শ্রীনিবাসন চন্দ্রশেখরন
শ্রীনিবাসন চন্দ্রশেখরন | |
|---|---|
| জন্ম | ১৫ নভেম্বর ১৯৪৫ তামিলনাড়ু, ভারত |
| বাসস্থান | বেঙ্গালুরু, কর্ণাটক, ভারত |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| কর্মক্ষেত্র | |
| প্রতিষ্ঠান | |
| প্রাক্তন ছাত্র | |
| পিএইচডি উপদেষ্টা |
|
| পিএইচডি ছাত্ররা | তুষার কান্তি চক্রবর্তী |
| পরিচিতির কারণ |
|
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার |
|
শ্রীনিবাসন চন্দ্রশেখরন (Srinivasan Chandrasekaran, জন্ম ১৯৪৫) একজন ভারতীয় জৈব এবং অর্গানোমেটালিক রসায়নবিদ, একাডেমিক এবং জৈব রসায়ন বিভাগ এবং রাসায়নিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন পদাধিকারী এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এর বিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির প্রাক্তন ডিন। তিনি জৈব প্রতিক্রিয়া প্রক্রিয়া এবং জৈব সংশ্লেষণ সম্পর্কিত গবেষণার জন্য পরিচিত।[১] তিনি ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমী,[২] ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স,[৩] এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এর একজন নির্বাচিত ফেলো। [৪] বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ভারত সরকারের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল ১৯৮৯ সালে তাঁকে রাসায়ন বিজ্ঞানে তাঁর অবদানের জন্য সর্বোচ্চ ভারতীয় বিজ্ঞান পুরস্কারের মধ্যে একটি শান্তি স্বরূপ ভাটনাগর পুরস্কার দিয়েছিল।[৫]
জীবনী[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

এস. চন্দ্রশেখরন ১৯৪৫ সালের ১৫ নভেম্বর দক্ষিণ ভারতের রাজ্য তামিলনাড়ু তে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় এর রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছিলেন। সেখানে তিনি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শেষ করে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে ঐ একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এস.স্বামীনাথনের পরিচালনায় পড়াশোনা করে পি.এইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর থিসিস অক্সি-কোপ রিঅ্যারেঞ্জমেন্ট অ্যান্ড অন দি সিনথেসিস অফ নোভেল নরবোরনেন ডেরিভেটিভস এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।[২] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়ার পর তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর ই. জে. কোরি গবেষণাগারে স্নাতকোত্তর (১৯৭৩-৭৫) করেন। সেখানে পড়াশোনা শেষ করার পরে ১৯৭৫-৭৬ সালে সিনটেক্স রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ এ বিজ্ঞানী হিসাবে কাজ করেন। [৬] তিনি আরও এক বছর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন এবং ১৯৭৭ সালে ভারতে ফিরে আসার আগে তিনি কোরের গবেষণাগারে পুনরায় গবেষণা শুরু করেন। দেশে ফিরে কানপুরের আইআইটি তে রসায়নের লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। সেখানে ১২ বছর চাকরি করার পরে তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স ইনস্টিটিউট এ স্থানান্তরিত হয়ে চলে আসেন। তিনি আইআইএসসি-তে জৈব রসায়ন বিভাগের পদে এবং রাসায়নিক বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির ডিনসহ বেশ কয়েকটি পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।[২]
চন্দ্রশেখরন এখন বেঙ্গালুরুতে থাকেন এবং ভারতীয় বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে সম্মানিত অধ্যাপক হিসাবে কাজ করেন। [৭]
উত্তরাধিকার[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
কোরির সাথে ডক্টরাল পরবর্তী গবেষণার সময় চন্দ্রশেখরন সর্বপ্রথম সফলভাবে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারী হরমোন জিব্বরেলিক অ্যাসিড এর সংশ্লেষ সম্পাদন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। [২] পরে সিনটেক্স এ তিনি বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক সংশ্লেষণের কাজ করেছিলেন। পরবর্তীকালে জৈব প্রতিক্রিয়া পদ্ধতিতে কাজ করে তিনি নতুন জৈব সংশ্লেষের পুনঃসংশ্লিষ্ট একটি সেট তৈরি করেন এবং সেগুলি ব্যবহার করে কার্বন পুঞ্জ (কন্সটিলেশন) সৃষ্টি সম্পন্ন করেন।[৮] তাঁর গবেষণাগুলি পিয়ার-রিভউড জার্নালে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি নিবন্ধের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা হয়েছে[৯][১০][note ১] এবং রিসার্চগেট নামের অনলাইন নিবন্ধ ভাণ্ডারে সেগুলর মধ্যে থেকে ৩১৮ টি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। [১১] এ ছাড়া দুটি বইয়ের অধ্যায়ে তাঁর অবদান রয়েছ:[note ২] এনসাইক্লোপিডিয়া অফ রিএজেন্টস ফর অরগানিক সিনথেসিস এর ৩ টি অধ্যায় এবং পার্টিক্যাল সোয়ার্ন অপটিমাইজেশন এ ১ টি অধ্যায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তিনি বেশ কয়েক জন গবেষকের অধ্যয়নে পরামর্শদাতা ছিলেন। এছাড়াও মূল বক্তব্য রচনা করেছেন এবং সম্পূর্ণ বক্তৃতা প্রদান করেছেন।[৭] তিনি বহু বিজ্ঞান সমিতির কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন এবং সঙ্গে ছিল কিছু নির্বাহী কমিটির সদস্যপদও। আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন অব পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স একাডেমির জাতীয় কমিটির সভাপতি, ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমির সেক্রেটারি এবং রাসায়নিক গবেষণা সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া এর সভাপতিত্ব সেই সব দায়িত্বগুলির মধ্যে ছিল অন্যতম[২]
আরো দেখুন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
লুয়া ত্রুটি: bad argument #2 to 'title.new' (unrecognized namespace name 'প্রবেশদ্বার')।
মন্তব্য[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
- ↑ "Brief Profile of the Awardee"। Shanti Swarup Bhatnagar Prize। ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ ২.৪ "Indian fellow"। Indian National Science Academy। ২০১৬।
- ↑ "TWAS fellow"। TWAS। ২০১৬।
- ↑ "Fellow profile"। Indian Academy of Sciences। ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "View Bhatnagar Awardees"। Shanti Swarup Bhatnagar Prize। ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Srinivasan Chandrasekaran - Faculty profile"। Indian Institute of Science। ২০১৬। ৯ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ ৭.০ ৭.১ "Distinguished Lecture Series"। IIT Kanpur। ২০১৬।
- ↑ "Handbook of Shanti Swarup Bhatnagar Prize Winners" (PDF)। Council of Scientific and Industrial Research। ১৯৯৯। পৃষ্ঠা 34। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "Browse by Fellow"। Indian Academy of Sciences। ২০১৬।
- ↑ "Srinivasan Chandrasekaran on IISc"। IISc। ২০১৬।
- ↑ "Srinivasan Chandrasekaran on ResearchGate"। ২০১৬।