অনিল কুমার গায়েন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>Al Riaz Uddin Ripon অ টেমপ্লেট যোগ |
অ Text replacement - "2019" to "২০১৯" |
||
| ২৪ নং লাইন: | ২৪ নং লাইন: | ||
'''অনিল কুমার গায়েন''' ({{IPA-en|Anila kumāra gāẏēna|lang}}) (১ ফেব্রুয়ারি ১৯১৯ - ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮) একজন [[ভারতীয় জনগণ|ভারতীয়]] [[গণিতবিদ]] এবং পরিসংখ্যানবিদ, যিনি তার সহকর্মী রোনাল্ড ফিশারের সঙ্গে ফলিত পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে পিয়ারসন সহসম্বন্ধ গুণাঙ্ক নির্ণয়ের জন্য পরিচিত। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হেনরি এলিস ড্যানিয়েলসের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি লাভ করেন। তিনি রয়েল স্ট্যাটিস্টিকাল সোসাইটি এবং ক্যামব্রিজ ফিলোসফিকাল সোসাইটির ফেলো হিসাবে সম্মানিত হন। | '''অনিল কুমার গায়েন''' ({{IPA-en|Anila kumāra gāẏēna|lang}}) (১ ফেব্রুয়ারি ১৯১৯ - ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮) একজন [[ভারতীয় জনগণ|ভারতীয়]] [[গণিতবিদ]] এবং পরিসংখ্যানবিদ, যিনি তার সহকর্মী রোনাল্ড ফিশারের সঙ্গে ফলিত পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে পিয়ারসন সহসম্বন্ধ গুণাঙ্ক নির্ণয়ের জন্য পরিচিত। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হেনরি এলিস ড্যানিয়েলসের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি লাভ করেন। তিনি রয়েল স্ট্যাটিস্টিকাল সোসাইটি এবং ক্যামব্রিজ ফিলোসফিকাল সোসাইটির ফেলো হিসাবে সম্মানিত হন। | ||
গায়েন ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস অ্যাসোসিয়েশনের পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি এবং তার পাশাপাশি [[ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, খড়গপুর|ভারতীয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির]] গণিত বিভাগের প্রধান ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি বাংলার নবজাগরণের বিখ্যাত সমাজসংস্কারক, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামানুসারে [[বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়]] প্রতিষ্ঠা করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://vidyasagar.ac.in/About/AKGayen.aspx|শিরোনাম=Prof. A.K. Gayen|ওয়েবসাইট=vidyasagar.ac.in|সংগ্রহের-তারিখ= | গায়েন ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস অ্যাসোসিয়েশনের পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি এবং তার পাশাপাশি [[ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, খড়গপুর|ভারতীয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির]] গণিত বিভাগের প্রধান ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি বাংলার নবজাগরণের বিখ্যাত সমাজসংস্কারক, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামানুসারে [[বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়]] প্রতিষ্ঠা করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://vidyasagar.ac.in/About/AKGayen.aspx|শিরোনাম=Prof. A.K. Gayen|ওয়েবসাইট=vidyasagar.ac.in|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-03-19}}</ref> | ||
== প্রথম জীবন == | == প্রথম জীবন == | ||
অনিল কুমার গাইন পশ্চিমবঙ্গের [[পূর্ব মেদিনীপুর জেলা]]র লক্ষ্মীগ্রামের গরিব বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম জীবনকৃষ্ণ গায়েন ও মায়ের নাম পঞ্চমী দেবী। শৈশবকালে তাঁর বাবা মারা গেলে, তিনি এবং তার ভাইবোনেরা তার বিধবা মায়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে বড়ো হন। তিনি একটি সাধারণ স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। বিদ্যালয় শিক্ষার পর তিনি সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে গণিত অধ্যয়ন করার জন্য কলকাতায় যান, এরপর [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইউনিভার্সিটির গোল্ড মেডেলিস্ট হন।<ref name="web.archive.org">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121001170647/http://www.frontierweekly.com/articles/vol-45/45-9/45-9-A%20Forgotten%20Founder%20of%20a%20University.html|শিরোনাম=Frontier articles on Society & Politics|তারিখ=2012-10-01|ওয়েবসাইট=web.archive.org|সংগ্রহের-তারিখ= | অনিল কুমার গাইন পশ্চিমবঙ্গের [[পূর্ব মেদিনীপুর জেলা]]র লক্ষ্মীগ্রামের গরিব বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম জীবনকৃষ্ণ গায়েন ও মায়ের নাম পঞ্চমী দেবী। শৈশবকালে তাঁর বাবা মারা গেলে, তিনি এবং তার ভাইবোনেরা তার বিধবা মায়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে বড়ো হন। তিনি একটি সাধারণ স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। বিদ্যালয় শিক্ষার পর তিনি সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে গণিত অধ্যয়ন করার জন্য কলকাতায় যান, এরপর [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইউনিভার্সিটির গোল্ড মেডেলিস্ট হন।<ref name="web.archive.org">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20121001170647/http://www.frontierweekly.com/articles/vol-45/45-9/45-9-A%20Forgotten%20Founder%20of%20a%20University.html|শিরোনাম=Frontier articles on Society & Politics|তারিখ=2012-10-01|ওয়েবসাইট=web.archive.org|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-03-19}}</ref> | ||
== কর্মজীবন == | == কর্মজীবন == | ||
| ৩৫ নং লাইন: | ৩৫ নং লাইন: | ||
== মৃত্যু == | == মৃত্যু == | ||
বাংলায় শিক্ষা বিপ্লব করার প্রচেষ্টায় তিনি বাংলার নবজাগরণের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালযয়ের উদুঅগে তাঁর অবদানকে সম্মান জানাতে অনিল কুমার গাইন মেমোরিয়াল লেকচার প্রতিষ্ঠিত হয়।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.academia.edu/7375855/Vidyasagar_viswavidyalayer_bismrita_prothistata|শিরোনাম=Vidyasagar viswavidyalayer bismrita prothistata|শেষাংশ=Guha|প্রথমাংশ=Abhijit|সাময়িকী=Vidyasagar viswavidyalayer bismrita prothistata|ভাষা=en}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.veethi.com/india-people/anil_kumar_gain-profile-9296-28.htm|শিরোনাম=Anil Kumar Gain|ওয়েবসাইট=veethi.com|সংগ্রহের-তারিখ= | বাংলায় শিক্ষা বিপ্লব করার প্রচেষ্টায় তিনি বাংলার নবজাগরণের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালযয়ের উদুঅগে তাঁর অবদানকে সম্মান জানাতে অনিল কুমার গাইন মেমোরিয়াল লেকচার প্রতিষ্ঠিত হয়।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.academia.edu/7375855/Vidyasagar_viswavidyalayer_bismrita_prothistata|শিরোনাম=Vidyasagar viswavidyalayer bismrita prothistata|শেষাংশ=Guha|প্রথমাংশ=Abhijit|সাময়িকী=Vidyasagar viswavidyalayer bismrita prothistata|ভাষা=en}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.veethi.com/india-people/anil_kumar_gain-profile-9296-28.htm|শিরোনাম=Anil Kumar Gain|ওয়েবসাইট=veethi.com|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-03-19}}</ref> | ||
== তথ্যসূত্র == | == তথ্যসূত্র == | ||