আজিজুর রহমান উসমানি
মুফতিয়ে আজম আজিজুর রহমান উসমানি | |
|---|---|
| প্রথম প্রধান মুফতি, দারুল উলুম দেওবন্দ | |
| কাজের মেয়াদ ১৮৯০ – ১৯২৭ | |
| উত্তরসূরী | ইজাজ আলী আমরুহী |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| মৃত্যু | ১৯২৮ দেওবন্দ, ব্রিটিশ ভারত |
আজিজুর রহমান উসমানি একজন ভারতীয় সুন্নি মুসলিম পণ্ডিত, যিনি দারুল উলুম দেওবন্দের প্রথম প্রধান মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।[১] তিনি তাঁর “ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দের” জন্য সর্বাধিক পরিচিত। শাব্বির আহমেদ উসমানি তাঁর ভাই ছিলেন।[২][৩]
জীবনী[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
উসমানি ১২৭৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৯৫ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে স্নাতক লাভ করেন। তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ কাসেম নানুতুবি,[৪] মাহমুদুল হাসান এবং মুহাম্মদ ইয়াকুব নানুতুবি। তিনি মুহাম্মদ রফি উদ্দিনের শিষ্য ছিলেন।[৫]
উসমানি দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইফতার প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম প্রধান মুফতি হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ১৯২৭ পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন, পরে তিনি দাভেলে চলে যান। জাফিরউদ্দীন মিফতাহি তাঁর ফিকহ সংক্রান্ত বিধিগুলি বারো খণ্ডে সংকলিত করেছেন এবং ১৯৬২ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে “ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ” নামে প্রকাশ করেন।[৬][৭] মুহাম্মদ শফি উসমানি নির্বাচিত ফতোয়া নিয়ে আরেকটি সংকলন বের করেছিলেন আজিজ আল-ফাতাওয়া নামে।[৮] সৈয়দ মেহবুব রিজভীর মতে, উসমানি ১৩৩০ থেকে ১৩৪৬ হিজরীর মধ্যে ৩৭,৫৬১ টি ফতোয়া দিয়েছিলেন।
উসমানি ১৯২৭ সালে আনোয়ার শাহ কাশ্মিরির সাথে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে পদত্যাগ করেন এবং জামিয়া ইসলামিয়া তালিমুদ্দিন দাভেলে চলে আসেন এবং সেখানে সহিহ আল বুখারী পড়ান। দাভেলে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং তিনি দেওবন্দে ফিরে আসেন, সেখানে ১৯২৮ সালে তিনি মারা যান। তাঁর জানাজার নামাযে ইমামতি করেন সৈয়দ আসগর হোসাইন দেওবন্দী এবং দারুল উলুমের কাসেমি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।[৪]
উসমানি দারুল উলূম দেওবন্দের প্রধান মুফতি উপাধিসহ ভারতের প্রধান মুফতি উপাধি লাভ করেছিলেন।[৪]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ Adrawi, Asir। "Mufti Aziz-ul-Rahman Usmani"। Tazkirah Mashaheer-e-Hind: Karwan-e-Rafta (اردو ভাষায়) (এপ্রিল ২০১৬ সংস্করণ)। দারুল মুয়ালিফীন। পৃষ্ঠা ১৯৭–১৯৮।
- ↑ তামিম, আবু (২০১১)। "ইসলামি আইনশাস্ত্রে আজিজুর রহমান উসমানির অবদান"। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়।
- ↑ উসমানী, মুফতি তাকি। "Hadhrat Mufti Aziz-ul-Rahman Saheb"। Akabir-e-Deoband Kya They (اردو ভাষায়) (মে ১৯৯৫ সংস্করণ)। জমজম বুক ডিপো। পৃষ্ঠা ৬৩–৬৮।
- ↑ ৪.০ ৪.১ ৪.২ Muhammad Tayyib, Qari। 50 Misaali Shaksiyaat (اردو ভাষায়) (জুলাই ১৯৯৯ সংস্করণ)। মক্তবা ফয়েজ-আল-কুরআন। পৃষ্ঠা ১১০-১১৩।
- ↑ Deobandi, Syed Muhammad Miyan। "Hadhrat Allama Ustadh Mawlana Aziz al-Rahman Mufti-e-Azam Darul Uloom Deoband"। Ulama-e-Haq awr Unke Mujahidana Karname (اردو ভাষায়)। ফয়সাল ইন্টারন্যাশনাল। পৃষ্ঠা ১৮১। আইএসবিএন 81-86971-94-7।
- ↑ Nur Alam Khalil Amini। Pas-e-Marg-e-Zindah (اردو ভাষায়)। ইদারা ইলম-ও-আদাব। পৃষ্ঠা ৯৩০–৯৩১।
- ↑ স্টিফেন্স, জুলিয়া (২১ জুন ২০১৮)। Governing Islam: Law, Empire, and Secularism in Modern South Asia (English ভাষায়)। আইএসবিএন 9781107173910। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২০।
- ↑ Aftab Ghazi Qasmi; Abdul Haseeb Qasmi। Fuzala-e-Deoband Ki Fiqhi Khidmat (দেওবন্দের স্নাতকদের ফিকহ পরিষেবা) (اردو ভাষায়) (ফেব্রুয়ারি ২০১১ সংস্করণ)। কুতুব খানা নাইমিয়া। পৃষ্ঠা ১১৭–১১৮।
গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- রিজভি, সৈয়দ মেহবুব। তারিখ দারুল উলুম দেওবন্দ (১৯৮১ সংস্করণ)। দারুল উলুম দেওবন্দ।