অমৃতা প্যাটেল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>Waraka Saki অ হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী ব্যবসায়ী যোগ |
অ Text replacement - "2019" to "২০১৯" |
||
| ২১ নং লাইন: | ২১ নং লাইন: | ||
== প্রারম্ভিক জীবন == | == প্রারম্ভিক জীবন == | ||
অমৃতা প্যাটেল ১৯৪৩ সালের ১৩ই নভেম্বর তারিখে তৎকালীন [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতের]] [[নতুন দিল্লি|নতুন দিল্লির]] সফদরজং রোডের একটি বাসায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি একজন সরকারী কর্মচারী ছিলেন। তিনি রাজনীতিবিদ [[হিরুভাই এম. প্যাটেল]] এবং সবিতা বেনের কন্যা। তিনি তাঁর বাবা মায়ের পাঁচ কন্যার মধ্যে কনিষ্ঠ। তাঁর বাবা অবসর গ্রহণের পরে, তাঁর পরিবার ১৯৫৯ সালে [[গুজরাত|গুজরাটের]] [[আনন্দ, গুজরাত|আনন্দে]] ফিরে আসেন। তিনি [[মুম্বই]] থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন এবং ভেটেরিনারি সায়েন্স এবং পশুপালন বিভাগ হতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। ১৯৬৫ সালে তিনি [[আমুল]] নামে একটি দুগ্ধ সমবায়-এ যোগদান করেন এবং [[ভার্গিস কুরিয়েন|ভার্গিস কুরিয়েনের]] অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন।<ref name="Vyaas2012">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ગુજરાતની અસ્મિતા|শেষাংশ=Vyas|প্রথমাংশ=Rajani|বছর=2012|প্রকাশক=Akshara Publication|পাতা=314|ভাষা=gu|লিপির-শিরোনাম=gu:Gujaratni Asmita|আইএসবিএন=|oclc=650457017|সংস্করণ=5th}}</ref><ref name=":0">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.financialexpress.com/archive/the-lonely-mission-of-amrita-patel/40006/|শিরোনাম=The lonely mission of Amrita Patel|তারিখ=2003-12-17|ওয়েবসাইট=The Financial Express|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ= | অমৃতা প্যাটেল ১৯৪৩ সালের ১৩ই নভেম্বর তারিখে তৎকালীন [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতের]] [[নতুন দিল্লি|নতুন দিল্লির]] সফদরজং রোডের একটি বাসায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি একজন সরকারী কর্মচারী ছিলেন। তিনি রাজনীতিবিদ [[হিরুভাই এম. প্যাটেল]] এবং সবিতা বেনের কন্যা। তিনি তাঁর বাবা মায়ের পাঁচ কন্যার মধ্যে কনিষ্ঠ। তাঁর বাবা অবসর গ্রহণের পরে, তাঁর পরিবার ১৯৫৯ সালে [[গুজরাত|গুজরাটের]] [[আনন্দ, গুজরাত|আনন্দে]] ফিরে আসেন। তিনি [[মুম্বই]] থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন এবং ভেটেরিনারি সায়েন্স এবং পশুপালন বিভাগ হতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। ১৯৬৫ সালে তিনি [[আমুল]] নামে একটি দুগ্ধ সমবায়-এ যোগদান করেন এবং [[ভার্গিস কুরিয়েন|ভার্গিস কুরিয়েনের]] অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন।<ref name="Vyaas2012">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ગુજરાતની અસ્મિતા|শেষাংশ=Vyas|প্রথমাংশ=Rajani|বছর=2012|প্রকাশক=Akshara Publication|পাতা=314|ভাষা=gu|লিপির-শিরোনাম=gu:Gujaratni Asmita|আইএসবিএন=|oclc=650457017|সংস্করণ=5th}}</ref><ref name=":0">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.financialexpress.com/archive/the-lonely-mission-of-amrita-patel/40006/|শিরোনাম=The lonely mission of Amrita Patel|তারিখ=2003-12-17|ওয়েবসাইট=The Financial Express|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-04-10}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.rediff.com/money/report/interview-amrita-patel-on-kurien-ideologies/20120912.htm|শিরোনাম=Amrita Patel on Kurien's ideologies, the road ahead|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=2012-09-12|ওয়েবসাইট=Rediff|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-04-10}}</ref> | ||
== পেশা == | == পেশা == | ||
আমুলের সাথে চার দশক কাজ করার পরে, তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের (এনডিডিবি) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এনডিডিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে, তিনি বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ উন্নয়ন কর্মসূচী চালনায় গুরুত্বপূর্ণভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।<ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.nddb.coop/about/chairman/apatel|শিরোনাম=Dr. Amrita Patel {{!}} nddb.coop|ওয়েবসাইট=www.nddb.coop|সংগ্রহের-তারিখ= | আমুলের সাথে চার দশক কাজ করার পরে, তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের (এনডিডিবি) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এনডিডিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে, তিনি বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ উন্নয়ন কর্মসূচী চালনায় গুরুত্বপূর্ণভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।<ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.nddb.coop/about/chairman/apatel|শিরোনাম=Dr. Amrita Patel {{!}} nddb.coop|ওয়েবসাইট=www.nddb.coop|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-04-10}}</ref> তিনি দিল্লির [[মাদার ডেয়ারি]] চেয়ারপারসনও হয়েছিলেন; আন্তর্জাতিক ডেইরি ফেডারেশনের ভারতীয় জাতীয় কমিটির সভাপতি এবং পরে হিমাচল প্রদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের একজন সদস্য হয়েছিলেন।<ref name="Vyaas2012"/> তিনি [[ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক]] এবং ন্যাশনাল ব্যাংক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (এনএবিএআরডি) সদস্য ছিলেন।<ref name=":1"/> তিনি পরিবেশ ও বাস্তুশাসন সুরক্ষার পক্ষে কাজ করেছেন। তিনি বাস্তুশাস্ত্র বিষয়ে কাজ করা ফাউন্ডেশন ফর ইকোলজিকাল সিকিউরিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।<ref name=":0"/><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thehindubusinessline.in/bline/2008/06/06/stories/2008060651652100.htm|শিরোনাম=Amrita Patel gets environ award|তারিখ=2008-06-06|কর্ম=The Hindu Business Line|সংগ্রহের-তারিখ=2017-03-04|ভাষা=en}}</ref> | ||
== সম্মাননা == | == সম্মাননা == | ||
দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন ও পরিচালনায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এর মধ্যে আছে ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, জাতি গঠনের জন্য জওহরলাল নেহরু জন্মশতবর্ষ পুরস্কার (১৯৯৯-২০০০), ওয়ার্ল্ড ডেইরি এক্সপোর ইন্টারন্যাশনাল বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক ব্যক্তি (১৯৯৭), ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন ফেলোশিপ, কৃষিমিত্র পুরস্কার, ফুয়েল ইনজেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা থেকে ফাউন্ডেশন জাতীয় পুরস্কার, সহকারিতা বন্ধু পুরস্কার, বোরলগ পুরস্কার (১৯৯১), ইন্দিরা গান্ধী পর্যাবরণ পুরস্কার (২০০৫),<ref name=":12" /><ref name="Vyaas20122" /> মাহিন্দ্রা সমৃদ্ধি কৃষ্ণ শিরোমণি সম্মাননা (আজীবন সম্মানয়া পুরস্কার, ২০১৬) ইত্যাদি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.jagranjosh.com/current-affairs/amrita-patel-awarded-with-mahindra-samriddhi-krishi-shiromani-samman-1457414372-1|শিরোনাম=Amrita Patel awarded with Mahindra Samriddhi Krishi Shiromani Samman|শেষাংশ=Srivastava|প্রথমাংশ=Shilpika|তারিখ=2016-03-08|ওয়েবসাইট=Jagranjosh.com|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ= | দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন ও পরিচালনায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এর মধ্যে আছে ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, জাতি গঠনের জন্য জওহরলাল নেহরু জন্মশতবর্ষ পুরস্কার (১৯৯৯-২০০০), ওয়ার্ল্ড ডেইরি এক্সপোর ইন্টারন্যাশনাল বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক ব্যক্তি (১৯৯৭), ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন ফেলোশিপ, কৃষিমিত্র পুরস্কার, ফুয়েল ইনজেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা থেকে ফাউন্ডেশন জাতীয় পুরস্কার, সহকারিতা বন্ধু পুরস্কার, বোরলগ পুরস্কার (১৯৯১), ইন্দিরা গান্ধী পর্যাবরণ পুরস্কার (২০০৫),<ref name=":12" /><ref name="Vyaas20122" /> মাহিন্দ্রা সমৃদ্ধি কৃষ্ণ শিরোমণি সম্মাননা (আজীবন সম্মানয়া পুরস্কার, ২০১৬) ইত্যাদি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.jagranjosh.com/current-affairs/amrita-patel-awarded-with-mahindra-samriddhi-krishi-shiromani-samman-1457414372-1|শিরোনাম=Amrita Patel awarded with Mahindra Samriddhi Krishi Shiromani Samman|শেষাংশ=Srivastava|প্রথমাংশ=Shilpika|তারিখ=2016-03-08|ওয়েবসাইট=Jagranjosh.com|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৯-04-10}}</ref> | ||
২০০১ সালে ভারত সরকার তাঁকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার [[পদ্মভূষণ]] প্রদান করেছিল। <ref name="Vyaas2012"/><ref name=":1"/> | ২০০১ সালে ভারত সরকার তাঁকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার [[পদ্মভূষণ]] প্রদান করেছিল। <ref name="Vyaas2012"/><ref name=":1"/> | ||
১৪:০৯, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
অমৃতা প্যাটেল | |
|---|---|
২০১৬ সালে অমৃতা প্যাটেল | |
| জন্ম | ১৩ নভেম্বর ১৯৪৩ |
| পেশা | ব্যবসায়ী |
| পিতা-মাতা |
|
| পুরস্কার | পদ্মভূষণ (২০০১) |
অমৃতা প্যাটেল হলেন একজন ভারতীয় ব্যবসায়ী, যিনি একজন পরিবেশবিদ এবং সমবায় দুগ্ধ খাতের সাথে সংযুক্ত রয়েছেন। তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের নেতৃত্বে ছিলেন, যা বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ উন্নয়ন কর্মসূচী অপারেশন বন্যার নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি আরও বেশ কয়েকটি সংস্থার সভাপতিত্ব করেছেন এবং বোর্ডের ব্যাংকের সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি পদ্মভূষণ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
অমৃতা প্যাটেল ১৯৪৩ সালের ১৩ই নভেম্বর তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের নতুন দিল্লির সফদরজং রোডের একটি বাসায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি একজন সরকারী কর্মচারী ছিলেন। তিনি রাজনীতিবিদ হিরুভাই এম. প্যাটেল এবং সবিতা বেনের কন্যা। তিনি তাঁর বাবা মায়ের পাঁচ কন্যার মধ্যে কনিষ্ঠ। তাঁর বাবা অবসর গ্রহণের পরে, তাঁর পরিবার ১৯৫৯ সালে গুজরাটের আনন্দে ফিরে আসেন। তিনি মুম্বই থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন এবং ভেটেরিনারি সায়েন্স এবং পশুপালন বিভাগ হতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। ১৯৬৫ সালে তিনি আমুল নামে একটি দুগ্ধ সমবায়-এ যোগদান করেন এবং ভার্গিস কুরিয়েনের অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন।[১][২][৩]
পেশা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
আমুলের সাথে চার দশক কাজ করার পরে, তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের (এনডিডিবি) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এনডিডিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে, তিনি বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধ উন্নয়ন কর্মসূচী চালনায় গুরুত্বপূর্ণভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।[৪] তিনি দিল্লির মাদার ডেয়ারি চেয়ারপারসনও হয়েছিলেন; আন্তর্জাতিক ডেইরি ফেডারেশনের ভারতীয় জাতীয় কমিটির সভাপতি এবং পরে হিমাচল প্রদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের একজন সদস্য হয়েছিলেন।[১] তিনি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (এনএবিএআরডি) সদস্য ছিলেন।[৪] তিনি পরিবেশ ও বাস্তুশাসন সুরক্ষার পক্ষে কাজ করেছেন। তিনি বাস্তুশাস্ত্র বিষয়ে কাজ করা ফাউন্ডেশন ফর ইকোলজিকাল সিকিউরিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।[২][৫]
সম্মাননা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন ও পরিচালনায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এর মধ্যে আছে ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, জাতি গঠনের জন্য জওহরলাল নেহরু জন্মশতবর্ষ পুরস্কার (১৯৯৯-২০০০), ওয়ার্ল্ড ডেইরি এক্সপোর ইন্টারন্যাশনাল বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক ব্যক্তি (১৯৯৭), ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন ফেলোশিপ, কৃষিমিত্র পুরস্কার, ফুয়েল ইনজেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা থেকে ফাউন্ডেশন জাতীয় পুরস্কার, সহকারিতা বন্ধু পুরস্কার, বোরলগ পুরস্কার (১৯৯১), ইন্দিরা গান্ধী পর্যাবরণ পুরস্কার (২০০৫),[৬][৭] মাহিন্দ্রা সমৃদ্ধি কৃষ্ণ শিরোমণি সম্মাননা (আজীবন সম্মানয়া পুরস্কার, ২০১৬) ইত্যাদি।[৮]
২০০১ সালে ভারত সরকার তাঁকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ প্রদান করেছিল। [১][৪]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ ২.০ ২.১ "The lonely mission of Amrita Patel"। The Financial Express (English ভাষায়)। ২০০৩-১২-১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-১০।
- ↑ "Amrita Patel on Kurien's ideologies, the road ahead"। Rediff। ২০১২-০৯-১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-১০।
- ↑ ৪.০ ৪.১ ৪.২ "Dr. Amrita Patel | nddb.coop"। www.nddb.coop। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-১০।
- ↑ "Amrita Patel gets environ award"। The Hindu Business Line (English ভাষায়)। ২০০৮-০৬-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-০৪।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;:12নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Vyaas20122নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Srivastava, Shilpika (২০১৬-০৩-০৮)। "Amrita Patel awarded with Mahindra Samriddhi Krishi Shiromani Samman"। Jagranjosh.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-১০।