অদিতি পন্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অ Text replacement - "2019" to "২০১৯" |
অ Text replacement - "June" to "জুন" |
||
| ১৬ নং লাইন: | ১৬ নং লাইন: | ||
== আন্টার্কটিকা অভিযান == | == আন্টার্কটিকা অভিযান == | ||
১৯৮১ সালে [[অ্যান্টার্কটিক চুক্তি]]তে ভারতের স্বাক্ষরের মাধ্যমে [[ভারতীয় অ্যান্টার্কটিকা কর্মসূচি]] শুরু হয়েছিল ([[জাতীয় অ্যান্টার্কটিকা ও মহাসাগর গবেষণা কেন্দ্র]]র অধীনে)। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর এবং ১৯৮৪ সালের মার্চ এর মধ্যে অদিতি পৃথিবীর অন্যতম অজানা অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকার একটি অভিযানে গিয়েছিলেন<ref name=":4"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thebetterindia.com/192027/antarctica-india-lab-women-science-research-work-photos/|শিরোনাম=Exclusive: From Physicists to Geologists, Meet 6 Amazing Antarctic Women of India|তারিখ=20 August ২০১৯|ওয়েবসাইট=The Better India|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-12-17}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.nti.org/learn/treaties-and-regimes/antarctic-treaty/|শিরোনাম=Antarctic Treaty {{!}} Treaties & Regimes {{!}} NTI|ওয়েবসাইট=www.nti.org|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-12-17}}</ref>। তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী [[ইন্দিরা গান্ধী]]র উদ্যোগে পরিচালিত একাধিক অভিযানের মধ্যে এটি তৃতীয়। ভূতাত্ত্বিক [[সুদীপ্তা সেনগুপ্ত|সুদীপ্তা সেনগুপ্তে]]<nowiki/>র পাশাপাশি অদিতি পন্ত প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি অ্যান্টার্কটিকায় পা রেখেছিলেন<ref name=":1"/>। তাঁদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল অ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে খাদ্য শৃঙ্খলা পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা<ref name=":3"/>। মারাত্মক ও কঠোর জলবায়ু পরিস্থিতিতে ডঃ অদিতি পন্ত মূল ভূখণ্ডটিকে চার মাস ধরে অধ্যয়ন করেছিলেন এবং অনেক তথ্য দৃষ্টিগোচর করিয়েছিলেন। মিশন চলাকালীন, দলটি [[দক্ষিণ গঙ্গোত্রী]] তৈরি করেছিল, এটি অ্যান্টার্কটিকার প্রথম ভারতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা বেস স্টেশন (দক্ষিণ মেরু থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার দূরে) অবস্থিত<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thebetterindia.com/58743/india-antarctic-mission-dakshin-gangotri-maitri-bharti/|শিরোনাম=Breaking the Ice: The Story of How India's Antarctic Mission Turned Ambition into Action|তারিখ=18 | ১৯৮১ সালে [[অ্যান্টার্কটিক চুক্তি]]তে ভারতের স্বাক্ষরের মাধ্যমে [[ভারতীয় অ্যান্টার্কটিকা কর্মসূচি]] শুরু হয়েছিল ([[জাতীয় অ্যান্টার্কটিকা ও মহাসাগর গবেষণা কেন্দ্র]]র অধীনে)। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর এবং ১৯৮৪ সালের মার্চ এর মধ্যে অদিতি পৃথিবীর অন্যতম অজানা অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকার একটি অভিযানে গিয়েছিলেন<ref name=":4"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thebetterindia.com/192027/antarctica-india-lab-women-science-research-work-photos/|শিরোনাম=Exclusive: From Physicists to Geologists, Meet 6 Amazing Antarctic Women of India|তারিখ=20 August ২০১৯|ওয়েবসাইট=The Better India|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-12-17}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.nti.org/learn/treaties-and-regimes/antarctic-treaty/|শিরোনাম=Antarctic Treaty {{!}} Treaties & Regimes {{!}} NTI|ওয়েবসাইট=www.nti.org|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-12-17}}</ref>। তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী [[ইন্দিরা গান্ধী]]র উদ্যোগে পরিচালিত একাধিক অভিযানের মধ্যে এটি তৃতীয়। ভূতাত্ত্বিক [[সুদীপ্তা সেনগুপ্ত|সুদীপ্তা সেনগুপ্তে]]<nowiki/>র পাশাপাশি অদিতি পন্ত প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি অ্যান্টার্কটিকায় পা রেখেছিলেন<ref name=":1"/>। তাঁদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল অ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে খাদ্য শৃঙ্খলা পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা<ref name=":3"/>। মারাত্মক ও কঠোর জলবায়ু পরিস্থিতিতে ডঃ অদিতি পন্ত মূল ভূখণ্ডটিকে চার মাস ধরে অধ্যয়ন করেছিলেন এবং অনেক তথ্য দৃষ্টিগোচর করিয়েছিলেন। মিশন চলাকালীন, দলটি [[দক্ষিণ গঙ্গোত্রী]] তৈরি করেছিল, এটি অ্যান্টার্কটিকার প্রথম ভারতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা বেস স্টেশন (দক্ষিণ মেরু থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার দূরে) অবস্থিত<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thebetterindia.com/58743/india-antarctic-mission-dakshin-gangotri-maitri-bharti/|শিরোনাম=Breaking the Ice: The Story of How India's Antarctic Mission Turned Ambition into Action|তারিখ=18 জুন 2016|ওয়েবসাইট=The Better India|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-02-16}}</ref>। অদিতি ১৯৮৪ সালে অ্যান্টার্কটিকার পঞ্চম অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন এবং সমুদ্রবিদ্যা ও ভূতত্ত্ব বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন।<ref name=":6">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://scienceindia.in/home/view_blog/28|শিরোনাম=The first Indian Women who visited Antarctica|ওয়েবসাইট=scienceindia.in|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-02-16|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/২০১৯0215181853/http://scienceindia.in/home/view_blog/28|আর্কাইভের-তারিখ=২০১৯-০২-১৫|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> | ||
== পেটেন্ট এবং পুরস্কার == | == পেটেন্ট এবং পুরস্কার == | ||