লাদাখ
| লাদাখ ལ་དྭགས་ | |
|---|---|
| কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল | |
উপর থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রমে: রাংডুম গ্রাম, সুরু উপত্যকা, লেহ , লাদাখে অবস্থিত তাংলাং গিরিবর্ত্ম এবং লিকির বৌদ্ধ মন্দির | |
| স্থানাঙ্ক: ৩৪°০৮′ উত্তর ৭৭°৩৩′ পূর্ব / ৩৪.১৪° উত্তর ৭৭.৫৫° পূর্ব | |
| দেশ | |
| রাজধানী | লেহ,[১] কার্গিল[২] |
| সরকার | |
| • শাসক | লাদাখ প্রশাসন |
| • উপরাজ্যপাল | রাধা কৃষ্ণ মাথুর |
| • সাংসদ | জামিয়াং ৎসেরিং নামগিয়াল (বিজেপি) |
| • উচ্চ আদালত | জম্মু ও কাশ্মীর উচ্চ আদালত |
| আয়তন[৩][lower-alpha ১] | |
| • মোট | ৮৬,৯০৪ বর্গকিমি (৩৩,৫৫৪ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ২,৭৪,২৮৯ |
| • জনঘনত্ব | ৩.২/বর্গকিমি (৮.২/বর্গমাইল) |
| ভাষা | |
| • কথ্য | লাদাখি, তিব্বতি, কাশ্মীরি, উর্দু, বালটি |
| সময় অঞ্চল | আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০) |
| যানবাহন নিবন্ধন | LA 17[৪] |
| ওয়েবসাইট | ladakh |
লাদাখ বা লা-দ্বাগস (তিব্বতি: ལ་དྭགས, ওয়াইলি: la dwags) ভারতের একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল, এই অঞ্চলের উত্তরে কুনলুন পর্বতশ্রেণী এবং দক্ষিণে হিমালয় দ্বারা বেষ্টিত, ১৯৪৭ সাল থেকে এই অঞ্চলটি ভারত, পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে বিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।[৫][৬] এর পূর্বে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, দক্ষিণে হিমাচল প্রদেশ রাজ্য, ভারতীয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং পশ্চিমে পাকিস্তান-শাসিত গিলগিত-বালতিস্তান এবং জিনজিয়াংয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণটি সীমাবদ্ধ সুদূর উত্তরে কারাকোরাম পাস। এটি কারাকোরাম পরিসরের সিয়াচেন হিমবাহ থেকে উত্তরে মূল গ্রেট হিমালয় পর্যন্ত বিস্তৃত।[৭] এই এলাকার অধিবাসীরা ইন্দো-আর্য এবং তিব্বতী বংশোদ্ভুত। লাদাখ ভারতের জনবিরল এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম। ঐতিহাসিককাল ধরে বালটিস্তান উপত্যকা, সিন্ধু নদ উপত্যকা, জাংস্কার, লাহুল ও স্পিটি, রুদোক ও গুজ সহ আকসাই চিন এবং নুব্রা উপত্যকা লাদাখের অংশ ছিল। বর্তমানের লাদাখ শুধুমাত্র লেহ জেলা ও কার্গিল জেলা নিয়ে গঠিত। তিব্বতী সংস্কৃতি দ্বারা লাদাখ প্রচন্ডভাবে প্রভাবিত বলে এই অঞ্চলকে ক্ষুদ্র তিব্বত বলা হয়ে থাকে।
নামের বুৎপত্তি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
শাস্ত্রীয় নাম তিব্বতি: ལ་དྭགས, ওয়াইলি: La dwags Wylie : La dwags, THL : la dak মানে "উচ্চ পথের দেশ"। বিভিন্ন তিব্বতি উপভাষায় লাদাক এর উচ্চারণ, ইংরেজি বানান Ladakh ফার্সি: ladāx থেকে উদ্ভূত।
অঞ্চলটি আগে মরিয়ুল নামে পরিচিত ছিল।
মধ্যযুগীয় ইসলামিক পণ্ডিতরা লাদাখকে গ্রেট তিব্বত বলে অভিহিত করেছেন (তুর্কো-আরবি তি- বাত থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ "পার্শ্বভূমি"); কাশ্মীরের আশেপাশে বাল্টিস্তান এবং অন্যান্য ট্রান্স-হিমালয় রাজ্যগুলিকে "ছোট তিব্বত" হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। [lower-alpha ২]
ইতিহাস[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখের বিভিন্ন অংশে প্রাপ্ত খোদিত প্রস্তরখন্ড থেকে জানা যায় যে নব্য প্রস্তর যুগেও এই অঞ্চলে মানুষের বসবাস ছিল।[৯] হিরোডোটাস, নিয়ার্কোস, মেগাস্থিনিস, প্লিনি, টলেমি ও পুরাণের [১০] বিবরণ থেকে জানা যায় এই অঞ্চলের প্রথমদিককার অধিবাসীদের মধ্যে মিশ্র ইন্দো-আর্য মোন ও দর্দ জাতির মানুষ ছিলেন [১১] প্রথম শতাব্দীর সময়কালে লাদাখ কুষাণ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পশিম তিব্বত ও পূর্ব লাদাখে বন ধর্ম প্রচলিত থাকলেও কাশ্মীর থেকে পশ্চিম লাদাখে এই সময় বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারিত হয়। সপ্তম শতাব্দীতে বৌদ্ধ পরিব্রাজক হিউয়েন সাং তার রচনায় লাদাখ অঞ্চলের উল্লেখ করেছেন।[n ১]
অষ্টম শতাব্দীতে লাদাখে পশ্চিম দিক থেকে তিব্বতের ও মধ্য এশিয়া থেকে চীনের আধিপত্য বিস্তার শুরু হয়। ৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিব্বত সাম্রাজ্যের পতন হলে অন্তিম তিব্বত সম্রাট গ্লাং-দার-মার পৌত্র স্ক্যিদ-ল্দে-ন্যিমা-গোন লাদাখকে নিজের রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন এবং লাদাখি রাজবংশের সুত্রপাত করেন। এই সময় সমগ্র লাদাখে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার হয় এবং লাদাখে তিব্বতীদের বসবাস শুরু হয়। সপ্তদশ শতাব্দীতে সম্পাদিত লা-দ্ভাগ্স-র্গ্যাল-রাব্স বা লাদাখের রাজাদের ধারাবিবরণীতে বলা হয় যে রাজা স্ক্যিদ-ল্দে-ন্যিমা-গোন তার তিন পুত্রের মধ্য তার সাম্রাজ্য ভাগ করে দেন। এই বিবরণীতে বলা হয় তিনি তার তার জ্যৈষ্ঠ পুত্র দ্পাল-গ্যি-ঙ্গোনকে মার্যুল, হ্গোগের স্বর্ন খনি, রু-থোগ, ল্দে-ম্চোগ-দ্কার-পো ও রা-বা-দ্মার-পো প্রদান করেন। এই বিবরণী থেকে বোঝা যায় যে, রু-থোগ বা রুদোক এবং ল্দে-ম্চোগ-দ্কার-পো বা দেমচোক মার্যুল বা লাদাখের অংশ ছিল।[n ২]
ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ভারতে ইসলামি বিপ্লবের সময় থেকে লাদাখ তিব্বতের কাছ থেকে ধর্মীয় পথপ্রদর্শনের সহায়তা নিতে থাকে। ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী মুসলিম রাজ্যগুলি বহুবার লাদাখ আক্রমণ করলে কিছু লাদাখি নূরবকশিয়া ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন।[১০][১৪][১৫][১৬]
রাজা ল্হাচেন ভগন ১৪৭০ খ্রিষ্টাব্দে নামগ্যাল রাজবংশ স্থাপন করে লাদাখ থেকে মধ্য এশিয়ার আক্রমণকারীদের বিতাড়িত করে নেপা পর্যন্ত তার সাম্রাজ্য বিস্তার করেন [৯] সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিক পর্যন্ত লাদাখের সীমা জাংস্কার ও স্পিটি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এই সময় মুসলমানদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত বৌদ্ধ বিহার ও কারুকীর্তিগুলির পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দে বালটি রাজা আলি শের খান আনচান লাদাখ আক্রমণ করলে লাদাখের রাজা শান্তির প্রার্থনা করেন। এতে আলি শের খান লাদাখের কাছ থেকে গানোখ ও গাগ্রা নুল্লাহ অঞ্চল দুটি স্কার্দুর অধীনে নিয়ে আসেন এবং লাদাখের রাজার কাছ থেকে বার্ষিক কর প্রদানের প্রতিশ্রুতি আদায় করেন। লাদাখের রাজা লামায়ুরু বৌদ্ধবিহারের মাধ্যমে স্কার্দুর রাজদরবারে এই কর প্রদান করতেন। [১৭]
সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিব্বতের সাথে ভুটানের দ্বন্দ্ব শুরু হলে লাদাখ ভুটানের পক্ষ নেয়। এর ফলে তিব্বত লাদাখ আক্রমণ করলে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিব্বত-লাদাখ-মুঘল যুদ্ধ হয়। [১৮][১৯][২০][২১] এই যুদ্ধে কাশ্মীর লাদাখকে সহায়তার বিনিময়ে লেহ শহরে মসজিদ নির্মাণ ও লাদাখের রাজা দেলদান নামগ্যালকে ইসলাম ধর্মগ্রহণের শর্ত রাখে। [২২] ১৬৮৪ খ্রিষ্টাব্দে টিংমোসগাংয়ের চুক্তিতে লাদাখ ও তিব্বতের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান হলেও লাদাখের স্বাধীনতা এতে অনেকাংশে খর্ব হয়। ১৮৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ডোগরা সেনাপতি জোরাওয়ার সিং কাহলুরিয়া লাদাখ আক্রমণ করে কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে লাদাখে ইউরোপীয়দের আনাগোনা শুরু হয়। ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে লেহ শহরে দপ্তর খোলা হয়।
১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত স্বাধীন হলে কাশ্মীরের ডোগরা শাসক হরি সিং অন্তর্ভুক্তি চুক্তিতে সই করে কাশ্মীর রাজ্যকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেন। এই সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী লাদাখ ও কাশ্মীরের অন্যান্য অংশ দখল করে নিলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের মাধ্যমে এই এলাকা পাকিস্তানি দখলমুক্ত হয়। [২৩]
১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে চীন জিনজিয়াং ও নুব্রা উপত্যকার মধ্যে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে চীন জিনজিয়াং ও তিব্বতের মধ্যে সড়ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে কারাকোরাম মহাসড়ক নির্মাণ করে। ভারত শ্রীনগর থেকে লেহ পর্যন্ত ১ডি নং জাতীয় সড়ক তৈরী করে। [৯][২৪]
বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখের বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ নিয়ে সর্বপ্রথম গবেষণা করেন অস্ট্রীয়-চেক জীবাশ্মবিজ্ঞানী ফার্ডিনান্ড স্টোলিস্কা। ১৮৭০ সালের দিকে তিনি এ অঞ্চলে এক বিশাল অভিযান পরিচালনা করেন। এ অঞ্চলের পাহাড়ি ঝিরিসংলগ্ন ভূমি, জলাভূমি, হ্রদ ও আবাদি জমি ছাড়া অন্য কোথাও গাছপালা খুব একটা দেখা যায় না। [২৫] তবে এখন পর্যন্ত ১২৫০ প্রজাতির উদ্ভিদ লিপি বদ্ধ করা হয়েছে।[২৬]
লাদাখের সাথে মধ্য এশিয়ার বন্যপ্রাণীদের মধ্যে অদ্ভুত মিল লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে তিব্বতী মালভূমিতে যে সমস্ত বন্যপ্রাণী দেখতে পাওয়া যায়, তাদের অধিকাংশই লাদাখের উপত্যকাগুলোতে দেখা যায়।[২৭] তবে কয়েক প্রজাতির পাখি এখানে দেখা যায় যেগুলো আবার তিব্বতী মালভূমি বা মধ্য এশিয়ার কোনখানেই দেখা যায় না। এসব পাখি শীতের পরে ভারতের উষ্ণতর অঞ্চলগুলো থেকে এখানে পরিযান করে আসে। রুক্ষ অঞ্চল হলেও লাদাখে বসবাসকারী পাখি প্রজাতির সংখ্যা অনেক বেশি; এ পর্যন্ত মোট ২২৫ প্রজাতির পাখি এখান থেকে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন পাখিদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির তুতি, রবিন, লালগির্দি (যেমন কালো লালগির্দি) আর মোহনচূড়া এখানে সচরাচর দেখা যায়। এছাড়া এ সময় চুংথাং অঞ্চলের হ্রদগুলোতে আর সিন্ধু নদে প্রায়ই খয়রামাথা গাঙচিলকে বিচরণ করতে দেখা যায়। আবাসিক পাখির মধ্যে রয়েছে খয়েরি চখাচখি ও দাগি রাজহাঁস (লাদাখি: ngangpa)। তিব্বতী মালভূমির বিরল কালোঘাড় সারসকে (trhung-trhung) গ্রীষ্মকালে লাদাখের বেশ কিছু অংশে প্রজনন করতে দেখা যায়। অন্যান্য পাখির মধ্যে র্যাভেন, তিব্বতী তুষারমোরগ ও চুকার বাতাই (srakpa) প্রধান।[২৮] শিকারী পাখির মধ্যে গৃধিনী ও সোনালি ঈগল, এই দু'টি প্রজতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

ভূগোল[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখ হল ভারতের সর্বোচ্চ মালভূমি যার অধিকাংশই ৩,০০০ মি (৯,৮০০ ফু) -এর বেশি । [২৯] এটি হিমালয় থেকে কুনলুন রেঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং উচ্চ সিন্ধু নদী উপত্যকা অন্তর্ভুক্ত করে।[৩০]



ঐতিহাসিকভাবে, এই অঞ্চলে বাল্টিস্তান ( বালতিউল ) উপত্যকা অন্তর্ভুক্ত ছিল (এখন বেশিরভাগই পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের অংশে), পুরো সিন্ধু উপত্যকা, দক্ষিণে প্রত্যন্ত জান্সকার, লাহৌল এবং স্পিতি, রুডোক অঞ্চল সহ এনগারির বেশিরভাগ অংশ এবং গুজ। পূর্বে, উত্তর-পূর্বে আকসাই চিন এবং লাদাখ রেঞ্জের খারদং লা এর উত্তরে নুব্রা উপত্যকা। সমসাময়িক লাদাখ পূর্বে তিব্বত, দক্ষিণে লাহৌল এবং স্পিতি অঞ্চল, পশ্চিমে কাশ্মীর উপত্যকা, জম্মু এবং বালতিউল অঞ্চল এবং সুদূর উত্তরে কারাকোরাম গিরিপথ জুড়ে জিনজিয়াংয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে সীমাবদ্ধ। লাদাখ এবং তিব্বত মালভূমির মধ্যে ঐতিহাসিক কিন্তু অস্পষ্ট বিভাজন উত্তরে রুডোকের পূর্বে আলিং কাংরি এবং মাভাং কাংরি সহ শৈলশিরাগুলির জটিল গোলকধাঁধায় শুরু হয় এবং উত্তর-পশ্চিম নেপালের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে চলতে থাকে। বিভক্তির আগে, বাল্টিস্তান (এখন পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন), লাদাখের একটি জেলা ছিল। স্কারদু ছিল লাদাখের শীতকালীন রাজধানী আর লেহ ছিল গ্রীষ্মকালীন রাজধানী।
এই অঞ্চলের পর্বতশ্রেণী ৪৫ মিলিয়ন বছর আগে গঠিত হয়েছিল। আরও স্থির ইউরেশীয় প্লেটে ভারতীয় প্লেট ভাঁজ করে। প্রবাহ আজও অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে হিমালয় অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে। [lower-alpha ৩] [৩১] লাদাখ রেঞ্জের শিখরগুলি জোজি-লা ( ৫,০০০–৫,৫০০ মি (১৬,৪০০–১৮,০০০ ফু) ) এর কাছাকাছি মাঝারি উচ্চতায় রয়েছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বৃদ্ধি পায়, নুন-কুন ( ৭,০০০ মি (২৩,০০০ ফু) ) এর যুগল চূড়ায় সমাপ্ত হয়।
সুরু এবং জান্সকার উপত্যকাগুলি হিমালয় এবং জান্সকার রেঞ্জ দ্বারা ঘেরা একটি বড় খাদ তৈরি করে। রংদম হল সুরু উপত্যকার সর্বোচ্চ অধ্যুষিত অঞ্চল, যার পরে উপত্যকাটি বেড়ে ৪,৪০০ মি (১৪,৪০০ ফু) -এ পৌঁছেছে পেনসি-লা, জান্সকারের প্রবেশদ্বার।সুরু উপত্যকার একমাত্র শহর কার্গিল, লাদাখের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর। শ্রীনগর, লেহ, স্কারদু এবং পদুম থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দূরে ১৯৪৭ সালের আগে এটি বাণিজ্য কাফেলার রুটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চায়নের পোস্ট ছিল। জাংস্কর উপত্যকা স্টড এবং লুংনাক নদীর খাদের মধ্যে অবস্থিত। এই অঞ্চলে ভারী তুষারপাত হয়; পেনসি-লা শুধুমাত্র জুন এবং মধ্য অক্টোবরের মধ্যে খোলা থাকে। দ্রাস এবং মুশকোহ উপত্যকা লাদাখের পশ্চিম প্রান্ত গঠন করে।
সিন্ধু নদী লাদাখের মেরুদণ্ড। বেশিরভাগ প্রধান ঐতিহাসিক এবং বর্তমান শহর - শে, লেহ, বাসগো এবং টিংমোসগাং (কিন্তু কার্গিল নয়), সিন্ধু নদীর কাছাকাছি। ১৯৪৭ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পরে, লাদাখের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সিন্ধু প্রসারিত এই নদীর একমাত্র অংশ হয়ে ওঠে, যা হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতিতে ব্যাপকভাবে শ্রদ্ধা করা হয়, যা এখনও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
সিয়াচেন হিমবাহ বিতর্কিত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর হিমালয় পর্বতমালার পূর্ব কারাকোরাম রেঞ্জে অবস্থিত। কারাকোরাম রেঞ্জ একটি বিশাল জলাশয় গঠন করে যা চীনকে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে আলাদা করে এবং কখনও কখনও "তৃতীয় মেরু" বলা হয়।হিমবাহটি অবিলম্বে পশ্চিমে সালতোরো রিজ এবং পূর্বে প্রধান কারাকোরাম রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত। ৭৬ কিমি (৪৭ মা) এ দীর্ঘ, এটি কারাকোরামের দীর্ঘতম হিমবাহ এবং বিশ্বের অ-মেরু অঞ্চলে দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিমবাহ। এটি ৫,৭৫৩ মি (১৮,৮৭৫ ফু) উচ্চতা থেকে নেমে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চীন সীমান্তে পশ্চিম ইন্দিরা টোল এর উৎস থেকে ৩,৬২০ মি (১১,৮৮০ ফু) পর্যন্ত এর থুতুতে। সাসের কাংরি হল সাসের মুজতাঘের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, ভারতের কারাকোরাম রেঞ্জের পূর্বতম উপশ্রেণি, সাসের কাংরি ১ এর উচ্চতা ৭,৬৭২ মি (২৫,১৭১ ফু) ।
লাদাখ রেঞ্জের কোন বড় চূড়া নেই; এর গড় উচ্চতা ৬,০০০ মি (২০,০০০ ফু) এর চেয়ে একটু কম, এবং এর কয়েকটি পাস ৫,০০০ মি (১৬,০০০ ফু) এর কম। প্যাংগং রেঞ্জ লাদাখ রেঞ্জের সমান্তরালে চলে প্রায় ১০০ কিমি (৬২ মা) প্যাংগং হ্রদের দক্ষিণ তীরে চুশুল থেকে উত্তর-পশ্চিমে।এর সর্বোচ্চ বিন্দু প্রায় ৬,৭০০ মি (২২,০০০ ফু) এবং উত্তরের ঢালগুলি ভারী হিমবাহী। শায়োক এবং নুব্রা নদীর উপত্যকা নিয়ে গঠিত অঞ্চলটি নুব্রা নামে পরিচিত। লাদাখের কারাকোরাম রেঞ্জ বাল্টিস্তানের মতো শক্তিশালী নয়। নুব্রা-সিয়াচেন লাইনের উত্তর ও পূর্ব দিকের ম্যাসিফের মধ্যে রয়েছে অপ্সরাসাস গ্রুপ (সর্বোচ্চ বিন্দু ৭,২৪৫ মি (২৩,৭৭০ ফু) ) রিমো মুজতাঘ (সর্বোচ্চ বিন্দু ৭,৩৮৫ মি (২৪,২২৯ ফু) ) এবং তেরাম কাংরি গ্রুপ (সর্বোচ্চ পয়েন্ট ৭,৪৬৪ মি (২৪,৪৮৮ ফু) ) একসাথে মামোস্টং কাংরি ( ৭,৫২৬ মি (২৪,৬৯২ ফু) ) এবং সিংঘি কাংরি ( ৭,২০২ মি (২৩,৬২৯ ফু) )। কারাকোরামের উত্তরে কুনলুন অবস্থিত। এইভাবে, লেহ এবং পূর্ব মধ্য এশিয়ার মধ্যে একটি ট্রিপল বাধা রয়েছে - লাদাখ রেঞ্জ, কারাকোরাম রেঞ্জ এবং কুনলুন। তা সত্ত্বেও, লেহ এবং ইয়ারকান্দের মধ্যে একটি প্রধান বাণিজ্য পথ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
লাদাখ একটি উচ্চ উচ্চতার মরুভূমি কারণ হিমালয় একটি বৃষ্টির ছায়া তৈরি করে, সাধারণত মৌসুমি মেঘের প্রবেশকে অস্বীকার করে। জলের প্রধান উৎস পাহাড়ে শীতকালীন তুষারপাত। এই অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যা (যেমন, ২০১০ লাদাখ বন্যা ) অস্বাভাবিক বৃষ্টির ধরণ এবং হিমবাহের পশ্চাদপসরণকে দায়ী করা হয়েছে, উভয়ই বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে যুক্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। [৩২] লেহ নিউট্রিশন প্রজেক্ট, চেওয়াং নরফেলের নেতৃত্বে, যা "গ্লেসিয়ার ম্যান" নামেও পরিচিত, হিমবাহের পশ্চাদপসরণ করার জন্য একটি সমাধান হিসাবে কৃত্রিম হিমবাহ তৈরি করে। [৩৩] [৩৪]
হিমালয়ের উত্তর দিকের অঞ্চলগুলি - দ্রাস, সুরু উপত্যকা এবং জাংস্কর - ভারী তুষারপাতের কারণে বছরের কয়েক মাস বাকি অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে, কারণ পুরো অঞ্চলটি দেশের বাকি অংশ থেকে সড়কপথে বিচ্ছিন্ন থাকে। গ্রীষ্মকাল ছোট, যদিও ফসল ফলানোর জন্য যথেষ্ট দীর্ঘ। গ্রীষ্মের আবহাওয়া শুষ্ক এবং মনোরম। তাপমাত্রার রেঞ্জ ৩ থেকে ৩৫ °সে (৩৭ থেকে ৯৫ °ফা) পর্যন্ত গ্রীষ্মে এবং সর্বনিম্ন রেঞ্জ −২০ থেকে −৩৫ °সে (−৪ থেকে −৩১ °ফা) পর্যন্ত শীতকালে। [৩৫]
জান্সকার হল এর উপনদী সহ এই অঞ্চলের প্রধান নদী। জান্সকার শীতকালে হিমায়িত হয়ে যায় এবং এই দুর্দান্ত হিমায়িত নদীতে বিখ্যাত চাদর ট্রেক হয়।
উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

লাদাখে গাছপালা অত্যন্ত বিরল, নদীর চলার পথে, জলাভূমি, উঁচু ঢালে এবং সেচের জায়গাগুলি ছাড়া। লাদাখ থেকে ১,২৫০টি উদ্ভিদ প্রজাতির খবর পাওয়া গেছে। [৩৬]Ladakiella klimesii , উদ্ভিদ যেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,১৫০ মিটার (২০,১৮০ ফু) উপর পর্যন্ত জন্মায়, প্রথমে এখানে পাওয়া গেছিল এবং এই অঞ্চলের নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছিল। [৩৭] এই অঞ্চলের বন্যপ্রাণী অধ্যয়নকারী প্রথম ইউরোপীয় ছিলেন ১৮২০ সালে উইলিয়াম মুরক্রফ্ট, তার পরে ফার্দিনান্দ স্টোলিকজকা, একজন অস্ট্রিয়ান - চেক প্যালিওন্টোলজিস্ট, যিনি ১৮৭০ এর দশকে সেখানে একটি বিশাল অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। লাদাখে অনেক হ্রদ আছে যেমন কিয়াগো সো।
ভরাল বা নীল ভেড়া লাদাখ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ পাহাড়ী অগুলেট, যদিও এটি জাংস্কর এবং শাম অঞ্চলের কিছু অংশে পাওয়া যায় না। [৩৮] এশিয়াটিক আইবেক্স একটি খুব মার্জিত পাহাড়ী ছাগল যা লাদাখের পশ্চিম অংশে পাওয়া যায়। পাহাড়ে প্রায় ৬০০০ সংখ্যা সহ এই অঞ্চলের দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাচুর্যপূর্ণ জন্তূ। এটি রুক্ষ এলাকায় অভিযোজিত যেখানে হুমকির মুখে এটি সহজেই আরোহণ করে। [৩৯] লাদাখি উরিয়াল হল আরেকটি অনন্য পাহাড়ী ভেড়া যা লাদাখের পাহাড়ে বসবাস করে। তবে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং লাদাখে ৩০০০ এর বেশি অবশিষ্ট নেই। [৪০] ইউরিয়াল লাদাখের স্থানীয়, যেখানে এটি শুধুমাত্র দুটি প্রধান নদী উপত্যকায় বিচরণ করে: সিন্ধু এবং শায়োক। পশুটি প্রায়শই কৃষকদের দ্বারা নির্যাতিত হয় তাদের ফসলের ক্ষতি করে বলে। লেহ-শ্রীনগর মহাসড়কে শিকারীদের নির্বিচারে গুলি চালানোর কারণে গত শতাব্দীতে এর জনসংখ্যা দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।তিব্বতি আরগালি বা ন্যান হল বিশ্বের বৃহত্তম বন্য ভেড়া, দাঁড়ানো অবস্থায় ১.১ থেকে ১.২ মিটার (৩.৫ থেকে ৪ ফু) ৯০০–১,০০০ মিমি (৩৫–৩৯ ইঞ্চি) পরিমাপের শিং সহ কাঁধে। এটি তিব্বতের মালভূমি এবং এর প্রান্তিক পর্বতগুলিতে বিচরণ করে যার মোট এলাকা ২.৫ নিযুত বর্গকিলোমিটার (০.৯৭×১০৬ মা২)। লাদাখে প্রায় ৪০০ পশুর জনসংখ্যা রয়েছে। শিকারীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রাণীটি খোলা এবং ঘূর্ণায়মান ভূখণ্ড পছন্দ করে, বন্য ছাগলের বিপরীতে যা খাড়া পাহাড়ে উঠে যায়। [৪১] বিপন্ন তিব্বতি হরিণ, ভারতীয় ভাষায় চিরু নামে পরিচিত, বা লাদাখি টোস, ঐতিহ্যগতভাবে এর উল ( শাহতুশ ) জন্য শিকার করা হয়েছে যা সর্বোত্তম মানের একটি প্রাকৃতিক জন্তু এবং এইভাবে এর হালকা ওজন এবং উষ্ণতার জন্য এবং একটি স্ট্যাটাস সিম্বল হিসাবে মূল্যবান। ছিরু-এর পশম হাত দিয়ে টেনে বের করতে হবে, একটি প্রক্রিয়া যা পশু হত্যার পর করা হয়। ফাইবার কাশ্মীরে পাচার করা হয় এবং কাশ্মীরি শ্রমিকদের দ্বারা সূক্ষ্ম শাল বোনা হয়। লাদাখ তিব্বতীয় গজেলের আবাসস্থল, যা তিব্বতের সীমান্তবর্তী পূর্ব লাদাখের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বাস করে। [৪২]

কিয়াং, বা তিব্বতি বন্য গাধা, চাংথাং-এর তৃণভূমিতে সাধারণভাবে পাওয়া যায়, সংখ্যায় প্রায় ২,৫০০। এই প্রাণীগুলো চাংথাং-এর যাযাবর মানুষের সাথে বিরোধে লিপ্ত যারা চারণভূমির অবক্ষয়ের জন্য কিয়াংকে দায়ী করে। [৪৩] বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭,০০০টি তুষার চিতার মধ্যে লাদাখে প্রায় ২০০টি রয়েছে। মধ্য লাদাখের হেমিস হাই অল্টিটিউড ন্যাশনাল পার্ক এই শিকারীর জন্য বিশেষভাবে ভালো আবাসস্থল কারণ এতে প্রচুর শিকারী জনসংখ্যা রয়েছে। ইউরেশিয়ান লিংকস হল আরেকটি বিরল বিড়াল যা লাদাখে ছোট তৃণভোজী প্রাণীদের শিকার করে। এটি বেশিরভাগ নুব্রা, চাংথাং এবং জাংস্করে পাওয়া যায়। [৪৪] প্যালাসের বিড়াল, যা দেখতে কিছুটা বাড়ির বিড়ালের মতো, লাদাখে খুব বিরল এবং প্রজাতি সম্পর্কে খুব বেশি জানা নেই। তিব্বতি নেকড়ে, যেটি কখনও কখনও লাদাখির গবাদি পশু শিকার করে, শিকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়। [৪৫] এছাড়াও সুরু উপত্যকা এবং দ্রাসের আশেপাশের এলাকায় কয়েকটি বাদামী ভালুক রয়েছে। এই অঞ্চলে তিব্বতি বালি শিয়াল আবিষ্কৃত হয়েছে। [৪৬] ছোট প্রাণীদের মধ্যে, মারমোট, বুনো খরগোশ এবং বিভিন্ন ধরণের পিকা এবং ভোল সাধারণ। [৪৭]
ফ্লোরা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
স্বল্প বৃষ্টিপাত লাদাখকে একটি উচ্চ-উচ্চতার মরুভূমিতে পরিণত করে, যার বেশিরভাগ অঞ্চলে অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য গাছপালা রয়েছে। প্রাকৃতিক গাছপালা প্রধাণত জলের স্রোত বরাবর এবং উচ্চ উচ্চতা অঞ্চলে ঘটে যেখানে বেশি তুষার এবং গ্রীষ্মের শীতল তাপমাত্রা পাওয়া যায়। মানব বসতি, তবে, সেচের কারণে প্রচুর গাছপালা। [৪৮] জলপথে সাধারণত দেখা যায় প্রাকৃতিক গাছপালাগুলির মধ্যে রয়েছে সীবাকথর্ন ( Hippophae spp.), গোলাপী বা হলুদ জাতের বুনো গোলাপ, তামারিস্ক ( Myricaria spp.), কারোয়া, stinging nettles, মিন্ট, Physochlaina praealta, এবং বিভিন্ন ঘাস। [৪৯]
প্রশাসন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ এর শর্তাবলীর অধীনে, লাদাখ একটি বিধানসভা বা নির্বাচিত সরকার ছাড়াই একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে পরিচালিত হয়। সরকারের প্রধান হলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর যিনি ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার বেসামরিক কর্মচারীদের দ্বারা সহায়তা করেন। [৫০]
স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
৩১ অক্টোবর ২০১৯-এ লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের পর দুটি স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ বিদ্যমান রয়েছেঃ [৫১]
| জেলার নাম | সদর দপ্তর | এলাকা (কিমি ২ ) | জনসংখ্যা ২০১১ সালের আদমশুমারি |
|---|---|---|---|
| কার্গিল জেলা | কার্গিল | ১৪,০৩৬ | ১৪০,৮০২ |
| লেহ জেলা | লেহ | ৪৫,১১০ | ১৩৩,৪৮৭ |
| মোট | ২ | ৫৯,১৪৬ | ৩৭৪,২৮৯ |
লাদাখের প্রতিটি জেলা একটি স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ দ্বারা পরিচালিত হয়, তারা হল:
- লাদাখ স্বায়ত্তশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদ, কার্গিল
- লাদাখ স্বায়ত্তশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদ, লেহ
দুটি স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ভূমি ব্যবহার, কর এবং স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কাজ করে যা ব্লক সদর দফতরে প্রধান নির্বাহী কাউন্সিলর এবং নির্বাহী কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে পর্যালোচনা করা হয়। [৫২] জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এই অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থা, যোগাযোগ এবং উচ্চ শিক্ষার দেখাশোনা করে।
আইন প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখ জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্টের এখতিয়ারাধীন। [৫৩]লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুলিশের একজন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে নিজস্ব পুলিশ বাহিনী রয়েছে। [৫৪]
ভারতের সংসদে লাদাখ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখ ভারতীয় সংসদের লোকসভায় একজন সদস্য (এমপি) পাঠায়। বর্তমান লোকসভার লাদাখ আসনের সাংসদ হলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাময়াং সেরিং নামগ্যাল। [৫৫] [৫৬]
অর্থনীতি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]


পাহাড়ের বরফ এবং তুষার থেকে জলকে ফানেল করা চ্যানেলগুলির একটি সিস্টেম দ্বারা জমিটি সেচ করা হয়। প্রধান ফসল হল বার্লি এবং গম। ভাত আগে লাদাখি খাবারে বিলাসিতা ছিল, কিন্তু, সরকার ভর্তুকি দিয়ে, এখন সস্তায় পরিণত হয়েছে। [২৯]
নেকেড বার্লি (লাদাখি: নাস, উর্দু: গ্রীম ) ঐতিহ্যগতভাবে সমগ্র লাদাখ জুড়ে একটি প্রধান ফসল ছিল। ফসল বলার সময় উচ্চতার সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়।চাষের চরম সীমা হল করজোকে, সো-মরিরি হ্রদে, ৪,৬০০ মি (১৫,১০০ ফু) এ, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচিত হয়। [২৯]
পাঞ্জাব ও জিনজিয়াংয়ের মধ্যে টেক্সটাইল, কার্পেট, রঞ্জক দ্রব্য এবং মাদকদ্রব্যের বাণিজ্যের সুবিধার্থে লাদাখির সংখ্যালঘু জনগণ বণিক এবং ক্যারাভান ব্যবসায়ী হিসাবেও নিযুক্ত ছিল।যাইহোক, যেহেতু চীন সরকার তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং লাদাখের মধ্যে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে, এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে। [৯] [৫৭]
লাদাখ অঞ্চলে প্রবাহিত সিন্ধু নদী বিপুল জলবিদ্যুতের সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। সৌর এবং বায়ু শক্তির সম্ভাবনাও যথেষ্ট। যদিও এই অঞ্চলটি একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা যেখানে সব আবহাওয়ার রাস্তা নেই, তবুও এলাকাটি বিভিন্ন নির্মাণের প্রয়োজনে স্থানীয়ভাবে উপলব্ধ সস্তা বিদ্যুৎ থেকে সিমেন্ট তৈরির জন্য চুনাপাথরের মজুত সমৃদ্ধ। [৫৮]
১৯৭৪ সাল থেকে, ভারত সরকার অস্থির কাশ্মীর অঞ্চল থেকে লাদাখের তুলনামূলকভাবে প্রভাবিত অঞ্চলে ট্রেকিং এবং অন্যান্য পর্যটন কার্যক্রমে স্থানান্তর করতে উৎসাহিত করেছে।যদিও পর্যটন লাদাখের কর্মরত জনসংখ্যার মাত্র ৪%, এটি এখন এই অঞ্চলের জিএনপির ৫০%। [৯]
এই যুগটি আর্থার নেভস দ্য ট্যুরিস্টস গাইড টু কাশ্মীর, লাদাখ এবং স্কারদোতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, যা [৫৭] প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১১ সালে।
জনসংখ্যা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লেহ জেলার লিঙ্গ অনুপাত ১৯৫১ সালে প্রতি ১০০ পুরুষে ১০১১ জন মহিলা থেকে ২০০১ সালে ৮০৫-এ নেমে আসে, যখন কার্গিল জেলার জন্য এটি ৯৭০ থেকে ৯০১-এ নেমে আসে। উভয় জেলায় শহুরে লিঙ্গ অনুপাত প্রায় ৬৪০। প্রাপ্তবয়স্ক লিঙ্গ অনুপাত বেশিরভাগ পুরুষ মৌসুমী এবং অভিবাসী শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের প্রতিফলিত করে। লাদাখের জনসংখ্যার প্রায় ৮৪% গ্রামে বাস করে। ১৯৮১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত গড় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল লেহ জেলায় ২.৭৫% এবং কার্গিল জেলায় ২.৮৩%।
লাদাখ ভারতের অন্যতম জনবিরল অঞ্চল। ৪.৬ জন প্রতি বর্গ কিমিতে গোটা অঞ্চলে মাত্র পৌনে ৩ লক্ষ লোকের বাস।
ধর্ম[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখের ধর্ম (২০১১)[৫৯]
দ্রাস এবং ধা-হানু অঞ্চল হল শিনা, স্থানীয়ভাবে দরদ নামে পরিচিত। দর্দ (কখনও কখনও শিনা বলা হয়) বংশোদ্ভূত লোকেরা দ্রাস এবং ধা-হানু এলাকায় প্রাধান্য পায়। ব্রোকপা নামে পরিচিত ধা-হানু এলাকার বাসিন্দারা প্রধানত ইসলামের অনুসারী যেখানে ছোট সংখ্যালঘুরা তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্ম এবং হিন্দুধর্মকে অনুসরণ করে এবং বেশিরভাগ ব্রোকপা তাদের মূল দারদিক ঐতিহ্য এবং রীতিনীতির বেশিরভাগই সংরক্ষণ করেছে।
দ্রাসের দরস ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং তাদের কাশ্মীরি প্রতিবেশীদের দ্বারা দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত হয়েছে। মন্সরা লাদাখে পূর্ববর্তী ভারতীয় বসতি স্থাপনকারীদের বংশধর বলে বিশ্বাস করা হয় এবং ঐতিহ্যগতভাবে তারা সঙ্গীতশিল্পী, কামার এবং ছুতার হিসাবে কাজ করত। এই অঞ্চলের জনসংখ্যা লেহ এবং কার্গিল জেলার মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভাগে বিভক্ত। কার্গিলের ৭৬.৮৭% জনসংখ্যা মুসলিম (বেশিরভাগ শিয়া), ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে মোট জনসংখ্যা ১৪০,৮০২ জন, যেখানে লেহ-এর ৬৬.৪০% বৌদ্ধ, মোট জনসংখ্যা ১৩৩,৪৮৭ জন।
স্থানীয় এবং বহিরাগতদের লাদাখে আকৃষ্ট করার অর্থনৈতিক সুযোগের কারণে এবং বৌদ্ধ পুরুষের জনসংখ্যা হ্রাসের কারণে লাদাখের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মুসলিম পুরুষ লাদাখী বৌদ্ধ মহিলাদের বিয়ে করছে, পুরুষ সঙ্গী ছাড়াই আরও বেশি বৌদ্ধ নারী রয়ে যাচ্ছে।
ভাষা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লেহ জেলার প্রধান মাতৃভাষা হল লাদাখি (বউটিও বলা হয়), একটি তিব্বতী ভাষা। [৬০] পুরখি, কখনও কখনও বাল্টি এর একটি উপভাষা হিসাবে বিবেচিত হয়, এটি কার্গিল জেলার প্রধান মাতৃভাষা।
শিক্ষিত লাদাখিরা সাধারণত হিন্দি, উর্দু এবং প্রায়ই ইংরেজি জানে। লাদাখের মধ্যে, উপভাষার একটি পরিসর রয়েছে, যাতে চাং-পা মানুষের ভাষা কার্গিলের পুরিগ-পা বা জাংস্কারিদের থেকে স্পষ্টতই আলাদা হতে পারে, কিন্তু তারা সব পারস্পরিক বোধগম্য হয়. স্কুলে ভাষা শিক্ষার কারণে বেশিরভাগ লাদাখির মানুষ (বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম) ইংরেজিতে এবং উর্দু/হিন্দিতেও সাবলীলভাবে কথা বলে।
পরিবহন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

লাদাখে প্রায় ১,৮০০ কিমি (১,১০০ মা) রাস্তা আছে যার মধ্যে ৮০০ কিমি (৫০০ মা) পৃষ্ঠ।[৬১] লাদাখের বেশিরভাগ রাস্তা বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন দেখাশোনা করে। দুটি প্রধান রাস্তা যা লাদাখকে সংযুক্ত করে, এনএইচ১ শ্রীনগরকে কার্গিল এবং লেহ থেকে সংযুক্ত করে এবং এনএইচ৩ মানালি থেকে লেহকে সংযুক্ত করে। লাদাখের তৃতীয় রাস্তা হল নিম্মু-পদম-দারচা রাস্তা, যা নির্মাণাধীন। [৬২]

লেহে একটি বিমানবন্দর রয়েছে, কুশোক বকুল কম্পোচি বিমানবন্দর, যেখান থেকে দিল্লিতে প্রতিদিনের ফ্লাইট এবং শ্রীনগর এবং জম্মুতে সাপ্তাহিক ফ্লাইট রয়েছে।সামরিক পরিবহণের জন্য দৌলত বেগ ওল্ডি এবং ফুকচে দুটি এয়ারস্ট্রিপ রয়েছে। [৬৩] কার্গিল বিমানবন্দর বেসামরিক ফ্লাইটের উদ্দেশ্যে তৈরী হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনী ব্যবহার করছে। বিমানবন্দরটি স্থানীয়দের জন্য একটি রাজনৈতিক ইস্যু যারা যুক্তি দেয় যে বিমানবন্দরটি তার আসল উদ্দেশ্য পূরণ করা উচিত, অর্থাৎ বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত। গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় বিমান বাহিনী শীতকালে জম্মু, শ্রীনগর এবং চণ্ডীগড়ে স্থানীয়দের পরিবহনের জন্য এএন-৩২ এয়ার কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনা করছে। [৬৪] [৬৫] একটি বেসরকারী বিমান সংস্থা এয়ার মন্ত্র একটি ১৭-সিটের বিমান বিমানবন্দরে অবতরণ করে, মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে, কার্গিল বিমানবন্দরে একটি বেসামরিক বিমান সংস্থার প্রথম অবতরণকে চিহ্নিত করে। [৬৬] [৬৭]
সংস্কৃতি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখি সংস্কৃতি তিব্বতি সংস্কৃতির অনুরূপ। [৬৮]
রন্ধনপ্রণালী[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তিব্বতি খাবারের সাথে লাদাখি খাবারের অনেক মিল রয়েছে, সবচেয়ে বিশিষ্ট খাবার হল থুকপা (নুডল স্যুপ) এবং সাম্পা, যা লাদাখিতে এনগাম্পে (ভাজা বার্লি ময়দা) নামে পরিচিত। রান্না ছাড়া ভোজ্য, সাম্পা দরকারী ট্রেকিং খাবার হিসেবে। কঠোরভাবে লাদাখি খাবারের মধ্যে রয়েছে স্ক্যু এবং চুটাগি, উভয়ই ভারী এবং সমৃদ্ধ স্যুপ পাস্তা খাবার, মূল শাকসবজি এবং মাংস দিয়ে তৈরি করা হয় স্ক্যু এবং শাক ও সবজি দিয়ে চুটাগি । [৬৯] লাদাখ নগদ-ভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভারতের সমভূমি থেকে খাবারগুলি আরও সাধারণ হয়ে উঠছে। [৭০] মধ্য এশিয়ার অন্যান্য অংশের মতো, লাদাখে চা ঐতিহ্যগতভাবে শক্তিশালী সবুজ চা, মাখন এবং লবণ দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি একটি বড় মন্থনের মধ্যে মিশ্রিত হয় এবং এটি গুরগুর চা নামে পরিচিত, মিশ্রিত শব্দের পরে এটি তৈরি হয়। দুধ এবং চিনি দিয়ে ভারতীয় শৈলীতে তৈরি মিষ্টি চা ( চা এনগারমো ) এখন সাধারণ।উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বার্লির বেশির ভাগই চ্যাং -এ গাঁজন করা হয়, বিশেষ করে উৎসব উপলক্ষে মাতাল একটি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়। [৭১]
গান এবং নাচ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]


লাদাখি বৌদ্ধ সন্ন্যাসী উৎসবের সঙ্গীত, তিব্বতি সঙ্গীতের মতো, প্রায়ই ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তিব্বতি ভাষায় ধর্মীয় জপকে জড়িত করে। এই মন্ত্রগুলি জটিল, প্রায়শই পবিত্র গ্রন্থের আবৃত্তি বা বিভিন্ন উৎসব উদযাপনে। ইয়াং জপ, মেট্রিকাল টাইমিং ছাড়া সঞ্চালিত, অনুরণিত ড্রাম এবং নিম্ন, টেকসই সিলেবলের সাথে থাকে।ধর্মীয় মুখোশ নাচ লাদাখের সাংস্কৃতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।হেমিস মঠ, বৌদ্ধধর্মের দ্রুকপা ঐতিহ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র, সমস্ত প্রধান লাদাখি মঠের মতোই একটি বার্ষিক মুখোশধারী নৃত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। নৃত্যগুলি সাধারণত ভাল এবং মন্দের মধ্যে লড়াইয়ের একটি গল্প বর্ণনা করে, যা শেষ হয় প্রাক্তনের চূড়ান্ত বিজয়ের সাথে। [৭২] পূর্ব লাদাখের ঐতিহ্যবাহী জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বয়ন ।নারী ও পুরুষ উভয়েই তাঁতে বোনার কাজ করে আলাদা যন্ত্রে। [৭৩]
খেলা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লাদাখের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হল আইস হকি, যেটি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক বরফে খেলা হয় সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত। [৭৪] ক্রিকেটও বেশ জনপ্রিয়।
তীরন্দাজ লাদাখের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা এবং অনেক গ্রামে তীরন্দাজ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, যা খেলাধুলার মতোই ঐতিহ্যবাহী নাচ, মদ্যপান এবং জুয়া খেলার বিষয়েও। খেলাধুলা কঠোর শিষ্টাচারের সাথে পরিচালিত হয়, সুরনা এবং দামন ( শেহনাই এবং ড্রাম) এর সঙ্গীতের সাথে। পোলো, লাদাখের অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খেলা, বাল্টিস্তান এবং গিলগিটের আদিবাসী, এবং সম্ভবত ১৭ শতকের মাঝামাঝি রাজা সিংগে নামগিয়াল, (যার মা ছিলেন একজন বাল্টি রাজকুমারী) দ্বারা লাদাখে প্রবর্তন করা হয়েছিল। [৭৫]
বাল্টিসদের মধ্যে জনপ্রিয় পোলো, কার্গিল জেলার দ্রাস অঞ্চলে একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান। [৭৬] [৭৭] [৭৮] [৭৯]
লাদাখ ম্যারাথন হল একটি উচ্চ-উচ্চতার ম্যারাথন যা ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর লেহ-তে অনুষ্ঠিত হয়। ১১,৫০০ থেকে ১৭,৬১৮ ফুট (৩,৫০৫ থেকে ৫,৩৭০ মি) উচ্চতায় অনুষ্ঠিত, এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ ম্যারাথনগুলির মধ্যে একটি। [৮০]

নারীর সামাজিক অবস্থা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

লাদাখি সমাজের একটি বৈশিষ্ট্য যা এটিকে রাজ্যের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে তা হল ভারতের অন্যান্য গ্রামীণ অংশের তুলনায় মহিলাদের দ্বারা উপভোগ করা উচ্চ মর্যাদা এবং আপেক্ষিক মুক্তি। ১৯৪০-এর দশকের গোড়ার দিকে লাদাখে ভ্রাতৃত্বকালীন বহুপত্নীত্ব এবং উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সাধারণ ছিল কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এগুলিকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। যাইহোক, অনুশীলনটি ১৯৯০ এর দশকে বিশেষ করে বয়স্ক এবং আরও বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান ছিল। [৮১] আরেকটি প্রথা খং-বু, বা 'ছোট ঘর' নামে পরিচিত, যেখানে একটি পরিবারের প্রবীণরা, জ্যেষ্ঠ পুত্র যথেষ্ট পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে, পারিবারিক বিষয় অংশগ্রহণ থেকে অবসর নেন, পরিবারের কতৃত্ব তার হাতে তুলে দেন এবং শুধুমাত্র নিজেদের ভরণপোষণের জন্য সম্পত্তি গ্রহণ করেন। [২৯]

ঐতিহ্যগত ঔষধ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তিব্বতি ওষুধ এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে লাদাখের ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে যুক্ত। ঐতিহ্যগত নিরাময়ের এই বিদ্যালয়ে আয়ুর্বেদ এবং চীনা ওষুধের উপাদান রয়েছে, যা তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের দর্শন ও সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে মিলিত হয়েছে। বহু শতাব্দী ধরে, জনগণের কাছে একমাত্র সহজলভ্য চিকিৎসা ব্যবস্থা হল আমচি, তিব্বতের চিকিৎসা ঐতিহ্য অনুসরণকারী ঐতিহ্যবাহী ডাক্তাররা।আমচি ওষুধ জনস্বাস্থ্যের একটি উপাদান, বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে। [৮২]
সরকার, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির প্রোগ্রামগুলি এই ঐতিহ্যগত নিরাময় পদ্ধতির বিকাশ এবং পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কাজ করছে। [৮২] [৮৩] লাদাখের মানুষের জন্য আমচি ওষুধের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অধিকার সংরক্ষণের প্রচেষ্টা চলছে। সরকারও সামুদ্রিক বাকথর্নকে রস এবং জামের আকারে প্রচার করার চেষ্টা করছে, কারণ কেউ কেউ দাবি করে যে এটির ঔষধি গুণ রয়েছে।
লেহ-এর সোওয়া-রিগপা জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট হল ঐতিহ্যবাহী ওষুধের গবেষণার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান এবং একটি হাসপাতাল যা ঐতিহ্যগত চিকিৎসা প্রদান করে। [৮৪]
শিক্ষা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, লেহ জেলার সামগ্রিক সাক্ষরতার হার হল ৬২% (পুরুষদের জন্য ৭২% এবং মহিলাদের জন্য ৫০%), এবং কার্গিল জেলায় ৫৮% (পুরুষদের জন্য ৭৪% এবং মহিলাদের জন্য ৪১%)। [৮৫] ঐতিহ্যগতভাবে মনাসট্রিগুলি ছাড়া আনুষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে খুব কম বা কিছুই ছিল না। সাধারণত, প্রতিটি পরিবারের একজন ছেলেকে পবিত্র বই পড়ার জন্য তিব্বতি লিপি আয়ত্ত করতে বাধ্য করা হতো। [২৯]
মোরাভিয়ান মিশন ১৮৮৯ সালের অক্টোবরে লেহতে একটি স্কুল খুলেছিল এবং বালতিস্তান ও লাদাখের ওয়াজির-ই ওয়াজারাত (একজন ব্রিটিশ অফিসারের সাথে পদাধিকারবলে যুগ্ম কমিশনার) আদেশ দিয়েছিলেন যে প্রতিটি পরিবার যাদের একাধিক সন্তান রয়েছে তাদের একজনকে স্কুলে পাঠাতে হবে। এই আদেশটি স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে ব্যাপক প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছিল যারা আশঙ্কা করেছিল যে শিশুরা খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য হবে।স্কুলে তিব্বতি, উর্দু, ইংরেজি, ভূগোল, বিজ্ঞান, প্রকৃতি অধ্যয়ন, পাটিগণিত, জ্যামিতি এবং বাইবেল অধ্যয়ন শেখানো হয়। [১১]এটি আজও বিদ্যমান।১৯৭৩ সালে "ল্যামডন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি" নামে একটি স্থানীয় সোসাইটি দ্বারা পশ্চিমা শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রথম স্থানীয় স্কুল খোলা হয়েছিল। পরবর্তীতে, দালাই লামা এবং কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায়, স্কুলটি, যা এখন ল্যামডন মডেল সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুল নামে পরিচিত, বিভিন্ন শাখায় প্রায় দুই হাজার ছাত্রের থাকার ব্যবস্থা করেছে। এটি লাদাখির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় গর্বিত। [৮৬]
লাদাখ জুড়ে স্কুলগুলি ভালভাবে বিতরণ করা হয়েছে তবে তাদের মধ্যে ৭৫% শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে। ৬৫% শিশু স্কুলে যায়, কিন্তু ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ের অনুপস্থিতি বেশি থাকে। উভয় জেলাতেই স্কুল ত্যাগের স্তরে ( দশম শ্রেণী ) ব্যর্থতার হার বহু বছর ধরে প্রায় ৮৫%–৯৫% ছিল, যখন স্ক্র্যাপ করতে সক্ষম হয়, তাদের মধ্যে অর্ধেকই কলেজে প্রবেশের যোগ্যতা অর্জনে (দ্বাদশ শ্রেণি) সফল হয়। ১৯৯৩ সালের আগে, ছাত্রদের ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত উর্দুতে পড়ানো হত, তারপরে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজিতে স্থানান্তরিত হয়।
২০২২ সালের জানুয়ারী তে, লাদাখে ৯০৪ সরকারী চালিত স্কুল এবং ১১৩টি সরকারিভাবে পরিচালিত বেসরকারি স্কুল ছিল।[৮৭]
১৯৯৪ সালে স্টুডেন্টস এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অফ লাদাখ (SECMOL) অপারেশন নিউ হোপ (ONH) চালু করে, একটি প্রচারাভিযান "সাংস্কৃতিকভাবে উপযুক্ত এবং স্থানীয়ভাবে প্রাসঙ্গিক শিক্ষা" প্রদান এবং সরকারি স্কুলগুলিকে আরও কার্যকরী করে তোলার জন্য। [৮৮]

লাদাখ ইউনিভার্সিটি তার দুটি ক্যাম্পাস (কারগিল ও লেহ-এ প্রতিটিতে একটি) এবং এর সাংবিধানিক কলেজ শিক্ষার্থীদের লাদাখ ত্যাগ না করেই উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম করে। [৮৯] কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা লাদাখে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। [৯০] ইন্ডিয়ান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি হ্যানলে অবস্থিত এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স দ্বারা পরিচালিত হয়। [৯১]
ডিসেম্বর ২০১৯-এ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি, একটি লিখিত প্রতিক্রিয়ায় সংসদে বলেছেন যে ভারত সরকার লেহ জেলায় সোওয়া-রিগপার জন্য একটি মেডিকেল কলেজ এবং জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে। [৯২]
২০২১ সালের আগস্টে, ভারতের সংসদ লাদাখে "সিন্ধু সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি" নামে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করে। [৯৩] [৯৪]
মিডিয়া[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
সরকারি রেডিও সম্প্রচারকারী অল ইন্ডিয়া রেডিও (এআইআর) [৯৫] এবং সরকারি টেলিভিশন স্টেশন দূরদর্শনের লেহ-তে স্টেশন রয়েছে যেগুলো দিনে কয়েক ঘণ্টা স্থানীয় বিষয়বস্তু সম্প্রচার করে।[৯৬] এর বাইরে, লাদাখিরা ফিচার ফিল্ম তৈরি করে যা অডিটোরিয়াম এবং কমিউনিটি হলে প্রদর্শিত হয়। এগুলি প্রায়শই মোটামুটি শালীন বাজেটে তৈরি করা হয়। [৯৭] ১৪ ডিসেম্বর ২০২১-এ, লাদাখের প্রথম এফএম রেডিও স্টেশন লেহ-তে প্রতিষ্ঠিত হয়। [৯৮]
হাতে গোনা কয়েকটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম রয়েছে।
- রিচ লাদাখ বুলেটিন, [৯৯] ইংরেজিতে পাক্ষিক পত্রিকা, লাদাখীদের দ্বারা এবং তাদের জন্য প্রকাশিত একমাত্র প্রিন্ট মিডিয়া।
- রঙ্গুল বা কার্গিল নম্বর হল কাশ্মীর থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্র যা ইংরেজি এবং উর্দুতে লাদাখকে কভার করে।
- Ladags Melong, SECMOL-এর একটি উদ্যোগ, ইংরেজি এবং লাদাখিতে 1992 থেকে 2005 পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল।
- সিনটিক ম্যাগাজিন, লাদাখের একটি লাইফস্টাইল এবং ট্যুরিস্ট ম্যাগাজিন, ইংরেজিতে ২০১৮ সালে শুরু হয়েছিল।
কিছু প্রকাশনা যা সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীরকে কভার করে লাদাখের কিছু কভারেজ প্রদান করে।
- ডেইলি এক্সেলসিয়র দাবি করে যে "জম্মু ও কাশ্মীরের বৃহত্তম প্রচারিত দৈনিক"। [১০০]
- এপিলগ, জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে একটি মাসিক পত্রিকা। [১০১]
- কাশ্মীর টাইমস, জম্মু ও কাশ্মীরের একটি দৈনিক পত্রিকা। [১০২]
গ্যালারি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
-
পেনসি লা
-
শিংগো লা
-
শান্তি স্তুপ, লেহ
-
Front of the Thiksey Monastery
-
লিকির মঠ
-
লেহের কাছে হিমালয়ের সামনে গাছ
-
প্রতিফলন সহ নুব্রা ভ্যালির দৃশ্য
-
খোদাই করা পাথরের ফলক, যার প্রতিটিতে শিলালিপি লেখা "ওম মণি পদমে হাম" জ্যান্সকারের পথ ধরে
আরও দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ "Ladakh Gets Civil Secretariat"। ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ Excelsior, Daily (১২ নভেম্বর ২০১৯)। "LG, UT Hqrs, Head of Police to have Sectts at both Leh, Kargil: Mathur"। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "MHA.nic.in"। MHA.nic.in। ২০০৮-১২-০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৬-২১।
- ↑ "Part II—Section 3—Sub-section (ii)" (PDF), Gazette of India, Extraordinary, Controller of Publications, Delhi-110054, পৃষ্ঠা 2, ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২০
- ↑ "Jammu and Kashmir"। Encyclopedia Britannica (English ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২৫।
- ↑ Jan·Osma鈔czyk, Edmund; Osmańczyk, Edmund Jan (২০০৩)। Encyclopedia of the United Nations and International Agreements: G to M (English ভাষায়)। Taylor & Francis। পৃষ্ঠা ১১৯১। আইএসবিএন 978-0-415-93922-5।
- ↑ Jina, Prem Singh (১৯৯৬)। Ladakh: The Land and the People (English ভাষায়)। Indus Publishing। আইএসবিএন 978-81-7387-057-6।
- ↑ Bogle, George; Manning, Thomas (২০১০), Narratives of the Mission of George Bogle to Tibet: And of the Journey of Thomas Manning to Lhasa, Cambridge University Press, পৃষ্ঠা 26, আইএসবিএন 978-1-108-02255-2
- ↑ ৯.০ ৯.১ ৯.২ ৯.৩ ৯.৪ Loram, Charlie (২০০৪) [2000]। Trekking in Ladakh (2nd Edition সংস্করণ)। Trailblazer Publications। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "LoramCharlie" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ ১০.০ ১০.১ Petech, Luciano (১৯৭৭)। The Kingdom of Ladakh c. 950–1842 A.D.। Istituto Italiano per il media ed Estremo Oriente। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Luciano" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ ১১.০ ১১.১ Ray, John (২০০৫)। Ladakhi Histories — Local and Regional Perspectives। Leiden, Netherlands: Koninklijke Brill NV। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Ray" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ Petech, Luciano (1977). The Kingdom of Ladakh c. 950–1842 A.D. Istituto Italiano per il media ed Estremo Oriente
- ↑ Francke, A. H. (1914), 1920, 1926. Antiquities of Indian Tibet. Vol. 1: Personal Narrative; Vol. 2: The Chronicles of Ladak and Minor Chronicles, texts and translations, with Notes and Maps. Reprint: 1972. S. Chand & Co., New Delhi. (Google Books)
- ↑ Loram, Charlie. Trekking in Ladakh, Trailblazer Publications, 2004
- ↑ Osmaston, Henry; Tsering, Nawang; Studies, International Association for Ladakh (১৯৯৭)। Recent Research on Ladakh 6: Proceedings of the Sixth International Colloquium on Ladakh, Leh 1993 (English ভাষায়)। Motilal Banarsidass Publ.। আইএসবিএন 978-81-208-1432-5।
- ↑ Osmaston, Henry; Denwood, Philip (১৯৯৫)। Recent Research on Ladakh 4 & 5: Proceedings of the Fourth and Fifth International Colloquia on Ladakh (English ভাষায়)। Motilal Banarsidass Publ.। আইএসবিএন 978-81-208-1404-2।
- ↑ "The great empire of Maqpon"। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ Halkias, T. Georgios(2009) "Until the Feathers of the Winged Black Raven Turn White: Sources for the Tibet-Bashahr Treaty of 1679-1684," in Mountains, Monasteries and Mosques, ed. John Bray. Supplement to Rivista Orientali, pp. 59-79
- ↑ Emmer, Gerhard(2007) "Dga' ldan tshe dbang dpal bzang po and the Tibet-Ladakh-Mughal War of 1679-84," in The Mongolia-Tibet Interface. Opening new Research Terrains in Inner Asia, eds. Uradyn Bulag, Hildegard Diemberger, Leiden, Brill, pp. 81-107
- ↑ Ahmad, Zahiruddin (1968) "New Light on the Tibet-Ladakh-Mughal War of 1679-84." East and West, XVIII, 3, pp. 340-361
- ↑ Petech, Luciano(1947) "The Tibet-Ladakhi Moghul War of 1681-83." The Indian Historical Quarterly, XXIII, 3, pp. 169-199.
- ↑ "See Islam-Tibet, Cultural Interactions (8th-17th centuries)"। ৫ ডিসেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ Menon, P.M> & Proudfoot, C.L., The Madras Sappers, 1947-1980, 1989, Thomson Press, Faridabad, India.
- ↑ "Government may clear all weather tunnel to Leh today"। ১৬ জুলাই ২০১২। ৮ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Flora and fauna of Ladakh"। India Travel Agents। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৮-২১।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ Namgail, T. (2005). Winter birds of the Gya-Miru Wildlife Sanctuary, Ladakh, Jammu and Kashmir, India. Indian Birds, 1: 26-28.
- ↑ ২৯.০ ২৯.১ ২৯.২ ২৯.৩ ২৯.৪ Rizvi, Janet (১৯৯৬)। Ladakh – Crossroads of High Asia। Oxford University Press। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Crossroads" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ The Gazetteer of Kashmir and Ladák published in 1890 Compiled under the direction of the Quarter Master General in India in the Intelligence Branch in fact unequivocally states inter alia in pages 520 and 364 that Khotán is "a province in the Chinese Empire lying to the north of the Eastern Kuenlun (Kun Lun) range, which here forms the boundary of Ladák" and "The eastern range forms the southern boundary of Khotán, and is crossed by two passes, the Yangi or Elchi Díwan, crossed in 1865 by Johnson and the Hindútak Díwan, crossed by Robert Schlagentweit in 1857".
- ↑ "Multi-hazard Map of India" (PDF)। United Nations Development Program। ২০০৭। ৩১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৪।
- ↑ Strzepek, Kenneth M.; Joel B. Smith (১৯৯৫)। As Climate Changes: International Impacts and Implications। Cambridge University Press। আইএসবিএন 978-0-521-46796-4।
- ↑ "OneWorld South Asia – Glacier man Chewang Norphel brings water to Ladakh"। ২ জুলাই ২০০৭। ২ জুলাই ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
- ↑ "Edugreen.teri.res.in"। Edugreen.teri.res.in। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "Climate in Ladakh"। LehLadakhIndia.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০০৮।
- ↑ Dvorský, Miroslav (২০১৮)। A field guide to the flora of Ladakh। Academia। আইএসবিএন 978-80-200-2826-6।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ Namgail, T.; Fox, J.L. (২০০৪)। "262" (PDF)। Habitat segregation between sympatric Tibetan argali Ovis ammon hodgsoni and blue sheep Pseudois nayaur in the Indian Trans-Himalaya। Journal of Zoology। reg.wur.nl। পৃষ্ঠা 57–63।
- ↑ Namgail, T (২০০৬)। "Winter Habitat Partitioning between Asiatic Ibex and Blue Sheep in Ladakh, Northern India" (PDF): 7–13।
- ↑ Namgail, T. (2006).
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ Namgail, T (২০০৪)। "Eurasian lynx in Ladakh": 21–22।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ Namgail, T.; Bagchi, S. (২০০৫)। "Occurrence of the Tibetan sand fox Vulpes ferrilata Hodgson in Ladakh: A new record for the Indian sub-Continent": 217–219।
- ↑ লুয়া ত্রুটি মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তক এর 47 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।
- ↑ Vishwas S. Kale (২৩ মে ২০১৪)। Landscapes and Landforms of India। Springer। আইএসবিএন 9789401780292।
- ↑ Satish K. Sharma (২০০৬)। Temperate Horticulture: Current Scenario। New India Publisher। আইএসবিএন 9788189422363।
- ↑ "New J&K to be like Puducherry: Here is how India's new Union territory J&K will function"। The Economic Times। ৫ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "LAHDC Act would continue and the Amendments of 2018 to be protected: Governor"। Daily Excelsior। ৩০ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০।
- ↑ "India"। Allrefer country study guide। ২১ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ "Kashmir updates: Rajya Sabha passes bill that divides J&K, Ladakh with 125 votes in favour, 61 against"। Business Today। ৫ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ Dixit, Pranjal (৬ আগস্ট ২০১৯)। "लद्दाख की अपनी होगी खाकी, जम्मू-कश्मीर पुलिस भी दिल्ली की तरह उप राज्यपाल को करेगी रिपोर्ट"। Amar Ujala (हिन्दी ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "Khan, Shri Hassan: Member's Bioprofile"। Lok Sabha। ১৩ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
- ↑ "Members of Parliament, MPs of India 2014, Sixteenth Lok Sabha Members"। elections.in। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ ৫৭.০ ৫৭.১ Weare, Garry (২০০২)। Trekking in the Indian Himalaya (4th সংস্করণ)। Lonely Planet।
- ↑ "Distribution of Rocks and Minerals in J&K state"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৭।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;census2011-C01নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ ৬০.০ ৬০.১ C-16 Population By Mother Tongue – Jammu & Kashmir (প্রতিবেদন)। Office of the Registrar General & Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২০।
- ↑ "State Development Report—Jammu and Kashmir, Chapter 3A" (PDF)। Planning Commission of India। ২০০১। ৩০ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ "LAC stand-off: BRO's new highway untraceable by enemy, saves hours and gives 365-day connectivity"। The Times of India (English ভাষায়)। ANI। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ IAF craft makes successful landing near China border (৪ নভেম্বর ২০০৮)। "NDTV.com"। NDTV.com। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "Air Courier Service From Kargil Begins Operation"। news.outlookindia.com। ১৭ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ "IAF to start air services to Kargil during winter from December 6"। NDTV.com। ৩ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ Fayyaz, Ahmed Ali (৭ জানুয়ারি ২০১৩)। "Kargil gets first civil air connectivity"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ GK News Network (২ জানুয়ারি ২০১৩)। "Air Mantra to operate flights to Kargil"। Greater Kashmir। ৪ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ "Ladakh Festival – a Cultural Spectacle"। EF News International। ২ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ Motup, Sonam। "Food & Cuisine: 10 Best Dishes to Eat in Leh-Ladakh 🥄🥣"।
- ↑ Namgail, T., Jensen, A., Padmanabhan, S., Desor, S. & Dolma, R. (২০১৯)। Dhontang: Food in Ladakh। Central Institute of Buddhist Studies, Local Futures। পৃষ্ঠা 1–44। আইএসবিএন 978-93-83802-15-9।
- ↑ Norberg-Hodge, Helena (২০০০)। Ancient Futures: Learning from Ladakh। Oxford India Paperbacks।
- ↑ "Masks: Reflections of Culture and Religion"। Dolls of India। ১২ জানুয়ারি ২০০৩। ১০ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ "Living Fabric: Weaving Among the Nomads of Ladakh Himalaya"। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ Sherlip, Adam। "Hockey Foundation"।
- ↑ "Ladakh culture"। Jammu and Kashmir Tourism। ১২ জুলাই ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ "Lalit Group Organises Polo Tourney in Drass, Celebrating 100 Years, Sports Events Imperative To Showcase Talent: Omar"। Greater Kashmir। ১০ জুলাই ২০১১। ৩০ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ Khagta, Himanshu (১৮ জুলাই ২০১১)। "Traditonal [sic] Polo in Drass, Ladakh | Himanshu Khagta – Travel Photographer in India"। PhotoShelter: Himanshu Khagta। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ "Manipur lifts Lalit Suri Polo Cup"। State Times। ১২ জুন ২০১২। ১৭ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৩।
- ↑ "Business Hotels in India – Event Planning in India – The Lalit Hotels"। ১৪ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
- ↑ "LAHDC organises 3rd Ladakh Marathon at Leh | Business Standard News"। Business Standard India। Business-standard.com। Press Trust of India। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
- ↑ Gielen, Uwe (১৯৯৮)। "Gender roles in traditional Tibetan cultures": 413–437।
- ↑ ৮২.০ ৮২.১ "Plantlife.org project on medicinal plants of importance to amchi medicine"। Plantlife.org.uk। ১৭ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Plantlife" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ "A government of India project in support of Sowa Rigpa-'amchi' medicine"। Cbhi-hsprod.nic.in। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "Modi govt to promote Tibetan healing system with AIIMS-like Sowa-Rigpa hospital in Leh"। ThePrint। ২৮ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০২০।
- ↑ "District-specific Literates and Literacy Rates"। Education for all website। ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ "Leh, Ladakh. A History of Lamdon School" (PDF)। internationaledventures.com। The Lamdon Social Welfare Society। ২৬ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
- ↑ "Profile | Department of School Education UT Ladakh | Ladakh | GoI"।
- ↑ Justin Shilad (২০০৯) [2007]। "Education reform, interrupted"। Himal Southasian। ১১ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮।
- ↑ "About Us"।
- ↑ "Cabinet approves setting up central university in Ladakh"। ২৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ "New gamma ray telescope coming up in Ladakh to observe exploding stars, black holes"। Firstpost। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "Two AIIMS-like institutions, 8 medical colleges in Jammu-Kashmir, Ladakh: Govt"। The Indian Express। ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Parliament passes Bill to set up Central university in Ladakh"। The Hindu।
- ↑ "Sindhu Central University in Ladakh"। Hindustan Times।
- ↑ "AIR Leh"। Prasar Bharati। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৩।
- ↑ "List of Doordarshan studios"। ২০ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
- ↑ "Thaindia News"। Thaindian.com। ১০ অক্টোবর ২০০৯। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "Ladakh gets its first-ever FM radio station"। The Indian Express। ১৪ ডিসেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ Deptt, Information। "ReachLadakh.com"। ReachLadakh.com। ১ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "The Daily Excelsior"। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "Epilogue's website"। Epilogue.in। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
- ↑ "The Kashmir Times"। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১২।
আরও পড়ুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- Allan, Nigel J. R. 1995 Karakorum Himalaya: Sourcebook for a Protected Area, আইএসবিএন ৯৬৯-৮১৪১-১৩-৮
- Cunningham, Alexander. 1854. Ladak: Physical, Statistical, and Historical; with notices of the surrounding countries. Reprint: Sagar Publications, New Delhi. 1977.
- Desideri (1932). An Account of Tibet: The Travels of Ippolito Desideri 1712-1727. Ippolito Desideri. Edited by Filippo De Filippi. Introduction by C. Wessels. Reproduced by Rupa & Co, New Delhi. 2005
- Drew, Federic. 1877. The Northern Barrier of India: a popular account of the Jammoo and Kashmir Territories with Illustrations. 1st edition: Edward Stanford, London. Reprint: Light & Life Publishers, Jammu. 1971.
- Francke, A. H. (1914), 1920, 1926. Antiquities of Indian Tibet. Vol. 1: Personal Narrative; Vol. 2: The Chronicles of Ladak and Minor Chronicles, texts and translations, with Notes and Maps. Reprint: 1972. S. Chand & Co., New Delhi. (Google Books)
- Gillespie, A. (2007). Time, Self and the Other: The striving tourist in Ladakh, north India. In Livia Simao and Jaan Valsiner (eds) Otherness in question: Development of the self. Greenwich, CT: Information Age Publishing, Inc.
- Gillespie, A. (2007). In the other we trust: Buying souvenirs in Ladakh, north India. In Ivana Marková and Alex Gillespie (Eds.), Trust and distrust: Sociocultural perspectives. Greenwich, CT: Information Age Publishing, Inc.
- Gordon, T. E. 1876. The Roof of the World: Being the Narrative of a Journey over the high plateau of Tibet to the Russian Frontier and the Oxus sources on Pamir. Edinburgh. Edmonston and Douglas. Reprint: Ch’eng Wen Publishing Company. Tapei. 1971.
- Harvey, Andrew. 1983. A Journey in Ladakh. Houghton Mifflin Company, New York.
- Knight, E. F. 1893. Where Three Empires Meet: A Narrative of Recent Travel in: Kashmir, Western Tibet, Gilgit, and the adjoining countries. Longmans, Green, and Co., London. Reprint: Ch'eng Wen Publishing Company, Taipei. 1971.
- Knight, William, Henry. 1863. Diary of a Pedestrian in Cashmere and Thibet. Richard Bentley, London. Reprint 1998: Asian Educational Services, New Delhi.
- Moorcroft, William and Trebeck, George. 1841. Travels in the Himalayan Provinces of Hindustan and the Panjab; in Ladakh and Kashmir, in Peshawar, Kabul, Kunduz, and Bokhara... from 1819 to 1825, Vol. II. Reprint: New Delhi, Sagar Publications, 1971.
- Norberg-Hodge, Helena. 2000. Ancient Futures: Learning from Ladakh. Rider Books, London.
- Peissel, Michel. 1984. The Ants' Gold: The Discovery of the Greek El Dorado in the Himalayas. Harvill Press, London.
- Rizvi, Janet. 1998. Ladakh, Crossroads of High Asia. Oxford University Press. 1st edition 1963. 2nd revised edition 1996. 3rd impression 2001. আইএসবিএন ০-১৯-৫৬৪৫৪৬-৪.
- Trekking in Zanskar & Ladakh: Nubra Valley, Tso Moriri & Pangong Lake, Step By step Details of Every Trek: a Most Authentic & Colourful Trekkers' guide with maps 2001–2002 Abebooks.co.uk
- Zeisler, Bettina. (2010). "East of the Moon and West of the Sun? Approaches to a Land with Many Names, North of Ancient India and South of Khotan." In: The Tibet Journal, Special issue. Autumn 2009 vol XXXIV n. 3-Summer 2010 vol XXXV n. 2. "The Earth Ox Papers", edited by Roberto Vitali, pp. 371–463.
- The Road to Lamaland - by Martin Louis Alan Gompertz
- Magic Ladakh - by Martin Louis Alan Gompertz
- ↑ This excludes Aksai Chin (37,555 km²), under Chinese administration.
- ↑ The extension of the term "Tibet" to the modern day Tibet is due to the Europeans in India in the 18th century.[৮]
- ↑ All of Indian Ladakh is placed in high risk Zone VIII, while areas from Kargil and Zanskar southwestward are in lower risk zones on the earthquake hazard scale.
উদ্ধৃতি ত্রুটি: "n" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="n"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি
- টেমপ্লেট আহ্বানে সদৃশ আর্গুমেন্ট ব্যবহার করা পাতা
- তথ্যসূত্র ত্রুটিসহ পাতা
- স্ক্রিপ্ট ত্রুটিসহ পাতা
- উদ্ধৃতি শৈলীতে English ভাষার উৎস (en)
- উদ্ধৃতি শৈলীতে हिन्दी ভাষার উৎস (hi)
- অবচিত স্থানাঙ্ক বিন্যাস ব্যবহার করা পাতা
- বাংলা-নয় ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
- ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
- ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
- লাদাখ











