বন বিড়াল
| বনবিড়াল[১] | |
|---|---|
| |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | প্রাণী জগৎ |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | স্তন্যপায়ী |
| বর্গ: | শ্বাপদ |
| পরিবার: | ফেলিডি |
| গণ: | Felis |
| প্রজাতি: | F. chaus |
| দ্বিপদী নাম | |
| Felis chaus Schreber, 1777 | |
| |
| জংলীবিড়ালের বিচরণ এলাকা | |
বন বিড়াল[৩] বা জংলীবিড়াল (Felis chaus), আরোও পরিচিত খাগড়া বিড়াল ও জলাভূমির বিড়াল, মাঝারি আকারের একটি বিড়াল, যা এশিয়ার দক্ষিণ চীন, মধ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পশ্চিমে নীল নদ উপত্যকায় দেখতে পাওয়া যায়।[২] বন বিড়াল CITES Appendix II এর তালিকাভুক্ত।
স্থানীয় নাম[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
একে জংলিবিড়াল, খাগড়াবিড়াল প্রভৃতি নামেও অভিহিত করা হয়।
খাবার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
বনবিড়ালের খাবারের বড় অংশই হচ্ছে ঘাসফড়িং জাতীয় বড় পোকা এবং ইঁদুর। যেগুলো আমাদের ক্ষেতখামারে থাকে এবং ফসলের ক্ষতিসাধন করে। তাই বনবিড়াল গৃহপালিত মুরগি-কবুতর ধরে নিয়ে খেয়ে যতটুকু ক্ষতি করে তার থেকে অনেক বেশি উপকার সাধন করে থাকে পার্শ্ববর্তী কৃষিজমিগুলোর। এরা নিশাচর। গাছে উপর উঠে রাতের আধারে এরা ছোট পাখি বা পাখির ডিম, ছানা প্রভৃতি শিকার করে খায়। এক লাফে কয়েক ফুট পৌঁছে যেতে পারে। দিনের বেলায় এরা লতাপাতাঘেরা বড় গাছের কোটরে ঘুমায় বা তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। প্রজনন মৌসুমে গাছের কোটরে দু’ থেকে চারটি ছানা প্রসব করে। [৪]
সংরক্ষণ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
বাংলাদেশের ১৯৭৪[৫] ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]
জংলীবিড়াল শিকার বাংলাদেশ, চীন, ভারত, ইসরায়েল, মায়ানমার, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, এবং তুরস্কে নিষিদ্ধ, কিন্তু ভুটান, জর্জিয়া, লাওস, লেবানন, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভিয়েতনামের মধ্যে সুরক্ষিত এলাকার বাইরে আইনি সুরক্ষা নেই।[৬]
বিপন্নপ্রায়[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
গ্রামগঞ্জ থেকেও প্রাকৃতিক জঙ্গল, জলাভূমিগুলো ধ্বংস হবার কারণেও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে ওখানে বসবাসরত ছোট-মাঝারি আকারের প্রাণীরা। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) বনবিড়ালকে ‘ন্যূনতম বিপদগ্রস্থ’ বলে তালিকাভুক্ত করেছে। [৪]
চিত্রসমূহ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
-
খাঁচায় বন্দি বিরল প্রাজাতির বন বিড়াল
-
খাঁচায় বন্দি বিরল প্রাজাতির বন বিড়াল
-
Felis chaus nilotica-এর খুলি
-
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের মুন্সিয়ারিতে একটি বনবিড়াল
-
ভারতের উত্তরাখণ্ডের একটি বনবিড়াল
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ ২.০ ২.১ Duckworth, J.W., Steinmetz, R., Sanderson, J., Mukherjee, S. (২০০৮)। "Felis chaus"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2014.3। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন।
- ↑ ৩.০ ৩.১ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা-১১৮৪৯৫
- ↑ ৪.০ ৪.১ "কৃষির উপকারী 'বন বিড়াল'"। banglanews24.com। ২০১৬-১১-২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৪-১৮।
- ↑ জিয়া উদ্দিন আহমেদ (সম্পা.), বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: স্তন্যপায়ী, খণ্ড: ২৭ (ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৯), পৃ. ১১৩-১১৪।
- ↑ Nowell, K. and Jackson, P. (1996). Jungle Cat Felis chaus. in: Wild Cats. Status Survey and Conservation Action Plan. IUCN/SSC Cat Specialist Group, Gland, Switzerland and Cambridge, UK.
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
| উইকিপ্রজাতিতে-এ বিষয় সম্পর্কিত তথ্য রয়েছে: Felis chaus |
উইকিমিডিয়া কমন্সে বন বিড়াল সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
- স্ক্রিপ্ট ত্রুটিসহ পাতা
- আইইউসিএন লাল তালিকার ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত প্রজাতি
- 'প্রজাতি' মাইক্রোবিন্যাসের সাথে নিবন্ধসমূহ
- ওয়েব আর্কাইভ টেমপ্লেটে ওয়েব্যাক সংযোগ
- বিড়াল
- মিশরের স্তন্যপায়ী
- দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার স্তন্যপায়ী
- দক্ষিণপশ্চিম এশিয়ার স্তন্যপায়ী
- এশিয়ার স্তন্যপায়ী
- দক্ষিণ এশিয়ার স্তন্যপায়ী
- দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রাণীকুল
- বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী
- ভারতের স্তন্যপায়ী
- আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ






