অঞ্জনা ওম কাশ্যপ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
ImportMaster (আলোচনা | অবদান) অ robot: Import articles using বিশেষ:আমদানি |
>Waraka Saki অ হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নারী টেলিভিশন সাংবাদিক যোগ |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{ | {{Infobox person | ||
| name = অঞ্জনা ওম কাশ্যপ | | name = অঞ্জনা ওম কাশ্যপ | ||
| image = Anjana Om Kashyap.jpg | | image = Anjana Om Kashyap.jpg | ||
| ২০ নং লাইন: | ২০ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''অঞ্জনা ওম কাশ্যপ''' তিনি একজন ভারতীয় সাংবাদিক এবং উপস্থাপক। তিনি হিন্দি নিউজ চ্যানেল [[আজ তক|আজ তকের]] নির্বাহী সম্পাদক। <ref name=":0" >{{ | '''অঞ্জনা ওম কাশ্যপ''' তিনি একজন ভারতীয় সাংবাদিক এবং উপস্থাপক। তিনি হিন্দি নিউজ চ্যানেল [[আজ তক|আজ তকের]] নির্বাহী সম্পাদক। <ref name=":0" >{{cite web|last1=OM Kashyap|first1=Anjana|title=Guest Column: Lynching on Social Media: Anjana Om Kashyap|url=http://www.exchange4media.com/digital/guest-columnlynching-on-social-mediaanjana-om-kashyap_60798.html |website=www.exchange4media.com|accessdate=19 April 2016|language=en}}</ref> | ||
== প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা == | == প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা == | ||
অঞ্জনা [[রাঁচি]]র (তদানীন্তন [[বিহার|বিহারের]] অংশ) এক [[ভূমিহার]] গোত্রে জন্মেছিলেন। তাঁর বাবার নাম ওমপ্রকাশ তিওয়ারী।<ref name=":0" /> ওমপ্রকাশ [[ভারতীয় সেনাবাহিনী]]তে স্বল্প সময়ের জন্য একজন ডাক্তার ছিলেন এবং [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] সময় সেবা দিয়েছিলেন।<ref name=":0" /> | অঞ্জনা [[রাঁচি]]র (তদানীন্তন [[বিহার|বিহারের]] অংশ) এক [[ভূমিহার]] গোত্রে জন্মেছিলেন। তাঁর বাবার নাম ওমপ্রকাশ তিওয়ারী।<ref name=":0" /> ওমপ্রকাশ [[ভারতীয় সেনাবাহিনী]]তে স্বল্প সময়ের জন্য একজন ডাক্তার ছিলেন এবং [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] সময় সেবা দিয়েছিলেন।<ref name=":0" /> | ||
স্থানীয় [[ক্যাথলিক স্কুল]] লরেটো কনভেন্টে এবং তারপরে, [[দিল্লি পাবলিক স্কুল, রাঁচি]] থেকে তাঁর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা হয়েছিল।<ref name=":0" /> বিজ্ঞানের দিকে স্বাভাবিক ঝোঁক থাকা সত্ত্বেও তিনি [[দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়|দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধীনে উদ্ভিদবিদ্যায় ডিগ্রী অর্জনের জন্য পড়তে গিয়েছিলেন। অঞ্জনা [[অল ইন্ডিয়া প্রি মেডিকেল টেস্ট]] -এ অংশ নিয়েছিলেন কিন্তু পাস করতে পারেননি।<ref name=":0" /> তিনি ভাল তার্কিক ছিলেন এবং শৈশব থেকেই দৃঢ় নেতৃত্বের গুণাবলী প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি তাঁর দুই বিদ্যালয়েই দল নেত্রী ছিলেন এবং তাঁর কলেজ ছাত্রাবাসের সভাপতি হয়েছিলেন।<ref name=":0" /> | স্থানীয় [[ক্যাথলিক স্কুল]] লরেটো কনভেন্টে এবং তারপরে, [[দিল্লি পাবলিক স্কুল, রাঁচি]] থেকে তাঁর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা হয়েছিল।<ref name=":0" /> বিজ্ঞানের দিকে স্বাভাবিক ঝোঁক থাকা সত্ত্বেও তিনি [[দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়|দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধীনে উদ্ভিদবিদ্যায় ডিগ্রী অর্জনের জন্য পড়তে গিয়েছিলেন। অঞ্জনা [[অল ইন্ডিয়া প্রি মেডিকেল টেস্ট]] -এ অংশ নিয়েছিলেন কিন্তু পাস করতে পারেননি।<ref name=":0" /> তিনি ভাল তার্কিক ছিলেন এবং শৈশব থেকেই দৃঢ় নেতৃত্বের গুণাবলী প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি তাঁর দুই বিদ্যালয়েই দল নেত্রী ছিলেন এবং তাঁর কলেজ ছাত্রাবাসের সভাপতি হয়েছিলেন।<ref name=":0" /> | ||
| ৩০ নং লাইন: | ৩২ নং লাইন: | ||
== কর্ম জীবন == | == কর্ম জীবন == | ||
অঞ্জনার প্রথম কাজটি ছিল [[দেবু মোটরস]] -এ [[মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা|পরামর্শদাতা]] হিসাবে; তবে, তিনি চাকরিটি পছন্দ করেন নি এবং প্রায় এক বছর পরে পদত্যাগ করেছিলেন।<ref name=":0" /> তারপরে তিনি বস্তিবাসীদের আইন পরামর্শদাতা হিসাবে একটা এনজিওতে যোগদান করেছিলেন।<ref name=":0" /> | অঞ্জনার প্রথম কাজটি ছিল [[দেবু মোটরস]] -এ [[মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা |পরামর্শদাতা]] হিসাবে; তবে, তিনি চাকরিটি পছন্দ করেন নি এবং প্রায় এক বছর পরে পদত্যাগ করেছিলেন।<ref name=":0" /> তারপরে তিনি বস্তিবাসীদের আইন পরামর্শদাতা হিসাবে একটা এনজিওতে যোগদান করেছিলেন।<ref name=":0" /> | ||
=== সাংবাদিকতা === | === সাংবাদিকতা === | ||
২০০০ সালের গোড়ার দিকে, মূলত তাঁর স্বামীর জেদেই, অঞ্জনা [[জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া]] বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা নিতে পড়া শুরু করেছিলেন। <ref name=":0" /> স্নাতক শেষ হওয়ার পরে, পরিচিতদের কাছ থেকে কিছু সহায়তার পর তিনি [[দূরদর্শন|দূরদর্শনে]] অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন; তাকে ''আঁখোঁ দেখি '' নামে একটি অনুসন্ধানী অনুষ্ঠানের সংবাদ-ডেস্কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও তাঁকে মাঝে মাঝে প্রতিবেদনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।<ref name=":0" /> | ২০০০ সালের গোড়ার দিকে, মূলত তাঁর স্বামীর জেদেই, অঞ্জনা [[জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া]] বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা নিতে পড়া শুরু করেছিলেন। <ref name=":0" /> স্নাতক শেষ হওয়ার পরে, পরিচিতদের কাছ থেকে কিছু সহায়তার পর তিনি [[দূরদর্শন|দূরদর্শনে]] অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন; তাকে ''আঁখোঁ দেখি '' নামে একটি অনুসন্ধানী অনুষ্ঠানের সংবাদ-ডেস্কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও তাঁকে মাঝে মাঝে প্রতিবেদনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।<ref name=":0" /> | ||
এক বছরের মধ্যেই তিনি [[জি নিউজ]] এ চলে যান।<ref name=":0" /> যদিও তিনি সর্বত্রই উপস্থাপক হতে চেয়েছিলেন; চ্যানেলটি মনে করেছিল সূক্ষ্ম কথা বলার ক্ষেত্রে তাঁর কমতি আছে এবং তাঁকে ভূমিকা তৈরিতে নিযুক্ত করেছিল।<ref name=":0" /> জি-তে তাঁর পরবর্তী বছরগুলিতে, তিনি সফলভাবে অডিশনগুলি পাস করেছিলেন এবং মাঝে মাঝে বিশেষ অনুষ্ঠানগুলিতে তাঁকে উপস্থাপক হিসাবে ব্যবহার করা হত।<ref name=":0" /> | এক বছরের মধ্যেই তিনি [[জি নিউজ]] এ চলে যান।<ref name=":0" /> যদিও তিনি সর্বত্রই উপস্থাপক হতে চেয়েছিলেন; চ্যানেলটি মনে করেছিল সূক্ষ্ম কথা বলার ক্ষেত্রে তাঁর কমতি আছে এবং তাঁকে ভূমিকা তৈরিতে নিযুক্ত করেছিল।<ref name=":0" /> জি-তে তাঁর পরবর্তী বছরগুলিতে, তিনি সফলভাবে অডিশনগুলি পাস করেছিলেন এবং মাঝে মাঝে বিশেষ অনুষ্ঠানগুলিতে তাঁকে উপস্থাপক হিসাবে ব্যবহার করা হত।<ref name=":0" /> | ||
২০০৭ সালে, তিনি [[নিউজ ২৪ (ভারত)|নিউজ ২৪]] -এ যোগদান করেছিলেন, যেখানে তিনি প্রথমবার উপস্থাপকের মূল ভূমিকা পেয়েছিলেন, তাঁকে সান্ধ্যকালীন বিতর্ক অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করতে হত।<ref name=":0" /> ২০১২ সালের প্রথম দিকে তিনি এই উদ্যোগ ছেড়ে স্টার নিউজে চলে এসেছিলেন; তবে কয়েক মাস পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়। <ref name=":0" /> ২০১২ সালের শেষদিকে, অঞ্জনা আরও কিছু সাংবাদিকদের সাথে নিউজ ২৪-এর তাৎক্ষণিক প্রাক্তন অধিকর্তা - সুপ্রিয়া প্রসাদকে অনুসরণ করে, [[নিউজ ২৪ (ভারত)|নিউজ ২৪]] থেকে '[[আজ তক]]' এ যোগ দেন।<ref name=":0" /> | ২০০৭ সালে, তিনি [[নিউজ ২৪ (ভারত) | নিউজ ২৪]] -এ যোগদান করেছিলেন, যেখানে তিনি প্রথমবার উপস্থাপকের মূল ভূমিকা পেয়েছিলেন, তাঁকে সান্ধ্যকালীন বিতর্ক অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করতে হত।<ref name=":0" /> ২০১২ সালের প্রথম দিকে তিনি এই উদ্যোগ ছেড়ে স্টার নিউজে চলে এসেছিলেন; তবে কয়েক মাস পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়। <ref name=":0" /> ২০১২ সালের শেষদিকে, অঞ্জনা আরও কিছু সাংবাদিকদের সাথে নিউজ ২৪-এর তাৎক্ষণিক প্রাক্তন অধিকর্তা - সুপ্রিয়া প্রসাদকে অনুসরণ করে, [[নিউজ ২৪ (ভারত) |নিউজ ২৪]] থেকে '[[আজ তক]]' এ যোগ দেন।<ref name=":0" /> | ||
== ব্যক্তিগত জীবন == | == ব্যক্তিগত জীবন == | ||
অঞ্জনার বিবাহ হয়েছে মঙ্গেশ কাশ্যপের সাথে, তিনি ১৯৯৫ সাথে [[দিল্লি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পুলিশ পরিষেবা]] ক্যাডারের একজন কর্মাধ্যক্ষ।<ref name=":0" /> দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন মঙ্গেশের সাথে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।<ref>{{ | অঞ্জনার বিবাহ হয়েছে মঙ্গেশ কাশ্যপের সাথে, তিনি ১৯৯৫ সাথে [[দিল্লি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পুলিশ পরিষেবা]] ক্যাডারের একজন কর্মাধ্যক্ষ।<ref name=":0" /> দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন মঙ্গেশের সাথে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।<ref>{{Cite web|url=https://caravanmagazine.in/reportage/anjana-om-kashyap-star-hindi-news-television|title=How Anjana Om Kashyap, a star of Hindi news television, sells the new normal|last=Saxena|first=Nikita|date=1 December 2019|website=[[The Caravan]]|publisher=Delhi Press|language=en|url-access=subscription|url-status=live|archive-url=|archive-date=|access-date=6 December 2019}}</ref> মঙ্গেশ আগে ছিলেন দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এবং ২০১৬ সালে, [[দক্ষিণ দিল্লি পৌর কর্পোরেশন]] এর প্রধান ভিজিল্যান্স অফিসার হয়েছেন।<ref name=":0" /> তাদের একটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। <ref name=":0" /> | ||
== তথ্যসূত্র == | == তথ্যসূত্র == | ||
{{ | {{Reflist}} | ||
== বহিঃসংযোগ == | == বহিঃসংযোগ == | ||
* {{Official website|http://www.anjanaomkashyap.com/}} | * {{Official website|http://www.anjanaomkashyap.com/}} | ||
{{ | {{authority control}} | ||
{{DEFAULTSORT:Kashyap, Anjana Om}} | {{DEFAULTSORT:Kashyap, Anjana Om}} | ||
১৭:২২, ১ মে ২০২১ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
অঞ্জনা ওম কাশ্যপ | |
|---|---|
অঞ্জনা ওম কাশ্যপ | |
| জন্ম | |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| পেশা | সাংবাদিক, সংবাদ উপস্থাপক |
| কর্মজীবন | ২০০৩ - বর্তমান |
| নিয়োগকারী | ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | মঙ্গেশ কাশ্যপ |
| সন্তান | ২ |
অঞ্জনা ওম কাশ্যপ তিনি একজন ভারতীয় সাংবাদিক এবং উপস্থাপক। তিনি হিন্দি নিউজ চ্যানেল আজ তকের নির্বাহী সম্পাদক। [১]
প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা
অঞ্জনা রাঁচির (তদানীন্তন বিহারের অংশ) এক ভূমিহার গোত্রে জন্মেছিলেন। তাঁর বাবার নাম ওমপ্রকাশ তিওয়ারী।[১] ওমপ্রকাশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে স্বল্প সময়ের জন্য একজন ডাক্তার ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সেবা দিয়েছিলেন।[১]
স্থানীয় ক্যাথলিক স্কুল লরেটো কনভেন্টে এবং তারপরে, দিল্লি পাবলিক স্কুল, রাঁচি থেকে তাঁর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা হয়েছিল।[১] বিজ্ঞানের দিকে স্বাভাবিক ঝোঁক থাকা সত্ত্বেও তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উদ্ভিদবিদ্যায় ডিগ্রী অর্জনের জন্য পড়তে গিয়েছিলেন। অঞ্জনা অল ইন্ডিয়া প্রি মেডিকেল টেস্ট -এ অংশ নিয়েছিলেন কিন্তু পাস করতে পারেননি।[১] তিনি ভাল তার্কিক ছিলেন এবং শৈশব থেকেই দৃঢ় নেতৃত্বের গুণাবলী প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি তাঁর দুই বিদ্যালয়েই দল নেত্রী ছিলেন এবং তাঁর কলেজ ছাত্রাবাসের সভাপতি হয়েছিলেন।[১]
কয়েক বছর পরে, স্নাতকোত্তর করার জন্য তিনি দিল্লি স্কুল অব সোশাল ওয়ার্ক এ ভর্তি হন। অঞ্জনা পাঠ্যক্রম এবং ক্ষেত্র পরিদর্শনে উল্লেখ করেছিলেন যা তাঁর মধ্যে সক্রিয়তার মনোভাব জাগ্রত করেছিল। [১]
কর্ম জীবন
অঞ্জনার প্রথম কাজটি ছিল দেবু মোটরস -এ পরামর্শদাতা হিসাবে; তবে, তিনি চাকরিটি পছন্দ করেন নি এবং প্রায় এক বছর পরে পদত্যাগ করেছিলেন।[১] তারপরে তিনি বস্তিবাসীদের আইন পরামর্শদাতা হিসাবে একটা এনজিওতে যোগদান করেছিলেন।[১]
সাংবাদিকতা
২০০০ সালের গোড়ার দিকে, মূলত তাঁর স্বামীর জেদেই, অঞ্জনা জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা নিতে পড়া শুরু করেছিলেন। [১] স্নাতক শেষ হওয়ার পরে, পরিচিতদের কাছ থেকে কিছু সহায়তার পর তিনি দূরদর্শনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন; তাকে আঁখোঁ দেখি নামে একটি অনুসন্ধানী অনুষ্ঠানের সংবাদ-ডেস্কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও তাঁকে মাঝে মাঝে প্রতিবেদনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।[১]
এক বছরের মধ্যেই তিনি জি নিউজ এ চলে যান।[১] যদিও তিনি সর্বত্রই উপস্থাপক হতে চেয়েছিলেন; চ্যানেলটি মনে করেছিল সূক্ষ্ম কথা বলার ক্ষেত্রে তাঁর কমতি আছে এবং তাঁকে ভূমিকা তৈরিতে নিযুক্ত করেছিল।[১] জি-তে তাঁর পরবর্তী বছরগুলিতে, তিনি সফলভাবে অডিশনগুলি পাস করেছিলেন এবং মাঝে মাঝে বিশেষ অনুষ্ঠানগুলিতে তাঁকে উপস্থাপক হিসাবে ব্যবহার করা হত।[১]
২০০৭ সালে, তিনি নিউজ ২৪ -এ যোগদান করেছিলেন, যেখানে তিনি প্রথমবার উপস্থাপকের মূল ভূমিকা পেয়েছিলেন, তাঁকে সান্ধ্যকালীন বিতর্ক অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করতে হত।[১] ২০১২ সালের প্রথম দিকে তিনি এই উদ্যোগ ছেড়ে স্টার নিউজে চলে এসেছিলেন; তবে কয়েক মাস পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়। [১] ২০১২ সালের শেষদিকে, অঞ্জনা আরও কিছু সাংবাদিকদের সাথে নিউজ ২৪-এর তাৎক্ষণিক প্রাক্তন অধিকর্তা - সুপ্রিয়া প্রসাদকে অনুসরণ করে, নিউজ ২৪ থেকে 'আজ তক' এ যোগ দেন।[১]
ব্যক্তিগত জীবন
অঞ্জনার বিবাহ হয়েছে মঙ্গেশ কাশ্যপের সাথে, তিনি ১৯৯৫ সাথে দিল্লি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পুলিশ পরিষেবা ক্যাডারের একজন কর্মাধ্যক্ষ।[১] দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন মঙ্গেশের সাথে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।[২] মঙ্গেশ আগে ছিলেন দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এবং ২০১৬ সালে, দক্ষিণ দিল্লি পৌর কর্পোরেশন এর প্রধান ভিজিল্যান্স অফিসার হয়েছেন।[১] তাদের একটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। [১]
তথ্যসূত্র
- ↑ ১.০০ ১.০১ ১.০২ ১.০৩ ১.০৪ ১.০৫ ১.০৬ ১.০৭ ১.০৮ ১.০৯ ১.১০ ১.১১ ১.১২ ১.১৩ ১.১৪ ১.১৫ ১.১৬ ১.১৭ ১.১৮ ১.১৯ OM Kashyap, Anjana। "Guest Column: Lynching on Social Media: Anjana Om Kashyap"। www.exchange4media.com (English ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ Saxena, Nikita (১ ডিসেম্বর ২০১৯)। "How Anjana Om Kashyap, a star of Hindi news television, sells the new normal"থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে। The Caravan (English ভাষায়)। Delhi Press। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৯।
বহিঃসংযোগ
লুয়া ত্রুটি মডিউল:কর্তৃপক্ষ_নিয়ন এর 348 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।