অযোধ্যা বিবাদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অ Text replacement - "January" to "জানুয়ারি" |
অ Text replacement - "2019" to "২০১৯" |
||
| ৩ নং লাইন: | ৩ নং লাইন: | ||
'''অযোধ্যা বিবাদ''' ভারতের রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক এবং সামাজিক-ধর্মীয় বিতর্ক, উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা শহরের একটি জমিরকে কেন্দ্র করে। বিবাদটি হিন্দু দেবতা রামের জন্মস্থান হিসাবে হিন্দুদের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে বিবেচিত স্থানের নিয়ন্ত্রণ,<ref name=Tieffenthaler/> এবং ঘটনাস্থলে অবস্থিত বাবরি মসজিদের ইতিহাস ও অবস্থান এবং পূর্ববর্তী হিন্দু মন্দিরটি ভেঙে ফেলে বা মন্দিরের ভিতের উপর মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে শুরু হয়। | '''অযোধ্যা বিবাদ''' ভারতের রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক এবং সামাজিক-ধর্মীয় বিতর্ক, উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা শহরের একটি জমিরকে কেন্দ্র করে। বিবাদটি হিন্দু দেবতা রামের জন্মস্থান হিসাবে হিন্দুদের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে বিবেচিত স্থানের নিয়ন্ত্রণ,<ref name=Tieffenthaler/> এবং ঘটনাস্থলে অবস্থিত বাবরি মসজিদের ইতিহাস ও অবস্থান এবং পূর্ববর্তী হিন্দু মন্দিরটি ভেঙে ফেলে বা মন্দিরের ভিতের উপর মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে শুরু হয়। | ||
বাবরি মসজিদ একটি রাজনৈতিক সমাবেশ চলাকালীন ধ্বংস হয়ে যায়, যা ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর দাঙ্গায় রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে জমি শিরোনামের মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে দায়ের করা হয়, যার রায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সালে দেওয়া হয়। তিন বিচারপতি নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় ছিল যে, অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭ একর (১.১২ হেক্টর) জমিটি তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হবে, যেখানে ১/৩ অংশ রাম ললায় বা হিন্দু মহাসভার প্রতিনিধিত্বকারী শিশু রামের হাতে যায়, ১/৩ অংশ যায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের হাতে এবং বাকি ১/৩ অংশ যায় নির্মোহী আখড়ার হাতে। রায়টি নিশ্চিত করে যে এই বিতর্কিত স্থানটি হিন্দুদের বিশ্বাস অনুসারে রামের জন্মস্থান ছিল এবং [[বাবরি মসজিদ]] একটি হিন্দু মন্দির ভেঙে দেওয়ার পরে নির্মিত হয়। এছাড়া রায়ে উল্লেখ করা হয় যে মসজিদটি ইসলামের তত্ত্ব অনুসারে নির্মিত হয়নি।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-asia-india-50065277|শিরোনাম=Ayodhya dispute: The complex legal history of India's holy site|সংগ্রহের-তারিখ=16 October | বাবরি মসজিদ একটি রাজনৈতিক সমাবেশ চলাকালীন ধ্বংস হয়ে যায়, যা ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর দাঙ্গায় রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে জমি শিরোনামের মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে দায়ের করা হয়, যার রায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সালে দেওয়া হয়। তিন বিচারপতি নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় ছিল যে, অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭ একর (১.১২ হেক্টর) জমিটি তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হবে, যেখানে ১/৩ অংশ রাম ললায় বা হিন্দু মহাসভার প্রতিনিধিত্বকারী শিশু রামের হাতে যায়, ১/৩ অংশ যায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের হাতে এবং বাকি ১/৩ অংশ যায় নির্মোহী আখড়ার হাতে। রায়টি নিশ্চিত করে যে এই বিতর্কিত স্থানটি হিন্দুদের বিশ্বাস অনুসারে রামের জন্মস্থান ছিল এবং [[বাবরি মসজিদ]] একটি হিন্দু মন্দির ভেঙে দেওয়ার পরে নির্মিত হয়। এছাড়া রায়ে উল্লেখ করা হয় যে মসজিদটি ইসলামের তত্ত্ব অনুসারে নির্মিত হয়নি।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-asia-india-50065277|শিরোনাম=Ayodhya dispute: The complex legal history of India's holy site|সংগ্রহের-তারিখ=16 October ২০১৯|প্রকাশক=BBC News|তারিখ=16 October ২০১৯}}</ref><ref>[http://elegalix.allahabadhighcourt.in/elegalix/StartWebSearch.do Gist of Judgements] by Justices S. U. Khan, Sudhir Agarwal and Dharam Veer Sharma, Allahabad High Court, 6 October 2010</ref> | ||
পাঁচ বিচারপতি নিয়ে গঠিত ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের (সুপ্রিম কোর্ট) বেঞ্চে ২০১৯ সালে আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অযোধ্যা বিবাদের মামলা শুনেছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-asia-india-50065277|শিরোনাম=Ayodhya dispute: The complex legal history of India's holy site|প্রকাশক=BBC News|সংগ্রহের-তারিখ=16 October | পাঁচ বিচারপতি নিয়ে গঠিত ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের (সুপ্রিম কোর্ট) বেঞ্চে ২০১৯ সালে আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অযোধ্যা বিবাদের মামলা শুনেছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-asia-india-50065277|শিরোনাম=Ayodhya dispute: The complex legal history of India's holy site|প্রকাশক=BBC News|সংগ্রহের-তারিখ=16 October ২০১৯|তারিখ=16 October ২০১৯}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thehindubusinessline.com/news/supreme-court-hearing-ends-in-ayodhya-dispute-orders-reserved/article29710840.ece|শিরোনাম=Supreme Court hearing ends in Ayodhya dispute; orders reserved|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=২০১৯-10-16|ওয়েবসাইট=The Hindu Business Line|প্রকাশক=Press Trust of India|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-10-18}}</ref> ৯ নভেম্বর ২০১৯ সালে, সুপ্রিম কোর্ট জমিটিকে হিন্দু মন্দির তৈরির জন্য একটি ট্রাস্টের হাতে হস্তান্তর করার আদেশ দেয়। রায়ে মসজিদটি নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে বিকল্প পাঁচ একর জমি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়।<ref name=":122">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://timesofindia.indiatimes.com/india/ayodhya-babri-masjid-ram-mandir-case-verdict-highlights-supreme-court-declared-verdict-on-ram-janmabhoomi-case/articleshow/71978918.cms|শিরোনাম=Ram Mandir verdict: Supreme Court verdict on Ram Janmabhoomi-Babri Masjid case|তারিখ=২০১৯-11-09|ওয়েবসাইট=The Times of India|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-11-09}}</ref> | ||
==কালপঞ্জি== | ==কালপঞ্জি== | ||
{| class="wikitable" | {| class="wikitable" | ||
| ২৫ নং লাইন: | ২৫ নং লাইন: | ||
|২০১৯ | |২০১৯ | ||
|৯ নভেম্বর | |৯ নভেম্বর | ||
|চূড়ান্ত রায় প্রদান।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://timesofindia.indiatimes.com/india/ayodhya-verdict-live-updates-supreme-court-verdict-on-ram-mandir-babri-masjid-dispute/liveblog/71978224.cms|শিরোনাম=Ayodhya verdict live updates: Supreme Court delivers judgement on Ram Mandir-Babri Masjid case|ওয়েবসাইট=The Times of India|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ= | |চূড়ান্ত রায় প্রদান।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://timesofindia.indiatimes.com/india/ayodhya-verdict-live-updates-supreme-court-verdict-on-ram-mandir-babri-masjid-dispute/liveblog/71978224.cms|শিরোনাম=Ayodhya verdict live updates: Supreme Court delivers judgement on Ram Mandir-Babri Masjid case|ওয়েবসাইট=The Times of India|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-11-09}}</ref> সুপ্রিম কোর্ট জমিটিকে হিন্দু মন্দির তৈরির জন্য একটি ট্রাস্টের হাতে হস্তান্তর করার আদেশ দিয়েছে। এই রায়ে মসজিদ নির্মাণের উদ্দেশ্যে সুন্নী ওয়াকফ বোর্ডকে বিকল্প পাঁচ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় সরকারকে।<ref name=":1" /> | ||
|} | |} | ||