অমর্ত্য সেন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ImportMaster (আলোচনা | অবদান)
robot: Import articles using বিশেষ:আমদানি
 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}" to ""
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৩ নং লাইন: ৩ নং লাইন:
|image = Amartya Sen NIH.jpg
|image = Amartya Sen NIH.jpg
| image_size  = 180px
| image_size  = 180px
|birth_date = {{জন্ম তারিখ ও বয়স|1933|11|3}}
|birth_date = {{জন্ম তারিখ ও বয়স|1933|11|3|mf=y}}
|birth_place = [[শান্তিনিকেতন]], [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]], [[ব্রিটিশ ভারত]]
|birth_place = [[এলাচিপুর, মানিকগঞ্জ]], (বর্তমান বাংলাদেশ)  ব্রিটিশ ভারত
|residence =  [[নিউ ইয়র্ক শহর]], [[যুক্তরাষ্ট্র]]
|residence =  [[নিউ ইয়র্ক শহর]], [[যুক্তরাষ্ট্র]]
|nationality = [[ভারতীয়]]
|nationality = [[ভারতীয়]]
১১ নং লাইন: ১১ নং লাইন:
|ethnicity=[[বাঙালি]]
|ethnicity=[[বাঙালি]]
|field = [[অর্থনীতি]]
|field = [[অর্থনীতি]]
|work_institution =[[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়]]<br /> [[অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স]]<br />[[দিল্লী স্কুল অফ ইকোনমিক্স]]<br />[[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি]]<br />[[স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি]]
|work_institution =[[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়]]<br /> [[অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স]]<br />[[দিল্লী স্কুল অফ ইকোনমিক্স]]<br />[[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি]]<br />[[স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />[[ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে]]
|alma_mater = [[ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ]] (পিএইচ.ডি.)(বি.এ.)<br />[[প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা|প্রেসিডেন্সি কলেজ]] (বি.এ.)
|alma_mater = [[ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ]] (পিএইচ.ডি.)(বি.এ.)<br />[[প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা|প্রেসিডেন্সি কলেজ]] (বি.এ.)
|known_for  = [[জনকল্যাণ অর্থনীতি]]<br />[[মানব উন্নয়ন তত্ত্ব]]
|known_for  = [[জনকল্যাণ অর্থনীতি]]<br />[[মানব উন্নয়ন তত্ত্ব]]
|prizes = [[অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] (১৯৯৮)<br />  
|prizes = [[চিত্র:Nobel Prize.png|20px]] [[নোবেল পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার]] (১৯৯৮)<br />[[ভারতরত্ন]] (১৯৯৯)
[[File:Bharat Ratna Ribbon.svg|100px]][[ভারতরত্ন]] (১৯৯৯)
}}
}}


'''অমর্ত্য সেন''' (জন্ম: ৩ নভেম্বর ১৯৩৩) [[অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] বিজয়ী একজন ভারতীয় [[বাঙালী|বাঙালি]] অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্রের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (যা অর্থনীতির [[নোবেল পুরস্কার]] হিসেবে পরিচিত) লাভ করেন। অমর্ত্য সেনই [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] বিভিন্ন দেশের শিক্ষা এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য [[মানব উন্নয়ন সূচক]] আবিষ্কার করেন।<ref name="Sen Profile">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=The Guardian Profile: Amartya Sen|ইউআরএল=http://www.guardian.co.uk/books/2001/mar/31/society.politics|প্রকাশক=The Guardian|সংগ্রহের-তারিখ=2012-01-07|অবস্থান=London|প্রথমাংশ=Jonathan|শেষাংশ=Steele|তারিখ=19 April 2001|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120104015953/http://www.guardian.co.uk/books/2001/mar/31/society.politics|আর্কাইভের-তারিখ=২০১২-০১-০৪|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref> তিনিই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক না হয়েও ন্যাশনাল হিউম্যানিটিস মেডালে ভূষিত হন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |ইউআরএল=http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-17022920 |শিরোনাম=Indian Nobel laureate Amartya Sen honoured in US |প্রকাশক=BBC News |তারিখ=14 February 2012 |সংগ্রহের-তারিখ=14 February 2012 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120214104700/http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-17022920 |আর্কাইভের-তারিখ=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>
'''অমর্ত্য সেন''' (জন্ম: [[নভেম্বর |৩রা নভেম্বর]], ১৯৩৩) একজন [[অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] বিজয়ী ভারতীয় [[বাঙালী|বাঙালি]] অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্রের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (যা অর্থনীতির [[নোবেল পুরস্কার]] হিসেবে পরিচিত) লাভ করেন। অমর্ত্য সেনই [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] বিভিন্ন দেশের শিক্ষা এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য [[মানব উন্নয়ন সূচক]] আবিষ্কার করেন।<ref name="Sen Profile">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=The Guardian Profile: Amartya Sen|ইউআরএল=http://www.guardian.co.uk/books/2001/mar/31/society.politics|প্রকাশক=The Guardian|সংগ্রহের-তারিখ=2012-01-07|অবস্থান=London|প্রথমাংশ=Jonathan|শেষাংশ=Steele|তারিখ=19 April 2001|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120104015953/http://www.guardian.co.uk/books/2001/mar/31/society.politics|আর্কাইভের-তারিখ=২০১২-০১-০৪|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref> তিনিই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক না হয়েও ন্যাশনাল হিউম্যানিটিস মেডালে ভূষিত হন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |ইউআরএল=http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-17022920 |শিরোনাম=Indian Nobel laureate Amartya Sen honoured in US |প্রকাশক=BBC News |তারিখ=14 ফেব্রুয়ারি 2012 |সংগ্রহের-তারিখ=14 ফেব্রুয়ারি 2012 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120214104700/http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-17022920 |আর্কাইভের-তারিখ=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>


বর্তমানতিনি ে টমাস ডাব্লিউ ল্যামন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক অধ্যাপক এবং [[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়|হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের]] [[দর্শন]] বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|ক্যামব্রিজের]] একজন সিনিয়র ফেলো। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Trinity College Cambridge – The Fellowship<!-- Bot generated title --> |ইউআরএল=http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=321 |সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130703151956/http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=321 |আর্কাইভের-তারিখ=৩ জুলাই ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Trinity College Cambridge – Master of Trinity – Lord Rees<!-- Bot generated title --> |ইউআরএল=http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=172 |সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080319025839/http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=172 |আর্কাইভের-তারিখ=১৯ মার্চ ২০০৮ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> বর্তমানে তিনি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হেলথ ইমপ্যাক্ট ফান্ডের '''অ্যাডভাইজরি''' '''বোর্ড অব ইনসেন্টিভ ফর গ্লোবাল হেল্থ্''' এর সদস্য। তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen to be chancellor of Nalanda International University|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/india/report_amartya-sen-to-be-chancellor-of-nalanda-international-university_1717242|সংগ্রহের-তারিখ=25 July 2012|সংবাদপত্র=[[Daily News and Analysis]]|অবস্থান=|তারিখ=July 19, 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121030131108/http://www.dnaindia.com/india/report_amartya-sen-to-be-chancellor-of-nalanda-international-university_1717242|আর্কাইভের-তারিখ=অক্টোবর ৩০, ২০১২|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen named Nalanda University Chancellor|ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2012-07-20/news/32763124_1_nalanda-university-board-members-george-yeo|সংগ্রহের-তারিখ=25 July 2012|সংবাদপত্র=[[The Times of India]]|অবস্থান=|তারিখ=July 20, 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131019161617/http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2012-07-20/news/32763124_1_nalanda-university-board-members-george-yeo|আর্কাইভের-তারিখ=অক্টোবর ১৯, ২০১৩|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
তিনি বর্তমানে টমাস ডাব্লিউ ল্যামন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক অধ্যাপক এবং [[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়|হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের]] [[দর্শন]] বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|ক্যামব্রিজের]] একজন সিনিয়র ফেলো। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Trinity College Cambridge – The Fellowship<!-- Bot generated title --> |ইউআরএল=http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=321 |সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130703151956/http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=321 |আর্কাইভের-তারিখ=৩ জুলাই ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Trinity College Cambridge – Master of Trinity – Lord Rees<!-- Bot generated title --> |ইউআরএল=http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=172 |সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080319025839/http://www.trin.cam.ac.uk/index.php?pageid=172 |আর্কাইভের-তারিখ=১৯ মার্চ ২০০৮ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> বর্তমানে তিনি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হেলথ ইমপ্যাক্ট ফান্ডের '''অ্যাডভাইজরি''' '''বোর্ড অব ইনসেন্টিভ ফর গ্লোবাল হেল্থ্''' এর সদস্য। তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen to be chancellor of Nalanda International University|ইউআরএল=http://www.dnaindia.com/india/report_amartya-sen-to-be-chancellor-of-nalanda-international-university_1717242|সংগ্রহের-তারিখ=25 July 2012|সংবাদপত্র=[[Daily News and Analysis]]|অবস্থান=|তারিখ=July 19, 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121030131108/http://www.dnaindia.com/india/report_amartya-sen-to-be-chancellor-of-nalanda-international-university_1717242|আর্কাইভের-তারিখ=অক্টোবর ৩০, ২০১২|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen named Nalanda University Chancellor|ইউআরএল=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2012-07-20/news/32763124_1_nalanda-university-board-members-george-yeo|সংগ্রহের-তারিখ=25 July 2012|সংবাদপত্র=[[The Times of India]]|অবস্থান=|তারিখ=July 20, 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131019161617/http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2012-07-20/news/32763124_1_nalanda-university-board-members-george-yeo|আর্কাইভের-তারিখ=অক্টোবর ১৯, ২০১৩|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>


অমর্ত্য সেনের লিখিত বই বিগত চল্লিশ বছর ধরে প্রায় তিরিশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি। ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.time.com/time/asia/2006/heroes/at_sen.html | কর্ম=Time | শিরোনাম=60 Years of Asian Heroes: Amartya Sen | তারিখ=13 November 2006 | অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ | সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110501025616/http://www.time.com/time/asia/2006/heroes/at_sen.html# | আর্কাইভের-তারিখ=১ মে ২০১১ }}</ref> এবং ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়। নিউ স্টেট্সম্যান ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ৫০ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়।<ref name="htanna">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen – 50 People Who Matter 2010|ইউআরএল=http://www.newstatesman.com/global-issues/2010/09/conscience-teacher-amartya-sen|প্রকাশক=New Statesman|সংগ্রহের-তারিখ=28 September 2010|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100930152204/http://www.newstatesman.com/global-issues/2010/09/conscience-teacher-amartya-sen#|আর্কাইভের-তারিখ=৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
অমর্ত্য সেনের লিখিত বই বিগত চল্লিশ বছর ধরে প্রায় তিরিশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি ইকনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি। ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.time.com/time/asia/2006/heroes/at_sen.html | কর্ম=Time | শিরোনাম=60 Years of Asian Heroes: Amartya Sen | তারিখ=13 November 2006 | অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ | সংগ্রহের-তারিখ=২১ জুলাই ২০১৩ | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110501025616/http://www.time.com/time/asia/2006/heroes/at_sen.html# | আর্কাইভের-তারিখ=১ মে ২০১১ }}</ref> এবং ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়। নিউ স্টেট্সম্যান ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ৫০ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়।<ref name="htanna">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Amartya Sen – 50 People Who Matter 2010|ইউআরএল=http://www.newstatesman.com/global-issues/2010/09/conscience-teacher-amartya-sen|প্রকাশক=New Statesman|সংগ্রহের-তারিখ=28 September 2010|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100930152204/http://www.newstatesman.com/global-issues/2010/09/conscience-teacher-amartya-sen#|আর্কাইভের-তারিখ=৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>


== শৈশব ==
== শৈশব ==
২৮ নং লাইন: ২৭ নং লাইন:


== শিক্ষাজীবন ==
== শিক্ষাজীবন ==
১৯৪১ সালে অমর্ত্য সেন তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন [[সেইন্ট গ্রেগরী উচ্চ বিদ্যালয়]] এ। দেশ ভাগের পরে তারা ভারতে চলে এলে, অমর্ত্য সেন [[বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়]] স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই বছরই তিনি [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ট্রিনিটি কলেজে পড়তে যান। ১৯৫৬ সালে তিনি প্রথম শ্রেণীতে বি.এ (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বছরই তিনি ক্যামব্রিজ মজলিসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ট্রিনিট্রি কলেজে স্নাতকের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই ব্রিটিশ রয়্যাল সোসাইটির ফেলো [[প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশ|প্রশান্ত চন্দ্র মহলনবীশের]] সাথে দেখা করেন। তিনি অমর্ত্য সেনের সাথে মিলিত হয়ে অভিভূত হন এবং পরবর্তীকালে [[কলকাতা]] ফিরে এসে তৎলালীন [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গের]] শিক্ষামন্ত্রী ত্রিগুনা সেনের কাছে অমর্ত্য সেনের জন্য সুপারিশ করেন। ত্রিগুনা সেন তখন জাতীয় কাউন্সিলে [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]] প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছিলেন।
১৯৪১ সালে অমর্ত্য সেন তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন [[সেইন্ট গ্রেগরী উচ্চ বিদ্যালয়]] এ। দেশ ভাগের পরে তারা ভারতে চলে এলে, অমর্ত্য সেন [[বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়]] স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই বছরই তিনি ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজে পড়তে যান। ১৯৫৬ সালে তিনি প্রথম শ্রেণীতে বি.এ (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বছরই তিনি ক্যামব্রিজ মজলিসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ট্রিনিট্রি কলেজে স্নাতকের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই ব্রিটিশ রয়্যাল সোসাইটির ফেলো [[প্রশান্ত চন্দ্র মোহালনবিশ|প্রশান্ত চন্দ্র মহলনাবিশের]] সাথে দেখা করেন। তিনি অমর্ত্য সেনের সাথে মিলিত হয়ে অভিভূত হন এবং পরবর্তীকালে [[কলকাতা]] ফিরে এসে তৎলালীন [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গের]] শিক্ষামন্ত্রী ত্রিগুনা সেনের কাছে অমর্ত্য সেনের জন্য সুপারিশ করেন। ত্রিগুনা সেন তখন জাতীয় কাউন্সিলে [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]] প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছিলেন।


ক্যামব্রিজের টিনিট্রি কলেজে পি.এইচ.ডি ডিগ্রির জন্য ভর্তি হয়ে দুই বছরের ছুটিতে [[কোলকাতা|কলকাতা]] ফিরলে সাথে সাথে ত্রিগুনা সেন তাকে সদ্য প্রতিষ্ঠিত [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়|যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান হিসেবে নিয়োগ করেন। অমর্ত্য সেনই ছিলেন ভারতের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ (২৩ বছর) অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাকালীন তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং তাত্ত্বিক [[অমিয়কুমার দাশগুপ্ত|অমিয়কুমার দাশগুপ্তকে]] তার অধীক্ষক (সুপারভাইজার) হিসেবে পেয়েছিলেন। পূর্ণ দুই বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করার পর ১৯৫৯ সালে তিনি ট্রিনিট্রি কলেজে তার পি.এইচ.ডি ডিগ্রি শেষ করার জন্য ফিরে যন।
ক্যামব্রিজের টিনিট্রি কলেজে পি.এইচ.ডি ডিগ্রির জন্য ভর্তি হয়ে দুই বছরের ছুটিতে [[কোলকাতা|কলকাতা]] ফিরলে সাথে সাথে ত্রিগুনা সেন তাকে সদ্য প্রতিষ্ঠিত [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়|যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান হিসেবে নিয়োগ করেন। অমর্ত্য সেনই ছিলেন ভারতের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ (২৩ বছর) অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাকালীন তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং তাত্ত্বিক এ.কে. দাশগুপ্তকে তার অধীক্ষক (সুপারভাইজার) হিসেবে পেয়েছিলেন। পূর্ণ দুই বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করার পর ১৯৫৯ সালে তিনি ট্রিনিট্রি কলেজে তার পি.এইচ.ডি ডিগ্রি শেষ করার জন্য ফিরে যন।


ট্রিনিট্রিতে ফেরত যাবার পর তিনি সেখানে ফেলোশিপ অর্জন করেন যা তাঁঁকে পরবর্তী চার বছর তার ইচ্ছামত যে কোন কাজ করার সুযোগ এনে দেয়। তিনি দর্শনশাস্ত্রে অধ্যয়ন করার সিদ্ধান্ত নেন। দর্শনশাস্ত্রের জ্ঞান তাকে পরবর্তীকালে তার গবেষণা কাজে অনেক সাহায্য করে। তার মতে
ট্রিনিট্রিতে ফেরত যাবার পর তিনি সেখানে ফেলোশিপ অর্জন করেন যা তাঁঁকে পরবর্তী চার বছর তার ইচ্ছামত যে কোন কাজ করার সুযোগ এনে দেয়। তিনি দর্শনশাস্ত্রে অধ্যয়ন করার সিদ্ধান্ত নেন। দর্শনশাস্ত্রের জ্ঞান তাকে পরবর্তীকালে তার গবেষণা কাজে অনেক সাহায্য করে। তার মতে
৩৬ নং লাইন: ৩৫ নং লাইন:
যদিও দর্শনের প্রতি তার এই আগ্রহ অনেক আগেই তার কলেজ জীবন থেকে শুরু হয়েছিল। প্রেসিডেন্সি কলেজে তিনি নিয়মিত দর্শন চর্চা এবং এর উপর বিতর্কে অংশগ্রহণ করতেন।
যদিও দর্শনের প্রতি তার এই আগ্রহ অনেক আগেই তার কলেজ জীবন থেকে শুরু হয়েছিল। প্রেসিডেন্সি কলেজে তিনি নিয়মিত দর্শন চর্চা এবং এর উপর বিতর্কে অংশগ্রহণ করতেন।


অমর্ত্য সেনের জন্য কেমব্রিজ একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। সেখানে কেইনসিয়ান অর্থনীতির পক্ষাবলম্বী ও কেইনসের অবদান সমর্থনকারীদের সাথে নিও-ক্লাসিক্যাল ও কেইনসের বিরোধীদের সাথে বিতর্ক লেগেই থাকত। সৌভাগ্যবশত অমর্ত্য সেনের সাথে দুই পক্ষের সম্পর্কই ভালো ছিল এবং ট্রিনিট্রি কলেজে সহনশীল এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকত। বি.এ শেষ করার পর পি.এইচ.ডি গবেষণার জন্য অমর্ত্য সেনকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি বিষয়ের চয়ন করতে হয়। তিনি জন রবিনসনের অধীনে অর্থনীতির বিকল্প কৌশলের উপর তার গবেষণাপত্র দাখিল করেন।<ref name="noblprize autobio">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economics/laureates/1998/sen-autobio.html | শিরোনাম=Amartya Sen – Autobiography | প্রকাশক=[[The Nobel Foundation]] | বছর=1998 | সংগ্রহের-তারিখ=February 27, 2012 | লেখক=Sen, Amartya | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20111229064139/http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economics/laureates/1998/sen-autobio.html | আর্কাইভের-তারিখ=ডিসেম্বর ২৯, ২০১১ | অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> জন রবিনসন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী কিন্তু কিছুটা অসহনশীল এবং নব্য-কেইনসিয়ান ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। কুয়েন্টিন স্কিনারের মতে অমর্ত্য সেন কেমব্রিজ অ্যাপোস্টলস নামক একটি গোপন সংঘের সদস্য ছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=YouTube – Interview of Professor Quentin Skinner – part 2 |ইউআরএল=http://www.youtube.com/watch?v=tVdAhzqFLps |সংগ্রহের-তারিখ=২৪ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130616190805/http://www.youtube.com/watch?v=tVdAhzqFLps |আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুন ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>
অমর্ত্য সেনের জন্য কেমব্রিজ একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। সেখানে কেইনসিয়ান অর্থনীতির পক্ষাবলম্বী ও কেইনসের অবদান সমর্থনকারীদের সাথে নিও-ক্লাসিক্যাল ও কেইনসের বিরোধীদের সাথে বিতর্ক লেগেই থাকত। সৌভাগ্যবশত অমর্ত্য সেনের সাথে দুই পক্ষের সম্পর্কই ভালো ছিল এবং ট্রিনিট্রি কলেজে সহনশীল এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকত। বি.এ শেষ করার পর পি.এইচ.ডি গবেষণার জন্য অমর্ত্য সেনকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি বিষয়ের চয়ন করতে হয়। তিনি জন রবিনসনের অধীনে অর্থনীতির বিকল্প কৌশলের উপর তার গবেষণাপত্র দাখিল করেন।<ref name="noblprize autobio">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economics/laureates/1998/sen-autobio.html | শিরোনাম=Amartya Sen – Autobiography | প্রকাশক=[[The Nobel Foundation]] | বছর=1998 | সংগ্রহের-তারিখ=ফেব্রুয়ারি 27, 2012 | লেখক=Sen, Amartya | আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20111229064139/http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economics/laureates/1998/sen-autobio.html | আর্কাইভের-তারিখ=ডিসেম্বর ২৯, ২০১১ | অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> জন রবিনসন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী কিন্তু কিছুটা অসহনশীল এবং নব্য-কেইনসিয়ান ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। কুয়েন্টিন স্কিনারের মতে অমর্ত্য সেন কেমব্রিজ অ্যাপোস্টলস নামক একটি গোপন সংঘের সদস্য ছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=YouTube – Interview of Professor Quentin Skinner – part 2 |ইউআরএল=http://www.youtube.com/watch?v=tVdAhzqFLps |সংগ্রহের-তারিখ=২৪ জুলাই ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130616190805/http://www.youtube.com/watch?v=tVdAhzqFLps |আর্কাইভের-তারিখ=১৬ জুন ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>


== শিক্ষকতা ==
== শিক্ষকতা ==
অমর্ত্য সেন মাত্র ২৩ বছর বয়সে [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]] এর অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৬০-৬১ সালে [[ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি]], [[স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]], [[কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়]], [[ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট বার্কলে]]তে ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। বর্তমানে [[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়|হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ল্যামন্ট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। ১৯৭২ সালে তিনি [[লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স]] এ অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়]] ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি [[অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়|অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে]] শিক্ষকতা করেছেন। অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
অমর্ত্য সেন মাত্র ২৩ বছর বয়সে [[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়]] এর অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৬০-৬১ সালে [[ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি]], [[স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়]], [[কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়]], [[ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট বার্কলে]]তে ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। বর্তমানে [[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়|হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ল্যামন্ট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। ১৯৭২ সালে তিনি [[লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স]] এ অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। [[ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়]] ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি [[অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়|অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে]] শিক্ষকতা করেছেন। অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।


==রাজনৈতিক আদর্শ==
==রাজনৈতিক আদর্শ==
১৯৫২-৫৩ সালে কলেজ ইউনিয়নে বামপন্থী ধারায় আকৃষ্ট ছিলেন বলে স্বীকার করেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Amartya Sen Student-Life |ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/amartya-sen-recalls-his-days-as-student-and-inclination-towards-economics-1.1032932 |সংগ্রহের-তারিখ=১০ নভেম্বর ২০১৯ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20191014091931/https://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/amartya-sen-recalls-his-days-as-student-and-inclination-towards-economics-1.1032932 |আর্কাইভের-তারিখ=১৪ অক্টোবর ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>
১৯৫২-৫৩ সালে কলেজ ইউনিয়নে বামপন্থী ধারায় আকৃষ্ট ছিলেন বলে স্বীকার করেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Amartya Sen Student-Life |ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/amartya-sen-recalls-his-days-as-student-and-inclination-towards-economics-1.1032932 |সংগ্রহের-তারিখ=১০ নভেম্বর ২০১৯ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/২০১৯1014091931/https://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/amartya-sen-recalls-his-days-as-student-and-inclination-towards-economics-1.1032932 |আর্কাইভের-তারিখ=১৪ অক্টোবর ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>


== সম্মাননা ==
== সম্মাননা ==
৪৯ নং লাইন: ৪৮ নং লাইন:
* ১৯৮১; তিনি [[আমেরিকান একাডেমী অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস]] -এর একজন বিদেশী সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হন।<ref name=AAAS>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Book of Members, 1780-2010: Chapter A|ইউআরএল=http://www.amacad.org/publications/BookofMembers/ChapterA.pdf|প্রকাশক=American Academy of Arts and Sciences|সংগ্রহের-তারিখ=6 April 2011|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110510021801/http://www.amacad.org/publications/BookofMembers/ChapterA.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=১০ মে ২০১১|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
* ১৯৮১; তিনি [[আমেরিকান একাডেমী অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস]] -এর একজন বিদেশী সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হন।<ref name=AAAS>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Book of Members, 1780-2010: Chapter A|ইউআরএল=http://www.amacad.org/publications/BookofMembers/ChapterA.pdf|প্রকাশক=American Academy of Arts and Sciences|সংগ্রহের-তারিখ=6 April 2011|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110510021801/http://www.amacad.org/publications/BookofMembers/ChapterA.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=১০ মে ২০১১|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
* ১৯৮২: [[ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল স্টাডিজ]] দ্বারা তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
* ১৯৮২: [[ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল স্টাডিজ]] দ্বারা তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
* ১৯৯৮: [[অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] পান।
* ১৯৯৮: [[নোবেল পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার]] পান।
* ১৯৯৯: [[ভারতীয় রাষ্ট্রপতি]] দ্বারা তিনি [[ভারত রত্ন]] 'ভারতে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার' প্রদান করা হয়।
* ১৯৯৯: [[ভারতীয় রাষ্ট্রপতি]] দ্বারা তিনি [[ভারত রত্ন]] 'ভারতে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার' প্রদান করা হয়।
* ১৯৯৯: [[বাংলাদেশ]] এর সম্মানসূচক নাগরিকত্ব।
* ১৯৯৯: [[বাংলাদেশ]] এর সম্মানসূচক নাগরিকত্ব।
৮৯ নং লাইন: ৮৮ নং লাইন:
{{১৯৯৮ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী}}
{{১৯৯৮ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী}}
{{অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী ১৯৭৬-২০০০}}
{{অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী ১৯৭৬-২০০০}}
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}


{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:অমর্ত্য সেন}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
১০৬ নং লাইন: ১০৪ নং লাইন:
[[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের শিক্ষক]]