আগ্রা বিমানবন্দর
আগ্রা বিমানবন্দর | |||||
|---|---|---|---|---|---|
![]() | |||||
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |||||
| বিমানবন্দরের ধরন | সামরিক / সর্বজনীন | ||||
| পরিচালক | ভারতীয় বিমানবাহিনী / ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ | ||||
| অবস্থান | আগ্রা, উত্তরপ্রদেশ, ভারত | ||||
| এএমএসএল উচ্চতা | ৫৫১ ফুট / ১৬৭.৯৪ মিটার | ||||
| স্থানাঙ্ক | লুয়া ত্রুটি মডিউল:স্থানাঙ্ক এর 545 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)। | ||||
| মানচিত্র | |||||
| লুয়া ত্রুটি মডিউল:অবস্থান_মানচিত্ এর 393 নং লাইনে: স্থানাঙ্কের মান বিকৃত। | |||||
| [[রানওয়ে|টেমপ্লেট:Font color]] | |||||
| টেমপ্লেট:তথ্যছক বিমানবন্দর/উপাত্ত ছক | |||||
| পরিসংখ্যান (এপ্রিল ২০১৭ - মার্চ ২০১৮) | |||||
| |||||
আগ্রা বিমানবন্দর (আইএটিএ: এজিআর, আইসিএও: ভিআইএজি) [৪] ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের অন্তর্গত আগ্রা শহরের একটি সামরিক বিমানঘাঁটি ও জনসাধারণের জন্য ব্যবহৃত বিমানবন্দর। বিমানবন্দরে অবস্থিত বিমানবাহিনীর কেন্দ্রটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) সর্ববৃহৎ বিমানঘাঁটিগুলির মধ্যে অন্যতম এবং অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে তাজমহলের পাশাপাশি আগ্রার একটি পরিচিত স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে। ২০০৭ সালের ১৫ আগস্ট এই বিমানঘাঁটি তার ৬০তম বার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে 'রয়্যাল এয়ার ফোর্সেস স্টেশন আগ্রা' নামে এই বিমানঘাঁটির সূচনা হয় এবং এখানে বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ ছিল। তবে যুদ্ধের পর এটি বন্ধ হয়ে যায় এবং রয়্যাল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স (আরআইএএফ) -এর কাছে হস্তান্তরিত হয়। এর পরবর্তীকালে 'রয়্যাল' উপসর্গটি বাদ পড়ে স্টেশনটির পুনরায় নামকরণ করা হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট 'এয়ার ফোর্স স্টেশন আগ্রা' স্থাপন করা হয় এবং উইং কমান্ডার শিবদেব সিংয়ের নেতৃত্বে আনা হয়, যিনি ছিলেন ১২ নম্বর স্কোয়াড্রনের অধিনায়ক। তারপর সেই সময়ের কমান্ডের ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে ঘাঁটিটি ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের (ডব্লুএসি) অধীনে আসে। পরবর্তী দুই দশক ধরে ঘাঁটিটি ওই কমান্ডের অধীনে থাকে। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে এটি সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ড (সিএসি) -এ স্থানান্তরিত হয়, যেখানে এটি আজও রয়ে গেছে।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ ৬০ বছরের ইতিহাসে এই ঘাঁটিটি সাক্ষী আছে C-47 Dakotas, C-119 Packets, HS 748 'Avros', AN-12s, AN-32s, IL-76s, Canberras, IL-78 MKI জাতীয় বিমানের এবং বর্তমানে Airborne Early Warning and Control/AWACS-এর।
বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিষেবায় উড্ডয়নরত অবস্থায় বিমানে তেল ভরার জন্য সর্বপ্রথম এয়ারক্রাফট স্কোয়াড্রন রাখার অধিকার অর্জন করেছে। এটি হল IL-78MKI-জাতীয় বিমান ট্যাঙ্কারের ৭৮ নম্বর ‘Mid Air Refuelling Squadron’ বা MARS Squadron।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় United States Army Air Forces Air Technical Command আগ্রায় ‘আগ্রা এয়ার ডিপো’ নামে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহ কেন্দ্র স্থাপন করে। 3rd Air Depot Group চিনে Fourteenth Air Force, বার্মায় মিত্রশক্তির স্থলবাহিনী এবং Tenth Air Force-দের বহু যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং পরিবহন বিমানের মেরামতির কাজ করেছিল।এয়ার ট্রান্সপোর্ট কমান্ড-এর পণ্যবাহী বিমানের দ্বারা হিমালয় পর্বতমালার ওপর দিয়ে চিনের ফরোয়ার্ড এয়ারফিল্ডে মাল সরবরাহের জন্য এই ডিপোতে বিশাল পরিমাণে পণ্য মজুত ছিল। এই কেন্দ্রটি এটিসি করাচি-কুনমিং বিমান পরিবহন পথের একটি প্রধান বিরতিস্থল ছিল। আর্নেস্ট গানের লেখা ফেট ইজ দ্য হান্টার গল্পের একটি অধ্যায়ে এই বিমানঘাঁটির উল্লেখ রয়েছে।
উন্নয়ন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
"নর্থ ৫০ স্কোয়াড্রন, আইএএফ"কে নতুন অন্তর্ভুক্ত করা ব্যারিভ এ -৫০ এ / ই এয়ারবোর্নি আর্লি সতর্কীকরণ ও কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএএস) দ্বারা বিমানের পরিচালনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এডব্লুএসিএস উন্নত এভিয়েশন এবং টেলিযোগাযোগ সিস্টেমগুলির সাথে বিশেষভাবে পরিকল্পিত আইএল -৭৬-এ বসানো হয়েছে।
বিমানসংস্থা এবং গন্তব্যস্থল[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "বিমানবন্দরের গন্তব্যস্থলের তালিকা" নামক কোনো মডিউল নেই।
তাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
উত্তরপ্রদেশে পর্যটনের প্রয়োজনীয়তা ত্বরান্বিত করার জন্য একটি নতুন গ্রীনফিল্ড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রস্তাবিত হয়, তাজমহলটি এই প্রকল্পের প্রধান অগ্রাধিকার হিসাবে আগ্রার তাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পটি রাজ্য সরকারের সাথে যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে। বিশ্বের সবচেয়ে দর্শনীয় পর্যটক হল তাজমহল। কনটেস্টিয়াম অফ রিয়েস লিমিটেড এবং কেপিএমজি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড, এই প্রকল্পটির জন্য নির্বাচিত পরামর্শদাতা, ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনায় অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন কমিশনার (আইআইডিসি), অনিল কুমার গুপ্তের কাছে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে। কনসালট্যান্টসকে বলা হয়েছে বর্তমান আর্থিক বছরের শেষে সেরা উপযুক্ত স্থান চিহ্নিত করা হবে। প্রকল্পের স্থানটি একটি পদ্ধতিতে নির্বাচন করা হবে যাতে কোনও বাধা ছাড়াই বাস্তবায়ন এবং অনুমোদনের জন্য অনুমোদনগুলি সহজেই করা যায়। প্রকল্পের প্রারম্ভিক মেয়াদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর মাধ্যমে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করা হবে, সরকার প্রশাসনের সব স্তরের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তাজমহলের কাছে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের ফলে পর্যটক প্রবাহ বাড়বে, নতুন বিমানবন্দরটি এই অঞ্চলের ভ্রমনকারী উদ্যোক্তাদের, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের চাহিদা পূরণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু যদি ঠিক থাকে তবে ৪ থেকে ৫ বছর পর আগ্রার একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থাকবে। [৫]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ "Traffic News for the month of মার্চ 2018: Annexure-III" (PDF)। Airports Authority of India। ১ মে ২০১৮। পৃষ্ঠা 3। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮।
- ↑ "Traffic News for the month of মার্চ 2018: Annexure-II" (PDF)। Airports Authority of India। ১ মে ২০১৮। পৃষ্ঠা 3। ১ মে ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮।
- ↑ "Traffic News for the month of মার্চ 2018: Annexure-IV" (PDF)। Airports Authority of India। ১ মে ২০১৮। পৃষ্ঠা 3। ১ মে ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮।
- ↑ https://m.hindustantimes.com/lucknow/agra-gorakhpur-airport-terminals-named-after-upadhyay-gorakhnath/story-2NGz68S76NPKebOmdopcBJ.html
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২০১৩-০৯-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-২২।
