বিষয়বস্তুতে চলুন

শোভা চন্দ্রশেখর

ভারতপিডিয়া থেকে
শোভা চন্দ্রশেখর
জন্ম (1948-08-24) ২৪ আগস্ট ১৯৪৮ (বয়স ৭৭)
জাতীয়তাভারতীয়
কর্মজীবন১৯৬৭–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীএস. এ. চন্দ্রশেখর
সন্তান২, যার মধ্যে আছেন বিজয়
আত্মীয়এস. এন. সুরেন্দর (ভাই)

শোভা চন্দ্রশেখর (জন্ম ২৪শে আগস্ট ১৯৪৮) একজন ভারতীয় তামিল নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী, পরিচালক, লেখক এবং প্রযোজক। তিনি অভিনেতা বিজয়ের মা।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তিনি এস. এ. চন্দ্রশেখরকে বিবাহ করেছিলেন, চন্দ্রশেখর হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং লেখক। তাঁর ছেলে বিজয় তামিল চলচ্চিত্রের একজন অভিনেতা। তাঁর মেয়ে বিদ্যা দুই বছর বয়সে মারা যায়। তাঁর পুত্রবধূর নাম সঙ্গীতা স্বর্ণলিঙ্গম। তাঁর ভাইবোনরা হলেন সুন্দর, সুরেন্দর এবং শীলা। তাঁর মায়ের নাম ললিতা।[]

সঙ্গীত প্রশিক্ষণ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তাঁর প্রথম সঙ্গীত গুরু ছিলেন শ্রী মীনাক্ষী সুন্দরম। পরে, তিনি তামিলনাড়ু সরকারি সঙ্গীত কলেজে ভর্তি হন এবং কলেজের বিদ্যান শ্রী টি.এম. থিয়াগরাজনের মত মহান শিক্ষকদের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা করেন। তিনি সঙ্গীত কলেজে শ্রীমতী কল্পকাম স্বামীনাথনের কাছ থেকে বীণা বাদ্য শেখার সুযোগও পেয়েছিলেন। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি শ্রীমতী বৃন্দা থিয়াগরাজনের কাছ থেকে ভোকাল কর্ণাটকী সঙ্গীত শিখছেন। বৃন্দা হলেন শ্রী মহারাজাপুরম সন্থানমের কন্যা।[]

পুরস্কার এবং উপাধি[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তিনি এস্টেল হোটেল এবং রিসোর্টের পক্ষ থেকে আজীবন কৃতিত্বের জন্য মিসেস চেন্নাই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। শোভা চন্দ্রশেখর, গায়িকা হিসেবে এবং চেন্নাইতে তাঁর জনহিতকর কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি একজন ভালো মা এবং স্ত্রী হওয়ার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন।[]

অন্যান্য[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার আদেশে তাঁকে শৈল্পিক ঐতিহ্য পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল।[]

চলচ্চিত্র জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

তিনি লঘু সঙ্গীত দলের একজন গায়ক ছিলেন। পরে তিনি চলচ্চিত্রে গায়ক হিসেবে উন্নীত হন। তিনি বেশ কিছু গল্প লিখেছেন যেগুলি থেকে তাঁর চলচ্চিত্র নির্মাতা স্বামী এস. এ. চন্দ্রশেখর চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন। তিনি প্রথমে চলচ্চিত্র প্রযোজক হয়েছিলেন এবং তারপর চলচ্চিত্র পরিচালক হয়েছিলেন। তিনি বিভিন্ন ধ্রুপদী সঙ্গীতানুষ্ঠানেও সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। তিনি সম্প্রতি "অনাইমুগানাম আরমুগানাম" শিরোনামের একটি ভক্তিমূলক অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাঁর সঙ্গীত জীবন সম্পর্কে বলা হয়েছে।

তাঁর প্রথম লঘু শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠানটি ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে বিজয় টিভিতে সম্প্রচারিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘সমর্পনম’। তাঁর প্রথম সরাসরি (লাইভ) সঙ্গীতানুষ্ঠানটি ছিল মহারাজাপুরম সান্থানম ট্রাস্টের জন্য। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রের গান ছিল "ইরু মালারগাল" চলচ্চিত্রের "মহারাজা ওরু মহারানি..."। স্বামীর তৈরি প্রায় সব ছবিতেই গান গেয়েছেন তিনি।

তিনি ১০টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন এবং ৫০টিরও বেশি গল্প লিখেছেন। এছাড়াও তিনি নানবরগাল এবং ইনিসাই মাঝাই নামে দুটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। প্রকৃতপক্ষে চন্দ্রশেখর এই ছবিদুটিতে তাঁর সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁকে সহায়তা করেছিলেন শঙ্কর, এখন যিনি একজন বিখ্যাত পরিচালক। এস্টেল হোটেল ও রিসোর্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শোভা একজন অহংকারহীন ব্যক্তির আদর্শ উদাহরণ। তিনি ১২টিরও বেশি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন।[][]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ Lakshmansruthi – ONLINE MUSIC DIRECTORY ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে. Profiles.lakshmansruthi.com. Retrieved 24 July 2016.
  2. Jayalalitha gives new post to Vijay’s mom, Shoba Chandrasekar | Tamil Cinema News › Kollywood Movie News. Kollyinsider.com (2 November 2011). Retrieved 24 July 2016.
  3. "Shobha Chandrasekhar Filmography"OneIndia। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

লুয়া ত্রুটি মডিউল:কর্তৃপক্ষ_নিয়ন এর 348 নং লাইনে: attempt to index field 'wikibase' (a nil value)।