স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়া
স্থানীয় নাম | ভারতের ইস্পাত কর্তৃপক্ষ |
|---|---|
| ধরন | সরকারি খাতের উদ্যোগসমূহ |
| এনএসই: সেল বিএসই: ৫০০১১৩ টেমপ্লেট:LSE | |
| শিল্প | ইস্পাত |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯ জানুয়ারি ১৯৫৪ |
| সদরদপ্তর | নতুন দিল্লি, ভারত |
প্রধান ব্যক্তি | অনিল কুমার চৌধুরী (সভাপতি)[১] |
| পণ্যসমূহ | ইস্পাত, ফ্ল্যাট ইস্পাত পণ্য, দীর্ঘ ইস্পাত পণ্য, তারের পণ্য, ভারতীয় রেলের জন্য চাকা ও অ্যাক্সেল, প্লেট |
| আয় | |
| মোট সম্পদ | |
| মালিক | ভারত সরকার (৭৪.৯%) |
কর্মীসংখ্যা | ৬৮,৭৪২ (১ জুন ২০২০) |
| ওয়েবসাইট | www.sail.co.in |
স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (সেল) ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্পাত তৈরির সংস্থা। সংস্থাটির সদরদপ্তর ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত। এটি একটি সরকারি খাতের উদ্যোগ, ভারত সরকার দ্বারা পরিচালিত ও মালিকানাধীন সংস্থাটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৬৬,২৬৭ কোটি (মার্কিন ডলার $৯.৩২ বিলিয়ন) টাকা আয় করে। ১৯৭৪ সালের ২৪ জানুয়ারি অন্তর্ভুক্ত সেলে ৬৮,৭৪২ জন কর্মচারী রয়েছে (০১-জুন -২০২০ অনুসারে)। বার্ষিক ১৬.৩০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের উৎপাদনের সেল বিশ্বের ২০তম বৃহত্তম ও ভারতে তৃতীয় বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদনকারী।[৩] সংস্থার গরম ধাতু (হট মেটাল) উৎপাদন ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে বার্ষিক ৫০ মিলিয়ন টনের পর্যায়ে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।[৪] শ্রী অনিল কুমার চৌধুরী সেলের বর্তমান চেয়ারম্যান।
সেল ভিলাই, রাউরকেলা, দুর্গাপুর, বোকারো ও বার্নপুরে (আসানসোল) ৫ টি সুসংহত এবং সালেম, দুর্গাপুর ও ভদ্রাবতীতে ৩ টি মালিকানাধীন বিশেষ ইস্পাত কেন্দ্র পরিচালনা করে। এটি চন্দ্রপুরে একটি ফেরো অ্যালোয় কেন্দ্রেরও মালিক। বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার অংশ হিসাবে, সংস্থাটি সবুজ প্রযুক্তির আধুনিকতম অবস্থা উপর জোর দিয়ে নতুন সুবিধাগুলি আপগ্রেড ও নির্মাণের সাথে জড়িত একটি বিশাল সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে চলছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুসারে, সেল ভারতের দ্রুত বর্ধমান সরকারি খাতের ইউনিটগুলির মধ্যে একটি। এছাড়াও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সংস্থার একটি লোহা ও ইস্পাতের (আরডিসিআইএস) গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে।[৫]
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
১৯৫৯–১৯৭৩[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
সেলের উৎপত্তি ১৯৫৪ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হিন্দুস্তান স্টিল লিমিটেড (এইচএসএল) থেকে হয়। এইচএসএল প্রথমে রাউরকেলায় কেবলমাত্র একটি কেন্দ্র পরিচালিত করার জন্য নকশা করা হয়।
ভিলাই ও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা জন্য প্রাথমিক কাজটি লৌহ ও ইস্পাত মন্ত্রক সম্পূর্ণ করে। ১৯৫৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে ইস্পাত কেন্দ্র দুটির তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণও হিন্দুস্তান স্টিলকে স্থানান্তর করা হয়। নিবন্ধিত কার্যালয়টি মূলত নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ছিল। এটি ১৯৫৬ সালের জুলাই মাসে কলকাতায় চলে আসে এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে রাঁচিতে স্থানান্তরিত হয়।
বোকারোতে ইস্পাত কারখানা নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য ‘বোকারো স্টিল লিমিটেড’ (বোকারো ইস্পাত কারখানা) নামে একটি নতুন ইস্পাত সংস্থা ১৯৬৪ সালের ২৯ জানুয়ারি[৬][৭] প্রতিষ্ঠিত হয়। ভিলাই এবং রাউরকেলা ইস্পাত কারখানার ‘১ এমটি পর্যায়’ ১৯৬১ সালের ডিসেম্বর মাসে সম্পূর্ণ হয়। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ‘১ এমটি পর্যায়’টি চাকা ও অক্ষ কারখানা (হুইল ও অ্যাক্সেল কারখানা) চালু হওয়ার পরে ১৯৬২ সালের জানুয়ারি মাসে সম্পূর্ণ হয়। এইচএসএল-এর অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন ১.৫৮ এমটি (১৯৫৯-৬০) থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১.৬ এমটি হয়। ভিলাই ইস্পাত কারখানার দ্বিতীয় ধাপটি ওয়্যার রড মিল চালু হওয়ার পরে ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সম্পূর্ণ শেষ হয়। রাউরকেলার ১.৮ এমটি পর্যায়ের শেষ ইউনিট ‘ট্যান্ডেম মিল’ ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চালু হয় এবং দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার ১.৬ এমটি পর্যায়ে এসএমএস ফার্নেস চালু হওয়ার পরে ১৯৬৯ সালের আগস্টে সম্পন্ন হয়। এইভাবে, ভিলাইয়ের ২.৫ এমটি পর্যায়টি সমাপ্ত হওয়ার সাথে সাথে, রাউরকেলায় ১.৮ এমটি ও দুর্গাপুরে ১.৬ এমটি সম্পূর্ণ হয় এবং এইচএসএল-এর মোট অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৬৮–৬৯ সালে ৩.৭ এমটি এবং পরবর্তীকালে ১৯৭২–৭৩ সালে ৪ এমটিতে উন্নীত হয়।[৮] ‘আইআইএসসিও’কে ১৯৭৮ সালে সহায়ক সংস্থা হিসাবে নেওয়া হয় এবং পরে ২০০৬ সালে সংযুক্ত করা হয়।
প্রধান ইউনিট[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]


সেলের সংহত ইস্পাত কারখানা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- রাউরকেলা ইস্পাত কারখানা (আরএসপি) ওড়িশায় জার্মানির সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় (ভারতে সরকারি খাতের প্রথম সংহত ইস্পাত কারখানা, ১৯৫৯)
- ভিলাই ইস্পাত কারখানা (বিএসপি) ছত্তিশগড়ে সোভিয়েতের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় (১৯৫৯)
- দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট (ডিএসপি) পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় (১৯৬৫)
বিশেষ ইস্পাত কারখানা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট (এএসপি) পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে অবস্থিত, কারখানাটি ভারতীয় অর্ডানেন্স কারখানায় বিশেষ ইস্পাত সরবরাহ করে।[৯][১০]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ "Anil Kumar Chaudhary takes charge as SAIL chairman"। economictimes.indiatimes.com। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ "SAIL Financial Statements"। CNBC TV18। ৩০ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ India on its way to be the second largest producer of steel। "India on its way to be the second largest producer of steel"। The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ [১]
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ History of India’s Steel Industry
- ↑ Bokaro Steel Plant - Bokaro District ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে
- ↑ "Background & History"। Steel Authority of India Ltd.। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৪।
- ↑ https://economictimes.indiatimes.com/news/defence/asp-organises-meet-on-need-for-special-steel-products-for-defence-sector/articleshow/53457901.cms?from=mdr
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ১৫ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।