অনুষ্কা শংকর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>Tahmid -সন্মান +সম্মান (গণ-প্রতিস্থাপন) |
অ Text replacement - "June" to "জুন" |
||
| (একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ২২ নং লাইন: | ২২ নং লাইন: | ||
==প্ৰাথমিক জীবন== | ==প্ৰাথমিক জীবন== | ||
তার জন্ম লন্ডনে। সে সময় তার বাবার বয়স ছিল ৬১ বছর।তার শৈশব লন্ডন এবং দিল্লিতে কাটে। নয় বছর বয়স থেকে তিনি তার বাবার কাছে [[সেতার|সেতারের]] দীক্ষা নিতে শুরু করেন।বাবার দিক থেকে তিনি আমেরিকান সংগীতশিল্পী [[নোরা জোন্স]] (জন্ম গীতালি নোরাহ শঙ্কর হিসেবে) এবং [[শুভেন্দ্র শুভ শঙ্কর]] এরও ভগ্নী। যিনি ১৯৯২ সালে মারা গিয়েছিলেন।<ref name="musicianguide.com">{{cite web |url=http://www.musicianguide.com/biographies/1608003982/Anoushka-Shankar.html |title=Anoushka Shankar Biography |website=Musician Biographies |publisher=Net Industries |archive-url= https://web.archive.org/web/20080720155831/http://www.musicianguide.com/biographies/1608003982/Anoushka-Shankar.html |archive-date=20 July 2008 |access-date=20 | তার জন্ম লন্ডনে। সে সময় তার বাবার বয়স ছিল ৬১ বছর।তার শৈশব লন্ডন এবং দিল্লিতে কাটে। নয় বছর বয়স থেকে তিনি তার বাবার কাছে [[সেতার|সেতারের]] দীক্ষা নিতে শুরু করেন।বাবার দিক থেকে তিনি আমেরিকান সংগীতশিল্পী [[নোরা জোন্স]] (জন্ম গীতালি নোরাহ শঙ্কর হিসেবে) এবং [[শুভেন্দ্র শুভ শঙ্কর]] এরও ভগ্নী। যিনি ১৯৯২ সালে মারা গিয়েছিলেন।<ref name="musicianguide.com">{{cite web |url=http://www.musicianguide.com/biographies/1608003982/Anoushka-Shankar.html |title=Anoushka Shankar Biography |website=Musician Biographies |publisher=Net Industries |archive-url= https://web.archive.org/web/20080720155831/http://www.musicianguide.com/biographies/1608003982/Anoushka-Shankar.html |archive-date=20 July 2008 |access-date=20 জানুয়ারি 2009 | url-status= live}}</ref> তের বছর বয়সে প্রথম জনসমক্ষে সেতার পরিবেশন করেন; সেই থেকেই তার যাত্রা শুরু।এতে তবলাবাদক ছিলেন [[জাকির হুসেইন (তবলা বাদক)]]। | ||
কিশোর বয়সে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার এনকিনিটাসে থাকতেন এবং সান দিয়েগুইটো হাই স্কুল একাডেমিতে পড়তেন। ১৯৯৯ সালে অনার্স গ্র্যাজুয়েট করেন এবং কলেজে পড়াশোনা করার পরিবর্তে সংগীতে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।<ref name="musicianguide.com" /><ref>{{cite web|last1=Chhibber|first1=Kavita|title=Anoushka Shankar|url=http://www.kavitachhibber.com/main/main.jsp?id=anoushka_shankar|website=Kavita Chhibber|access-date=27 July 2015|archive-url=https://web.archive.org/web/20170118051303/http://www.kavitachhibber.com/main/main.jsp?id=anoushka_shankar|archive-date=18 | কিশোর বয়সে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার এনকিনিটাসে থাকতেন এবং সান দিয়েগুইটো হাই স্কুল একাডেমিতে পড়তেন। ১৯৯৯ সালে অনার্স গ্র্যাজুয়েট করেন এবং কলেজে পড়াশোনা করার পরিবর্তে সংগীতে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।<ref name="musicianguide.com" /><ref>{{cite web|last1=Chhibber|first1=Kavita|title=Anoushka Shankar|url=http://www.kavitachhibber.com/main/main.jsp?id=anoushka_shankar|website=Kavita Chhibber|access-date=27 July 2015|archive-url=https://web.archive.org/web/20170118051303/http://www.kavitachhibber.com/main/main.jsp?id=anoushka_shankar|archive-date=18 জানুয়ারি 2017|url-status=dead}}</ref> | ||
==পেশা== | ==পেশা== | ||
[[File:Shankar Concert 2005 crop.jpg|thumb|অনুস্কা এবং রবিশঙ্কর ২০০৫ সালের কনসার্টে]] | [[File:Shankar Concert 2005 crop.jpg|thumb|অনুস্কা এবং রবিশঙ্কর ২০০৫ সালের কনসার্টে]] | ||
| ৪২ নং লাইন: | ৪২ নং লাইন: | ||
==ব্যক্তিগত জীবন== | ==ব্যক্তিগত জীবন== | ||
তিনি আমেরিকা, যুক্তরাজ্য এবং ভারতে বেড়ে ওঠেন। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটিশ পরিচালক [[জো রাইট]]কে বিয়ে করেছিলেন।<ref name="Guardian2014">{{cite news|last1=Barnett|first1=Laura|title=Anoushka Shankar: 'Suddenly I'm the parent'|url=https://www.theguardian.com/music/2014/may/20/anoushka-shankar-alchemy-festival|access-date=2 November 2016|work=The Guardian|date=20 May 2014}}</ref> তাদের দুটি পুত্র সন্তান হয় । ২০১২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তিনি লন্ডনে তার দুই ছেলের সাথে থাকেন।<ref>{{Cite news|url=http://indianexpress.com/article/trending/trending-in-india/anoushka-shankar-instagram-post-on-first-love-and-separation-5124881/|title=Anoushka Shankar writes a heartfelt note on 'first love' and 'life as a single parent'|date=5 April 2018|work=The Indian Express|access-date=11 | তিনি আমেরিকা, যুক্তরাজ্য এবং ভারতে বেড়ে ওঠেন। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটিশ পরিচালক [[জো রাইট]]কে বিয়ে করেছিলেন।<ref name="Guardian2014">{{cite news|last1=Barnett|first1=Laura|title=Anoushka Shankar: 'Suddenly I'm the parent'|url=https://www.theguardian.com/music/2014/may/20/anoushka-shankar-alchemy-festival|access-date=2 November 2016|work=The Guardian|date=20 May 2014}}</ref> তাদের দুটি পুত্র সন্তান হয় । ২০১২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তিনি লন্ডনে তার দুই ছেলের সাথে থাকেন।<ref>{{Cite news|url=http://indianexpress.com/article/trending/trending-in-india/anoushka-shankar-instagram-post-on-first-love-and-separation-5124881/|title=Anoushka Shankar writes a heartfelt note on 'first love' and 'life as a single parent'|date=5 April 2018|work=The Indian Express|access-date=11 জুন 2018|language=en-US}}</ref> | ||
==পুরস্কার== | ==পুরস্কার== | ||
*১৯৯৮ সালে তিনি ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্স শিল্ড লাভ করেন।<ref>{{cite news |last=De Cruz |first=Errol |date=27 | *১৯৯৮ সালে তিনি ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্স শিল্ড লাভ করেন।<ref>{{cite news |last=De Cruz |first=Errol |date=27 ফেব্রুয়ারি 2001 |title=Shankar guru a left-handed genius |url=https://news.google.com/newspapers?id=KQgkAAAAIBAJ&dq=commons+shield+anoushka&pg=4517,4261834 |location=Kuala Lumpur, Malaysia |newspaper=[[New Straits Times]] |access-date=7 April 2011}}</ref> | ||
*২০০৩ সালে ভারতে বিশ্ব মহিলা দিবসে "বৰ্ষসেরা মহিলা" পুরস্কার পান।<ref name="musicianguide.com" /> | *২০০৩ সালে ভারতে বিশ্ব মহিলা দিবসে "বৰ্ষসেরা মহিলা" পুরস্কার পান।<ref name="musicianguide.com" /> | ||
*২০০৪ সালে টাইম ম্যাগাজিনের এশিয়া মহাদেশ সংস্করণে ২০ এশিয়ান হিরোস শীৰ্ষক তালিকাতে স্থান লাভ করেন। | *২০০৪ সালে টাইম ম্যাগাজিনের এশিয়া মহাদেশ সংস্করণে ২০ এশিয়ান হিরোস শীৰ্ষক তালিকাতে স্থান লাভ করেন। | ||
| ৫৪ নং লাইন: | ৫৪ নং লাইন: | ||
*ট্রাভেলার এলবামের জন্য ২০১৩ সালে তৃতীয়বার মনোনয়ন লাভ করেন। | *ট্রাভেলার এলবামের জন্য ২০১৩ সালে তৃতীয়বার মনোনয়ন লাভ করেন। | ||
* ট্রেসেস অব ইউ এলবামের জন্য ২০১৪ সালে মনোনয়ন লাভ করেন । | * ট্রেসেস অব ইউ এলবামের জন্য ২০১৪ সালে মনোনয়ন লাভ করেন । | ||
*২০১২ সালে ট্রাভেলার এলবামের জন্য সংলাইন্স শ্ৰেষ্ঠ শিল্পী পুরস্কার (Songlines Music Award) পান।<ref>{{cite web |url=http://songlines.co.uk/music-awards/2012/winners.php |title=Songlines – Music Awards – 2012 – Winners |website=[[Songlines (magazine)|Songlines]] |access-date=14 | *২০১২ সালে ট্রাভেলার এলবামের জন্য সংলাইন্স শ্ৰেষ্ঠ শিল্পী পুরস্কার (Songlines Music Award) পান।<ref>{{cite web |url=http://songlines.co.uk/music-awards/2012/winners.php |title=Songlines – Music Awards – 2012 – Winners |website=[[Songlines (magazine)|Songlines]] |access-date=14 ফেব্রুয়ারি 2013}}</ref> | ||
*ইতালীয় জ্যোতির্বিদ [[সিলভানো ক্যাসুলি]] দ্বারা আবিষ্কৃত গ্রহাণু [[২৯২২72২ আনুশঙ্কর]] তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছিল।<ref name="MPC-object" /> যা সরকারীভাবে {{MoMP|292872|naming citation}} ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারী [[Minor Planet Circulars]]তে প্রকাশ করেছিল [[Minor Planet Center|Minor Planet Center]] ({{small| 103028}}).<ref name="MPC-Circulars-Archive" /> | *ইতালীয় জ্যোতির্বিদ [[সিলভানো ক্যাসুলি]] দ্বারা আবিষ্কৃত গ্রহাণু [[২৯২২72২ আনুশঙ্কর]] তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছিল।<ref name="MPC-object" /> যা সরকারীভাবে {{MoMP|292872|naming citation}} ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারী [[Minor Planet Circulars]]তে প্রকাশ করেছিল [[Minor Planet Center|Minor Planet Center]] ({{small| 103028}}).<ref name="MPC-Circulars-Archive" /> | ||
২০:২৭, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
| অনুষ্কা শঙ্কর | |
|---|---|
| থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে ২০০৭ সালে, ১৫তম গ্লোবাল রাইম উদযাপন অনুষ্ঠানে অণুষ্কা শঙ্কর | |
| প্রাথমিক তথ্য | |
| জন্ম | জুন ৯, ১৯৮১ |
| উদ্ভব | মুম্বাই, ভারত |
| ধরন | ভারতীয় সঙ্গীত |
| পেশা | সেতারবাদক, সুরকার |
| বাদ্যযন্ত্রসমূহ | সেতার |
| কার্যকাল | ১৯৯৮—বর্তমান |
| লেবেল | অ্যাঞ্জেল |
| ওয়েবসাইট | AnoushkaShankar.com |
অনুষ্কা শঙ্কর (জন্ম : ১৯৮১) একজন সেতার বাদক এবং মিউজিক কম্পোজার। তিনি পণ্ডিত রবি শঙ্কর এবং সুকন্যা রাজনের কন্যা।
প্ৰাথমিক জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তার জন্ম লন্ডনে। সে সময় তার বাবার বয়স ছিল ৬১ বছর।তার শৈশব লন্ডন এবং দিল্লিতে কাটে। নয় বছর বয়স থেকে তিনি তার বাবার কাছে সেতারের দীক্ষা নিতে শুরু করেন।বাবার দিক থেকে তিনি আমেরিকান সংগীতশিল্পী নোরা জোন্স (জন্ম গীতালি নোরাহ শঙ্কর হিসেবে) এবং শুভেন্দ্র শুভ শঙ্কর এরও ভগ্নী। যিনি ১৯৯২ সালে মারা গিয়েছিলেন।[১] তের বছর বয়সে প্রথম জনসমক্ষে সেতার পরিবেশন করেন; সেই থেকেই তার যাত্রা শুরু।এতে তবলাবাদক ছিলেন জাকির হুসেইন (তবলা বাদক)।
কিশোর বয়সে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার এনকিনিটাসে থাকতেন এবং সান দিয়েগুইটো হাই স্কুল একাডেমিতে পড়তেন। ১৯৯৯ সালে অনার্স গ্র্যাজুয়েট করেন এবং কলেজে পড়াশোনা করার পরিবর্তে সংগীতে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[১][২]
পেশা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
রেকর্ডিং স্টুডিওতে তার প্রথম অভিজ্ঞতা হয় যখন অ্যাঞ্জেল রেকর্ডস তার বাবার জন্মদিন উপলক্ষে ইন সেলিব্রেশন নামে একটি বিশেষ ফোর-সিডি বক্স সেট প্রকাশ করেছিল। চৌদ্দ বছর বয়স থেকে তিনি তার বাবার সাথে বিশ্বজুড়ে কনসার্টগুলিতে নিচ্ছিলেন । পনেরো বছর বয়সে তিনি জর্জ হ্যারিসনের প্রযোজিত ল্যান্ডমার্ক অ্যালবাম চ্যান্টস অফ ইন্ডিয়ায় তার বাবার সহায়তা করেছিলেন। তাদের উভয়ের নির্দেশনায় তিনি স্বরলিপি এবং শেষ পর্যন্ত রেকর্ডে অংশগ্রহণকারীদের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। এই অভিজ্ঞতার পরে অ্যাঞ্জেল রেকর্ডস প্রধানরা তাকে তাদের জন্য কাজ করাতে তার বাড়িতে এসেছিল। তিনি ষোল বছর বয়সে অ্যাঞ্জেল / ইএমআইয়ের সাথে তার প্রথম একচেটিয়া রেকর্ডিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
তিনি ১৯৯৮ সালে তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন। তার পর ২০০০ সালে তার অনুরাগ অ্যালবাম এসেছিল।
তিনি তার সঙ্গীত প্রতিভার জন্য ১৯৯৮ সালে বৃটেনের হাউজ অব কমন্স শিল্ড লাভ করেন। তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এই সম্মান লাভ করেন । তিনিই প্রথম মহিলা যিনি এই উচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন।তিনি ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার রামকৃষ্ণ সেন্টারে প্রথম মহিলা পারর্ফমার হিসেবে সেতার পরিবেশন করেন। ২০০৩ সালে ইন্ডিয়ান টেলিভিশন একাডেমি, আসমী এবং ইন্ডিয়া টাইমস্ তাকে বছরের সেরা মহিলাদের চারজনের একজন হিসেবে নির্বাচিত করে। ২০০৪ সালে টাইম ম্যাগাজিন এশিয়া এডিশন কর্তৃক এশিয়ার ২০ জন সেরা হিরোর একজন হিসেবে নির্বাচিত করে।
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের তিনটি অ্যালবাম প্রকাশের পর তিনি রেকর্ডিং থেকে কয়েক বছর দূরে ছিলেন । নিজের বাবার মেয়ে পরিচয়ের বাইরে নিজেকে একক শিল্পীরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে তার শক্তি কেন্দ্রীভূত করেছিলেন। এই সময়ে তিনি বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ করেছিলেন।সে সময় তিনি প্রতি বছর গড়ে ৫০-৬০ তি কনসার্ট করেন।২০০৫ সালে তার প্রথম স্বউত্পাদিত, স্বরচিত, নন-ক্লাসিকাল অ্যালবাম ও তার চতুর্থ অ্যালবাম রাইজ মুক্তি পায়। তার অ্যালবাম রাইজ বেস্ট কনটেম্পরারি ওয়ার্ল্ড মিউজিক ক্যাটেগোরিতে গ্র্যামি এওয়ার্ড এর জন্য মনোনীত হয়েছিল। এটি ছিল তার দ্বিতীয় গ্রামি এওয়ার্ড মনোনয়ন। অণুশকা শংকরই প্রথম ভারতীয় নারী যিনি গ্র্যামি এওয়ার্ড-এর ৪৮তম অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।
অভিনয় ও লেখালেখি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তিনি অভিনয় ও লেখালেখিও করেছেন।তিনি ২০০৪ সালে ড্যানস লাইক অব ম্যানে অভিনয় করেন। তিনি ২০০২ সালে তার বাবাকে একটি জীবনী লিখেছিলেন।যেটি হল- বাপিঃ দ্য লাভ অফ মাই লাইফ।এছাড়া তিনি বিভিন্ন বইতে অবদান রেখেছিলেন। কলামিস্ট হিসাবে তিনি তিন বছরের জন্য ভারতের প্রথম সিটি ম্যাগাজিনের জন্য মাসিক কলাম লিখেছিলেন । ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সংবাদপত্র হিন্দুস্তান টাইমসের সাপ্তাহিক কলামিস্ট হিসাবে এক বছর লিখেছেন।
ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তিনি আমেরিকা, যুক্তরাজ্য এবং ভারতে বেড়ে ওঠেন। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটিশ পরিচালক জো রাইটকে বিয়ে করেছিলেন।[৩] তাদের দুটি পুত্র সন্তান হয় । ২০১২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তিনি লন্ডনে তার দুই ছেলের সাথে থাকেন।[৪]
পুরস্কার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ১৯৯৮ সালে তিনি ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্স শিল্ড লাভ করেন।[৫]
- ২০০৩ সালে ভারতে বিশ্ব মহিলা দিবসে "বৰ্ষসেরা মহিলা" পুরস্কার পান।[১]
- ২০০৪ সালে টাইম ম্যাগাজিনের এশিয়া মহাদেশ সংস্করণে ২০ এশিয়ান হিরোস শীৰ্ষক তালিকাতে স্থান লাভ করেন।
- ২০০৩ সালে তিনি নিজের তৃতীয় এলবাম "লাইভ এট কাৰ্নেগী হল" এর জন্য গ্ৰামি অ্যাওয়ার্ডে তিনি ও তার বোন নোরা জোন্স এক সাথে মনোনীত হন। কম বয়সে এই সম্মান লাভ করা তিনি বিশ্বের প্ৰথম মহিলা ছিলেন।
- রাইজ এলবামের জন্য গ্ৰামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন লাভ করেন।
- ট্রাভেলার এলবামের জন্য ২০১৩ সালে তৃতীয়বার মনোনয়ন লাভ করেন।
- ট্রেসেস অব ইউ এলবামের জন্য ২০১৪ সালে মনোনয়ন লাভ করেন ।
- ২০১২ সালে ট্রাভেলার এলবামের জন্য সংলাইন্স শ্ৰেষ্ঠ শিল্পী পুরস্কার (Songlines Music Award) পান।[৬]
- ইতালীয় জ্যোতির্বিদ সিলভানো ক্যাসুলি দ্বারা আবিষ্কৃত গ্রহাণু ২৯২২72২ আনুশঙ্কর তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছিল।[৭] যা সরকারীভাবে টেমপ্লেট:MoMP ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারী Minor Planet Circularsতে প্রকাশ করেছিল Minor Planet Center ( 103028).[৮]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ "Anoushka Shankar Biography"। Musician Biographies। Net Industries। ২০ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ Chhibber, Kavita। "Anoushka Shankar"। Kavita Chhibber। ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৫।
- ↑ Barnett, Laura (২০ মে ২০১৪)। "Anoushka Shankar: 'Suddenly I'm the parent'"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Anoushka Shankar writes a heartfelt note on 'first love' and 'life as a single parent'"। The Indian Express (English ভাষায়)। ৫ এপ্রিল ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৮।
- ↑ De Cruz, Errol (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০১)। "Shankar guru a left-handed genius"। New Straits Times। Kuala Lumpur, Malaysia। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১১।
- ↑ "Songlines – Music Awards – 2012 – Winners"। Songlines। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;MPC-objectনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;MPC-Circulars-Archiveনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে উইকিমিডিয়া কমন্সে অনুষ্কা শংকর সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
- লুয়া ত্রুটি মডিউল:অফিসিয়াল_ওয়েব এর 90 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে অনুষ্কা শংকর
লুয়া ত্রুটি মডিউল:কর্তৃপক্ষ_নিয়ন এর 348 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে ভারতপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- তথ্যসূত্র ত্রুটিসহ পাতা
- উদ্ধৃতি শৈলীতে English ভাষার উৎস (en)
- স্ক্রিপ্ট ত্রুটিসহ পাতা
- এইচকার্ডের সাথে নিবন্ধসমূহ
- তথ্যছক সঙ্গীতশিল্পী সাথে হারানো বা অবৈধ ব্যাকগ্রাউন্ড ফিল্ড
- অসম্পূর্ণ
- সেতার বাদক
- যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী
- ১৯৮১-এ জন্ম
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী সঙ্গীতজ্ঞ
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় গায়ক
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজ অভিবাসী
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় সুরকার
- ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় সুরকার
- লন্ডনের সঙ্গীতজ্ঞ
- বাঙালি হিন্দু