কায়কোবাদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রবি (আলোচনা | অবদান)
রবি (আলোচনা | অবদান)
২৩ নং লাইন: ২৩ নং লাইন:
[[চিত্র:Photo_of_Asru-Mala_by_poet_Kaykobaad.jpg|থাম্ব|কবি কায়কোবাদের “অশ্রুমালা” কাব্যের নামপাতা, ১৩৫৬ বঙ্গাব্দ (প্রথম প্রকাশ ১৮৯৬)]]
[[চিত্র:Photo_of_Asru-Mala_by_poet_Kaykobaad.jpg|থাম্ব|কবি কায়কোবাদের “অশ্রুমালা” কাব্যের নামপাতা, ১৩৫৬ বঙ্গাব্দ (প্রথম প্রকাশ ১৮৯৬)]]


*বিরহ বিলাপ (১৮৭০) (এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ)<ref name="ReferenceB">[http://www.dhakatimes24.com/?view=details&data=Tax&news_type_id=1&menu_id=16&news_id=38837]</ref>
*বিরহ বিলাপ (১৮৭০) (এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ)
*''কুসুম কানন'' (১৮৭৩)
*''কুসুম কানন'' (১৮৭৩)
*''অশ্রুমালা'' (১৮৯৬);
*''অশ্রুমালা'' (১৮৯৬);
৩০ নং লাইন: ৩০ নং লাইন:
*''অমিয় ধারা'' (১৯২৩),
*''অমিয় ধারা'' (১৯২৩),
*''শ্মশানভষ্ম'' (১৯২৪)
*''শ্মশানভষ্ম'' (১৯২৪)
*''মহররম শরীফ'' (১৯৩৩), ‘মহররম শরীফ' কবির মহাকাব্যোচিত বিপুল আয়তনের একটি কাহিনী কাব্য।<ref name="dhakatimes24.com">[http://www.dhakatimes24.com/?view=details&data=Tax&news_type_id=1&menu_id=16&news_id=38837#sthash.iiXTvj12.dpuf]</ref>
*''মহররম শরীফ'' (১৯৩৩), ‘মহররম শরীফ' কবির মহাকাব্যোচিত বিপুল আয়তনের একটি কাহিনী কাব্য।
*''শ্মশান ভসন'' (১৯৩৮)<ref name="ReferenceB" />।
*''শ্মশান ভসন'' (১৯৩৮)<ref name="ReferenceB" />।
*''প্রেমের  বাণী'' (১৯৭০)
*''প্রেমের  বাণী'' (১৯৭০)
*''প্রেম পারিজাত'' (১৯৭০)<ref>একুশের স্মারকগ্রন্থ ১৯৯৯ - কায়কোবাদের আখ্যানকাব্য - ২৪৮ পৃ:- পৃথ্বীলা নাজনীন</ref>
*''প্রেম পারিজাত'' (১৯৭০)<ref>একুশের স্মারকগ্রন্থ ১৯৯৯ - কায়কোবাদের আখ্যানকাব্য - ২৪৮ পৃ:- পৃথ্বীলা নাজনীন</ref>
*


===মহাশ্মশান===
===মহাশ্মশান===
মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এই মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ,দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ, এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় নয়শ' পৃষ্ঠার এই কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো ক'বছর দেরি হয়েছিল। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী,ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ,এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এই কাব্যে।
মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এই মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ,দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ, এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় নয়শ' পৃষ্ঠার এই কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো ক'বছর দেরি হয়েছিল। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী,ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ,এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এই কাব্যে।


“... সেদিন কায়কোবাদ এক নির্জিত সমাজের প্রতিনিধি-প্রতিভূ কিংবা মুখপাত্র হিসেবে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ...তাঁর স্বসমাজের লোক পেয়েছিল প্রাণের প্রেরণা ও পথের দিশা। এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছিলেন বলেই আমরা এই মুহূর্তেও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি মহাশ্মশানের কবিকে।” <ref>আহমেদ শরীফ রচনাবলী ২য় খণ্ড - কালিক ভাবনা - মহাকবি কায়কোবাদ ৩৯৩ পৃ:</ref>
“... সেদিন কায়কোবাদ এক নির্জিত সমাজের প্রতিনিধি-প্রতিভূ কিংবা মুখপাত্র হিসেবে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ...তাঁর স্বসমাজের লোক পেয়েছিল প্রাণের প্রেরণা ও পথের দিশা। এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছিলেন বলেই আমরা এই মুহূর্তেও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি মহাশ্মশানের কবিকে।”<ref>আহমেদ শরীফ রচনাবলী ২য় খণ্ড - কালিক ভাবনা - মহাকবি কায়কোবাদ ৩৯৩ পৃ:</ref>


==পুরস্কার ও সম্মাননা==
==পুরস্কার ও সম্মাননা==