বিষয়বস্তুতে চলুন

পূর্ব ভারত

ভারতপিডিয়া থেকে

পূর্ব ভারত

পূর্ব ভারতের মানচিত্র; ঝাড়খণ্ড ও বিহারকে কখনও কখনও উত্তর ভারতের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।

সময় অঞ্চল আইটিসি (ইউটিসি+৫:৩০)
আয়তন ৪১৮৩২৩ বর্গকিমি
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পশ্চিম বঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, আন্দামান ও নিকোবর
বৃহত্তম শহরসমূহ (২০১৫) কলকাতা, হাওড়া, পাটনা, রাঁচি, জামশেদপুর, ধানবাদ, আসানসোল, শিলিগুড়ি, দুর্গাপুর, ভুবনেশ্বর
সরকারী ভাষাসমূহ বাংলা, সাঁওতালি, মৈথিলি, ওড়িয়া, হিন্দি
জনসংখ্যা ২৬৯২৫১৯৫০
জনঘনত্ব ৫৪০ /বর্গকিমি
জন্মহার ২১.৮
মৃত্যুহার ৯.১৬
নবজাতক মৃত্যুহার ৩৫.৪

পূর্ব ভারত (ইংরেজি: East India) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার,[১] ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের সমন্বয়ে গঠিত অঞ্চল। ভৌগলিকভাবে এটি উত্তর ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারত অঞ্চল দুইটির মাঝে অবস্থিত এবং স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে ভাষাগত ও সংস্কৃতিগতভাবে সম্পর্কিত।

এই অঞ্চলে কথিত ইন্দো-আর্য ভাষাগুলি প্রাচীন মগধ রাজ্যের মাগধী প্রাকৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত; এদের মধ্যে মাগধী ভাষা ও ওড়িয়া ভাষা সবচেয়ে সরাসরি মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়।

দুর্গা ও জগন্নাথ এই অঞ্চলের জনপ্রিয় দেবদেবী। পুরি হিন্দুধর্মের একটি পূর্বাঞ্চলীয় তীর্থকেন্দ্র। ভুবনেশ্বর মন্দিরের শহর হিসেবে খ্যাত।

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা অঞ্চলটির বৃহত্তম মেট্রোপলিটান শহর। তবে ঐতিহাসিকভাবে কলকাতা

ভুবনেশ্বর, কটক ও পুরি এবং বিহারের রাজধানী পাটনা গুরুত্ববাহী।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. ↑ "State Profile"। Bihar Government website। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. ↑ "Food riots, anger as floods swamp South Asia"। Reuters India।