আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা
| থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা | |
|---|---|
| থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে আইএইএ এর পতাকা | |
| সংস্থার ধরন | জাতিসংঘের সংস্থা |
| সংক্ষিপ্ত নাম | আইএইএ |
| প্রধান | |
| মর্যাদা | কার্যকর |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৫৭ |
| প্রধান কার্যালয় | |
| ওয়েবসাইট | www.iaea.org |
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) (ইংরেজি: International Atomic Energy Agency (IAEA)) বিশ্বে পরমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং সামরিক উদ্দেশ্যে এর ব্যবহার রোধকল্পে কাজ করে থাকে। এই সংস্থাটি ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত। যদিও জাতিসংঘের অধীনে স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত,[১] বর্তমানে সংস্থাটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ - উভয় পরিষদেই এটি এর কার্যক্রম পেশ করে।
আইএইএ-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে অবস্থিত। এর দুইটি আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, এর একটি কানাডার টরন্টোতে এবং অন্যটি জাপানের টোকিওতে। এছাড়া নিউ ইয়র্ক এবং জেনেভাতে দুইটী মৈত্রী অফিস রয়েছে। আইএইএ তিনটি ল্যাবরেটরিতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে; এগুলো ভিয়েনা, সাইবার্সডোর্ফ এবং মোনাকোতে অবস্থিত।
আইএইএ একটি আন্তসরকার ফোরাম হিসেবে কাজ করে। এখানে বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক, কারিগরী গবেষণা কার্য পরিচালিত হয়। আইএইএ-এর কার্যসূচীর উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে উৎসাহিত করা ও পারমাণবিক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ। এছাড়া পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক নিরাপত্তাবিষয়ক বিভিন্ন মানদণ্ড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করাও আইএইএ-এর উদ্দেশ্য।
৭ অক্টোবর, ২০০৫ তারিখে আইএইএ এবং এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে রয়েছেন জাপানের অধিবাসী ইউকিয়া আমানো।
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পারমাণবিক বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব করেন। ঐ বছর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অ্যাটমস ফর পিস-শীর্ষক বক্তৃতায় তিনি এই প্রস্তাব করেন। ১৯৫৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাধারণ অধিবেশনে এটি গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব করে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আহবান করে।
মহাপরিচালকদের তালিকা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
| নাম | জাতীয়তা | কার্যকাল |
|---|---|---|
| ডব্লিউ স্টার্লি কোল | ১৯৫৭-১৯৬১ | |
| সিগভার্ড একল্যান্ড | ১৯৬১–১৯৮১ | |
| হ্যান্স ব্লিক্স | ১৯৮১–১৯৯৭ | |
| মোহাম্মদ এল বারাদি | ১৯৯৭-২০০9 | |
| ইউকিয়া আমানো | ডিসেম্বর ২০০৯-বর্তমান |
|রাফায়েল ম্যারিয়ানা গ্রোসি||টেমপ্লেট:আর্জেন্টিনা||ডিসেম্বর ২০১৯-বর্তমান|}
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার অয়েবসাইট
- আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পারমাণবিক জ্ঞান ও তথ্য সম্পর্কিত পোর্টাল
- ফিশিয়াল IAEA ইউটিউব চ্যানেল
- In ফোকাসঃ IAEA এবং ইরান
- IAEA বুলেটিন ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে
- আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রথম ৪০ বছরের ইতিহাস, ডেভিড ফিসার, ১৯৯৭, আইএসবিএন ৯২-০-১০২৩৯৭-৯
- চিত্রে বিধৃত ইতিহাসঃ শান্তির জন্য পরমাণু[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ], আইএসবিএন ৯৭৮-৯২-০-১০৩৮০৭-৪
- ক্যান্সার থেরাপি কার্যক্রম প্রোগ্রাম (PACT)
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে ভারতপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |