অখিল নেপাল ফুটবল সংঘ
অখিল নেপাল ফুটবল সংঘ (নেপালি: अखिल नेपाल फुटबल सङ्घ, ইংরেজি: All Nepal Football Association; এছাড়াও সংক্ষেপে এনফা নামে পরিচিত) হচ্ছে নেপালের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই সংস্থাটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পর ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে, এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠার ৩ বছর পর ১৯৫৪ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্যপদ লাভ করে। এই সংস্থার সদর দপ্তর নেপালের ললিতপুরে অবস্থিত।
| এএফসি | |
|---|---|
| চিত্র:অখিল নেপাল ফুটবল সংঘ.png | |
| প্রতিষ্ঠিত | ১৯৫১[১] |
| সদর দপ্তর | ললিতপুর, নেপাল |
| ফিফা অধিভুক্তি | ১৯৭২[১] |
| এএফসি অধিভুক্তি | ১৯৫৪[২] |
| সভাপতি | |
| সহ-সভাপতি | |
| ওয়েবসাইট | the-anfa |
এই সংস্থাটি নেপালের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে নেপাল জাতীয় লীগ, নেপাল নারী ফুটবল লীগ এবং আহা! গোল্ড কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। বর্তমানে অখিল নেপাল ফুটবল সংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন কর্মা ছিরিং শের্পা এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ইন্দ্রমান তুলাধর।
কর্মকর্তা সম্পাদনা
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[১]
| অবস্থান | নাম |
|---|---|
| সভাপতি | কর্মা ছিরিং শের্পা |
| সহ-সভাপতি | বীর খড়কা |
| পঙ্কজ নেম্বাং | |
| উপেন্দ্র সিং | |
| কৃষ্ণ থাপা | |
| সাধারণ সম্পাদক | ইন্দ্র মান তুলাধর |
| কোষাধ্যক্ষ | রবীন্দ্র যোশি |
| গণমাধ্যম এবং যোগাযোগ পরিচালক | খড়কা আয়ুশ |
| প্রযুক্তিগত পরিচালক | হ্যারি ফিলিপস |
| ফুটসাল সমন্বয়কারী | জাওয়া লামা |
| জাতীয় দলের কোচ (পুরুষ) | জোহান কালিন |
| জাতীয় দলের কোচ (নারী) | হরি খড়কা |
| রেফারি সমন্বয়কারী | রবীন্দ্র কোজু |
তথ্যসূত্র সম্পাদনা
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ "অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য"। fifa.com (ইংরেজি ভাষায়)। ফিফা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "ASIAN SOCCER FINALS IN SINGAPORE May be used as Olympic series"। The Singapore Free Press। ৫ অক্টোবর ১৯৫৪।"Singapore to Meet Indonesia in Asian Soccer Tourney"। The Straits Times। ১৪ জুন ১৯৫৫।
বহিঃসংযোগ সম্পাদনা
- লুয়া ত্রুটি মডিউল:অফিসিয়াল_ওয়েব এর 90 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)। (ইংরেজি)
- ফিফা-এ অখিল নেপাল ফুটবল সংঘ (ইংরেজি)
- এএফসি-এ অখিল নেপাল ফুটবল সংঘ (ইংরেজি)