স্টেশনটি টার্মিনাসে পরিণত হয়। বাতলা–কাদিয়ান সংযোগটি বাতলা তহসিলের পূর্ব অংশে কার্যক্রম পরিচালনা করে।<ref name=punjabrailway/> ২২৫.৯ কিমি (১৪০ মাইল) দীর্ঘ অমৃতসর–শিয়ালকোট রেলপথটি এভাবেই চালিত হয়েছিল: অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক–নরোওয়াল–শিয়ালকোট, ১.০২৪ কিমি (১ মাইল) দীর্ঘ [[ইরাবতী নদী|রবি নদীর]] সেতু সহ।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি| ইউআরএল= http://www.irfca.org/docs/international-links.html | শিরোনাম= International Links from India|প্রথমাংশ=Mohan|শেষাংশ=Bhuyan|প্রকাশক= IRFCA | সংগ্রহের-তারিখ = 11 ফেব্রুয়ারি 2014 }}</ref> | ||
২০১৫ সালে [[২০১৫ গুরুদাসপুর হামলা|গুরুদাসপুর হামলার]] সময় এই রেলপথে বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়, কারণ রেললাইনম্যান অশ্বানী সায়নী ট্র্যাকে একটি বোমা শনাক্ত করেন ও পরবর্তী ট্রেন আসার আগে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন। | ২০১৫ সালে [[২০১৫ গুরুদাসপুর হামলা|গুরুদাসপুর হামলার]] সময় এই রেলপথে বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়, কারণ রেললাইনম্যান অশ্বানী সায়নী ট্র্যাকে একটি বোমা শনাক্ত করেন ও পরবর্তী ট্রেন আসার আগে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন। | ||
| ৪৯ নং লাইন: | ৪৯ নং লাইন: | ||
== রেলওয়ে কর্মশালা == | == রেলওয়ে কর্মশালা == | ||
অমৃতসর রেলওয়ে কর্মশালায় ডব্লিউডিএস-৪ লোক এবং ব্রেকডাউন ক্রেন ও বোগি উৎপাদন পর্যায়ক্রমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।<ref name=sheds>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://www.irfca.org/faq/faq-shed.html |শিরোনাম= Sheds and workshops |প্রকাশক= IRFCA| সংগ্রহের-তারিখ = 2 | অমৃতসর রেলওয়ে কর্মশালায় ডব্লিউডিএস-৪ লোক এবং ব্রেকডাউন ক্রেন ও বোগি উৎপাদন পর্যায়ক্রমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।<ref name=sheds>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://www.irfca.org/faq/faq-shed.html |শিরোনাম= Sheds and workshops |প্রকাশক= IRFCA| সংগ্রহের-তারিখ = 2 ফেব্রুয়ারি 2014}}</ref> | ||
== যাত্রী চলাচল == | == যাত্রী চলাচল == | ||
অমৃতসর এই লাইনের একমাত্র স্টেশন, যা ভারতীয় রেলের শীর্ষ শতাধিক বুকিং স্টেশনগুলির মধ্যে স্থান লাভ করেছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.indianrail.gov.in/7days_Avl.html |শিরোনাম=Indian Railways Passenger Reservation Enquiry |কর্ম=Availability in trains for Top 100 Booking Stations of Indian Railways |প্রকাশক=IRFCA |সংগ্রহের-তারিখ=10 | অমৃতসর এই লাইনের একমাত্র স্টেশন, যা ভারতীয় রেলের শীর্ষ শতাধিক বুকিং স্টেশনগুলির মধ্যে স্থান লাভ করেছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.indianrail.gov.in/7days_Avl.html |শিরোনাম=Indian Railways Passenger Reservation Enquiry |কর্ম=Availability in trains for Top 100 Booking Stations of Indian Railways |প্রকাশক=IRFCA |সংগ্রহের-তারিখ=10 ফেব্রুয়ারি 2014 |ইউআরএল-অবস্থা=dead |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140510115649/http://www.indianrail.gov.in/7days_Avl.html |আর্কাইভের-তারিখ=10 May 2014 }}</ref> | ||
==তথ্যসূত্র== | ==তথ্যসূত্র== | ||
০১:১৭, ২৩ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
| অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ (ডেরা বাবা নানক শাখা রেলপথ সহ) | |||
|---|---|---|---|
| থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে বাতলা জংশনটি অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন | |||
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |||
| সিস্টেম | বিদ্যুতায়িত | ||
| অবস্থা | পরিচালনাগত | ||
| অঞ্চল | পাঞ্জাব | ||
| বিরতিস্থল | অমৃতসর পাঠানকোট জংশন | ||
| ক্রিয়াকলাপ | |||
| উদ্বোধন | ১৮৮৪ | ||
| মালিক | ভারতীয় রেল | ||
| পরিচালক | উত্তর রেল | ||
| প্রযুক্তিগত | |||
| ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য | ১০৮.৯ কিমি (৬৮ মা) | ||
| ট্র্যাক গেজ | ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রডগেজ | ||
| সর্বোচ্চ টিলা | অমৃতসর ২৩৬ মি (৭৭৪ ফু), পাঠানকোট জংশন ৩৫২ মি (১,১৫৫ ফু) | ||
| বিদ্যুতায়ন | ২০১৮ | ||
| |||
অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসর ও পাঠানকোট জংশনকে সংযুক্ত করে। রেলপথটি প্রশাসনিকভাবে উত্তর রেলের আওতাধীন।
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
১১৮.৯ কিলোমিটার (৬৮ মাইল)-দীর্ঘ ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ইঞ্চি) চওড়া ব্রড-গেজ অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথটি ১৮৮৪ সালে খোলা হয়।[১] এটি মূলত স্থানীয় সরকারের অন্তর্গত ছিল এবং ১৮৯২ সালে উত্তর পশ্চিম রেলওয়েতে স্থানান্তরিত হয়।[২] অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক শাখা রেলপথটি বাতলা তহসিলের পশ্চিমাঞ্চলে রেল পরিষেবা পরিবেশন করে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের আগে এই রেলপথটি ২২৫.৯ কিলোমিটার (১৪০ মাইল) দীর্ঘ ছিল এবং শিয়ালকোটের (বর্তমানে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত) সাথে যুক্ত ছিল, তবে দেশভাগের পরে ডেরা বাবা নানক স্টেশনটি টার্মিনাসে পরিণত হয়। বাতলা–কাদিয়ান সংযোগটি বাতলা তহসিলের পূর্ব অংশে কার্যক্রম পরিচালনা করে।[১] ২২৫.৯ কিমি (১৪০ মাইল) দীর্ঘ অমৃতসর–শিয়ালকোট রেলপথটি এভাবেই চালিত হয়েছিল: অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক–নরোওয়াল–শিয়ালকোট, ১.০২৪ কিমি (১ মাইল) দীর্ঘ রবি নদীর সেতু সহ।[৩]
২০১৫ সালে গুরুদাসপুর হামলার সময় এই রেলপথে বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়, কারণ রেললাইনম্যান অশ্বানী সায়নী ট্র্যাকে একটি বোমা শনাক্ত করেন ও পরবর্তী ট্রেন আসার আগে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন।
গুরুত্ব[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
এই রেলপথ কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি পাঞ্জাবের তিনটি সীমান্ত জেলাকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে, এই জেলাগুলি হল অমৃতসর, গুরুদাসপুর ও পাঠানকোট। এই রেলপথ জলন্ধর–জম্মু রেলপথের জন্য একটি পরিবর্তন বা বিকল্প রুট সরবরাহ করে। যখনই কোনও প্রতিবাদ বা প্রযুক্তিগত/যান্ত্রিক কাজের কারণে জলন্ধর–জম্মু রেলপথের ট্র্যাকটি বাধাগ্রস্ত হয়, তখন বেশিরভাগ ট্রেনসমূহ অমৃতসর–গুরুদাসপুর হয়ে পাঠানকোট ও জম্মু পর্যন্ত চলাচল করে। এই রেলপথটি কৌশলগত ভূমিকা নিতে ও যুদ্ধের পরিস্থিতিতে সামরিক যন্ত্রপাতি ও রসদ পরিবহনে সহায়তা করতে সক্ষম। এই রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ হল অমৃতসর, বাতলা, গুরুদাসপুর ও পাঠানকোট।
রেলওয়ে কর্মশালা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
অমৃতসর রেলওয়ে কর্মশালায় ডব্লিউডিএস-৪ লোক এবং ব্রেকডাউন ক্রেন ও বোগি উৎপাদন পর্যায়ক্রমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।[৪]
যাত্রী চলাচল[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
অমৃতসর এই লাইনের একমাত্র স্টেশন, যা ভারতীয় রেলের শীর্ষ শতাধিক বুকিং স্টেশনগুলির মধ্যে স্থান লাভ করেছে।[৫]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ "Chapter VII"। ১০ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Digital South Asia Library"। Imperial Gazetteer of India, v. 20, p. 325.। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- ↑ Bhuyan, Mohan। "International Links from India"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Sheds and workshops"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Indian Railways Passenger Reservation Enquiry"। Availability in trains for Top 100 Booking Stations of Indian Railways। IRFCA। ১০ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।