অরুণাচল কমলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>Yahya অসম্পাদনা সারাংশ নেই |
অ Text replacement - "March" to "মার্চ" |
||
| ১৪ নং লাইন: | ১৪ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''অরুণাচল কমলা''' বা '''ওয়াক্ৰো কমলা''' হচ্ছে [[ভারত]]ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের [[অরুণাচল প্রদেশ]]ে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হওয়া একধরনের [[কমলালেবু]]। ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ ভারত সরকারের [[ভৌগোলিক স্বীকৃতি]] পঞ্জীকরণ কার্যালয়<ref name="GIR">{{cite web | url=http://ipindiaservices.gov.in/GirPublic/Application/Details/375 | title=Arunachal Orange | publisher=Geographical Indication Registry | date= | '''অরুণাচল কমলা''' বা '''ওয়াক্ৰো কমলা''' হচ্ছে [[ভারত]]ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের [[অরুণাচল প্রদেশ]]ে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হওয়া একধরনের [[কমলালেবু]]। ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ ভারত সরকারের [[ভৌগোলিক স্বীকৃতি]] পঞ্জীকরণ কার্যালয়<ref name="GIR">{{cite web | url=http://ipindiaservices.gov.in/GirPublic/Application/Details/375 | title=Arunachal Orange | publisher=Geographical Indication Registry | date=মার্চ 23, 2015 | accessdate=April 11, 2020 }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=আগস্ট ২০২১ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> অরুণাচল কমলাকে ভৌগোলিক স্বীকৃতি প্রদান করে।<ref name="BL">{{cite news | url=https://www.thehindubusinessline.com/economy/agri-business/arunachal-wakro-orange-gets-gi-registration/article7231888.ece# | title=Arunachal Wakro orange gets GI registration | work=Business Line | date=May 21, 2015 | agency=The Hindu | accessdate=April 11, 2020}}</ref> উত্তর-পূর্ব ক্ষেত্রীয় কৃষি বিপণন নিগম লিমিটেড ভৌগোলিক স্বীকৃতি পঞ্জীকরণের কাছে দাখিল করা প্রতিবেদন অনুসারে এই কমলাটির বিশেষত্ব হচ্ছে এর টক-মিষ্টি স্বাদ ও রসের প্রাচুর্য। অরুণাচল প্রদেশের মোট টকজাতীয় ফল উৎপাদনের ৯০%-ই হচ্ছে অরুণাচল কমলা।<ref name="GIR" /> | ||
অরুণাচল কমলার গাছসমূহ গুল্মজাতীয় এবং এটি প্রায় ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের গাছে বছরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। এর খোসার ঘনত্ব মাঝারি এবং পাকলে লেবুসমূহের বর্ণ গাঢ় হয়। নভেম্বর থেকে ফেব্ৰুয়ারি মাসের ভিতর ফলসমূহ গাছ থেকে ছিড়ে আনা হয়।<ref name="GIR" /> | অরুণাচল কমলার গাছসমূহ গুল্মজাতীয় এবং এটি প্রায় ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের গাছে বছরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। এর খোসার ঘনত্ব মাঝারি এবং পাকলে লেবুসমূহের বর্ণ গাঢ় হয়। নভেম্বর থেকে ফেব্ৰুয়ারি মাসের ভিতর ফলসমূহ গাছ থেকে ছিড়ে আনা হয়।<ref name="GIR" /> | ||
১৪:০২, ২৩ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
| অরুণাচল কমলা | |
|---|---|
| ভৌগোলিক নির্দেশক | |
| বর্ণনা | টক-মিষ্টি স্বাদের রসাল কমলা |
| ধরন | ফল |
| অঞ্চল | অরুণাচল প্রদেশ |
| দেশ | ভারত |
অরুণাচল কমলা বা ওয়াক্ৰো কমলা হচ্ছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অরুণাচল প্রদেশে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হওয়া একধরনের কমলালেবু। ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ ভারত সরকারের ভৌগোলিক স্বীকৃতি পঞ্জীকরণ কার্যালয়[১] অরুণাচল কমলাকে ভৌগোলিক স্বীকৃতি প্রদান করে।[২] উত্তর-পূর্ব ক্ষেত্রীয় কৃষি বিপণন নিগম লিমিটেড ভৌগোলিক স্বীকৃতি পঞ্জীকরণের কাছে দাখিল করা প্রতিবেদন অনুসারে এই কমলাটির বিশেষত্ব হচ্ছে এর টক-মিষ্টি স্বাদ ও রসের প্রাচুর্য। অরুণাচল প্রদেশের মোট টকজাতীয় ফল উৎপাদনের ৯০%-ই হচ্ছে অরুণাচল কমলা।[১]
অরুণাচল কমলার গাছসমূহ গুল্মজাতীয় এবং এটি প্রায় ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের গাছে বছরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। এর খোসার ঘনত্ব মাঝারি এবং পাকলে লেবুসমূহের বর্ণ গাঢ় হয়। নভেম্বর থেকে ফেব্ৰুয়ারি মাসের ভিতর ফলসমূহ গাছ থেকে ছিড়ে আনা হয়।[১]
বৈশিষ্ট্যসমূহ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
বৃদ্ধি, গঠনমূলক-রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ও স্বাদের দিক থেকে অরুণাচল কমলা অন্য কমলা লেবুসমূহ থেকে ভিন্ন হয়। এর বিশেষত্বসমূহ এমনধরণের[১]:-
- অরুণাচল কমলার খোসা অন্য কমলালেবুর মতো শক্ত নয় বলে ছাড়ানো সহজ।
- নাগপুরের কমলাকে ধরে অন্যান্য কমলালৈবু থেকেও আয়তন অনুসারে এর রসের পরিমাণ অধিক।
- মোট দ্রবীভূত উপাদান বা টিএসএসের পর্যাপ্ত পরিমাণ ও ন্যুনতম এসিডিটি একে অনন্য স্বাদযুক্ত করে তোলে।
- এই কমলালেবুসমূহ সম্পূর্ণ জৈবিক পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হয় এবং এতে কোনো রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা হয় না।
গঠনমূলক-রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
| ভিত্তি/উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| গড় ওজন (গ্রাম) | ১৪২ |
| গড় আকার (মিঃমিঃ) | ৬৫ |
| একটা ফলে থসকা রসের গড় পরিমাণ (গ্রাম) | ৬৪.৪৯ |
| একটা ফলের ওজনের অনুপাতে (w/w) রসের পরিমাণ (%) | ৪৬.৫৩ |
| খোসার ঘনত্ব (মিঃমিঃ) | ২.৪১ |
| মোট দ্রবীভূত উপাদানের পরিমাণ (টিএসএস) (%) (w/w) | ১০.৭ |
| এসিডিটি (এনহাইড্ৰেস সাইট্ৰিক এসিডের রূপে) (%) (w/w) | ০.১৮ |
| এস্কর্বিক এসিড (মিঃগ্ৰাঃ/১০০ মিঃলিঃ রস) |
২৫ |
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ "Arunachal Orange"। Geographical Indication Registry। মার্চ ২৩, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১১, ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "Arunachal Wakro orange gets GI registration"। Business Line। The Hindu। মে ২১, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১১, ২০২০।