জীজা বাঈ
জীজা বাঈ | |
|---|---|
জীজা বাঈ ও শিশু শিবাজির একটি মূর্তি | |
| জন্ম | জীজা বাঈ ১২ জানুয়ারি ১৫৯৮ জিজাউ মহল, সিন্ধখেদ রাজ্য, বুলধানা, মহারাষ্ট্র , ভারত |
| মৃত্যু | ১৭ জুন ১৬৭৪ পচাড় |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| অন্যান্য নাম | জীজামাতা, রাজমাতা, জীজাউ |
| পরিচিতির কারণ | রাজমাতা |
| দাম্পত্য সঙ্গী | শাহাজি ভোসলে |
| সন্তান | শম্ভাজি শাহাজি ভোসলে, শিবাজি |
| পিতা-মাতা | লাখোজিরাও যাদব, মহালাসা বাঈ |
জীজাবাঈ শাহাজি ভোশালে (১২ জানুয়ারী ১৫৯৮ – ১৭ জুন ১৬৭৪[১]), যিনি রাজমাতা জীজা বাঈ নামে খ্যাত, মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শিবাজির মাতা। তিনি সিন্ধখেদের লাখুজি যাদব রাও এর কন্যা।
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
জীজা বাঈ ১৫ জানুয়ারি ১৫৯৮ তারিখে সিন্ধখেদের কাছে দেওলগাঁওএ জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে এটি মহারাষ্ট্রের বুলধানা জেলায় অবস্থিত। তার মায়ের নাম মাহালসাবাঈ। অতি অল্প বয়সে ভেরুল গ্রামের মালোজি ভোসলের পুত্র শাহাজি ভোসলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। মালোজি ভোসলে আদিল শাহী সুলতানদের অধীনে একজন সেনাপতি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
জীজা বাঈএর শ্বশুর মালোজি ভোসলে জীজা বাঈএর পিতা লাখুজিরাও যাদব এর অধীনে একজন সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। জীজা বাঈএর বাবার পরিবার তাদের অঞ্চলে যথেষ্ট প্রভাবশালী ছিল, অন্যদিকে তার স্বামীর পরিবার তখন ধীরে ধীরে গুরুত্বলাভ করছিল। জীজা বাঈ ছয় সন্তানের জন্ম দেন যাদের মধ্যে চারজন শৈশবেই মারা যায়। কেবলমাত্র দুই পুত্র শম্ভাজি আর শিবাজি বয়ঃপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
১৭ জুন ১৬৭৪ তারিখে জীজাবাঈ মারা যান.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
সাংস্কৃতিক উল্লেখ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

- জীজা বাঈকে আজও একজন আদর্শ মা হিসেবে গণ্য করা হয় বিশেষত মহারাষ্ট্রে। পুত্র শিবাজিকে প্রতিপালনের বিভিন্ন বিষয় লোকাচার গল্পে উঠে এসেছে।
- ২০১১ সালে নির্মিত সিনেমা "রাজমাতা জীজাউ " জীজা বাঈএর জীবনচরিত নিয়ে তৈরী।
আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- List of Maratha dynasties and states
- Maratha clan system
- Bhosale
- Maratha Kranti Morcha
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ GHUGARE, GANESH JANARDAN (২০১৭)। IMPORTANCE OF MANAGEMENT TECHNIQUES OF CHHATRAPATI SHIVAJI ON THE BATTLE GROUND A STUDY। Chapter 3। Shri Jagdishprasad Jhabarmal Tibarewala University। পৃষ্ঠা 47।