বিষয়বস্তুতে চলুন

অ্যান্ড্রু স্ট্রস: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভারতপিডিয়া থেকে
রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "March" to "মার্চ"
ReplacementBOT (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "June" to "জুন"
১০১ নং লাইন: ১০১ নং লাইন:


== খেলোয়াড়ী জীবন ==
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
১৯৯৮ সালে [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে]] তার অভিষেক ঘটে। ২০০৩ সালে [[শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল|শ্রীলঙ্কার]] বিপক্ষে [[একদিনের আন্তর্জাতিক|একদিনের আন্তর্জাতিকে]] অভিষিক্ত হন স্ট্রস। ২০০৪ সালে [[মাইকেল ভন]] আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।<ref name=autogenerated1>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=England – News – ECB |ইউআরএল=http://www.ecb.co.uk/england/series-tours/ashes-2006/teams/andrew-strauss,11,PP.html |সংগ্রহের-তারিখ=১১ ডিসেম্বর ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20070307160035/http://www.ecb.co.uk/england/series-tours/ashes-2006/teams/andrew-strauss%2C11%2CPP.html |আর্কাইভের-তারিখ=৭ মার্চ ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> [[লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ড|লর্ডসে]] [[নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল|নিউজিল্যান্ডের]] বিপক্ষে [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট]] অভিষিক্ত হলে তিনি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পান। প্রথম ইনিংসে ১১২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রান করে [[run out|রান-আউটের]] শিকার হন। খেলায় ইংল্যান্ড দল জয়লাভ করে ও তিনি [[ম্যান অব দ্য ম্যাচ|ম্যান অব দ্য ম্যাচের]] পুরস্কার পান। এরফলে লর্ডসে চতুর্দশ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকেই [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও প্রথম ইংরেজ হিসেবে অভিষেকেই উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় উপনীত হয়েছিলেন তিনি।<ref name="cricinfo">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://content-uk.cricinfo.com/england/content/player/20387.html |শিরোনাম=Cricinfo – Players and Officials – Andrew Strauss |প্রকাশক=Content-uk.cricinfo.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=10 August 2013}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.cricinfo.com/england/engine/match/64086.html|শিরোনাম=New Zealand in England Test Series – 1st Test England v New Zealand|তারিখ=24 May 2004|প্রকাশক=CricInfo|সংগ্রহের-তারিখ=22 June 2009|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090625194454/http://www.cricinfo.com/england/engine/match/64086.html|আর্কাইভের-তারিখ=২৫ জুন ২০০৯|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
১৯৯৮ সালে [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে]] তার অভিষেক ঘটে। ২০০৩ সালে [[শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল|শ্রীলঙ্কার]] বিপক্ষে [[একদিনের আন্তর্জাতিক|একদিনের আন্তর্জাতিকে]] অভিষিক্ত হন স্ট্রস। ২০০৪ সালে [[মাইকেল ভন]] আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।<ref name=autogenerated1>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=England – News – ECB |ইউআরএল=http://www.ecb.co.uk/england/series-tours/ashes-2006/teams/andrew-strauss,11,PP.html |সংগ্রহের-তারিখ=১১ ডিসেম্বর ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20070307160035/http://www.ecb.co.uk/england/series-tours/ashes-2006/teams/andrew-strauss%2C11%2CPP.html |আর্কাইভের-তারিখ=৭ মার্চ ২০০৭ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> [[লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ড|লর্ডসে]] [[নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল|নিউজিল্যান্ডের]] বিপক্ষে [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট]] অভিষিক্ত হলে তিনি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পান। প্রথম ইনিংসে ১১২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রান করে [[run out|রান-আউটের]] শিকার হন। খেলায় ইংল্যান্ড দল জয়লাভ করে ও তিনি [[ম্যান অব দ্য ম্যাচ|ম্যান অব দ্য ম্যাচের]] পুরস্কার পান। এরফলে লর্ডসে চতুর্দশ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকেই [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও প্রথম ইংরেজ হিসেবে অভিষেকেই উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় উপনীত হয়েছিলেন তিনি।<ref name="cricinfo">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://content-uk.cricinfo.com/england/content/player/20387.html |শিরোনাম=Cricinfo – Players and Officials – Andrew Strauss |প্রকাশক=Content-uk.cricinfo.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=10 August 2013}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.cricinfo.com/england/engine/match/64086.html|শিরোনাম=New Zealand in England Test Series – 1st Test England v New Zealand|তারিখ=24 May 2004|প্রকাশক=CricInfo|সংগ্রহের-তারিখ=22 জুন 2009|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090625194454/http://www.cricinfo.com/england/engine/match/64086.html|আর্কাইভের-তারিখ=২৫ জুন ২০০৯|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>


== অধিনায়কত্ব ==
== অধিনায়কত্ব ==

২০:৫২, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

অ্যান্ড্রু স্ট্রস
ওবিই
থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে
আগস্ট, ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে লর্ডসে অনুষ্ঠিত খেলা শেষে সাক্ষাৎকারে স্ট্রস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামঅ্যান্ড্রু জন স্ট্রস
জন্ম (1977-03-02) ২ মার্চ ১৯৭৭ (বয়স ৪৯)
জোহানেসবার্গ, ট্রান্সভাল প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ডাকনামলেভি, মেয়ারম্যান, দ্য ক্যাপ্টেন, স্ট্রসি, মাপেট[]
উচ্চতা৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাউদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, অধিনায়ক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬২৪)
২০ মে ২০০৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৬ আগস্ট ২০১২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৮০)
১৮ নভেম্বর ২০০৩ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ ওডিআই২৬ মার্চ ২০১১ বনাম শ্রীলঙ্কা
ওডিআই শার্ট নং১৪
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৮-২০১২মিডলসেক্স
২০০২এমসিসি
২০০৭-০৮নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১০০ ১২৭ ২৪১ ২৫৪
রানের সংখ্যা ৭,০৩৭ ৪,২০৫ ১৭,০৪৬ ৭,৬৩১
ব্যাটিং গড় ৪০.৯১ ৩৫.৬৩ ৪২.৭২ ৩২.৭৫
১০০/৫০ ২১/২৭ ৬/২৭ ৪৬/৭৪ ১০/৪৯
সর্বোচ্চ রান ১৭৭ ১৫৮ ২৪১* ১৬৩
বল করেছে ১৩২
উইকেট
বোলিং গড় ৪৭.৩৩
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০/৩ ১/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১২১/– ৫৭/– ২২৮/– ৯০/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২০ জানুয়ারি ২০১৬

অ্যান্ড্রু জন স্ট্রস, ওবিই (জন্ম: ২ মার্চ, ১৯৭৭) দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সভাল প্রদেশের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটারইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষ বামহাতে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ড দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন। ব্যাক ফুটে অভ্যস্ত অ্যান্ড্রু স্ট্রস অধিকাংশ সময়ই কাট ও পুল শট খেলতেন। স্লিপ কিংবা কভারে ফিল্ডিং করতে নামতেন।

বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ক্রিকেট পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

খেলোয়াড়ী জীবন

১৯৯৮ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। ২০০৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হন স্ট্রস। ২০০৪ সালে মাইকেল ভন আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।[] লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষিক্ত হলে তিনি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পান। প্রথম ইনিংসে ১১২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রান করে রান-আউটের শিকার হন। খেলায় ইংল্যান্ড দল জয়লাভ করে ও তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান। এরফলে লর্ডসে চতুর্দশ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকেই সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও প্রথম ইংরেজ হিসেবে অভিষেকেই উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় উপনীত হয়েছিলেন তিনি।[][]

অধিনায়কত্ব

৭ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে জনসমক্ষে সাবেক অধিনায়ক কেভিন পিটারসনকোচ পিটার মুরেজের মধ্যকার বিতর্কের পরপরই স্ট্রসকে ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পিটারসন মাত্র তিন টেস্টে অধিনায়কত্ব করেন ও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে মুরেজকে বরখাস্ত করা হয়। তাদের মধ্যকার বিতর্ক ২০০৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজের পর থেকে শুরু হয় যাতে ইংল্যান্ড তাদের দুই টেস্টের প্রথমটিতে পরাজয় ও দ্বিতীয়টিতে ড্র করেছিল।

অবসর

২৯ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে শততম টেস্টে অংশগ্রহণের পর ক্রিকেট জীবন থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তিনি। তার এ ঘোষণার পূর্বে দলীয় সঙ্গীরা ১০০ মদের বোতল আনে। এ প্রসঙ্গে স্ট্রস বলেন, আমি মনে করি এগুলো আমাকে অবসরকে চমৎকারভাবে পরিচ্ছন্ন করবে। তার উদ্বোধনী অংশীদার ও সহঃ অধিনায়ক অ্যালাস্টেয়ার কুককে অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়। এরপূর্বেও কুক ইংল্যান্ড দলের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন ও বর্তমানে একদিনের আন্তর্জাতিকে অধিনায়কত্ব করছেন।

তথ্যসূত্র

  1. "Andrew Strauss"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১১ 
  2. "England – News – ECB"। ৭ মার্চ ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "Cricinfo – Players and Officials – Andrew Strauss"। Content-uk.cricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৩ 
  4. "New Zealand in England Test Series – 1st Test England v New Zealand"। CricInfo। ২৪ মে ২০০৪। ২৫ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০০৯ 

বহিঃসংযোগ

ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
অ্যাঙ্গাস ফ্রেজার
মিডলসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট অধিনায়ক
২০০২-২০০৪
উত্তরসূরী
বেন হাটন
পূর্বসূরী
অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ
কেভিন পিটারসন
ইংরেজ জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক
(ভারপ্রাপ্ত ২০০৬)
২০০৯-২০১২
উত্তরসূরী
অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ
অ্যালাস্টেয়ার কুক

লুয়া ত্রুটি মডিউল:কর্তৃপক্ষ_নিয়ন এর 348 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।