আজহার মাহমুদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "February" to "ফেব্রুয়ারি"
রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "March" to "মার্চ"
১৫৭ নং লাইন: ১৫৭ নং লাইন:
২০০৭ সালের শুরুরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে অংশগ্রহণের জন্যে তাকে পুনরায় আমন্ত্রণ জানানো হয়।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/rsavpak/content/story/278948.html|title=Azhar Mahmood recalled by Pakistan|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=5 ফেব্রুয়ারি 2007|accessdate=20 April 2012}}</ref> তবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত [[২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ|২০০৭]] সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরে দলের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হলে তাকে দলে রাখা হয়নি। তবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলাকালীন [[আব্দুল রাজ্জাক (ক্রিকেটার)|আব্দুল রাজ্জাক]] হাঁটুতে আঘাত পেলে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরফলে, আজহার মাহমুদ তার তৃতীয় বিশ্বকাপে অংশ নেন।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/wc2007/content/story/280417.html|title=Mahmood added to World Cup reserves|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=15 ফেব্রুয়ারি 2007|accessdate=20 April 2012}}</ref>
২০০৭ সালের শুরুরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে অংশগ্রহণের জন্যে তাকে পুনরায় আমন্ত্রণ জানানো হয়।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/rsavpak/content/story/278948.html|title=Azhar Mahmood recalled by Pakistan|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=5 ফেব্রুয়ারি 2007|accessdate=20 April 2012}}</ref> তবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত [[২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ|২০০৭]] সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরে দলের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হলে তাকে দলে রাখা হয়নি। তবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলাকালীন [[আব্দুল রাজ্জাক (ক্রিকেটার)|আব্দুল রাজ্জাক]] হাঁটুতে আঘাত পেলে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরফলে, আজহার মাহমুদ তার তৃতীয় বিশ্বকাপে অংশ নেন।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/wc2007/content/story/280417.html|title=Mahmood added to World Cup reserves|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=15 ফেব্রুয়ারি 2007|accessdate=20 April 2012}}</ref>


তবে, প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশগ্রহণ বাদে ঐ প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের শুরুতেই বিদেয় নেবার ফলে আজহার মাহমুদ কোন খেলায় অংশ নিতে পারেননি। আবারও তাকে জাতীয় দলের বাইরে রাখা হয়। দল থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার ফলে যুক্তরাজ্যে কাউন্টি ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে চলে যান। এ সময়কালে ক্রমাগত প্রত্যাখ্যান ও ৩০ ঊর্ধ্ব বয়স হওয়ায় পাকিস্তান দলে পুনরায় যুক্ত হবার আকাঙ্খা তার মাঝে দেখা যায়নি। এছাড়াও, ওজন বৃদ্ধি, ওডিআইয়ে গড়পড়তা অবদান, পাকিস্তান দলে অল-রাউন্ডারদের প্রাচুর্যতায় তার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে আসে। বিলুপ্ত ঘোষিত [[Indian Cricket League|ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগে]] (আইসিএল) চুক্তিবদ্ধ হন ও কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/england/content/story/342292.html|title=ICL-county situation as clear as mud|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=13 March 2008|accessdate=20 April 2012}}</ref>
তবে, প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশগ্রহণ বাদে ঐ প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের শুরুতেই বিদেয় নেবার ফলে আজহার মাহমুদ কোন খেলায় অংশ নিতে পারেননি। আবারও তাকে জাতীয় দলের বাইরে রাখা হয়। দল থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার ফলে যুক্তরাজ্যে কাউন্টি ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে চলে যান। এ সময়কালে ক্রমাগত প্রত্যাখ্যান ও ৩০ ঊর্ধ্ব বয়স হওয়ায় পাকিস্তান দলে পুনরায় যুক্ত হবার আকাঙ্খা তার মাঝে দেখা যায়নি। এছাড়াও, ওজন বৃদ্ধি, ওডিআইয়ে গড়পড়তা অবদান, পাকিস্তান দলে অল-রাউন্ডারদের প্রাচুর্যতায় তার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে আসে। বিলুপ্ত ঘোষিত [[Indian Cricket League|ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগে]] (আইসিএল) চুক্তিবদ্ধ হন ও কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।<ref>{{citation|url=http://www.espncricinfo.com/england/content/story/342292.html|title=ICL-county situation as clear as mud|publisher=[[ESPNCricinfo]]|date=13 মার্চ 2008|accessdate=20 April 2012}}</ref>


== মূল্যায়ন ==
== মূল্যায়ন ==
২০০১ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত [[Wisden 100|উইজডেন ১০০]] তালিকায় সর্বকালের সেরা টেস্ট ইনিংস হিসেবে আজহার মাহমুদের ইনিংসকে ৮ম স্থানে ঠাঁই দেয়। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে ডারবানের [[কিংসমিড ক্রিকেট গ্রাউন্ড|কিংসমিড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে]] স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৩২ রান তুলেন তিনি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.espncricinfo.com/ci/engine/current/match/63790.html|শিরোনাম=Pakistan in South Africa Test Series – 2nd Test|প্রকাশক=[[ESPNCricinfo]]|তারিখ=26 ফেব্রুয়ারি 1998|সংগ্রহের-তারিখ=20 April 2012}}</ref> এতে উল্লেখ করা হয় যে, দক্ষিণ আফ্রিকার পেস বোলিং আক্রমণের গভীরতা তাদের ইতিহাসের যে-কোন সময়ের তুলনায় অধিক ছিল। [[অ্যালান ডোনাল্ড]] ও [[শন পোলক|শন পোলককে]] [[ফ্যানি ডি ভিলিয়ার্স]] ও [[ল্যান্স ক্লুজনার]] যথেষ্ট সঙ্গ দেন।
২০০১ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত [[Wisden 100|উইজডেন ১০০]] তালিকায় সর্বকালের সেরা টেস্ট ইনিংস হিসেবে আজহার মাহমুদের ইনিংসকে ৮ম স্থানে ঠাঁই দেয়। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে ডারবানের [[কিংসমিড ক্রিকেট গ্রাউন্ড|কিংসমিড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে]] স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৩২ রান তুলেন তিনি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.espncricinfo.com/ci/engine/current/match/63790.html|শিরোনাম=Pakistan in South Africa Test Series – 2nd Test|প্রকাশক=[[ESPNCricinfo]]|তারিখ=26 ফেব্রুয়ারি 1998|সংগ্রহের-তারিখ=20 April 2012}}</ref> এতে উল্লেখ করা হয় যে, দক্ষিণ আফ্রিকার পেস বোলিং আক্রমণের গভীরতা তাদের ইতিহাসের যে-কোন সময়ের তুলনায় অধিক ছিল। [[অ্যালান ডোনাল্ড]] ও [[শন পোলক|শন পোলককে]] [[ফ্যানি ডি ভিলিয়ার্স]] ও [[ল্যান্স ক্লুজনার]] যথেষ্ট সঙ্গ দেন।


পাকিস্তান দল নড়বড়ে পিচে ব্যাটিংয়ে তেমন ভালো করবে না, এটাই স্বাভাবিক দিক ছিল। এক পর্যায়ে দলের সংগ্রহ ৮৯/৫ হয়। সাত নম্বরে ২২ বছর বয়সী অল-রাউন্ডার দলের বিপর্যয়ে রুখে দাঁড়াতে তৎপর হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয়টি টেস্ট ইনিংসের তিনটিতেই [[শতক (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করেন তিনি। অ্যালান ডোনাল্ডের ন্যায় সেরা তারকা বোলারের পেস বোলিং মোকাবেলা করে কেবলমাত্র বাউন্ডারি থেকে ৯৬ রান তুলেন ও নিচেরসারির অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে পরিচিতি ঘটান। পাকিস্তানের শেষ ১০৬ রানের মধ্যে তিনি ৯০% রান তুলেন। নিম্নমূখী রানের ঐ খেলায় তার দল ২৯ রানে জয়ী হয়েছিল।<ref name="Top 10 Test Innings">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.rediff.com/cricket/2001/jul/30bat10.htm | শিরোনাম=Top 10 Test Innings of all time | প্রকাশক=[[rediff.com]] | কর্ম=Wisden 2001 | সংগ্রহের-তারিখ=March 1, 2018}}</ref>
পাকিস্তান দল নড়বড়ে পিচে ব্যাটিংয়ে তেমন ভালো করবে না, এটাই স্বাভাবিক দিক ছিল। এক পর্যায়ে দলের সংগ্রহ ৮৯/৫ হয়। সাত নম্বরে ২২ বছর বয়সী অল-রাউন্ডার দলের বিপর্যয়ে রুখে দাঁড়াতে তৎপর হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয়টি টেস্ট ইনিংসের তিনটিতেই [[শতক (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করেন তিনি। অ্যালান ডোনাল্ডের ন্যায় সেরা তারকা বোলারের পেস বোলিং মোকাবেলা করে কেবলমাত্র বাউন্ডারি থেকে ৯৬ রান তুলেন ও নিচেরসারির অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে পরিচিতি ঘটান। পাকিস্তানের শেষ ১০৬ রানের মধ্যে তিনি ৯০% রান তুলেন। নিম্নমূখী রানের ঐ খেলায় তার দল ২৯ রানে জয়ী হয়েছিল।<ref name="Top 10 Test Innings">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://www.rediff.com/cricket/2001/jul/30bat10.htm | শিরোনাম=Top 10 Test Innings of all time | প্রকাশক=[[rediff.com]] | কর্ম=Wisden 2001 | সংগ্রহের-তারিখ=মার্চ 1, 2018}}</ref>


== খেলার ধরন ==
== খেলার ধরন ==