Deprecated: Caller from MediaWiki\Revision\RevisionStore::loadSlotRecordsFromDb ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385

Deprecated: Caller from MediaWiki\Cache\LinkCache::fetchPageRow ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385

Deprecated: Caller from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::selectOne ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385

Deprecated: Caller from MediaWiki\Page\PageProps::getProperties ignored an error originally raised from MediaWiki\Extension\SmartCommons\Store\MetadataStore::updateMetadata: [1054] Unknown column 'scf_url' in 'SET' in /www/wwwroot/enwiki/w/includes/debug/MWDebug.php on line 385
স্বপ্না দত্ত - ভারতপিডিয়া বিষয়বস্তুতে চলুন

স্বপ্না দত্ত

ভারতপিডিয়া থেকে
স্বপ্না দত্ত
২০১৮ সালে স্বপ্না দত্ত
জন্ম
স্বপ্না দত্ত চালসানী

(1981-08-30) ৩০ আগস্ট ১৯৮১ (বয়স ৪৫)
অন্যান্য নামস্বপ্না
মাতৃশিক্ষায়তনওহাইও বিশ্ববিদ্যালয়
পেশামিডিয়া ব্যক্তিত্ব, চলচ্চিত্র প্রযোজক
কর্মজীবন২০০০–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীপ্রসাদ বর্মা
পিতা-মাতাসি. অশ্বিনী দত্ত (পিতা)
বিনয় কুমারী (মা)
আত্মীয়প্রিয়াঙ্কা দত্ত (বোন)
নাগ অশ্বিন (দুলাভাই)
শ্রাবন্তী দত্ত (ছোট বোন)
ওয়েবসাইটwww.imdb.com/name/nm2014995

স্বপ্না দত্ত চালসানী (জন্ম: ৩০শে আগস্ট ১৯৮১) হলেন হায়দরাবাদে বসবাসরত একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা। স্বপ্না দত্ত ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বৈজয়ন্তী মুভিজের প্রতিষ্ঠাতা সি. অশ্বিনী দত্ত-র কন্যা। তিনি ২০০০ সালে আজাদ নামক চলচ্চিত্রের সহযোগী প্রযোজক হিসাবে মাত্র ১৮ বছর বয়সে চলচ্চিত্র নির্মাণে তাঁর জীবন শুরু করেছিলেন। তাঁর প্রথম প্রকল্পের পরেই স্বপ্না সহ-প্রযোজিত চলচ্চিত্রগুলোতে তাঁর বাবার সাথে বৈজয়ন্তী মুভিজের ব্যানারে এবং তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা দত্ত চালসানীর সাথে কাজ করা শুরু করেছেন। প্রিয়াঙ্কা এবং স্বপ্না দুজনে ২০১৪ সালে স্বপ্না সিনেমা ঘর পুনরুদ্ধার করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

স্বপ্না দত্ত ১৯৮১ সালের ৩০শে আগস্ট তারিখে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ বিজয়ওয়াড়ায় তেলুগু চলচ্চিত্র জগতের স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। স্বপ্না দত্ত সি. অশ্বিনী দত্ত এবং বিনয় কুমারীর জ্যেষ্ঠ কন্যা, তাঁর বাবা সি. অশ্বিনী দত্ত তেলুগু চলচ্চিত্র জগতের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বৈজয়ন্তী মুভিজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বপ্নার দুটি ছোট বোন রয়েছে; প্রিয়াঙ্কা দত্ত চালসানী (যিনি স্বপ্নার এবং বাবার সাথে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ করেন) এবং শ্রাবন্তী দত্ত (যিনি একজন ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সহ-প্রযোজনা করেন)। স্বপ্না দত্ত ওহাইও ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০১০ সালের ১৯শে ডিসেম্বর তারিখে স্বপ্না প্রসাদ বর্মার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

পেশা[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

ওহাইও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যয়নের সময়,[] তিনি নিজের পিতাকে সহায়তা করার পাশাপাশি বিদেশে চলচ্চিত্রের চিত্রায়নের সময়সূচী দেখভাল করতেন। স্বপ্না বুঝতে পেরেছিলেন যে, আরও কিছু শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকেই নিজের জন্য মিডিয়া জগতে একটি পথ তৈরি করতে হবে। ওহাইও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করার পরে, ২০০৬ সালে হায়দ্রাবাদে স্বপ্না বৈজয়ন্তী টেলিভেঞ্চার প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা তেলুগু ভাষার জনপ্রিয় চ্যানেলের জন্য একটানা বিভিন্ন অনুষ্ঠান তৈরির মাধ্যমে টেলিভিশন শিল্পের রুপ বদলে দিয়েছিল। ২০০৮ সালের ৭ই অক্টোবর তারিখে, অন্ধ্র প্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ড. ইয়েদুগুরি সন্দিন্তি রাজশেখর রেড্ডি একটি স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল চালু করেছিলেন - যা প্রচলিত ছোট্ট পর্দায় বৈজয়ন্তী টেলিভিশন প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই চ্যানেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিউডের চূড়ামণি ডক্টর আক্কেনেনি নাগেশ্বর রাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি এই স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলটিকে স্যাটেলাইট টেলিভিশন পরিষেবাতে অন্তর্নিবেশিত করার পরিকল্পনা করছেন। এই কৌশলটি নিয়ে এখনও কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে, দর্শকেরা টেলিভিশন দেখার অভিজ্ঞতার নতুন যুগে আসবেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

  1. "Smile of Success"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৬, ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]