আজিজ আহমেদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>আফতাব বট অ বানান ও অন্যান্য সংশোধন |
অ Text replacement - "June" to "জুন" |
||
| ১১০ নং লাইন: | ১১০ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''আজিজ আহমেদ''', ({{lang-ur|{{Nastaliq|عزیز احمد}}}}; জন্মঃ ২৪ জুন ১৯০৬ – মৃত্যু ১৯৮২), পাকিস্তানের একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ১২ তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ''কোল্ড ওয়ার সার্ভিং ইন দ্যা ক্যাপাসিটি'' একজন কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেন। তৎকালীন সময়ে আহমদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত হিসাবেও কাজ করেন (১৯৫৯–৬৩) এবং পরিশেষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি [[আইয়ুব খান]] কর্তৃক পররাষ্ট্র সচিব হিসাবে (১৯৬০–৬৭) নিযুক্ত হন।<ref name="NYT">[https://www.nytimes.com/1972/04/27/archives/aziz-ahmed.html Profile of Aziz Ahmed on New York Times newspaper], Published 27 April 1972, Retrieved 28 | '''আজিজ আহমেদ''', ({{lang-ur|{{Nastaliq|عزیز احمد}}}}; জন্মঃ ২৪ জুন ১৯০৬ – মৃত্যু ১৯৮২), পাকিস্তানের একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ১২ তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ''কোল্ড ওয়ার সার্ভিং ইন দ্যা ক্যাপাসিটি'' একজন কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেন। তৎকালীন সময়ে আহমদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত হিসাবেও কাজ করেন (১৯৫৯–৬৩) এবং পরিশেষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি [[আইয়ুব খান]] কর্তৃক পররাষ্ট্র সচিব হিসাবে (১৯৬০–৬৭) নিযুক্ত হন।<ref name="NYT">[https://www.nytimes.com/1972/04/27/archives/aziz-ahmed.html Profile of Aziz Ahmed on New York Times newspaper], Published 27 April 1972, Retrieved 28 জুন 2017</ref><ref name="Dawn">[https://www.dawn.com/news/1205473 Aziz Ahmed as Pakistan's Ambassador to the U.S.], Dawn newspaper, Updated 8 September 2015, Retrieved 28 জুন 2017</ref> | ||
প্রাথমিকভাবে তিনি প্রাদেশিক মন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর পর পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইয়ুব খান কর্তৃক স্বাক্ষরিত [[তাশখন্দ চুক্তি|তাশখন্দ চুক্তির]] বিরোধিতায় করার কারণে তিনি অবসর গ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৫ সালে ভারতের সাথে যুদ্ধবিরতির আয়োজনে সহযোগীতা করেন। ১৯৭০ সালের [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১|পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন]] পরবর্তী সময় ও ১৯৭১ সালে [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১|ভারত সাথে]] যুদ্ধ শুরু হলে এবং ১৯৭৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সমালোচনার পর রাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ জিয়া-উল-হক কর্তৃক অবসর না নেওয়া পর্যন্ত আহমদকে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। বৈদেশিক কূটনৈতিক সেবা থেকে অবসর গ্রহণের পরে আহমেদ ইসলামাবাদে সাদামাঠাভাবে জীবনযাপন করেছেন এবং ১৯৮২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। | প্রাথমিকভাবে তিনি প্রাদেশিক মন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর পর পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইয়ুব খান কর্তৃক স্বাক্ষরিত [[তাশখন্দ চুক্তি|তাশখন্দ চুক্তির]] বিরোধিতায় করার কারণে তিনি অবসর গ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৫ সালে ভারতের সাথে যুদ্ধবিরতির আয়োজনে সহযোগীতা করেন। ১৯৭০ সালের [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১|পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন]] পরবর্তী সময় ও ১৯৭১ সালে [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১|ভারত সাথে]] যুদ্ধ শুরু হলে এবং ১৯৭৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সমালোচনার পর রাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ জিয়া-উল-হক কর্তৃক অবসর না নেওয়া পর্যন্ত আহমদকে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। বৈদেশিক কূটনৈতিক সেবা থেকে অবসর গ্রহণের পরে আহমেদ ইসলামাবাদে সাদামাঠাভাবে জীবনযাপন করেছেন এবং ১৯৮২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। | ||
২১:৪৯, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
আজিজ আহমেদ | |
|---|---|
| থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে আজিজ আহমেদ (পিছনে, উপর ঝুঁকে আছেন) ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারী আইয়ুব খান তাশখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা দেখছেন। | |
| ১২তম পররাষ্ট্র মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ৩০ মার্চ ১৯৭৭ – ৫ জুলাই ১৯৭৭ | |
| রাষ্ট্রপতি | ফজল ইলাহি চৌধুরী |
| প্রধানমন্ত্রী | জুলফিকার আলী ভুট্টো |
| পূর্বসূরী | জুলফিকার আলী ভুট্টো |
| উত্তরসূরী | আঘা শাহী |
| ১ম পররাষ্ট্র বিষয়ক রাজ্য মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ – ২৮ মার্চ ১৯৭৭ | |
| রাষ্ট্রপতি | ফজল ইলাহি চৌধুরী |
| প্রধানমন্ত্রী | জুলফিকার আলী ভুট্টো |
| পূর্বসূরী | অফিস নির্মাণ |
| উত্তরসূরী | জাইন নুরানি |
| ৮ম পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব | |
| কাজের মেয়াদ ২৬ জুলাই ১৯৬৩ – ২৩ জুন ১৯৬৬ | |
| রাষ্ট্রপতি | প্রধান সেনাপতি আইয়ুব খান |
| পূর্বসূরী | শেকার কান্দিয়ান দেভলভি |
| উত্তরসূরী | এয়ার মার্শাল এস এম ইউসুফ |
| ৫ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তান রাষ্ট্রদূত | |
| কাজের মেয়াদ ২৩ মার্চ ১৯৫৯ – ২৬ জুলাই ১৯৬৩ | |
| রাষ্ট্রপতি | এফএম আইয়ুব খান |
| পূর্বসূরী | মুহাম্মদ আলী বগুড়া |
| উত্তরসূরী | গোলাম আহমেদ |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | আজিজ আহমেদ ২৪ জুন ১৯০৬[১] অমৃতসর, পাঞ্জাব প্রদেশ (ব্রিটিশ ভারত) |
| মৃত্যু | ১৯৮২ ইসলামাবাদ, পাকিস্তান |
| সমাধিস্থল | সলামাবাদ রাজধানী কবরস্থান |
| নাগরিকত্ব | British Subject (১৯০৬–১৯৪৭) পাকিস্তান (1947–1982) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | Government College, Lahore University of Cambridge |
| মন্ত্রীসভা | Zulfikar Ali Bhutto Government |
আজিজ আহমেদ, (উর্দু: عزیز احمد; জন্মঃ ২৪ জুন ১৯০৬ – মৃত্যু ১৯৮২), পাকিস্তানের একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ১২ তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোল্ড ওয়ার সার্ভিং ইন দ্যা ক্যাপাসিটি একজন কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেন। তৎকালীন সময়ে আহমদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত হিসাবেও কাজ করেন (১৯৫৯–৬৩) এবং পরিশেষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান কর্তৃক পররাষ্ট্র সচিব হিসাবে (১৯৬০–৬৭) নিযুক্ত হন।[১][২]
প্রাথমিকভাবে তিনি প্রাদেশিক মন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর পর পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইয়ুব খান কর্তৃক স্বাক্ষরিত তাশখন্দ চুক্তির বিরোধিতায় করার কারণে তিনি অবসর গ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৫ সালে ভারতের সাথে যুদ্ধবিরতির আয়োজনে সহযোগীতা করেন। ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন পরবর্তী সময় ও ১৯৭১ সালে ভারত সাথে যুদ্ধ শুরু হলে এবং ১৯৭৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সমালোচনার পর রাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ জিয়া-উল-হক কর্তৃক অবসর না নেওয়া পর্যন্ত আহমদকে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। বৈদেশিক কূটনৈতিক সেবা থেকে অবসর গ্রহণের পরে আহমেদ ইসলামাবাদে সাদামাঠাভাবে জীবনযাপন করেছেন এবং ১৯৮২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা
আজিজ আহমেদ ১৯০৬ সালের ২৪ জুন তারিখে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যের অমৃতসরের তরণ জেলার একটি আরাইন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তিনি অমৃতসরে প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে লেখাপড়া শেষ করার জন্য লাহোরে স্থানান্তরিত হন। যদিও অধ্যয়ন শেষ হলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯২৪ সালে সেখানে তিনি একটি সরকারি কলেজে যোগদান করেন এবং ১৯২৮ সালে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তারপর তিনি উচ্চতর শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য চলে আসেন এবং যেখানে বৃত্তির প্রস্তাব পান। এরপর তিনি ব্রিটিশ সরকার পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার সর্বশেষ ডিগ্রী মাস্টার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সম্পন্ন করেন।
সরকারি কর্মচারী হিসাবে পেশা
আজিজ আহমেদ ছিলেন ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের (আইসিএস) এর একজন সিনিয়র সদস্য এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস (সিএসপি) হন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পূর্বে আহমেদ পুর্ব বাংলায় চাকরি করেন এবং ১৯৩৮ সালের ঋণ সংশোধনের আইনটি বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন।
মৃত্যু এবং উত্তরাধিকার
১৯৮২ সালের অক্টোবরে আজিজ আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে পাকিস্তানের করাচিতে সমাহিত করা হয়। তিনি পাকিস্তানের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হিলাল-ই-পাকিস্তান লাভ করেছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তার একমাত্র স্ত্রী শিরিন আহমেদ, দুই পুত্র সন্তান এবং দুই কন্যা রেখে যান।[১]
আরো দেখুন
তথ্যসূত্র
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ Profile of Aziz Ahmed on New York Times newspaper, Published 27 April 1972, Retrieved 28 জুন 2017
- ↑ Aziz Ahmed as Pakistan's Ambassador to the U.S., Dawn newspaper, Updated 8 September 2015, Retrieved 28 জুন 2017
| কূটনৈতিক পদবী | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী Muhammad Ali Bogra |
Pakistan Ambassador to the United States 1959–1963 |
উত্তরসূরী Ghulam Ahmed |
| রাজনৈতিক দপ্তর | ||
| পূর্বসূরী S.K. Dehlavi |
Foreign Secretary of Pakistan 1963–1966 |
উত্তরসূরী S.M. Yusuf |
| পূর্বসূরী none |
Minister of State for Foreign Affairs 1973–1977 |
উত্তরসূরী Zain Noorani |
| পূর্বসূরী Zulfikar Ali Bhutto |
Foreign Minister of Pakistan 1977 |
উত্তরসূরী Agha Shahi |
লুয়া ত্রুটি মডিউল:কর্তৃপক্ষ_নিয়ন এর 348 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- স্ক্রিপ্ট ত্রুটিসহ পাতা
- বাংলা-নয় ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
- ১৯০৬-এ জন্ম
- ১৯৮২-এ মৃত্যু
- লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা
- পাকিস্তানি আমলাতন্ত্র
- পাকিস্তানি কূটনীতিবিদ
- পাকিস্তানি সরকারি কর্মচারী
- পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত