বিষয়বস্তুতে চলুন

অপূর্ব সেনগুপ্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভারতপিডিয়া থেকে
>HirokBot
বানান ও অন্যান্য সংশোধন
 
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}" to ""
 
৭৭ নং লাইন: ৭৭ নং লাইন:
* {{ক্রিকেটআর্কাইভ}}
* {{ক্রিকেটআর্কাইভ}}
* [http://www.cricketcountry.com/articles/apoorva-sengupta-a-baffling-test-career-166131 "Apoorva Sengupta: A baffling Test career"]
* [http://www.cricketcountry.com/articles/apoorva-sengupta-a-baffling-test-career-166131 "Apoorva Sengupta: A baffling Test career"]
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
 


{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:সেনগুপ্ত, অপূর্ব}}
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:সেনগুপ্ত, অপূর্ব}}

১২:১৫, ২৭ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

এ.কে. সেনগুপ্ত
চিত্র:এ.কে. সেনগুপ্ত.jpg
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগব্রেক গুগলি
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৫
রানের সংখ্যা ১৬৯৫
ব্যাটিং গড় ৪.৫০ ২৬.৪৮
১০০/৫০ -/- ২/৮
সর্বোচ্চ রান ১৪৬*
বল করেছে - ১২৩১
উইকেট - ২১
বোলিং গড় - ৩১.১৪
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ৬/৩২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ২৪/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

লেফটেন্যান্ট জেনারেল অপূর্ব কুমার সেনগুপ্ত (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; জন্ম: ৩ আগস্ট, ১৯৩৮ - মৃত্যু: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩) উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ভারত ক্রিকেট দলের পক্ষে ১৯৫৯ সালে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন অপূর্ব সেনগুপ্ত। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন তিনি।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সেনগুপ্ত বেশ ভালোমানের অল-রাউন্ডার, ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, লেগ ব্রেক ও গুগলি বোলার এবং স্লিপ ফিল্ডার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন।[] ঐ মৌসুমের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। সার্ভিসেস দলের সদস্যরূপে তিনি ৩২ ও অপরাজিত ১০০ রান তুলেছিলেন। দুই মাস পর রঞ্জি ট্রফিতে প্রথমবারের মতো খেলে দিল্লির বিপক্ষে ৬/৩২ লাভ করেন। এ দুটি ফলাফলই টেস্ট খেলায় অংশগ্রহণের জন্য দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক আহুত হন তিনি। এরপর তিনি পরবর্তী দশ বছর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখেন।

১৯৫৯-৬০ মৌসুমের রঞ্জি ট্রফি প্রতিযোগিতার সেমি-ফাইনালে বোম্বের বিপক্ষে আরেকটি শতক হাঁকিয়েছিলেন। অপরাজিত ১৪৬ রানের মনোজ্ঞ শতরান করেন অপূর্ব সেনগুপ্ত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

এ. কে. সেনগুপ্তের টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ ভারতীয় ক্রিকেটের মাঝামাঝি সময়ে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি করে। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাদ্রাজ টেস্ট শুরুর কয়েকদিন পূর্বে গুলাম আহমেদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তার অবসরের কথা ঘোষণা করেন। আঘাতের কারণে বিজয় মাঞ্জরেকার ঐ টেস্ট থেকে বাদ পড়েন। এ পরিস্থিতিতে জসু প্যাটেল, এ. জি. কৃপাল সিং, মনোহর হারিদকর ও সেনগুপ্ত - প্রত্যেকেই খেলার দাবীদার হন। অধিনায়ক পলি উমরিগড় হারিদকরকে পেতে চাইলেন। তবে, বিসিসিআই সভাপতি প্যাটেলকে অন্তর্ভুক্ত করলে খেলা শুরুর পূর্ব-রাত্রে উমরিগড় পদত্যাগ করেন। শেষ পর্যন্ত সেনগুপ্ত ও কৃপাল সিং খেলার জন্য বিবেচিত হন। সেনগুপ্ত ১ ও ৮ রান তুলে যথাক্রমে ওয়েস হলরয় গিলক্রিস্টের বলে আউট হন।[]

সামরিক জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী করেন। এ সময় তিনি পিভিএসএম ও এভিএসএম পদবীতে ভূষিত হন। তিন তারকা বিশিষ্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরে উপনীত হন তিনি। ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রতিরক্ষাবিষয়ক সহ-দূতরূপে কাজ করেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেয়ার পর স্বীয় স্ত্রী মীনা সেনগুপ্তাকে নিয়ে নতুন দিল্লিতে অবস্থান করেন। অমিতাভ ও সুরজিৎ সেনগুপ্ত নামীয় দুই সন্তান রয়েছে তাদের। ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে নতুন দিল্লিতে তার দেহাবসান ঘটে।[]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. Christopher Martin-Jenkins, Who's who of Test cricketers
  2. Mihir Bose, A History of Indian Cricket, Andre-Deutsch (1990), pp. 213-214
  3. Obituary in the Times of India (accessed 3 August 2014)

আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]