ইহুদি ধর্ম

ভারতপিডিয়া থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
ইহুদিধর্ম
যিহূদীধর্ম
יַהֲדוּת
Yahadut
Judaica.jpg
যিহূদাইকা (উপর থেকে দক্ষিণাবর্তে): বিশ্রামদিনের মোমবাতিদান, হাত ধোয়ার পেয়ালা, খুমশতানাখ, তোরাহ ইয়াদ, শোফার এবং এত্রোগ
ধরননৃগোষ্ঠীয় ধর্ম[১]
প্রকারভেদইব্রাহিমীয়
ধর্মগ্রন্থতানাখ
ধর্মতত্ত্বএকেশ্বরবাদী
নেতাইহুদি নেতৃত্ব
আন্দোলনইহুদি ধর্মীয় আন্দোলনসমূহ
Associationsইহুদি ধর্মীয় সংগঠনসমূহ
অঞ্চলইসরায়েলের প্রধান ধর্ম এবং বিশ্বব্যাপী সংখ্যালঘু ধর্ম হিসেবে বিস্তৃত
ভাষাশাস্ত্রীয় ইব্রীয়[২]
সদর দপ্তরযিরূশালেম (সিয়োন)
প্রতিষ্ঠাতাঅব্রাহাম[৩][৪]
উৎপত্তিখ্রীষ্টপূর্ব ২০শ–১৮শ শতাব্দী[৩]
যিহূদা
মেসোপটেমিয়া[৩]
Separated fromইয়াহ্‌ওয়েহ্‌বাদ
সন্ন্যাস সংঘইহুদি ধর্মীয় সম্প্রদায়সমূহ
সদস্যআনু. ১৪–১৫ মিলিয়ন[৫]
Ministersরব্বিগণ

ইহুদিধর্ম বা যিহূদীধর্ম[৬] (হিব্রু ভাষায়: יַהֲדוּת‎, Yahadut)[৭][৮][৯][১০] হল একটি ইব্রাহিমীয়, একেশ্বরবাদী ও নৃগোষ্ঠীয় ধর্ম যা ইহুদি জাতির সামষ্টিক ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং আইনগত ঐতিহ্য ও সভ্যতাকে ধারণ করে।[১১][১][১২] এটি ব্রোঞ্জ যুগে মধ্যপ্রাচ্যে একটি সংগঠিত ধর্ম হিসেবে উৎপত্তিলাভ করে।[১৩] আধুনিক ইহুদিধর্ম প্রায় ৫০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে প্রাচীন ইস্রায়েল ও যিহূদার ধর্ম ইয়াহ্‌ওয়েহ্‌বাদ থেকে বিবর্ধিত হয়।[১৪] ফলে এটিকে অন্যতম প্রাচীন একেশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[১৫][১৬] ধার্মিক ইহুদিরা ইহুদিধর্মকে তাদের পূর্বপুরুষ ইস্রায়েলীয়দের সঙ্গে ঈশ্বরের স্থিরকৃত নিয়মের বহিপ্রকাশ বলে গণ্য করে।[১৭] এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিস্তৃত গ্রন্থাবলি, অনুশীলন, ধর্মতাত্ত্বিক অবস্থান এবং সাংগঠনিক রূপ।

তোরাহ হল তানাখ বা হিব্রু বাইবেল নামে পরিচিত বৃহত্তর পাঠ্যের অংশ এবং মিদ্রাশতালমুদের মতো পরবর্তী পাঠ্য এর সম্পূরক মৌখিক ঐতিহ্যটির প্রতিনিধিত্ব করে। ইহুদিধর্মের গ্রন্থাবলি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধসমূহ খ্রিস্টধর্মইসলামসহ পরবর্তী ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।[১৮][১৯] হেলেনীয় ধর্মের মতো ইব্রীয়বাদ প্রারম্ভিক খ্রিস্টধর্মের একটি মূল পটভৌমিক উপাদান হিসাবে এর প্রভাবের মাধ্যমে পশ্চিমা সভ্যতা গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।[২০]

জন্মগত ইহুদি ও ধর্মান্তরিত ইহুদিসহ ইহুদিরা একটি নৃধর্মীয় গোষ্ঠী।[২১] ২০১৯ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুসারে বিশ্বে ইহুদি জনসংখ্যা ১৪.৭ মিলিয়ন বা মোট বৈশ্বিক জনসংখ্যার ০.২৫%।[২২][২৩] ইহুদিদের প্রায় ৪৬.৯% ইসরায়েলে এবং ৩৮.৮% যুক্তরাষ্ট্রকানাডায় বসবাস করে, বাকিদের অধিকাংশ বসবাস করে ইউরোপে এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর বসবাস লাতিন আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকাঅস্ট্রেলিয়া জুড়ে।[২৪] পৃথিবীব্যাপী ১৪.৫ থেকে ১৭.৪ মিলিয়ন অনুসারী নিয়ে[২৫] ইহুদিধর্ম বিশ্বের দশম বৃহত্তম ধর্ম।

ধারণাগত সমিলতা থেকে ধর্মতাত্ত্বিকগণ মনে করেন যে, ইহুদিধর্মের ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে খ্রিস্টধর্ম, ইসলাম ও দ্রুজ, বাহা'ইধর্ম প্রভৃতি অব্রাহামীয় ধর্ম। এই ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ হিসেবে পুরাতন নিয়ম-এর প্রথম পাঁচটি বইকে গণ্য করা হয়: আদিপুস্তক, যাত্রাপুস্তক, লেবীয় পুস্তক, গণনাপুস্তক, এবং দ্বিতীয় বিবরণ। এই পাঁচটি বইকে একত্রে "তোরাহ" বলা হয়ে থাকে। 'তোরাহ' শব্দটির অর্থ ' আইন '।

ইহুদি বিশ্বাসমতে ঈশ্বর এক, আর তাঁকে যিহোভাহ (Jehovah, YHWH) নামে আখ্যায়িত করা হয়। মোশি হলেন ঈশ্বরের একজন বাণীবাহক। ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের মতোই ইহুদিগণ পূর্বতন সকল বাণীবাহককে বিশ্বাস করে, এবং মনে করে মালাখি সর্বশেষ[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বাণীবাহক। ইহুদিগণ যিশুকে ঈশ্বরের বাণীবাহক হিসেবে অস্বীকার করলেও, খ্রিস্টানগণ ইহুদিদের সবগুলো ধর্মগ্রন্থ নিজেদের ধর্মগ্রন্থ হিসেবে মান্য করে থাকেন এবং পুরাতন নিয়ম হিসাবে অভিহিত করে।

'ইহুদি' শব্দটি এসেছে শব্দ 'ইয়াহুদা' থেকে যিনি ছিলেন নবী মোশির পূর্বপুরুষ ও ইয়াকুব এর পুত্র ও নবী ইউসুফ এর বড় ভাই ৷ তবে ইহুদি শব্দের শাব্দিক অর্থ হয় ‘প্রশংসাকারী’, এখানে ঈশ্বরের প্রশংসাকারী। যদিও এ ধর্মের প্রবর্তক মুসা কিন্তু ইহুদিরা বলেন এ ধর্মের প্রবর্তক আব্রাহাম ৷ ইহুদি ধর্মের বয়স প্রায় ৪০০০ বছর । ইহুদীদের ধর্মযাজককে ‘রাব্বাই' (গুরু) বলা হয়। ইহুদিধর্মকে সেমেটিক ধর্ম হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

প্রায় ২০০০ বছরের ইতিহাসে ইহুদি জনগণ এবং ইহুদি ধর্মের সবচেয়ে লক্ষ্যণীয় দিক ছিল এর অভিযোজন এবং অবিচ্ছিন্নতা। প্রাচীন মিশর বা ব্যাবিলনিয়া সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে আধুনিক পশ্চিমা খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী এবং আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর সাথে মিথস্ক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়তে হয়েছে ইহুদিবাদকে। প্রতিটি গোষ্ঠী এবং মতাদর্শ থেকে বেশ কিছু জিনিস ইহুদি সমাজ-ধর্মীয় কাঠামোতে যুক্ত হয়েছে, কিন্তু তাদের প্রাচীন ঐতিহ্যও কখনও ক্ষূণ্ন হয় নি। এভাবেই একদিকে অভিযোজিত হয়েছে এই ধর্মটি এবং অন্যদিকে তার মৌলিক ঐতিহ্যকে অটুট রেখেছে। এ কারণে যেকোন সময়ের ইহুদি ঐতিহ্য তার পূর্বের সকল ইহুদি ঐতিহ্যের সমন্বয় হিসেবে দেখা দিয়েছে। কোন এক যুগে যত অভিনবত্ব বা বিবর্তনই আসুক না কেন ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে সবসময়ই প্রাচীনত্ব বজায় রেখেছে ইহুদিরা।

ইহুদি ধর্মের মূল শিক্ষা প্রায় সবসময়ই একেশ্বরবাদকে করে আবর্তিত হয়েছে। ইহুদিদের মধ্যে অনেক শ্রেণী-উপশ্রেণী থাকলেও এই একটি বিষয়ে কারও মধ্যে দ্বিমত নেই। সবাই এক বাক্যে কেবল এক ঈশ্বরকে মেনে নেয়। একেশ্বরবাদ প্রকৃতপক্ষে সার্বজনীন ধর্মের ধারণা দেয় যদিও এর সাথে কিছুটা স্বাতন্ত্র্যবাদ (particularism) যুক্ত রয়েছে। প্রাচীন ইসরায়েলে এই স্বাতন্ত্র্যবাদ নির্বাচনের রূপ নিয়েছিল। নির্বাচন বলতে ঈশ্বর কর্তৃক মানুষের মধ্য থেকে কাউকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করাকে বোঝায়। সেই তখন থেকেই ইহুদিরা মনে করতো, ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে একটি পূর্বপরিকল্পিত চুক্তিপত্র (কোভেন্যান্ট) থাকতে বাধ্য; সবাইকে এই চুক্তিপত্র মেনে চলতে হবে; না চললে পরকালে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। ইহুদিদের এই চিন্তাধারার সাথে মশীহবাদ এর সুন্দর সমন্বয় ঘটেছিল।

সংজ্ঞায়ক বৈশিষ্ট্য ও বিশ্বাসমালা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মূলনীতি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বিশ্বাসের ১৩ নীতিমালা:
  1. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা ও শাসক; তিনি একাই মহাবিশ্বের সবকিছু তৈরি করেছিলেন, করেন ও করবেন।
  2. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—এক; এবং তাঁর একত্বের মতো কোনোরূপ একত্ব নেই; এবং শুধু তিনিই আমাদের ঈশ্বর, যিনি ছিলেন, আছেন ও থাকবেন৷
  3. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—নিরাকার; এবং তিনি সমস্ত বস্তুগত বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত; এবং তাঁর সঙ্গে কোনোকিছুর তুলনা হতে পারে না।
  4. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—প্রথম ও শেষ।
  5. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—একাই উপাসনার যোগ্য, এবং অন্য কোনো সত্তা আমাদের উপাসনার যোগ্য নয়।
  6. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, নবীদের সব কথাই সত্য।
  7. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের রব্বি মোশির (মুসা)—তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক—নবুয়ত সত্য ছিল; এবং তিনি ছিলেন তাঁর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী নবীদের মধ্যে প্রধান।
  8. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সমগ্র তোরাহ যা এখন আমাদের কাছে আছে তা অবিকৃত ও একই রয়েছে যেভাবে আমাদের রব্বি মোশির—তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক—প্রতি নাজিল হয়েছিল।
  9. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এই তোরাহের কোনো পরিবর্তন হবে না, এবং সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—অন্য কোনো তোরাহ [বা নিয়ম] প্রদান করবেন না।
  10. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—মানুষের সকল কাজ ও চিন্তাভাবনা সম্বন্ধে অবগত, যেমন বলা হয়েছে: “তিনিই দান করেন তাদের চিন্তাশক্তি, লক্ষ্য করেন তাদের সকল কার্যকলাপ (গীতসংহিতা ৩৩:১৫)।”
  11. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সৃষ্টিকর্তা—ধন্য তাঁর নাম—যারা তাঁর আদেশ পালন করে তাদের পুরস্কৃত করেন এবং যারা আদেশ লঙ্ঘন করে তাদের শাস্তি দেন।
  12. আমি মশীহের আগমনে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; এবং যদিও তাঁর আসতে দেরি হতে পারে, আমি প্রতিদিন তাঁর আগমনের প্রতীক্ষা করি।
  13. আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এক সময় মৃতদের পুনরুত্থান ঘটবে যখন সেই সময়কাল সৃষ্টিকর্তাকে—ধন্য তাঁর নাম—খুশি করবে, এবং তাঁর স্মরণ চিরকালের জন্য উন্নীত হবে।

মুসা বিন মৈমুন[২৬][২৭]

ধর্মগ্রন্থ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ইহুদি পরিচয়[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ইহুদি ধর্মীয় আন্দোলন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ইহুদিধর্ম ও অন্যান্য ধর্ম[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

সমালোচনা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ Jacobs 2007, পৃ. 511 quote: "Judaism, the religion, philosophy, and way of life of the Jews."।
  2. Sotah 7:2 with vowelized commentary (עברית ভাষায়)। New York। ১৯৭৯। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৬, ২০১৭ 
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ Mendes-Flohr 2005
  4. Levenson 2012, পৃ. 3।
  5. Dashefsky, Arnold; Della Pergola, Sergio; Sheskin, Ira, সম্পাদকগণ (২০১৮)। World Jewish Population (PDF) (প্রতিবেদন)। Berman Jewish DataBank। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৯ 
  6. বাইবেলীয় বানানরীতি
  7. Jacobs 2007, পৃ. 511।
  8. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; bibleinterp_mason3 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; askoxford8 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. "Judaism | Origin and meaning of judaism by Online Etymology Dictionary" 
  11. টেমপ্লেট:JewishEncyclopedia
  12. Schiffman 2003, পৃ. 3।
  13. "History of Judaism until 164 BCE"History of Judaism। BBC। 
  14. David P Mindell (৩০ জুন ২০০৯)। The Evolving World। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 224। আইএসবিএন 978-0-674-04108-0 
  15. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Religion & Ethics – Judaism নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  16. Religion: Three Religions, One God PBS
  17. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Knowledge Resources: Judaism নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  18. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Islam, Judaism, and Christianity: Theological and Historical Affiliations নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  19. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; The Historical Muhammad নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  20. Cambridge University Historical Series, An Essay on Western Civilization in Its Economic Aspects, p.40: Hebraism, like Hellenism, has been an all-important factor in the development of Western Civilization; Judaism, as the precursor of Christianity, has indirectly had had much to do with shaping the ideals and morality of western nations since the christian era.
  21. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Ethnoreligious নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  22. Berman Jewish Data Bank। "World Jewish Population, 2019" (PDF)jewishdatabank.org। Berman Jewish Data Bank, Number 26, 2019। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২১ 
  23. Sergio DellaPergola, “World Jewish Population, 2019,” in Arnold Dashefsky and Ira M. Sheskin (eds.), The American Jewish Year Book, 2019, Volume 119. Dordrecht: Springer, (2020)। "Countries with the Largest Jewish Population (2019)"jewishvirtuallibrary.org। Jewish Virtual Library। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২১ 
  24. Sergio DellaPergola, “World Jewish Population, 2019,” in Arnold Dashefsky and Ira M. Sheskin (eds.), The American Jewish Year Book, 2019, Volume 119. Dordrecht: Springer, (2020)। "Countries with the Largest Jewish Population (2019)"jewishvirtuallibrary.org। Jewish Virtual Library। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২১ 
  25. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Population of Jews নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  26. David Birnbaum, Jews, Church & Civilization, Volume III (Millennium Education Foundation 2005)
  27. টেমপ্লেট:JewishEncyclopedia

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

Commons-logo.svg উইকিমিডিয়া কমন্সে ইহুদি ধর্ম সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।