Deprecated: Caller from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::selectOne ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385

Deprecated: Caller from MediaWiki\Page\PageProps::getProperties ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস - ভারতপিডিয়া বিষয়বস্তুতে চলুন

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস

ভারতপিডিয়া থেকে
ImportMaster (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১১:৪৬, ৬ মে ২০২০ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস
All India Trinamool Congress
(AITC)
সভাপতিমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মহাসচিবঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
লোকসভায় নেতাসুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
রাজ্যসভায় নেতাডেরেক ও'ব্রায়েন
প্রতিষ্ঠাতামমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রতিষ্ঠা১ জানুয়ারি ১৯৯৮; ২৮ বছর আগে (1998-01-01)
সদর দপ্তর৩০ বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, কলকাতা – ৭০০ ০২৬
সংবাদপত্রজাগো বাংলা (বাংলা)
ছাত্র শাখাসর্বভারতীয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ
যুব শাখাসর্বভারতীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেস
মহিলা শাখাসর্বভারতীয় তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস
শ্রমিক শাখাসর্বভারতীয় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস[]
কৃষক শাখাসর্বভারতীয় তৃণমূল কিষাণ কংগ্রেস
মতাদর্শগণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র
সাম্যবাদ-বিরোধিতা
সামাজিক উদারনীতি
ভারতীয় জাতীয়তাবাদ
সামাজিক গণতন্ত্র[]
স্বীকৃতিজাতীয় দল[]
জাতীয় আহ্বায়কসুখেন্দু শেখর রায়
লোকসভায় আসন
২৩ / ৫৪৫
রাজ্যসভায় আসন
১৩ / ২৪৫
বিধানসভা-এ আসন
২২২ / ২৯৪
ওয়েবসাইট
aitcofficial.org
ভারতের রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (সংক্ষেপে তৃণমূল কংগ্রেস; পূর্বনাম পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস) ভারতের একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভেঙে এই দল প্রতিষ্ঠিত হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান নেত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বাম-শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর সঙ্গে যৌথভাবে ২২৭টি আসনে জয়লাভ করে (এককভাবে ১৮৪টি আসনে) সরকার গঠন করে। এইসময় ভারতের শাসক সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট বা ইউপিএ-এর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু, ২০১২ সালে ইউপিএ থেকে বেরিয়ে আসে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।[] ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাব ২১১টি আসনে জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) পুনরায় সরকার গঠন করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

দল প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নিজস্ব রাজনৈতিক দল হিসেবে 'তৃণমূল কংগ্রেস' প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় নতুন দলটি ভারতের নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হয়। কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসকে "জোড়া ঘাসফুল" প্রতীক দেয়। ১৯৯৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়।

প্রথম দিকের নির্বাচনের ফলাফল[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

১৯৯৮ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৭টি আসন জয় করে।[] ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস ৮টি আসনে জয়ী হয়।[] ২০০০ সালে তৃণমূল কলকাতা পৌরসংস্থায় ক্ষমতায় আসে। ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ৬০টি আসনে জয়লাভ করে।[] ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র একটি আসনে জয়লাভ করে।[] ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল একক ভাবে লড়ে ৩০টি আসনে জেতে। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাথে জোট বেঁধে লড়ে ২০টি আসনে জেতে।

মা-মাটি-মানুষ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মা-মাটি-মানুষ হল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দ্বারা উদ্ভাবিত একটি প্রাথমিক স্লোগান। স্লোগানটি ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় পশ্চিমবঙ্গে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে মমতা ব্যানার্জী একই শিরোনামের একটি বাংলা বইও লেখেন।[] এছাড়াও একটি গানের থিম একই শিরোনাম ধারণ করা হয়েছে। জুন ২০১১ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি সে সময়ে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক স্লোগানের তালিকায় এটি ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল।অভিযোগ রয়েছে, এই স্লোগান এর আগেই বাংলাদেশে প্রচলিত ছিল। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই স্লোগান অনেক আগেই দিয়েছেন। মমতা সেখান থেকে বহুল প্রচলিত স্লোগানটি নকল করেছেন।[১০]

জাগো বাংলা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

জাগো বাংলা হল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস -এর পশ্চিম বঙ্গ শাখার বাংলা মুখপত্র। ২০০৪ সাল থেকে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসাবে এটি প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন শ্রীঞ্জয় বোস। পত্রিকাটি ২০২১ সালের ২১ জুলাই তারিখ থেকে দৈনিক প্রকাশ শুরু হয়।[১১]

কর্মসূচি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

নির্বাচনী ফলাফল[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা।

২০০৯ সালের সাধারণ নির্বাচন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ও তার জোটসঙ্গীরা পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৬টি আসনে জয়লাভ করেছিল। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ১৯টি আসন, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পেয়েছিল ৬টি আসন ও এসইউসিআই পেয়েছিল ১টি আসন।[১২]

২০১০ সালের পৌর নির্বাচন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০১০ সালের কলকাতা পৌরসংস্থার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১৪১টি আসনের মধ্যে ৯৭টি আসনে জয়লাভ করে। এই নির্বাচনে বিধাননগর (সল্টলেক) সহ অধিকাংশ পুরসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে।[১৩]

২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে ২২৭টি আসনে (এককভাবে ১৮৪টি আসনে) জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) সরকার গঠন করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরূপে শপথ গ্রহণ করেন।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ তে, বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সহ অন্যান্য ইস্যুতে সংঘাত ঘটায় তৃণমূল কংগ্রেস ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট বা ইউপিএ-এর থেকে বেরিয়ে আসে।[১৪][১৫]

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০১৪ সালে ভারতের লোকসভার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে লড়ে ৩৪টি আসনে জয়লাভ করে।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে ২১১টি আসনে জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) সরকার গঠন করে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরূপে পুনরায় শপথ পাঠ করেন।[১৬]

দলগত মর্যাদা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ভারতের নির্বাচন কমিশন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসকে একটি জাতীয় দল হিসেবে ঘোষণা করে। কারণ, উক্ত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পাঁচটি আলাদা আলাদা রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ, মণিপুর, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ডঅসম) থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।[১৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. "The Telegraph"। ১৯ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০০৮ 
  2. "why TMC"। ১ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১০ 
  3. "Election Commission of India"। ১৯ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০০৮ 
  4. "Trinamool Congress walks out of UPA coalition"। রয়টার্স। ৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  5. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ১১ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১১ 
  6. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১১ 
  7. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১১ 
  8. [১]
  9. "Ma Mati Manush book"। ১২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৩ 
  10. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ২৬ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  11. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ১৯ জুন ২০০৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১১ 
  12. [২]
  13. "Rupee falls after TMC pulls out from government"। Monetcontrol.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  14. "Mamata's party ready to meet President tomorrow to officially quit UPA"। NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  15. "West Bengal Election Results 2016: TMC storms back to power in Bengal, Cong-Left alliance loses"The Financial Express (India)। ২০ মে ২০১৬। ২০ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৬ 
  16. eci.nic.in/eci_main1/statistical_reportge2014.aspx/

আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]