বিষয়বস্তুতে চলুন

রমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান

ভারতপিডিয়া থেকে
রমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ধরনগবেষণা প্রতিষ্ঠান
স্থাপিত১৯৪৮
পরিচালকরবি সুব্রমণ্য
শিক্ষার্থী৫৩
অবস্থান,
১৩°০′৪৬.৫১″ উত্তর ৭৭°৩৪′৫১.৭৮″ পূর্ব / ১৩.০১২৯১৯৪° উত্তর ৭৭.৫৮১০৫০০° পূর্ব / 13.0129194; 77.5810500
ওয়েবসাইটwww.rri.res.in
লুয়া ত্রুটি মডিউল:মানচিত্রের_কাঠা এর 536 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
রমন বৃক্ষ

১৯৪৮ সালে ব্যাঙ্গালোরে রমণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণার অর্থে প্রতিষ্ঠা হওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে স্যার সি ভি রমন নিজেই রক্ষণাবেক্ষণ করতেন, তবে বর্তমানে এটি ভারত সরকারের অধীস্থিত।

গবেষণা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

মূল গবেষণার বিষয়সমূহ –

ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

স্যার সি ভি রমন ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমী নামক এক প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্দেশ্যে সেইসময় মাইশোরের মহারাজার কাছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়াদি নির্মাণের জন্য সহায়তা প্রার্থনা করেন। মহারাজা তার অনুরোধ গ্রহণ করে ব্যাঙ্গালোর-এ অল্প জমি প্রদান করেন, যদিও সেই জমিতে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত কোনও কাজ হয়নি। বহুদিন কাজ না হওয়ার জন্য সরকার জমিটুকু পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করলে ১৯৪১ সালে রমন ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমীর একটি জরুরী সভা করেন এবং তারপর সেই জমিটুকুতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। স্যার রমন ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমীর সভাপতি ছিলেন। কিন্তু তারপরও ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত জমিটুকুতে কোনও কাজ হয়নি। তিনি ভারতীয় বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানর পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান থাকার সময়ে এই কাজটি সম্পূর্ণ করার কথা চিন্তা করেছিলেন যদিও তা হয়ে ওঠেনি। তার অবসরের পর ১৯৪৮ সালে ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমীর ছত্রছায়াতে রমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। দুটি প্রতিষ্ঠানেরই প্রধান হিসেবে তাকে কাজ করতে হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান তার ব্যক্তিগত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতো হয়ে উঠেছিল। ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগ থেকে অনুদান লাভ করতে আরম্ভ করে।

রমন রিসার্চ ইন্সটিটিউট

সংগ্রহ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

স্যার সি ভি রমনের দ্বারা সংগৃহীত যথেষ্ট পরিমাণ পদার্থ, খনিজ লবণ, শিলার নমুনা এই প্রতিষ্ঠানটির সংগ্রহে রাখা হয়েছে। সি ভি রমনের সময়কালে বহু নামকরা বিজ্ঞানী প্রতিষ্ঠানটিতে এসেছিলেন, যার মধ্যে জে ডি বার্ণেল, ই সি বালার্ড, পি এম এস ব্লেকেট, সি জি ডারউইন, পি এ এম ডিরাক, জি গেমৌ অন্যতম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]