আজারবাইজান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অ Text replacement - "February" to "ফেব্রুয়ারি" |
অ Text replacement - "June" to "জুন" |
||
| ৪ নং লাইন: | ৪ নং লাইন: | ||
'''আজারবাইজান''' ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে তার স্বাধীনতা ঘোষণা করে; ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ এ, আজারবাইজানের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করে বাংলাদেশ। এতে ওইদেশের সার্থে সম্পর্ককারী হিসেবে বাংলাদেশ ১৩ তম দেশ হিসাবে পরিচিত হয়েছিল। | '''আজারবাইজান''' ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে তার স্বাধীনতা ঘোষণা করে; ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ এ, আজারবাইজানের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করে বাংলাদেশ। এতে ওইদেশের সার্থে সম্পর্ককারী হিসেবে বাংলাদেশ ১৩ তম দেশ হিসাবে পরিচিত হয়েছিল। | ||
২০১৩ সালে, বাংলাদেশের নাগরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী [[ফারুক খান|মুহাম্মদ ফারুক খান]] আন্তঃসংস্কৃতিক সংলাপের দ্বিতীয় বিশ্ব ফোরামে অংশ নিতে বাকুরে রাষ্ট্রীয় একটি সফর করেছিলেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mfa.gov.az/files/file/Azerbaijan_-_Bangladesh_relations___21.07.2014.pdf|শিরোনাম=Azerbaijan – Bangladesh relations|তারিখ=21 July 2014|প্রকাশক=Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Azerbaijan|সংগ্রহের-তারিখ=28 | ২০১৩ সালে, বাংলাদেশের নাগরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী [[ফারুক খান|মুহাম্মদ ফারুক খান]] আন্তঃসংস্কৃতিক সংলাপের দ্বিতীয় বিশ্ব ফোরামে অংশ নিতে বাকুরে রাষ্ট্রীয় একটি সফর করেছিলেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mfa.gov.az/files/file/Azerbaijan_-_Bangladesh_relations___21.07.2014.pdf|শিরোনাম=Azerbaijan – Bangladesh relations|তারিখ=21 July 2014|প্রকাশক=Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Azerbaijan|সংগ্রহের-তারিখ=28 জুন 2015}}</ref> বাংলাদেশের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী [[দীপু মনি]] ২০১৩ সালে [[বাকু|বকুর]] একটি সরকারি সফরে [[বাকু|এসেছিলেন]] । দীপু মনি আজারবাইজানীয় রাষ্ট্রপতি [[ইলহাম আলিয়েভ|ইলহাম আলিয়েভের]] সাথে একটি সরকারি বৈঠক করেছিলেন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী [[শাহিন মোস্তফায়েভ]] এবং মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য অভিবাসন [[ফিরুদিন নবীয়েভ|সেবামন্ত্রী ফিরুদিন নবীয়েভের সাথে বৈঠকও করেছেন]] । দীপু মনির বাকু সফরকে আজারবাইজান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে "টার্নিং পয়েন্ট" হিসাবে অভিহিত করা হয়েছিল। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bdnews24.com/bangladesh/2013/06/10/azerbaijan-asked-to-open-dhaka-mission|শিরোনাম=Azerbaijan asked to open Dhaka mission|তারিখ=10 জুন 2013|কর্ম=bdnews24.com|সংগ্রহের-তারিখ=29 জুন 2015}}</ref> ভারতে আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম হাজীয়েভও বাংলাদেশে স্বীকৃত। <ref name="presents2">{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=8 ফেব্রুয়ারি 2013|title=Azerbaijan's ambassador presents credentials to President of Bangladesh|url=http://azertag.az/en/xeber/Azerbaijans_ambassador_presents_credentials_to_President_of_Bangladesh-230005|access-date=30 জুন 2015}}</ref> তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকীকে আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=23 April 2015|title=Allama Siddiki appointed new ambassador to Turkey|url=http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=487580&date=2015-04-23|access-date=30 জুন 2015|archive-url=https://web.archive.org/web/20150702151101/http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=487580&date=2015-04-23|archive-date=2 July 2015}}</ref> | ||
== নাগরনো-কারাবাখ বিরোধ == | == নাগরনো-কারাবাখ বিরোধ == | ||
নাগরনো-কারাবাখ বিবাদের বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজারবাইজানকে সমর্থন করেছিল । <ref name="FI2">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thefinancialexpress-bd.com/old/index.php?ref=MjBfMDZfMTFfMTNfMV8xOTBfMTcyNTQ4|শিরোনাম=Dhaka, Baku to expand bilateral cooperation|তারিখ=11 | নাগরনো-কারাবাখ বিবাদের বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজারবাইজানকে সমর্থন করেছিল । <ref name="FI2">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thefinancialexpress-bd.com/old/index.php?ref=MjBfMDZfMTFfMTNfMV8xOTBfMTcyNTQ4|শিরোনাম=Dhaka, Baku to expand bilateral cooperation|তারিখ=11 জুন 2013|কর্ম=The Financial Express|সংগ্রহের-তারিখ=29 জুন 2015}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mofa.gov.bd/PressRelease/PrintPRDetails.php?txtUserId=&PRid=681|শিরোনাম=Bangladesh-Azerbaijan agree to expand bilateral cooperation|তারিখ=10 জুন 2013|ওয়েবসাইট=mofa.gov.bd|প্রকাশক=People's Republic of Bangladesh Ministry of Foreign Affairs|সংগ্রহের-তারিখ=1 July 2015}}{{অকার্যকর সংযোগ}}</ref> [[খোজালি গণহত্যা]] ইস্যুতে আজারবাইজানের অবস্থানকে সমর্থন করে বাংলাদেশ। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=11 জুন 2013|title=Azerbaijan, Bangladesh mull migration cooperation|url=http://azertag.az/en/xeber/Azerbaijan_Bangladesh_mull_migration_cooperation-233923|access-date=1 July 2015}}</ref> | ||
== পারস্পারিক সহযোগিতা == | == পারস্পারিক সহযোগিতা == | ||
২০১৩ সালে, আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ তাদের বিদেশী সেবা একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=11 | ২০১৩ সালে, আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ তাদের বিদেশী সেবা একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=11 জুন 2013|title=Azerbaijan keen to intensify economic cooperation with Bangladesh|url=http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=337354&date=2013-06-11|access-date=1 July 2015|archive-url=https://web.archive.org/web/20150702151537/http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=337354&date=2013-06-11|archive-date=2 July 2015}}</ref> ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে মনোনয়নের বিষয়ে আজারবাইজান বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল <ref name="presents2"/> উভয় দেশই এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের উদ্যোগের সদস্য। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thehindu.com/todays-paper/tp-national/india-is-the-second-largest-shareholder/article7368409.ece|শিরোনাম=India is the second largest shareholder|শেষাংশ=Aneja|প্রথমাংশ=Atul|কর্ম=The Hindu|সংগ্রহের-তারিখ=30 জুন 2015}}</ref> | ||
== প্রযুক্তিগত সহায়তা == | == প্রযুক্তিগত সহায়তা == | ||
| ১৬ নং লাইন: | ১৬ নং লাইন: | ||
== অর্থনৈতিক সম্পর্ক == | == অর্থনৈতিক সম্পর্ক == | ||
আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আজারবাইজান বাংলাদেশি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী। আজারবাইজান অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রচেষ্টার সমর্থনে বাংলাদেশ থেকে শ্রম আমদানিতে আগ্রহী। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=3 December 2011|title=Azerbaijan keen to take Bangladeshi manpower|url=http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=211985&date=2011-12-03|access-date=29 | আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আজারবাইজান বাংলাদেশি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী। আজারবাইজান অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রচেষ্টার সমর্থনে বাংলাদেশ থেকে শ্রম আমদানিতে আগ্রহী। <ref>{{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি|date=3 December 2011|title=Azerbaijan keen to take Bangladeshi manpower|url=http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=211985&date=2011-12-03|access-date=29 জুন 2015|archive-url=https://web.archive.org/web/20150702160744/http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=211985&date=2011-12-03|archive-date=2 July 2015}}</ref> ২০১৩ সালে দুই দেশ "অব্যবহৃত বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগের সুযোগগুলি অনুসন্ধান করতে" একটি যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জেইসি) গঠনে সম্মত হয়েছে। <ref name="FI2"/> ২০১৪ সালে, আজারবাইজান বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি খসড়া চুক্তি (টিইসি) বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকে প্রেরণ করে। এই চুক্তি "অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কর্মরত সরকারি সংস্থা, পেশাদার সংস্থা, ব্যবসা, ফেডারেশন, চেম্বার, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় সত্ত্বাকে জড়িত তাদের সহযোগিতা বিস্তৃত করতে সহায়তা করবে।" চুক্তিতে "মেলা, ব্যবসায়িক অনুষ্ঠান, সেমিনার, সিম্পোজিয়া এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য উভয় দেশের ব্যক্তি ও উদ্যোগের মধ্যে দর্শন, সভা এবং অন্যান্য মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধি করার আহ্বান জানানো হয়।" <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thefinancialexpress-bd.com/2014/07/12/44661|শিরোনাম=Azerbaijan looks to boost trade ties with B'desh|শেষাংশ=Kashem|প্রথমাংশ=Abul|তারিখ=12 July 2014|কর্ম=The Financial Express|সংগ্রহের-তারিখ=27 জুন 2015}}</ref> | ||
== তথ্যসূত্র == | == তথ্যসূত্র == | ||
১৯:২১, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
আজারবাইজান–বাংলাদেশ সম্পর্ক আজারবাইজান এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বোঝায়। ভারতে আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূতও বাংলাদেশে স্বীকৃত। তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে স্বীকৃত। নাগর্নো-কারাবাখ বিবাদের বিষয়ে জাতিসংঘে আজারবাইজানকে সমর্থন করেছিল বাংলাদেশ। ২০১১ সালে আজারবাইজান আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে মনোনয়নের বিষয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
আজারবাইজান ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে তার স্বাধীনতা ঘোষণা করে; ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ এ, আজারবাইজানের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করে বাংলাদেশ। এতে ওইদেশের সার্থে সম্পর্ককারী হিসেবে বাংলাদেশ ১৩ তম দেশ হিসাবে পরিচিত হয়েছিল।
২০১৩ সালে, বাংলাদেশের নাগরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান আন্তঃসংস্কৃতিক সংলাপের দ্বিতীয় বিশ্ব ফোরামে অংশ নিতে বাকুরে রাষ্ট্রীয় একটি সফর করেছিলেন। [১] বাংলাদেশের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ২০১৩ সালে বকুর একটি সরকারি সফরে এসেছিলেন । দীপু মনি আজারবাইজানীয় রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভের সাথে একটি সরকারি বৈঠক করেছিলেন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী শাহিন মোস্তফায়েভ এবং মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য অভিবাসন সেবামন্ত্রী ফিরুদিন নবীয়েভের সাথে বৈঠকও করেছেন । দীপু মনির বাকু সফরকে আজারবাইজান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে "টার্নিং পয়েন্ট" হিসাবে অভিহিত করা হয়েছিল। [২] ভারতে আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম হাজীয়েভও বাংলাদেশে স্বীকৃত। [৩] তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকীকে আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। [৪]
নাগরনো-কারাবাখ বিরোধ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
নাগরনো-কারাবাখ বিবাদের বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজারবাইজানকে সমর্থন করেছিল । [৫][৬] খোজালি গণহত্যা ইস্যুতে আজারবাইজানের অবস্থানকে সমর্থন করে বাংলাদেশ। [৭]
পারস্পারিক সহযোগিতা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
২০১৩ সালে, আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ তাদের বিদেশী সেবা একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে। [৮] ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে মনোনয়নের বিষয়ে আজারবাইজান বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল [৩] উভয় দেশই এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের উদ্যোগের সদস্য। [৯]
প্রযুক্তিগত সহায়তা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
আজারবাইজান তার উন্নত খনি খনন প্রযুক্তি বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। [১০][১১]
অর্থনৈতিক সম্পর্ক[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
আজারবাইজান এবং বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আজারবাইজান বাংলাদেশি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী। আজারবাইজান অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রচেষ্টার সমর্থনে বাংলাদেশ থেকে শ্রম আমদানিতে আগ্রহী। [১২] ২০১৩ সালে দুই দেশ "অব্যবহৃত বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগের সুযোগগুলি অনুসন্ধান করতে" একটি যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জেইসি) গঠনে সম্মত হয়েছে। [৫] ২০১৪ সালে, আজারবাইজান বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি খসড়া চুক্তি (টিইসি) বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকে প্রেরণ করে। এই চুক্তি "অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কর্মরত সরকারি সংস্থা, পেশাদার সংস্থা, ব্যবসা, ফেডারেশন, চেম্বার, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় সত্ত্বাকে জড়িত তাদের সহযোগিতা বিস্তৃত করতে সহায়তা করবে।" চুক্তিতে "মেলা, ব্যবসায়িক অনুষ্ঠান, সেমিনার, সিম্পোজিয়া এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য উভয় দেশের ব্যক্তি ও উদ্যোগের মধ্যে দর্শন, সভা এবং অন্যান্য মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধি করার আহ্বান জানানো হয়।" [১৩]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ "Azerbaijan – Bangladesh relations" (PDF)। Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Azerbaijan। ২১ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৫।
- ↑ "Azerbaijan asked to open Dhaka mission"। bdnews24.com। ১০ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৫।
- ↑ ৩.০ ৩.১ "Azerbaijan's ambassador presents credentials to President of Bangladesh" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৫।
- ↑ "Allama Siddiki appointed new ambassador to Turkey" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ২৩ এপ্রিল ২০১৫। ২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৫।
- ↑ ৫.০ ৫.১ "Dhaka, Baku to expand bilateral cooperation"। The Financial Express। ১১ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৫।
- ↑ "Bangladesh-Azerbaijan agree to expand bilateral cooperation"। mofa.gov.bd। People's Republic of Bangladesh Ministry of Foreign Affairs। ১০ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৫।[অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "Azerbaijan, Bangladesh mull migration cooperation" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ১১ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৫।
- ↑ "Azerbaijan keen to intensify economic cooperation with Bangladesh" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ১১ জুন ২০১৩। ২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৫।
- ↑ Aneja, Atul। "India is the second largest shareholder"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৫।
- ↑ "Azerbaijan keen to transfer mining technology"। Daily Sun। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Azerbaijan keen to transfer mining technology" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ৩১ জানুয়ারি ২০১৩। ২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৫।
- ↑ "Azerbaijan keen to take Bangladeshi manpower" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ৩ ডিসেম্বর ২০১১। ২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৫।
- ↑ Kashem, Abul (১২ জুলাই ২০১৪)। "Azerbaijan looks to boost trade ties with B'desh"। The Financial Express। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৫।