অমৃতা সুভাষ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
>InternetArchiveBot ১টি উৎস উদ্ধার করা হল ও ০টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল।) #IABot (v2.0.8 |
অ Text replacement - "February" to "ফেব্রুয়ারি" |
||
| ৯ নং লাইন: | ৯ নং লাইন: | ||
| nationality = ভারতীয় | | nationality = ভারতীয় | ||
| occupation = অভিনেত্রী, নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী | | occupation = অভিনেত্রী, নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী | ||
| spouse = সন্দেশ কুলকার্নি<ref name=Husband>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/city/pune-times/My-husband-is-my-best-critic/articleshow/1031485.cms |শিরোনাম=My husband is my best critic |সংবাদপত্র=[[দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া]] |তারিখ=24 | | spouse = সন্দেশ কুলকার্নি<ref name=Husband>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://timesofindia.indiatimes.com/city/pune-times/My-husband-is-my-best-critic/articleshow/1031485.cms |শিরোনাম=My husband is my best critic |সংবাদপত্র=[[দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া]] |তারিখ=24 ফেব্রুয়ারি 2005 |লেখক=খারাডে, পল্লবী |সংগ্রহের-তারিখ=২০ মার্চ ২০২০ |ভাষা=en}}</ref> | ||
| children = | | children = | ||
| parents = [[জ্যোতি সুভাষ]] <small>(মাতা)</small> | | parents = [[জ্যোতি সুভাষ]] <small>(মাতা)</small> | ||
| ২৪ নং লাইন: | ২৪ নং লাইন: | ||
অমৃতার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ২০০৪ সালে ''শ্বাস'' চলচ্চিত্রে মেডিক্যাল সমাজকর্মী আসাওয়ারি চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। চলচ্চিত্রটি ৫১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়<ref name="51stawardPDF">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://dff.nic.in/2011/51st_nff_2004.pdf |শিরোনাম=51st National Film Awards |প্রকাশক=চলচ্চিত্র উৎসব অধিদপ্তর |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |বিন্যাস=PDF |পাতাসমূহ=১০–১১ |আর্কাইভের-তারিখ=৩ মার্চ ২০১৬ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160303234942/http://dff.nic.in/2011/51st_nff_2004.pdf |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> এবং এটি শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কারে ভারত থেকে নিবেদন করা হয়, কিন্তু তা চূড়ান্ত মনোনয়ন পায়নি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.rediff.com/movies/2007/sep/25slid3.htm |শিরোনাম=India's Oscar entry in this decade |প্রকাশক=[[রেডিফ.কম]] |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০}}</ref> একই বছর তিনি [[গুলজার]] পরিচালিত টেলিভিশন চলচ্চিত্র ''নির্মলা -''য় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন, এটি [[মুন্সি প্রেমচাঁদ]]ের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। ২০০৪ সালের অক্টোবরে দূরদর্শনে প্রচারিত টিভি চলচ্চিত্রটি গুলজারের ''তেহরির... মুনশী প্রেমচাঁদ কি'' ধারাবাহিকের শেষ পর্ব।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2004/20040815/spectrum/main6.htm |শিরোনাম=Gulzar's vision of timeless classics |সংবাদপত্র=দ্য ট্রিবিউন |তারিখ=15 August 2004 |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০}}</ref> এছাড়া তিনি দূরদর্শনে প্রচারিত [[বাসু চ্যাটার্জী]] পরিচালিত ''এক প্রেম কথা'' ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। | অমৃতার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ২০০৪ সালে ''শ্বাস'' চলচ্চিত্রে মেডিক্যাল সমাজকর্মী আসাওয়ারি চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। চলচ্চিত্রটি ৫১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়<ref name="51stawardPDF">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://dff.nic.in/2011/51st_nff_2004.pdf |শিরোনাম=51st National Film Awards |প্রকাশক=চলচ্চিত্র উৎসব অধিদপ্তর |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |বিন্যাস=PDF |পাতাসমূহ=১০–১১ |আর্কাইভের-তারিখ=৩ মার্চ ২০১৬ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160303234942/http://dff.nic.in/2011/51st_nff_2004.pdf |ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর }}</ref> এবং এটি শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কারে ভারত থেকে নিবেদন করা হয়, কিন্তু তা চূড়ান্ত মনোনয়ন পায়নি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.rediff.com/movies/2007/sep/25slid3.htm |শিরোনাম=India's Oscar entry in this decade |প্রকাশক=[[রেডিফ.কম]] |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০}}</ref> একই বছর তিনি [[গুলজার]] পরিচালিত টেলিভিশন চলচ্চিত্র ''নির্মলা -''য় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন, এটি [[মুন্সি প্রেমচাঁদ]]ের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। ২০০৪ সালের অক্টোবরে দূরদর্শনে প্রচারিত টিভি চলচ্চিত্রটি গুলজারের ''তেহরির... মুনশী প্রেমচাঁদ কি'' ধারাবাহিকের শেষ পর্ব।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.tribuneindia.com/2004/20040815/spectrum/main6.htm |শিরোনাম=Gulzar's vision of timeless classics |সংবাদপত্র=দ্য ট্রিবিউন |তারিখ=15 August 2004 |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০}}</ref> এছাড়া তিনি দূরদর্শনে প্রচারিত [[বাসু চ্যাটার্জী]] পরিচালিত ''এক প্রেম কথা'' ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। | ||
২০০৬ সালে ''হোয়াইট রেইনবো'' চলচ্চিত্রে একজন ১৫ বছর বয়সী বিধবা চরিত্রে অভিনয় করেন, যাকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.phase9.tv/movies/whiterainbow.shtml |শিরোনাম=White Rainbow |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |ইউআরএল-অবস্থা=dead |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080202104234/http://www.phase9.tv/movies/whiterainbow.shtml |আর্কাইভের-তারিখ=2 | ২০০৬ সালে ''হোয়াইট রেইনবো'' চলচ্চিত্রে একজন ১৫ বছর বয়সী বিধবা চরিত্রে অভিনয় করেন, যাকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.phase9.tv/movies/whiterainbow.shtml |শিরোনাম=White Rainbow |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |ইউআরএল-অবস্থা=dead |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20080202104234/http://www.phase9.tv/movies/whiterainbow.shtml |আর্কাইভের-তারিখ=2 ফেব্রুয়ারি 2008}}</ref> একই বছর তিনি মারাঠি ভাষার ''নিতল'' (২০০৬) চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি শ্রেষ্ঠ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী বিভাগে [[মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার]] অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তিনি [[নন্দিতা দাস]]ের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ''ফিরাক''-এ অভিনয় করেন। ২০০২ সালে [[২০০২ গুজরাত দাঙ্গা|গুজরাতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা]]র ফলশ্রুতি নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটিতে একাধিক গল্প বর্ণিত হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাদৃত এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন হিন্দু নারী জ্যোতি চরিত্রে অভিনয় করেন, যে তার মুসলমান প্রতিবেশীকে ([[শাহানা গোস্বামী]] অভিনীত চরিত্র) দাঙ্গা থেকে বাঁচায়। সুভাষ এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.rediff.com/movies/2009/mar/20firaaq-a-powerful-directorial-debut.htm |শিরোনাম=Hats off to you, Nandita Das |প্রকাশক=[[রেডিফ.কম]] |তারিখ=20 March 2009 |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |লেখক=বর্মা, সুকন্যা}}</ref> একই বছর তিনি একাধিক তারকাসমৃদ্ধ মারাঠি ভাষার হাস্যরসাত্মক ''বালু'' চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। উমেশ বিনায়ক কুলকার্নি পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে তার সহশিল্পীগণ ছিলেন অতুল কুলকার্নি, মোহন আগাশে, ভারতী আচরেকর, গিরীশ কুলকার্নি, দিলীপ প্রভাবালকর এবং সুভাষের মা [[জ্যোতি সুভাষ]]। | ||
তিনি মারাঠি চলচ্চিত্র ''অস্তু'' (২০১৫)-এ অভিনয় করে [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ২০১৯ সালে হিন্দি ভাষার ''[[গল্লি বয়]]'' চলচ্চিত্রে নাম চরিত্রের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করে [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার]] অর্জন করেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=৬৫তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ী হলেন যারা |ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/entertainment/news/bd/771846.details |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |কর্ম=[[বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম]] |তারিখ=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ |ভাষা=en}}</ref> | তিনি মারাঠি চলচ্চিত্র ''অস্তু'' (২০১৫)-এ অভিনয় করে [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ২০১৯ সালে হিন্দি ভাষার ''[[গল্লি বয়]]'' চলচ্চিত্রে নাম চরিত্রের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করে [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার]] অর্জন করেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=৬৫তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ী হলেন যারা |ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/entertainment/news/bd/771846.details |সংগ্রহের-তারিখ=২২ মার্চ ২০২০ |কর্ম=[[বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম]] |তারিখ=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ |ভাষা=en}}</ref> | ||
০০:১৬, ২৩ মার্চ ২০২২ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
অমৃতা সুভাষ | |
|---|---|
২০১২ সালে অমৃতা | |
| জন্ম | অমৃতা সুভাষচন্দ্র ডেম্ব্রে ১৩ মে ১৯৭৯ |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| পেশা | অভিনেত্রী, নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী |
| কর্মজীবন | ১৯৯৭-বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সন্দেশ কুলকার্নি[১] |
| পিতা-মাতা | জ্যোতি সুভাষ (মাতা) |
অমৃতা সুভাষ (মারাঠি: अमृता सुभाष; জন্ম ১৩ মে ১৯৭৯) হলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মারাঠি ও হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চনাটকে অভিনয় করে থাকেন। পাশাপাশি তিনি মারাঠি চলচ্চিত্রে নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও কাজ করেন। মারাঠি ভাষার নিতল (২০০৬) চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি শ্রেষ্ঠ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী বিভাগে মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি মারাঠি চলচ্চিত্র অস্তু (২০১৫)-এ অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং হিন্দি ভাষার গল্লি বয় (২০১৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি নতুন দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায় পড়াশোনা করেন এবং ২০০৪ সালে শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কারে ভারতীয় নিবেদন শ্বাস চলচ্চিত্র দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল হোয়াইট রেইনবো (২০০৬), ফিরাক (২০০৮), ও গন্ধ (২০০৯)। তাকে স্যাক্রেড গেমস টেলিভিশন ধারাবাহিকের ২য় মৌসুমে দেখা যায়।
প্রারম্ভিক জীবন
অমৃতা সুভাষ ১৯৭৯ সালের ১৩ই মে মহারাষ্ট্রের মুম্বই শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাতা জ্যোতি সুভাষও একজন অভিনেত্রী। তিনি পুনের এস পি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।[২] পরে তিনি নতুন দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন, সেখানে তিনি সত্যদেব দুবের শিক্ষার্থী ছিলেন।[৩] পড়াশোনা করার সময় তিনি বিভিন্ন মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন, সেগুলো হল উর্বশিয়াম (১৯৯৭), বেলা মেরি জান (১৯৯৮), হাউজ অব বের্নাডা, অ্যালবা (১৯৯৮), ও মৃগ তৃষ্ণা (১৯৯৯)। মহারাষ্ট্রে ফিরে তিনি কয়েকটি মারাঠি মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে তি ফুলরানী মঞ্চনাটকে ভক্তি বর্ব চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন।[২] জর্জ বার্নার্ড শ'র বিখ্যাত নাটক পিগম্যালিয়ন অবলম্বনে নির্মিত মাই ফেয়ার লেডি চলচ্চিত্র অবলম্বনে এই নাটকটি রচনা করেছন পু লা দেশপাণ্ডে। এছাড়া তিনি একজন প্রশিক্ষিত ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী।[৩]
কর্মজীবন
অমৃতার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ২০০৪ সালে শ্বাস চলচ্চিত্রে মেডিক্যাল সমাজকর্মী আসাওয়ারি চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। চলচ্চিত্রটি ৫১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়[৪] এবং এটি শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কারে ভারত থেকে নিবেদন করা হয়, কিন্তু তা চূড়ান্ত মনোনয়ন পায়নি।[৫] একই বছর তিনি গুলজার পরিচালিত টেলিভিশন চলচ্চিত্র নির্মলা -য় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন, এটি মুন্সি প্রেমচাঁদের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। ২০০৪ সালের অক্টোবরে দূরদর্শনে প্রচারিত টিভি চলচ্চিত্রটি গুলজারের তেহরির... মুনশী প্রেমচাঁদ কি ধারাবাহিকের শেষ পর্ব।[৬] এছাড়া তিনি দূরদর্শনে প্রচারিত বাসু চ্যাটার্জী পরিচালিত এক প্রেম কথা ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।
২০০৬ সালে হোয়াইট রেইনবো চলচ্চিত্রে একজন ১৫ বছর বয়সী বিধবা চরিত্রে অভিনয় করেন, যাকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।[৭] একই বছর তিনি মারাঠি ভাষার নিতল (২০০৬) চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি শ্রেষ্ঠ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী বিভাগে মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তিনি নন্দিতা দাসের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ফিরাক-এ অভিনয় করেন। ২০০২ সালে গুজরাতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলশ্রুতি নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটিতে একাধিক গল্প বর্ণিত হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাদৃত এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন হিন্দু নারী জ্যোতি চরিত্রে অভিনয় করেন, যে তার মুসলমান প্রতিবেশীকে (শাহানা গোস্বামী অভিনীত চরিত্র) দাঙ্গা থেকে বাঁচায়। সুভাষ এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন।[৮] একই বছর তিনি একাধিক তারকাসমৃদ্ধ মারাঠি ভাষার হাস্যরসাত্মক বালু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। উমেশ বিনায়ক কুলকার্নি পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে তার সহশিল্পীগণ ছিলেন অতুল কুলকার্নি, মোহন আগাশে, ভারতী আচরেকর, গিরীশ কুলকার্নি, দিলীপ প্রভাবালকর এবং সুভাষের মা জ্যোতি সুভাষ।
তিনি মারাঠি চলচ্চিত্র অস্তু (২০১৫)-এ অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৯ সালে হিন্দি ভাষার গল্লি বয় চলচ্চিত্রে নাম চরিত্রের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।[৯]
তথ্যসূত্র
- ↑ খারাডে, পল্লবী (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "My husband is my best critic"। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (English ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২০।
- ↑ ২.০ ২.১ পাতিল, নিনাদ (২২ আগস্ট ২০০৯)। "एक डझन सवाल – अमृता सुभाष" (মারাঠি ভাষায়)। মহারাষ্ট্র টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২০।
- ↑ ৩.০ ৩.১ কুলকার্নি, শৈলেশ (৮ ডিসেম্বর ২০০৯)। "'Learning to act is not enough', says Amruta Subhash"। ডেইলি নিউজ অ্যান্ড অ্যানালিসিস। মুম্বই। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২০।
- ↑ "51st National Film Awards" (PDF)। চলচ্চিত্র উৎসব অধিদপ্তর। পৃষ্ঠা ১০–১১। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
- ↑ "India's Oscar entry in this decade"। রেডিফ.কম। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
- ↑ "Gulzar's vision of timeless classics"। দ্য ট্রিবিউন। ১৫ আগস্ট ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
- ↑ "White Rainbow"। ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
- ↑ বর্মা, সুকন্যা (২০ মার্চ ২০০৯)। "Hats off to you, Nandita Das"। রেডিফ.কম। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
- ↑ "৬৫তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ী হলেন যারা"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম (English ভাষায়)। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০।
বহিঃসংযোগ
থাম্বনেইল সৃষ্টি করতে গিয়ে ত্রুটি: ফাইল হারিয়ে গেছে উইকিমিডিয়া কমন্সে অমৃতা সুভাষ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
- উদ্ধৃতি শৈলীতে English ভাষার উৎস (en)
- এইচকার্ডের সাথে নিবন্ধসমূহ
- বাংলা-নয় ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
- জীবিত ব্যক্তি
- ১৯৭৯-এ জন্ম
- ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- মারাঠি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- ভারতীয় চলচ্চিত্রের গায়িকা
- মারাঠি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী
- ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী
- মারাঠি টেলিভিশনের অভিনেত্রী
- হিন্দি টেলিভিশনের অভিনেত্রী
- ভারতীয় মঞ্চ অভিনেত্রী
- মুম্বইয়ের অভিনেত্রী
- মুম্বইয়ের সঙ্গীতশিল্পী
- শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিজয়ী
- মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী
- ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী
- ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় গায়িকা
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী