অঞ্জলি দেবী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "January" to "জানুয়ারি"
রবি (আলোচনা | অবদান)
Text replacement - "February" to "ফেব্রুয়ারি"
২১ নং লাইন: ২১ নং লাইন:


== কর্মজীবন ==
== কর্মজীবন ==
অঞ্জলি দেবী চলচ্চিত্রে প্রবেশের আগে একজন মঞ্চ অভিনয়শিল্পী ছিলেন। ১৯৩৬ সালে ''রাজা হরিশচন্দ্র'' ছবিতে লোহিতাস্য চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পদার্পণ করেছেন। নায়িকা হিসাবে তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রটি ১৯৪০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত [[এল ভি প্রসাদ|এল ভি প্রসাদের]] ''কাশতজীবী'', তবে এই চলচ্চিত্রের তিনটি রীল শ্যুটিং করার পরে এই চলচ্চিত্রটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। পরে সি. পুল্লাইয়া তাকে খুঁজে বের করেন এবং ''গোল্লভামায়'' তাকে মোহিনী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন। তার অভিনয়ের দক্ষতার ভিত্তিতে তিনি ১৯৪৭ সালে রাতারাতি তারকা হয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ১০০টিরও বেশি তামিল চলচ্চিত্র,<ref name="IMDB dec 8" /> ১০০টি তেলুগু চলচ্চিত্রে{{Citation needed|date=February 2009}} এবং নায়িকা হিসাবে বেশ কয়েকটি কন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।{{citation needed|date=December 2012}}
অঞ্জলি দেবী চলচ্চিত্রে প্রবেশের আগে একজন মঞ্চ অভিনয়শিল্পী ছিলেন। ১৯৩৬ সালে ''রাজা হরিশচন্দ্র'' ছবিতে লোহিতাস্য চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পদার্পণ করেছেন। নায়িকা হিসাবে তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রটি ১৯৪০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত [[এল ভি প্রসাদ|এল ভি প্রসাদের]] ''কাশতজীবী'', তবে এই চলচ্চিত্রের তিনটি রীল শ্যুটিং করার পরে এই চলচ্চিত্রটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। পরে সি. পুল্লাইয়া তাকে খুঁজে বের করেন এবং ''গোল্লভামায়'' তাকে মোহিনী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন। তার অভিনয়ের দক্ষতার ভিত্তিতে তিনি ১৯৪৭ সালে রাতারাতি তারকা হয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ১০০টিরও বেশি তামিল চলচ্চিত্র,<ref name="IMDB dec 8" /> ১০০টি তেলুগু চলচ্চিত্রে{{Citation needed|date=ফেব্রুয়ারি 2009}} এবং নায়িকা হিসাবে বেশ কয়েকটি কন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।{{citation needed|date=December 2012}}


তিনি ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তেলুগু চলচ্চিত্র ''[[লব কুশ]]'' -এ(যেটি একটি মাইলফলক চলচ্চিত্র ছিল) অভিনয়ের মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্র জগতের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি ''লব কুশ'' -এ [[সীতা|দেবী সীতার]] চরিত্রে অভিনয় করার জন্য অধিক পরিচিতি লাভ করেন। অতঃপর তিনি  ''[[সুবর্ণা সুন্দরী]]'' ও [[আনারকলি (চলচ্চিত্র)|''আনারকলি'']]র মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে ''ব্রুনাভনম'' (১৯৯২), ''আন্না ভাদিনা'' (১৯৯৩) এবং ''পুলিশ অল্লুদু'' (১৯৯৪) তাঁর কর্মজীবনের শেষ কয়েকটি চলচ্চিত্র ছিল। বালাইয়ার ''পুলিশ অল্লুদু''  এবং ''আন্না ভাদিনা'' নামক চলচ্চিত্রে তিনি ব্রহ্মানন্দমের সাথে অভিনয় করেছেন। তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যার মধ্যে কুমারী, দেবদূত, নৃত্যশিল্পী, রাক্ষস, দেবী, ঐতিহ্যবাহী মহিলা এবং মায়ের চরিত্র উল্লেখযোগ্য।
তিনি ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তেলুগু চলচ্চিত্র ''[[লব কুশ]]'' -এ(যেটি একটি মাইলফলক চলচ্চিত্র ছিল) অভিনয়ের মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্র জগতের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি ''লব কুশ'' -এ [[সীতা|দেবী সীতার]] চরিত্রে অভিনয় করার জন্য অধিক পরিচিতি লাভ করেন। অতঃপর তিনি  ''[[সুবর্ণা সুন্দরী]]'' ও [[আনারকলি (চলচ্চিত্র)|''আনারকলি'']]র মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে ''ব্রুনাভনম'' (১৯৯২), ''আন্না ভাদিনা'' (১৯৯৩) এবং ''পুলিশ অল্লুদু'' (১৯৯৪) তাঁর কর্মজীবনের শেষ কয়েকটি চলচ্চিত্র ছিল। বালাইয়ার ''পুলিশ অল্লুদু''  এবং ''আন্না ভাদিনা'' নামক চলচ্চিত্রে তিনি ব্রহ্মানন্দমের সাথে অভিনয় করেছেন। তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যার মধ্যে কুমারী, দেবদূত, নৃত্যশিল্পী, রাক্ষস, দেবী, ঐতিহ্যবাহী মহিলা এবং মায়ের চরিত্র উল্লেখযোগ্য।